Showing posts with label আওয়ামী দুঃশাসন. Show all posts
Showing posts with label আওয়ামী দুঃশাসন. Show all posts

Wednesday, 22 October 2014

শেখ কামালের কিছু অপকীর্তি

আওয়ামীলীগ নেতা গাজি গোলাম মোস্তফার ছেলে ছিল শেখ কামালের বন্ধু। এদের প্রায় ৩০ জনের একটা দল ছিল। বিভিন্ন জায়গায় এরা আড্ডা মারত। আবার সেনাবাহিনীর অফিসারদের কোন পার্টি হলে সেখানেও এই দলটি উপস্থিত হত। দলের মধ্যে একজন তৎকালীন প্রেসিডেন্টের ছেলে হওয়ায় দলটির ক্ষমতাই ছিল অন্যরকম। কাউকে তোয়াক্কা করত না তারা। একটি বিয়ের পার্টিতে মেজর ডালিমের বউকে দেখে আওয়ামীলীগ নেতা গাজী গোলাম মোস্তফার ছেলে তার উদ্দেশ্যে অশালীন মন্তব্য করে। এবং এক পর্যায়ে মেজর ডালিমের স্ত্রীর হাত ধরে টানাটানি করে।এ অবস্থায় ডালিম বাধা দিতে এগিযে গেলে তার সাথে গোলাম মোস্তফার ছেলের ঝগড়া হয়। শেখ কামাল সেখানে উপস্থিত ছিলো। সে সরাসরি তার বন্ধুর পক্ষ নেয় এবং মেজর ডালিমের বউকে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকেই তুলে নিয়ে যায়। ( তিনটি অভ্যুত্থান ও কিছু না বলা কথা---লে, কর্নেল (অব) এম এ হামিদ পি এস সি)


সময়কাল ১৯৭৩ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর দিবাগত রাত। শেখ কামাল ও তার সহযোগীরা অস্ত্র হাতে ঢাকার রাস্তায় কুখ্যাত সাদা রঙ এর মাইক্রোবাস নিয়ে নেমেছে। উদ্দেশ্য ব্যাংক ডাকাতি। অন্যদিকে শহরজুড়ে সিরাজ শিকদারের আগমনধ্বনিতে কম্পমান মুজিব ও তার চ্যালা চামুন্ডারা। পুলিশ বাহিনী চরম স্নায়ুচাপে ভুগছে। ব্যাংক ডাকারি চেষ্টাকালে শেখ কামালের দলবলকে সিরাজ শিকদারের দল মনে করে গুলি চালায় সার্জেন্ট কিবরিয়া। আহত হয় শেখ কামাল। পরদিনের গণকণ্ঠ পত্রিকায় বিস্তারিত ছাপা হয় মুজিব পুত্রের ব্যাংক ডাকাতির কাহিনী। (মেজর জেনারেল মইনুল হোসেন চৌধুরী (অব) বীরবিক্রম)
সময়কাল ১৯৭৫।

Wednesday, 3 September 2014

পিডিবির তার সরবরাহে ভয়াবহ জালিয়াতি..৩৯ কোটি টাকায় ৩৬ শ’ খালি ড্রাম!

প্রতি ড্রামে বৈদ্যুতিক তার থাকার কথা এক হাজার ৭০০ মিটার। কর্মকর্তারা যে ক’টি ড্রাম খুলে পরিমাপ করেছেন সেগুলোর প্রত্যেকটিতে পেয়েছেন মাত্র ৪০০ মিটার। অর্থাৎ প্রতি ড্রামে এক হাজর ৩০০ মিটার তার কম পাওয়া যাচ্ছে। এ অবস্থায় একটির পর একটি ড্রাম যতই মাপছিলেন ততই গলা শুকিয়ে যাচ্ছিল ইন্সপেকশন টিমের সদস্যদের। এত বড় দুর্নীতি দেখে তারাই হতভম্ব হয়ে যান। তারা একপর্যায়ে ড্রাম খোলা বা মাপা বন্ধ করে দিয়ে বাকিগুলো নেড়েচেড়ে ওজন অনুমান করার চেষ্টা করেছেন। এতে ড্রামের গঠন ও ওজন আন্দাজ করে তাদের আশঙ্কা সব ড্রাম খোলা হলে হয়তো কোনো কোনোটিতে আরো কম এমনকি খালিও পাওয়া যেতে পারে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিভাগে নজিরবিহীন এই ঘটনায় আঁতকে ওঠেন সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক দলের সদস্যরা। এ ঘটনায় প্রভাবশালী মহল জড়িত থাকতে পারে, এ আশঙ্কায় পরিদর্শক দলের সদস্যরা ভয়ে তদন্তকাজ অসমাপ্ত রেখেই ঢাকায় ফিরে যান। 
গত ১০ আগস্ট বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) টঙ্গীর কেন্দ্রীয় ভাণ্ডারে ঘটেছে ভয়াবহ এ জালিয়াতির ঘটনা। ভাণ্ডারে গত জুন মাসে ১১০ ট্রাকে তিন হাজার ৬৩০ ড্রাম বৈদ্যুতিক অ্যালুমিনিয়াম তার সরবরাহ করে সরকারি দলের একজন প্রভাবশালী সংসদ সদস্যের মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। পরিদর্শক দলের তদন্তে পুকুর চুরি ধরা পড়ায় তারা বর্তমানে চাপের মধ্যে রয়েছেন ও একই সাথে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে জোর চেষ্টা চলছে বলেও জানা গেছে।

