Showing posts with label শাহবাগ চত্ত্বর. Show all posts
Showing posts with label শাহবাগ চত্ত্বর. Show all posts

Thursday, 31 July 2014

শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা সমগ্র



১) শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার সংক্ষিপ্ত জীবনী ও পরিচিতি

http://chairmanbd.blogspot.co.uk/2014/07/blog-post_83.html


২) বিচার প্রক্রিয়া : শহীদ হওয়ার দিন পর্যন্ত : বাংলাদেশ ওয়ারক্রাইম ব্লগ।  ডেভিড বার্গমেন http://bangladeshwarcrimes.blogspot.co.uk/search/label/Molla 
৩) শহীদ হওয়ার আগে কর্মীদের প্রতি আব্দুল কাদের মোল্লার নসিহত : আমার অনুরোধ, আমার শাহাদাতের পর ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা যেন ধৈর্য্য ও সহনশীলতার পরিচয় দেয় - আব্দুল কাদের মোল্লা
http://jamaat-e-islami.org/details.php?artid=MTU1MzE=

৪) কাদের মোল্লা, কসাই কাদের ও কিছু প্রশ্ন
http://nuraldeen.com/2013/12/24/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%93/ 
৫) কাদের মোল্লাকে নিয়ে জামায়াতের সাইটের আরো থ্রেড :
http://jamaat-e-islami.org/categorypage.php?catid=45 

৬) কাদের মোল্লার জানাজা : 
ছবি কি বলে শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা কি আসলেই কসাই কাদের? 
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/4901/Banglardamalsontan/33596#.U9rp5vldWSo  
সারাদেশে কার গায়েবানা জানাজা দেখলাম ? একজন অপরাধী হলে তো এমন হবার কথা নয় ?
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/2601/muhon/33569#.U9rxc_ldWSo

৭) শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার জানাজার নামাজ ও দাফনের চিত্র 
https://www.youtube.com/watch?v=eOccVIgH-ro 

Sunday, 4 May 2014

মীর কাশেম আলীঃ মাত্র এক বোতল পানির জন্য কি না করলেন

মাত্র এক বোতল পানির জন্য ইনসান এমন করতে পারে, তা আপনি না দেখলে বিশ্বাস করবেন না। কিন্তু এই কাজটি ঘটেছে মীর কাশেম আলীর বেলায়। আমার এই এজহারের সাক্ষী হবেন শিবিরের এক জামানার কেন্দ্রীয় সভাপতি, যিনি এখন দিগন্ত টেলিভিশনের বড় কর্মকর্তা। আমার বিশ্বাস তিনি তিনি সাক্ষী দেবেন।
মীর কাশেম আলী মানে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা। তিনি-
১. জামায়াতে ইসলামীর সর্বোচ্চ বডি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য।
২. ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম।
৩. ইবনে সিনার ডাইরেক্টর ও সর্বোচ্চ নির্বাহী।
৪. দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশন-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান।
৫. মেসার্স কেয়ারী ইন্টারন্যাশনাল এর চেয়ারম্যান।
২০১০ এ তিনি দেশ থেকে বিদেশে গেলেন বা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গেলেন।পালিয়ে গেলেন ঢাকার জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করে। বিভিন্ন দেশ ঘুরে আসলেন মধ্যপ্রাচ্যের কাতারে। উদ্দেশ্য আল জাজিরা টেলিভিশনের সাথে দিগন্ত টেলিভিশনের অনুষ্ঠান সম্পর্কিত চূক্তি করা। সাথে দিগন্ত মিডিয়া কপোরেশনের শেয়ার বিক্রি। দেশের প্রায় সকল পত্রিকায় মোটা হরফে নিউজঃ মীর কাশেম আলী দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন। তিনি অবশ্য বিবৃতি দিলেন যে, তিনি পালিয়ে যাননি, কাজে এসেছেন এবং কাজ শেষে আবার দেশে ফিরবেন সহসাই। তার সফর সংগী ছিলেন শিবিরের এক সময়ের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুজিবুর রাহমান মনজু।
তার সেই সফরেই তিনি মাত্র এক বোতল পানির জন্য যে কান্ডটাই না ঘটালেন, তা শুনলে বিশ্বাস করবেন না।

Monday, 7 April 2014

গনজাগরন মঞ্চের চাঁদাবাজির সংক্ষিপ্ত লিস্ট/ তালিকা

১. এস পি মাহবুব থেকে ৪ লক্ষ টাকা বাপ্পাদিত্য বসুর সামনে লেনদেন
২. কানাডা থেকে জিয়াউল হক প্রবাসীদের ফান্ড লেনদেন বাপ্পাদিত্য বসুর পরিচিত।
৩. ইনসেপ্টা ৫ লক্ষ টাকা দিয়েছে নাছিরউদ্দিন ইউসূফ বাচ্চুর কাছে জানিয়েছেন ফরিদুর রেজা সাগর।
৪. বসুন্ধুরা গ্রুপ ২০ লক্ষ টাকা প্রদান করেছে ।
৫. রেনেটা ফার্মা (জামাতের) ৪ লক্ষ টাকা প্রদান করেছে।
৬. ল্যাবএইড ডা আর্সালনের মাধ্যমে ১০ লক্ষ টাকা প্রদান করেছে।
৭. ইস্পাহানি ১০ লক্ষ টাকা প্রদান করেছে।
৮. এফবিসিসিআই চেয়ারম্যান কাজী আকরাম উদ্দিন হতে ৬০ লক্ষ টাকা।
৯. আবেদ খান ২.৫ লাখ টাকা ইমরান এইচ সরকারের হাতে প্রদান করেছে।
১০. হামীম গ্রুপ ২০ লক্ষ টাকা প্রদান করেছে।
১১. যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে থেকে আগত ফান্ড।
১২. হনিফ পরিবহন ১০ লক্ষ টাকা ইমরান এইচ সরকারকে ক্যাশ চেক।
১৩. অটবি ১০ লক্ষ টাকা এবং ফেব্রুয়ারী ৮ তারিখ পর্যন্ত খাবার প্রদান করেছে।
১৪. ৪.৬ লক্ষ টাকা প্রথম আলোর মাধ্যমে।
১৫. ফরিদুর রেজা সাগর ৬০ হাজার টাকা দিয়েছে সোমার মাধ্যমে ইমরানের কাছে ।
১৬. আওয়ামীলীগ নেতাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে তোলা চাঁদা।
১৭. আওয়ামীলীগের অনেক এমপি-মন্ত্রী প্রচুর** টাকা দিয়েছে।

Sunday, 6 April 2014

কোটি টাকা ভাগাভাগির অভিযোগ

যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার রায়কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের নেতারা কোটি কোটি টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন। প্রায় দেড় শতাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি করা হয়েছে মঞ্চের নামে। শুধু তাই নয়, চাঁদাবাজির পর চাপে পড়ে কমপক্ষে ২০টি প্রতিষ্ঠানের টাকা ফেরতও দেয়া হয়েছে। মঞ্চের নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও অস্বচ্ছতার প্রতিবাদ জানিয়ে আন্দোলনের এক পর্যায়ে নোট অব ডিসেন্ট দেয় ছাত্র ফেডারেশন। অভিযোগ রয়েছে মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দিয়েছেন ইতিমধ্যে। নিজেও দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করছেন। আর আন্দোলনের সঙ্গে জড়িতরা তার কাছে হিসাব চাইছেন। শুধু ডা. ইমরান এইচ সরকারই নয় আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা জড়িত রয়েছেন চাঁদাবাজিতে। তারা এখন হিসাব দিচ্ছেন না। এর মধ্যে কয়েকজন সাবেক ছাত্রনেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বও রয়েছেন। গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের ওপর শুক্রবার পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলার পর বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে এসেছে। গণজাগরণ মঞ্চ পর্দার অন্তরালে বিভিন্ন স্বাধীনতাবিরোধী সংগঠন থেকেও টাকা নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রলীগ নেতারা।

Tuesday, 4 March 2014

প্রজন্ম তুমি ভুল মানুষকে ফাঁসি দিয়েছ এবং একজন কানাডিয়ান মোজাম্মেলের মিথ্যাচার





প্রজন্ম গত বছরের ৫ ই ফেব্রুয়ারী কাদের মোল্লার ফাসির জন্য আন্দোলন শুরু করেছিলো। আপাদত দৃষ্টিতে তোমরা তোমাদের দাবি পূরণ করতে পেরেছ। কিন্তু প্রজন্ম তুমি কি কখনই চিন্তা করেছ , কাদের মোল্লা আর কসাই কাদের একই ব্যক্তি না ও হতে পারে। তুমি যা দেখনি আর যা শুনেছ তা মিথ্যা ও হতে পারে , তা কি কখনো ভেবেছ ? 

তুমি কি কখনো ভেবেছ কসাই কাদের কিভাবে স্বাধীনতার পরে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে ? তোমার কি চিন্তা জাগ্রত হয়নি যে একজন কসাইয়ের নাম স্বাধীনতার পর রাজাকারদের তালিকায় কেন তার নাম নেই? 