Thursday, 3 July 2014

শাঁখারী বাজারে মন্দির দখল করলো স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

03 Jul, 2014
হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভয় দেখিয়ে পুরান ঢাকার শাঁখারী বাজারে একটি সম্পত্তিসহ মন্দির দখলের অভিযোগ উঠেছে সরকার সমর্থক সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের স্থানীয় এক নেতার বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দলীয় প্রভাব ও ভয় দেখিয়ে ইতিমধ্যে ওই ভবনটির ভাড়াটেদের উচ্ছেদ করেছেন ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ (দক্ষিণ) এর সভাপতি দেবাশীষ বিশ্বাস।

শাঁখারী বাজার এলাকার ১৪ নম্বর ভবনটির ২য় তলায় ‘শ্রী শ্রী কালা চাঁদ দেবের’ একটি মন্দির রয়েছে। ভবনের অন্যান্য অংশে বাস করছেন অন্তত ১০টি পরিবার।

Monday, 23 June 2014

এবার টয়লেট দখল করলেন ছাত্রলীগ সভাপতি!

24 Jun, 2014

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই টয়লেটটি দখল করে ফটোকপি ও স্টেশনারি দোকান বসিয়েছেন ছাত্রলীগ 

পরিবহনে চাঁদাবাজি, বার্গার হাউসে ফাও খাওয়া নিয়ে মারামারি, দলীয় কর্মীর হাতে চড় খাওয়ার মতো বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার পর এবার টয়লেট দখলের অভিযোগ উঠেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে। দখলের পর টয়লেটটিতে ফটোকপি ও স্টেশনারি দোকান বসানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল উদ্ধার আন্দোলনের সময় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সমবায় ব্যাংকের ওই জায়গাসহ টয়লেটটি দখল করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে ওই জায়গাটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) ঘোষণা করা হয়।

Wednesday, 7 May 2014

ফিরে আসছে আওয়ামীলীগের সেইসব 'গুণধরের' স্মৃতি!

ফিরে আসছে সেইসব 'গুণধরের' স্মৃতি!
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত হত্যার ঘটনায় যে র‍্যাব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের মধ্যে একজন হলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার জামাতা লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাইদ মাহমুদ। তিনি নারায়ণগঞ্জে র‍্যাব-১১ এর কমান্ডিং অফিসার ছিলেন। হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মঙ্গলবার তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে।
সাত খুনের ঘটনায় আলোচনা যতোই গভীরে ঢুকছে ততোটাই অভিযুক্ত হচ্ছেন মায়ার পরিবারের এই সদস্য। অবশ্য শুধু তিনি নন, তার সাথে ত্রাণমন্ত্রীর ছেলের নামও এসেছে। নিহত কাউন্সিলর নজরুলের পরিবারের ভাষ্যমতে, মন্ত্রীপুত্র ওই ঘটনায় লেনদেনের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা রাখেন।

Friday, 2 May 2014

Six Abductees in N'ganj.... Murdered brutally, dumped into river

City erupts in fury as decomposed bodies found floating, tied to bags filled with bricks
Star Report
One of the six bodies found in the river Shitalakkhya at Narayanganj is being pulled towards the shore yesterday. The photo was partly pixelated.  Photo: Courtesy/TV grab
One of the six bodies found in the river Shitalakkhya at Narayanganj is being pulled towards the shore yesterday. The photo was partly pixelated. Photo: Courtesy/TV grab
In a shocking turn of events, the bodies of Narayanganj city councillor Nazrul Islam and five others were found floating in the Shitalakkhya river yesterday, three days after seven people, including Nazrul, were kidnapped in broad daylight in Narayanganj.
The six victims were killed and their bodies were dumped into the river in similar manner. The murderers cut the victims' bellies and then tied the bodies to sacks full of bricks before throwing into water, according to police.

Sunday, 27 April 2014

আব্বু চিন্তিত মুজিব কাকু আমলেই নিলেন না

আম্মা আমাকে সঙ্গে নিয়ে একদিন সন্ধ্যারাতে মুজিব কাকুর বাসায় গেলেন। মুজিব কাকি ঘরের সামনের বারান্দায় বসে পান খেতে খেতে গল্প করছেন। আমি মুজিব কাকুর ঘরের সামনে দিয়ে হেঁটে যেতেই ভেতর থেকে মুজিব কাকু আমাকে ডাকলেন, ‘এই রিপি নাকি? ভেতরে আয়।’ ঘরের খোলা দরজা দিয়ে দেখা যায় মুজিব কাকু বালিশে মাথা রেখে বিছানায় চিৎ হয়ে শুয়ে আছে। তাঁর মাথার কাছে চেয়ারে শেখ ফজলুল হক মনি বসা। তিনি মুখ নিচু করে নিম্নস্বরে মুজিব কাকুকে কিছু বলছিলেন। মুজিব কাকুর ডাকে আমি ঘরে ঢুকতেই শেখ মনি মুখ তুলে আমার দিকে তাকালেন। তাঁর দৃষ্টি শীতল ও সতর্ক। মুজিব কাকু তাঁর স্বভাবজাত উষ্ণতা ভরা কণ্ঠে আমাদের কুশল জিজ্ঞেস করলেন। এরপর দরাজ গলায় বললেন, ‘শোন, আমি তোকে লেখাপড়া করতে রাশিয়ায় পাঠাবো।’ আমার সঙ্গে মুজিব কাকুর সেই শেষ কথা। মনে পড়ে ১৯৬৮ সালে মুজিব কাকু ও আব্বু যখন জেলে, তখন এই বাড়িতেই অনাড়ম্বর পরিবেশে অল্প কিছু আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের উপস্থিতিতে মুজিব কাকুর জ্যেষ্ঠ কন্যা হাসিনা আপার (শেখ হাসিনা) সঙ্গে বিজ্ঞানী এমএ ওয়াজেদ মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। আম্মার সঙ্গে সেই অনুষ্ঠানে আমি যোগ দিয়েছিলাম।
‘তাজউদ্দীন আহমদ, নেতা ও পিতা’ গ্রন্থে এসব কথা লিখেছেন মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের জ্যেষ্ঠ কন্যা শারমিন আহমদ। 

খুনি মুজিবকে হত্যা করা হইয়াছে’ - মানুষ এই হত্যাকান্ডে উল্লাস প্রকাশ করেছে

আম্মা আমাকে সঙ্গে নিয়ে একদিন সন্ধ্যারাতে মুজিব কাকুর বাসায় গেলেন। মুজিব কাকি ঘরের সামনের বারান্দায় বসে পান খেতে খেতে গল্প করছেন। আমি মুজিব কাকুর ঘরের সামনে দিয়ে হেঁটে যেতেই ভেতর থেকে মুজিব কাকু আমাকে ডাকলেন, ‘এই রিপি নাকি? ভেতরে আয়।’ঘরের খোলা দরজা দিয়ে দেখা যায় মুজিব কাকু বালিশে মাথা রেখে বিছানায় চিৎ হয়ে শুয়ে আছে। তাঁর মাথার কাছে চেয়ারে শেখ ফজলুল হক মনি বসা। তিনি মুখ নিচু করে নিম্নস্বরে মুজিব কাকুকে কিছু বলছিলেন। মুজিব কাকুর ডাকে আমি ঘরে ঢুকতেই শেখ মনি মুখ তুলে আমার দিকে তাকালেন। তাঁর দৃষ্টি শীতল ও সতর্ক। মুজিব কাকু তাঁর স্বভাবজাত উষ্ণতা ভরা কণ্ঠে আমাদের কুশল জিজ্ঞেস করলেন। এরপর দরাজ গলায় বললেন, ‘শোন, আমি তোকে লেখাপড়া করতে রাশিয়ায় পাঠাবো।’ আমার সঙ্গে মুজিব কাকুর সেই শেষ কথা। মনে পড়ে ১৯৬৮ সালে মুজিব কাকু ও আব্বু যখন জেলে, তখন এই বাড়িতেই অনাড়ম্বর পরিবেশে অল্প কিছু আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের উপস্থিতিতে মুজিব কাকুর জ্যেষ্ঠ কন্যা হাসিনা আপার (শেখ হাসিনা) সঙ্গে বিজ্ঞানী এমএ ওয়াজেদ মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। আম্মার সঙ্গে সেই অনুষ্ঠানে আমি যোগ দিয়েছিলাম।