Sunday, 15 December 2013

কাদের মোল্লার রায় নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এর বিবৃতি ও শাহবাগী মিথ্যাচার

গত কয়েকদিন আওয়ামী বুদ্ধিজীবী, তাদের মিডিয়া এবং শাহবাগী তরুণ প্রজন্ম প্রোপাগান্ডা চালিয়ে মানুষকে এমনটা বুঝাতে চেয়েছে যে জাতিসংঘ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আসলে নীতিগত কারণে মৃত্যুদণ্ডের বিপক্ষে, এমনিতে ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যাথা নেই। শাহবাগীদের এমন দাবী আসলে সত্যের সম্পূর্ণ অপলাপ।

যেমন, হিউম্যান ওয়াচ তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলেছে, "Accused Should Have Right to Appeal in Case Rife with Fair Trial Problems."

লিংকঃ http://www.hrw.org/news/2013/12/08/bangladesh-halt-execution-war-crimes-accused

জাতিসংঘের হাই কমিশনার নাভি পিল্লাইয়ের বিবৃতিতে বিষয়টা এসেছে এভাবে, "The High Commissioner urged the Bangladeshi Government not to proceed with the death penalty in cases before the International Crimes Tribunal, particularly given concerns about the fairness of the trials."

লিংকঃ http://www.un.org/apps/news/story.asp?NewsID=46704&Cr=death+penalty&Cr1#.Uq2dVt98Lv4

এই দুই বিবৃতিতে তারা স্পষ্টভাবে ট্রাইব্যুনালের fairness নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কিন্তু শাহবাগীরা সুচতুরভাবে এসব বিষয় এড়িয়ে যায়। 

Friday, 26 July 2013

শাহবাগীদের চিনার সহজ উপায়

বর্তমানে নতুন এক ধরনের মানুষ বের হয়েছে যাদেরকে শাহবাগী বলা হয় ..কেউ কেউ তাদেরকে শাহ্পাপী ও বলে থাকেন ...যাই হোক এখন আপনাদেরকে দেখাবো শাহবাগী চিনার সহজ উপায় .

























উনারা খুব উদ্ভট চরিত্র ধারণ করে থাকেন ...যেমন উনাদের কোনো ব্লগ বন্ধ করলে বলেন Muzzle me not .. আবার উনাদের বিরোধীদের কোনো ব্লগ বন্ধ করে মালিককে রিমান্ডে নিলে শাহবাগে গিয়ে বিরানী খান ...তখন আর muzzle এর কথা মনে থাকে না 

সামনে আরো আসছে ...বা আপনারা ও কমেন্টে আরো যোগ করতে পারেন
http://www.bdtoday.net/blog/blogdetail/detail/1930/chairman/23125#.UfM_Po21FVI

নারীকে নিয়ে হু. আযাদ স্যার+ আরও অনেকের মন্তব্য

বাংলাদেশে আজ যে দুটো টপিক নিয়ে পার্লামেন্টেও পর্যন্ত আলাপ হয়েছে তাহলো শফি সাহেবের নারী বিষয়ক তেতুঁল তত্ত্ব । 

নারীরা সহ নারীবাদীরা তো আছেই , প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মন্ত্রী , এমপিরাও পর্যন্ত ( মহিলারা ) শফি সাহেবের তীব্র সমালোচনা করলেন , ক্ষমা চাইতে বললেন এবং বিচারের আওতায়েও আনতে বললেন । 

আচ্ছা , কি বলেছিলেন শফি সাহেব ? তার কথা কি এতটাই খারাপ ছিল ? 

গ্রামের মানুষ , আধুনিক শহুরেদের মত শব্দের মারপ্যাঁচ বোঝেন না ।তাই সহজ সরল ভাষায় যাতে গ্রামের মানুষগুলো সহজে বুঝতে পারে সেভাবেই বলেছিলেন । হয়ত বা বেশী আবেগী হয়ে পরেছিলেন বলে কটূভাবেই বলেছিলেন । 

শফি সাহেবকে যারা ডিফেন্ড করতে চাইছেন তারাও বলতে চেষ্টা করছেন যে শফি সাহেব আরেকটু গুছিয়ে কথা বলতে পারলে এরকম সমালোচনায় পড়তেন না ।

নিচে আমাদের সমাজে যারা গুছিয়ে কথা বলে , তাদের কিছু উদৃতি দিলাম :

১. বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের চুইংগামের মতো চাবাতে ইচ্ছে করে -

হুমায়ন আজাদ

২ . একজন মেয়ে যাকে মন দিতেপারে, তাকে শরীরটা দেওয়া কিছুই নয় । এই শরীরে আছেটা কি ? অথচ আশ্চর্য ! নিরানব্বই ভাগ পুরুষের কাছে এবং সমাজ যারা গড়েছেন তাদের কাছে এই শরীরটাই দামি। মনের দাম নেই কানাকড়িও ! 