Saturday, 26 April 2014

‘মুজিব কাকু সরে গিয়েছিলেন অনেক দূরে’

তাজউদ্দীন আহমদ প্রসঙ্গে একটি কথা খুবই প্রচলিত। ১৯৭১ সালে মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক চলছে ঢাকায়। পাকিস্তান পিপলস পার্টি প্রধান জুলফিকার আলী ভুট্টো ঢাকায় এসেছেন। আছেন ইন্টারকন্টিনেন্টালে কড়া মিলিটারি পাহারায়। কজন বাঙালি সাংবাদিক সাক্ষাতের অনুমতি পেয়েছে। আলাপকালে ভুট্টো এ সময় বলে বসলেন, আলোচনা বৈঠকে মুজিবকে আমি ভয় পাই না। ইমোশনাল এপ্রোচে মুজিবকে কাবু করা যায়, কিন্তু তার পেছনে ফাইল বগলে চুপচাপ যে নটোরিয়াস লোকটি বসে থাকে তাঁকে কাবু করা শক্ত। দিস তাজউদ্দীন, আই টেল ইউ, উইল বি ইউর মেইন প্রবলেম। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী তাজউদ্দীন কন্যা শারমীন আহমদের ঐতিহ্য প্রকাশনী থেকে সদ্য প্রকাশিত ‘তাজউদ্দীন আহমদ, নেতা ও পিতা’ বইতে মুজিব-তাজউদ্দীন সম্পর্ক নিয়ে লিখেছেন, ষাটের দশকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক স্বর্ণালি লগ্নে মুজিব-তাজউদ্দীন এই নবীন জুটির আবির্ভাব বাংলাদেশের রাজনৈতিক মঞ্চে। তারা আওয়ামী লীগে প্রগতিশীল নতুন ধারার সূচনা করেন। তারা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো নিতেন একত্রে। বাস্তবায়ন করতেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। তাদের কাজ দেখে মনে হতো তারা এক অভিন্ন সত্তা। তাদের টিমওয়ার্কের সবল ভিত্তির ওপর ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন ও জনগণের আস্থা অর্জন সম্ভবপর হয়েছিল। তারা ছিলেন একে অন্যের পরিপূরক।

Friday, 25 April 2014

স্বাধীনতার ঘোষণায় স্বাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানান মুজিব কাকু : তাজউদ্দিন কন্যা

‘তাজউদ্দীনকে হত্যার চেষ্টা করেছিল মুজিব বাহিনী’