-বুদ্ধদেবগুহ

৩) মেয়ের সম্মান মেয়েদের কাছেই সবচেয়ে কম ! -

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৪) কম বয়েসী মেয়েহল রসগোল্লার মত যেখানে রাখবে সেখানেই পিঁপড়ে ধরবে!

-শংকর

৫) পৃথিবীতে বা সমুদ্রে যতহিংস্র প্রাণী আছে সবচেয়ে বৃহত্তম প্রাণী হল মেয়েরা!

- 

মেনানডার

৬) পুরুষেরা মেয়েদের খেলার সামগ্রী আর মেয়েরা শয়তানের খেলার সামগ্রী! মেয়েরা সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র বৈ কিছু নয়!!

-নেপোলিয়ান

[ এই নেপোলিয়নই কিন্তু বলেছিলেন : তোমরা আমাকে একটা শিক্ষিত মা দাও , আমি তোমাদের একটা শিক্ষিত জাতি উপহার দেব ]

৭) বিড়াল, পাখিরা এবং মেয়েরা এই ধরণের প্রাণী যারা নিজেদের প্রসাধনের উপর সর্বাধিক সময় নষ্ট করে!

-চার্লস নড়ায়ার

৮) "চোখের সামনে আমার মেয়েবড় হচ্ছে ।কিন্তু সামাজিক নিয়মের বেড়াজালে আমার হাত-পা বাঁধা ''

-হুমায়ূন আজাদ

[ উনার মেয়ের জন্য আমার আফসোস হচ্ছে । ]

৯)"প্রত্যেক মেয়েই নিজের জন্য একটা নুনু চায় ।এই নুনুর জন্যই তারা পুরুষদের হিংসা করে"-

সিগময়েড ফ্রয়েডদাবী:

১০)"-মেয়েটাকে বিয়ে করে ফেললেই তো পার -ফ্রিতেই যদি গাভীর দুধ মেলে তাহলে কোন মূর্খ টাকা খরচা করে ঘরে গাই পোষে ?"-

মনেরমত মন,সমরেশ মজুমদার

[ সমরেশের বই পড়ে নি এরকম আধুনিক মেয়ে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর ]

১১) পুরুষদের যদি সততা দরকার না হয় তবে নারীদের সতীত্বের কেন দরকার? নারীরাও পুরুষদের (উনি) মত যেভাবে খুশি তার যৌণাঙ্গ বিলাতে পারবে,

ড. আহমদ শরীফ

১২) পূরুষরা যেমন খালি গায়ে ঘুরে বেড়ায় নারীরাও তেমনি খালি গায়ে ঘুরে বেড়াবে, তাদের সূউচ্চ স্তন সবাই দেখবে.সম্মান পাবেন এখানে।

তসলিমা নাসরিন

১৩) হয়তো স্নানের ঘরে নিজেকে দেখেছো অনাবৃতা, জানালার ফাকে বৃষ্টিভেজা নর্তকীর মতো,গাছটিকে (যৌণাঙ্গ) তীব্র দেখছিলাম তখন! সরার মত স্তন. নাভিমূল. উরু, এবং ত্রিকোন মাংসপিন্ড, কি মন্জুল!!

কবি শামসূর রহমান

[ উনি আমাদের জাতীয় কবি ছিলেন মৃত্যুর আগে , স্বাধীনতা তুমি কবিতাটি উনারই লেখা ]

১৪) এক একটি উর্বশীকে আমি মেপে মেপে দেখি,ঠোট দেখি! মোটা ঠোট আমার পছন্দ, জিভ দেখি, মোটা ধারালো চ্যাপ্টা খসখসে জিহ্বা আমার পছন্দ! স্তন দেখি, মাঝারী স্তন আমার পছন্দ, পানি ভরা ব্লাডের মত স্তন আমি সহ্য করতে পারি না! স্তনে দাঁতের লাল দাগ আমার চুনির থেকেও ভালো লাগে! উরু দেখি: সরু মাংসল উরু আমার পছন্দ!

হুমায়ুন আযাদ 

[ শিবির যখন এই লোকটাকে কুপিয়েছিল তখন যারা প্রতিবাদ করেছিল তাদের মধ্যে মহিলারাও ছিল !!! ]

১৫) যখন বলেছিলেন ''নারীদের ঘরে থাকা, আর সন্তান জন্ম দেয়া উচিত''

ফ্রান্সের পোপ

[ পোপ বললে কোন সমস্যা নেই , শফি বললেই সমস্যা ]

১৬) পুরুষেরা মেয়ের খেলার সামগ্রী আর মেয়েরা শয়তানের খেলার সামগ্রী! মেয়েরা সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র বৈ কিছু নয়!!

-নেপোলিয়ান

নিচে সৈয়দ শামসুল হকের ভালবাসা রাতে গ্রন্হের ২টি কবিতা অন্য আরেকটি কবিতার কয়েকটি লাইন তুলে দিলাম / তবে নিজ দায়ীত্বে পড়বেন / লেখার কোন শব্দের জন্য আমি নিজে দায়ী নই / সম্পুর্ন দ্বায়ভার এই বিশিষ্ট লেখকের / 

------------------------------------------------

যখন দু’স্তন মেলে ডেকে নিলে বুকের ওপরে,

স্বর্গের জঘন খুলে দেখালে যে-দীপ্তির প্রকাশ,

তখন কী হলো আমি কোন্ ভাষে বলবো কী করে?

মুহূর্তেই ঘুচে গেলো তৃষিতের অপেক্ষার ত্রাস।

(‘ভালোবাসার রাতে-২’)----------------------------------------------

বৃষ্টিও বৃষ্টি তো নয় - জরায়ুর রক্তিম ক্রন্দন।

আজ তিনদিন থেকে অবিরাম, ক্ষান্তি নেই তার।

নিষেধ পতাকা লাল, পতাকায় শরীরী স্পন্দন

তবুও তবুও জাগে, জাগে ইচ্ছা সেখানে যাবার।

শত বাধা সত্ত্বেও থামতে পারে না কামুক পুরুষ। দুজনের দেহ ছিঁড়ে বের হয় দুধ-পূর্ণিমা। আর তা নেমে আসে স্তনের চূড়ায়। বাড়তে থাকে কামনার জ্বর। আর জ্বরতপ্ত হাত কুড়ায় কামনার ফুল। এ টান শুধু এক পক্ষের নয়। সমানতালে দুজনের। অবশেষ ভেঙে যায় বাঁধ -

তবে ভিজে যাক সব, বৃষ্টি থাক, এসো ভিজে যাই -

জ্বরের আগুনে দেহ লাল বৃষ্টিধারায় ভেজাই॥

(‘ভালোবাসার রাতে-২৯’)

-----------------------------------

আমি তোমার যতটা দেখি, তা ভালো;

যা দেখি না, সম্ভবত তা আরো ভালো।

এবং মাঝরাতে ইচ্ছার আলো

ঐ সব ভেবে হয় ভীষণ জোরালো॥

(‘এক আশ্চর্য সঙ্গমের স্মৃতি-৮’)

গুছিয়ে , সুন্দর লিখিয়েদের এইসব কথাগুলো কি শফি সাহেবের কথার চেয়ে ভাল লেগেছিল আপনাদের কাছে যখন পড়েছেন ?

গত সপ্তাহ দুয়েক এ নিয়ে বহু পোস্ট দেখেছি , কোন নারীকেই দেখলাম না এসব শৈল্পিক লিখিয়েদের কথাগুলো তুলে ধরতে তাদের সন্মুখে যারা শফি সাহেবের কথাগুলো নিয়ে তুলকালাম বাধিয়ে ফেলেছে ।

নারীরা এসব লিখিয়েদের গল্পের বই ভালই পড়ে অবসর সময়ে। তারা যে এসব লেখা আনলো না সবার সামনে তাতে কি এটা বুঝা যায় না - হুমায়ুন আজাদ , সমরেশ শংকররাই তাদের কাছে সঠিক ?
http://www.bdtoday.net/blog/blogdetail/detail/3323/HOTOVAGA/21922#.UfM8a421FVI