২৭শে মার্চ সকালে কারফিউ তুলে নেয়া হয় দেড় ঘণ্টার জন্য। এই সময় আব্বু দ্রুত সিদ্ধান্ত নিলেন যে, সাতমসজিদ রোড পার হয়ে রায়ের বাজারের পথ দিয়ে শহর ত্যাগ করবেন। লুঙ্গি, পাঞ্জাবি, মাথায় সাদা টুপি পরিহিত ও হাতে লোকদেখানো বাজারের থলির আড়ালে কোমরে গোঁজা পিস্তল আড়াল করে আব্বু চললেন গ্রামের উদ্দেশ্যে।’ যুদ্ধাকালীন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এভাবেই বেরিয়ে পড়েছিলেন রণাঙ্গনের উদ্দেশ্যে। সদ্য প্রকাশিত গ্রন্থ ‘তাজউদ্দীন আহমদ নেতা ও পিতা’ গ্রন্থে তাজউদ্দীন আহমদের যুদ্ধযাত্রার এ বর্ণনা দিয়েছেন তার জ্যেষ্ঠ কন্যা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী শারমিন আহমদ। ১৯৯০ সালে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফেলোশিপ ও উইমেন্স স্টাডিজ স্কলারসহ উইমেন্স স্টাডিজে মাস্টার অব আর্টস ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। শারমিন আহমদ আরও লিখেছেন, যাওয়ার পথে পদ্মার তীরবর্তী গ্রাম আগারগাঁয়ে শুকুর মিয়া নামের আওয়ামী লীগের এক কর্মীর বাড়িতে তারা আশ্রয় নেন। এই বাড়ির সকলেই তাঁতের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল। সেখানে তারা শুনতে পান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা। ২৭শে মার্চ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে সম্প্রচারিত এই ঘোষণাটি আব্বুসহ সামরিক ও বেসামরিক সকল বাঙালিকে অনুপ্রাণিত করে। পরদিন ভোরেই তাঁরা সেই স্থান ত্যাগ করেন। এরপর তাজউদ্দীন আহমদের ভারত যাত্রা, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বভার গ্রহণ, মুজিবনগর সরকার প্রতিষ্ঠার বিশদ বিবরণ লিখেছেন শারমিন আহমদ। 

Thursday, 20 March 2014

বিএনপি জামায়াত হেফাজত দমনেই বেশি পদক



ঢাকা: সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীদের দমনে বিশেষ ভূমিকা রাখা পুলিশ কর্মকর্তারাই এবার পদক তালিকায় শীর্ষে। বিএনপি তথা ১৮ দলীয় জোটের আন্দোলন দমন, জাময়াত-শিবিরের নাশকতা প্রতিরোধ, হেফজতকর্মীদের ঢাকা থেকে বিতারিতসহ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সরকারবিরোধীদের সফলতার সঙ্গে প্রতিরোধের কারণেই তাদের পদক দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৬ পুলিশ সহস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) সাহসীকতা; র‌্যাব, পুলিশের শীর্ষ ২০ কর্মকর্তাকে বিপিএম সেবা পদক দেয়া হয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) সাহসীকতা দেয়া হয়েছে ২৯ পুলিশ-র‌্যাব সদস্যকে। যাদের অধিকাংশই মাঠ পর্যায়ের।

এছাড়া রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) সেবা দেয়া হয়েছে ৪০ পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের। যার মধ্যে রয়েছে বহুল  আলোচিত লালবাগ বিভাগ পুলিশের উপ-কমিশনার হারুন আর রশিদ ও তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার।

Tuesday, 4 March 2014

শিবিরকে IHS এর সন্ত্রাসী লিস্টে যোগ করতে সাহায্য করেন ভারতীয় অনুরাগ গুপ্ত

>


গতকালকে যখন IHS এর গত ১৩ তারিখের প্রেস রিলিজে (যদি ও আমাদের মিডিয়া গতকাল খবর দিয়েছে) শিবিরকে ৩ নাম্বার সন্ত্রাসী লিস্ট দেখি তখনি সন্দেহ হয়েছিলো , নিশ্চয় কোনো চক্রান্ত কাজ করছে এইখানে। শিবিরকে আলকায়েদার আগে স্থান দেওয়া হয়েছে। উদ্দেশ্য যাওয়ারি কার্ড না খেলতে পেরে শিবির কার্ড খেলতে চেয়েছে। যাই হোক কালকে IHS এর ওয়েবসাইটে গিয়ে খুজি কে আছে এই সাইটের পিছনে ? দেখতে দেখতে পেয়ে গেলাম এক দাদাবাবুর নাম। যিনি কোম্পানির একজিকিউটিভ ডিরেক্টর। 

সূত্র : http://www.ihs.com/about/executives.aspx

বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের আমদানিকারক ও প্রতিষ্ঠাতা আওয়ামীলীগ



@ ১৯৯৭ সালের ৩০ জানুয়ারি ছাত্রলীগ নেতা মুন্সি আনিসুল ইসলামের বড়ভাই মুফতি হান্নানকে গোপালগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরীর ৭ নম্বর প্লটে চার হাজার ৫০০ বর্গফুট জমি বরাদ্দ দেয় আ'লীগ সরকার যেখানে বোমা তৈরির কারখানা গড়ে ওঠে। (১) 