Wednesday, 29 May 2013

থাবা বাবা নাকি নুরানীচাপা লিখেনি ..আসুন নাস্তিকদের এই দাবিকে মিথ্যা প্রমান করি

আজকে বিডি নিউজ ২৪ তাদের বাংলা ও ইংলিশ ভার্সনে নাস্তিক ব্লগার রাজীব ওরফে থাবা বাবা যে নুরানী চাপা সাইটে আল্লাহ ও তার রাসুল(সও ইসলামকে কুটুক্তি করেছে , সেটা নাকি মিথ্যা এবং নুরানী চাপা সাইটটি নাকি রাজিবের ..আসুন প্রথমে বিডি নিউজের খবরটি দেখি …বিডি নিউজ লিখেছে নূরানী চাপা সমগ্র’ রাজীবের নয় বিডি নিউজের লিংকটি হলো …http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article595435.bdnews
ইংলিশ ভার্সনের লিংক http://bdnews24.com/bangladesh/2013/02/25/nurani-chapa-not-rajibs
বিডি নিউজ ও আওয়ামী, নাস্তিক ব্লগারেরা দাবি করে যে জামায়াত শিবির নাকি nuranichapa.wordpress.com সাইটটি বানিয়েছে ..এখানে একটি কথা মনে রাখা দরকার এই ওয়েবসাইটটি যদি জামায়াত শিবির বানাতো তাহলে শাহবাগ বিরোধী আন্দোলনকে জমাতে সাইটটি মুছে দেওয়া হত না ..যেহেতু সরকারের সহযোগিতায় এটি মুছে দেওয়া হয় , নুরানী চাপা যে ব্লগার রাজীব ওরফে থাবা বাবার ব্লগ তা স্পস্ট প্রমাণিত। ২০১২ সালের মার্চ মাসে হাইকোর্টের একটি রিটের পরিপেক্ষিতে আমার দেশের মহামান্য সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান হাইকোর্টে রাজিবের ইসলাম বিরোধী এই সব লেখা হাইকোর্টে ও উপস্থাপন করেন ..তাহলে এটি বুঝা যায় যে রাজীব অনেক আগে থেকেই ইসলাম বিরোধী নাস্তিকতায় লিপ্ত ছিল .
রাজীব ওরফে থাবা বাবা যখন নুরানী চাপা সাইটটি বানায় তখন সে ফেসবুকে স্টাটাস দেয় ..স্টাটাস এর স্ক্রিন শট দেখুন
স্ক্রিন শট এর লিংক হলো
উপরের লিংকটি কি প্রমান করে ? রাজীব হায়দারের নাস্তিক বন্ধুরা এবং বিডি নিউজ কি বলবে এখন ? সেই তো ব্লগ খুলে লাড়িয়ে দিয়েছে … [b] বিডি নিউজ তার রিপোর্টে বলে অথচ ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে সাইটটিতে কেউ ভিজিট করেছেন এমন তথ্য নেই কোয়ান্টকাস্টে। অনলাইন ট্রাফিক ও পর্যবেক্ষণ সাইট অ্যালেক্সায়ও (alexa.com) ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে এই সাইটিতে ভিজিট করার তথ্য নেই। তবে গত ১০দিনে বাংলাদেশে এই সাইটের (nuranichapa.wordpress.com) ট্রাফিক সিরিয়াল ১৩৭, যদিও ব্লগটি এখন বন্ধ রয়েছে।[/b] বিডি নিউজ যেখানে বলছে ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে এই সাইটে ভিজিট করার কোনো তথ্য নাই .কিন্তু আলেক্সা কি বলে? আলেক্সার রিপোর্টটা দেখি
কোয়ান্টকাস্টে তথ্য না থাকার কারণ হলো সাইটটি যেহেতু স্থায়ীভাবে মুছে দেওয়া হয়েছে তাই কোনো তথ্য নাই … ব্যক্তিগত সাইট হওয়ার কারণে বেশি ভিজিটর না থাকায় এবং সাইটটি অনলাইন থেকে মুছে দেওয়ার কারণে আলেক্সা অনেক তথ্য দেখাতে পারছে না . তবে এই ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে গত তিন মাস আগে এই সাইটে ভিজিট করেছিল 0.00195..তাহলে এটা স্পস্ট নুরানী চাপা ব্লগটি অনেক আগেই তৈরী …এবং এটি রাজীব নিজেই তৈরী করেছে ,..
 আলেক্সা সাইটের লিংকটি হলো
এখন আমরা প্রমান করব রাজীবই থাবা বাবা .. থাবা বাবা মারার যাওয়ার পর অমি রহমান পিয়ালের স্টাটাসটি দেখুন ..স্টাটাসটি দেওয়া হয়েছিল ১৫ই ফেব্রুয়ারী বিকাল ৪:২৬ মিনিটে ..অমি পিয়ালের স্টাটাসের স্ক্রিন শট দেওয়া হলো . অমি পিয়ালের ফেসবুক স্টাটাসের লিংক
এবার দেখি রাজীব মারা যাওয়ার পর প্রথম আলো কি লিখেছে .. ব্লগার রাজীব হায়দার ‘থাবা বাবা’ ছদ্মনামে ব্লগ ও ফেসবুকে বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দিতেন। তাঁর মতামত অনেকের অপছন্দ হতে পারে; কিন্তু মতামতের জন্য যদি তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে থাকেন, তবে তা সত্যিই গভীর উদ্বেগের বিষয়। প্রথম আলোর লিংক হলো
তাহলে এটি স্পস্ট রাজীব হায়দারই হলো থাবা বাবা থাবা বাবার কিছু ইসলাম বিরোধী কার্যক্রম তার ফেসবুক থেকে দেখাচ্ছি ..গত বছর ২৪ সেপ্টেম্বর রাজীব হায়দার একটি ছবি পোস্ট করে তার
ফেসবুকে . ছবিটি হলো  ছবিটির লিংক হলো …
এবার রাজীব ওরফে থাবা বাবার ফেসবুকে মহাকাল হৃদয় নামের একজনের একটা স্টাটাস দেখুন
আমার ব্লগে থাবা বাবা কিভাবে জঘন্য ভাষায় ইসলামকে আঘাত করেছে তা দেখুন এখন
থাবা বাবা ওরফে রাজিবের আমার ব্লগের স্ক্রীন শটের লিঙ্কের লিঙ্ক দেওয়া হলো
থাবা ওরফে রাজিবকে প্রশ্ন করেছিল নুরানীচাপা সিরিজের খবর কি .উত্তরে রাজীব বলেছিল সে কাজে কর্মে ব্যস্ত আছে .তবে ড্রাফট করে রেখেছে .পরে পাবলিশ করবে …. [b]তাহলে এটি কি প্রমান করে না নুরানী চাপা রাজীব ওরফে থাবা বাবারই লেখা[/b] ফেসবুকে গত বছর জুলাই মাসে নুরানী চাপা সিরিজে ইসলাম , হজরত মুহাম্মদ (স:) কে নিয়ে জঘন্য লেখা লিখে রাজীব ওরফে থাবা ..স্ক্রীন শটটি
দেখুন .. 
স্ক্রিন শটটির লিংক হলো …https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/10151249853140830
এবার রাজিবের ফেসবুকের আরেকটি লিংক দেখি এটি ও নুরানী চাপা সাইটের লেখার সাথে হুবুহু মিল স্ক্রীন শটটি হলো 
থাবা বাবা ওরফে রাজিবের ফেসবুক লিংক হলো
উপরে যে লিংকগুলো দেওয়া হয়েছিল সেগুলো ছিল ২০১২ সালের তাহলে উপরের প্রমাণগুলো কি প্রমান করে না থাবা বাবা ওরফে রাজীব একজন নাস্তিক ছিল ? নুরানী চাপা সাইটটি তার ছিল ? আওয়ামী মিডিযা ও নাস্তিক বিডি নিউজ রাজিবের ওয়েবসাইট না বলে যতই হলুদ সাংবাদিকতা করুক না কেন , এরা যে স্পস্ট মিথ্যাবাদী তা কি প্রমাণিত হয় ? আসুন সকলেই এইসব নাস্তিক মুরতাদদের বিরুদ্বে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলি . আর নিচের ভিডিও লিংকে স্পস্ট প্রমান পাবেন থাবা বাবাই নুরানী চাপার লেখক