@১৯৯৮ সালের ২৩ জানুয়ারী ওসামা বিন লাদেনের জিহাদের ডাকে সাড়া দেয় বাংলাদেশের ফজলুর রহমান, এরই ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে হুজি বাংলাদেশ গঠিত হয়। 

ছাত্রলীগ কর্মীকে ‘সাজা দেওয়ায়’ হাকিম বদলি

04 Mar, 2014
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় জাল ভোট দেওয়ার সময় আটক ছাত্রলীগের এক কর্মীকে সাজা দেওয়ার পর চাঁদপুরের নির্বাহী হাকিম তুষার আহমেদকে তাত্ক্ষণিক বদলি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে চাঁদপুর থেকে কুমিল্লায় বদলি করা হয়। কাল বুধবার তাঁকে যোগদান করতে বলা হয়েছে।

Monday, 17 February 2014

সজীব ওয়াজেদ জয় কি তাহলে বাংলাদেশের BAL কায়েদা শাখার প্রধান ??/:)

আল-কায়দা নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরির কথিত অডিও বার্তাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইন্টারনেটে ছাড়া হয়েছে বলে ধারণা করছে বিটিআরসি। সোমবার টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি এ কথা জানিয়েছে।
সূত্র প্রথম আলো 
প্রসঙ্গত, আল-কায়েদার প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরির নাম ও ছবিসহ ইন্টারনেটে প্রচারিত আরবি ভাষায় দেয়া ওই বার্তায় বাংলাদেশে, তাদের ভাষায়, ইসলামবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ডাক দেয়া হয়েছে। তবে এই বার্তাটি আল-কায়েদার কি না তার সত্যতা যাচাই করে দেখছে নিরাপত্তা বাহিনী। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সময়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে আল-কায়েদার মতো একটি সংগঠনের বক্তব্য বিস্ময়কর। 


যেহেতু ভিডিওটি আমেরিকা থেকে আপলোড করা হয়েছে , তাই অনেকের মনে প্রশ্ন জগতে পারে , তাহলে কি শেখ হাসিনার ছেলে , বিশিস্ট কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয় কি তাহলে এই ভিডিও আপলোড করেছেন ??

কেন সজীব ওয়াজেদ জয় এই ভিডিও আপলোড করবেন ?? 
১) প্রথমত এই সরকারের দেশে বিদেশে কোনো স্বীকৃতি নাই। সরকার পরিচালনা করতে স্বীকৃতি দরকার। তাই জঙ্গি জুজুর ভয় দেখিয়ে বিদেশীদের সাহায্য নিয়ে ক্ষমতায় ৫ বছর থাকতে চায়। 

Sunday, 12 January 2014

মসজিদে আযান-নামাজ হয়না : চলছে গ্রেফতার বাণিজ্য

13 Jan, 2014
গত ২৯ দিনেও নীলফামারীর ঐতিহ্যবাহী রামগঞ্জ বাজার এবং টুপামারী ও লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নে স্বাভাবিক জীবন ফিরে আসেনি। এখনও কয়েকটি মসজিদে আযান দেয়া ও নামাজ আদায় হচ্ছে না। বাকী মসজিদগুলোতে আযান দেয়া ও নামাজ আদায় হলেও মুসল্ল¬ীর সংখ্যা হচ্ছে ৪ থেকে ৫ জন। এলাকাবাসী জানান, পুলিশি গ্রেফতার আতঙ্কে মানুষ ঘর-বাড়ী ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। পুলিশের দায়েরকৃত মামলা থেকে রেহাই পেতে ও গ্রেফতার না হওয়া নিয়ে চলছে বাণিজ্য।

Tuesday, 7 January 2014

নির্বাচনোত্তর আওয়ামী সহিংসতার শিকার আ.লীগ : মোরেলগঞ্জে মাদরাসা অধ্যক্ষের রগকর্তন, কালীগঞ্জে ১০ কর্মীর বাড়িঘর ভাংচুর লুট মাগুরায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ, পলাশে কৃষি কর্মকর্তাকে পিটুনি


আওয়ামী লীগের বহিষ্কুত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এক মাদরাসা অধ্যক্ষের হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়েছে ছাত্রলীগ লীগ সন্ত্রাসীরা। বাধা দিতে গেলে কুপিয়ে জখম করা হয় ৩ মাহিলাকেও। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নৌকায় ভোট দেয়ায় ১০ আওয়ামী লীগ কর্মীর বাড়িঘর ভাংচুর লুটপাট করেছে একই দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকেরা।
মাগুরায় বিতর্কিত নির্বাচনে জয়ী আওয়ামী লীগ প্রার্থী ড. সিরাজুল আকবরের
সমর্থক ও পরাজিত যুবলীগ নেতা কুতুব উল্লাহ কুটির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আহত হয় ১৩ জন। জাল ভোট দিতে না দেয়ায় নরসিংদীর পলাশে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে তার কার্যালয়ে ঢুকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে একই দলের সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয় ৮ নেতাকর্মী। এছাড়া সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় পিটিয়ে আহত করা হয়েছে দুই বিএনপি নেতাকে।
মাগুরায় জয়ী আ.লীগ ও পরাজিত যুবলীগ নেতার সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ
মাগুরা প্রতিনিধি জানান, নির্বাচনী উত্তর সহিংসতায় মাগুরার রবিশাট এবং কুকনা গ্রামে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ১৩ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত ৮ জনকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Saturday, 4 January 2014

দুর্ভিক্ষ ১৯৭৪, বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কৃষ্ণকাল

একটি তিন বছরের শিশু এতই শুকনো যে, মনে হল সে যেন মায়ের পেটে থাকাকালীন অবস্থায় ফিরে গেছে। আমি তার হাতটা ধরলাম। মনে হল তার চামড়া আমার আঙ্গুলে মোমের মত লেগে গেছে। এই দুর্ভিক্ষের আর একটি ভয়ঙ্কর পরিসংখ্যান এই যে, বিশ্বস্বাস্থ্ সংস্থার মতে ৫০ লাখ মহিলা আজ নগ্ন দেহ। পরিধেয় বস্ত্র বিক্রি করে তারা চাল কিনে খেয়েছে।” 

“সন্ধা ঘনিয়ে আসছে এবং গাড়ী আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম-এর লরীর পিছনে পিছনে চলেছে। এই সমিতি ঢাকার রাস্তা থেকে দুর্ভিক্ষের শেষ শিকারটিকে কুড়িয়ে তুলে নেয়। সমিতির ডাইরেক্টর ডাঃ আব্দুল ওয়াহিদ জানালেন,“স্বাভাবিক সময়ে আমরা হয়ত কয়েক জন ভিখারীর মৃতদেহ কুড়িয়ে থাকি। কিন্তু এখন মাসে অন্ততঃ ৬০০ লাশ কুড়াচ্ছি- সবই অনাহার জনিত মৃত্যু।” 

ছাত্রলীগের রগকাটা কব্জিকাটার টুকরো ইতিহাস --

সিলেট পলিটেকনিকে রামদা হাতে ছাত্রলীগের ক্যাডাররা- সংগ্রাম, ১৬ মে ২০১০
সিলেট পলিটেকনিকে রামদা হাতে ছাত্রলীগের ক্যাডাররা- সংগ্রাম, ১৬ মে ২০১০
দার্শনিক গোয়েবলৎসের একটি সুত্র হচ্ছে কোন একটি মিথ্যাকে সত্য বলে প্রমানিত করার জন্য সেই মিথ্যাকে ১ শত বার বলাই যথেষ্ট। বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিতে সম্ভবত দার্শনিক গোয়েবলৎসের সেই সুত্রটিই টিকে গেছে। কারন যারা রগকাটার সাথে আদৌও সম্পর্কিত নয় তারা আজ রগকাটার দল আর যারা প্রকৃতপক্ষে প্রতিনিয়ত রগকাটে তাদের বেলায় এ কথাটি প্রযোজ্য হয়না। ১৯৭৭ সালে ছাত্রশিবির নামক একটি আদর্শিক ছাত্রসংগঠনের জন্ম হয় বাংলাদেশে। যারা এই আদর্শিক সংগঠনটিকে আদর্শ দিয়ে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয় তারা তাদের সর্বোচ্চ পেশীশক্তি এ সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। কিন্তু পেশীশক্তি ব্যবহার করে এমনকি এই সংগঠনের শতশত নেতা কর্মীকে হত্যা করার পরও যখন সংগঠনটিকে দমাতে পারলোনা তখন কল্প কাহিনীর মত প্রচার করতে থাকল এই সংগঠনটি রগ কাটে।