Sunday, 26 May 2013

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সাভার নিহতদের পুঁজি করে নগদ লাভের শাহবাগি মচ্ছব ও কামড়াকামড়ি

শাহবাগ ছিলো একটা জায়গার নাম, বাংলামোটর থেকে টিএসসির মাঝখানের মোড়। এখন শাহবাগ হয়ে দাড়িয়েছে শয়তানি চেতনার নাম। আওয়ামীলীগের ঘাড়ে ভর করা বাম প্রগতিশীল চেতনা। দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের গণপ্রজননচত্বর।

একসময় দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কোন যুক্তিসংগত প্রশ্ন করাকেই অপরাধ মনে করতো। ত্রিশ লাখ না তিন লাখ এ প্রশ্ন করলে সম্ভব হলে মেরেই ফেলতো। শাহবাগ দেখার পর বাস্তবতা সম্পর্কে দেশের মানুষের কিছুটা উপলদ্ধি হয়েছে। মানুষ বুঝতে পেরেছে মুক্তিযুদ্ধ পুরোটাই পবিত্র ছিলো না, সাদা কালোর মাঝখানে অনেক ধুসর এলাকা ছিলো।

দেশে যখন গরীব কিশোর যুবকরা পাকবাহিনীর হাতে মারা যাচ্ছিলো, তখন আওয়ামী লীগ নেতারা কলকাতার পার্ক ষ্ট্রীটে উদ্বাস্তু বাংলাদেশী যুবতীদের ভোগ করে মদের গ্লাস নিয়ে ফুর্তি করতেন। বিয়াল্লিশ বছর পরে এসে বাংলাদেশ আবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখলো। সারা দেশে পুলিশ যখন নিরস্ত্র প্রতিবাদকারীদের পাখির মতো গুলি করে মারলো তখন শাহবাগে ইমরান সরকারের নেতৃত্বে আওয়ামী দালালের দল মদ গাঁজা আর নারীমাংস নিয়ে উৎসবে মাতাল হয়ে চুর হয়ে থাকতো।।

সারাদিন শাহবাগে আমোদ ফুর্তি করার পর ইমরান অমি পিয়াল মারুফ রসুল আরিফ জেবতিক মাহমুদ মুন্সী লাকি সীমা লাবণী গং সরকারী গানম্যান ও সিকিউরিটির চাদরে আবৃত থেকে পাজেরো চড়ে পাঁচতারকা হোটেলে গিয়ে মদ মাংসের উল্লাসে বিভোর হয়ে যেতো। মতিঝিলে যখন রাতের অন্ধকারে হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়, শাহবাগীরা তখন বিদ্রুপ আনন্দে ফেটে পড়ে। সিসিটিভিতে শাহবাগিদের আসল চেহারা দেখে ফেলায় পুলিশকে পর্যন্ত খুন করেছে তারা। কিন্তু লাভ হয়নি। সময়ের সাথে সাথে এখন সারা দেশের মানুষের সামনে শাহবাগিদের আসল চেহারা পরিস্কার হয়ে গিয়েছে।

শাহবাগিরা সবসময় প্রচার করতে চেয়েছে এটা দলনিরপেক্ষ আন্দোলন। প্রথম দিকে এ ধারণা ছড়িয়ে দিতে তারা সফলও হয়েছিলো। অসংখ্য সাধারণ মানুষ পরিবর্তনের আশায় বুক বেঁধে শাহবাগে গিয়েছিলো। কিন্তু অল্পদিনেই তারা বুঝতে পেরেছে, তারা আওয়ামী লীগের হাতে জীবনের সবচেয়ে বড় প্রতারণার শিকার হয়েছে।

শাহবাগি নেতারা সবাই হয় চিহ্নিত ধর্মবিদ্বেষী উগ্র নাস্তিক, অথবা কট্টর আওয়ামী লীগার। এদের সবার সম্মিলিত স্বার্থ একটাই, তা হলো আওয়ামী লীগের কায়েমী ক্ষমতা নিশ্চিত করা। সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করে তারা হুজুগের বেলুন ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে তুলে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মানুষের আবেগকে পুঁজি করে এরা বাংলাদেশ থেকে ইসলাম দূর করে সেকুলারিজম প্রতিষ্ঠা করার ষড়যন্ত্র করেছে। নিজেদের সামলে রাখতে না পেরে এরা ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবী করার মতো স্পর্ধা করেছে, হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে না বুঝতে দিয়ে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছে।

কিন্তু শাহবাগিদের মিথ্যা চেতনার এ বেলুন ফেটে যেতে বেশিদিন সময় লাগেনি। টাকা পয়সা ও ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ বিবাদ করে শাহবাগিরা নিজেরা নিজেদেরকে কামড়িয়েছে। এখনো সে কামড়াকামড়ি অব্যাহত আছে। শাহবাগের বিরাণী ও গাঞ্জা বিপ্লবের আড়ালে অঢেল টাকার যোগান ও কামরিপু পূরণের ফুর্তির আভাস পেয়ে গত কয়বাসে দেশে এসেছে লন্ডন থেকে নিঝুম মজুমদার, সুশান্ত দাসগুপ্ত এমনকি আমেরিকা থেকে বিগ প্লেয়ার সজীব ওয়াজেদ জয় পর্যন্ত। এরা টাকার ভাগ নিয়ে কামড়াকামড়ি করেছে। তারপর অনলাইনে একজন আরেকজনের চেহারার মুখোশ খুলে দিয়েছে।

সবার প্রথম বোমা ফাটায় ডা. আইজুদ্দিন নিকের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শরীফ আযাদ। গণজাগরণ মঞ্চের কার্যক্রম চালানোর জন্য ফান্ড সংগ্রহের আড়ালে ইমরান সরকার যেভাবে কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি ও ডাকাতি করেছে তার দলিল প্রমাণ সে অনলাইনে ফাঁস করে দেয়। ডা. আইজুদ্দিন দেখিয়ে দেয় ইংল্যান্ডে নিঝুম মজুমদার কিভাবে সাভার ট্রাজেডির জন্য সহায়তা সংগ্রহ করার নাম করে টাকা আত্মসাতের খেলায় মেতেছিলো। আমেরিকায় থাকা প্রিতম আহমেদ নামের এক ব্লগারও টাকা মেরে দেয়ার এ খেলায় পুরোদমে নেমে পড়ে।

কট্টর আওয়ামী লীগার ও শেখ হাসিনার ভক্ত আইজুদ্দিন হয়তো দূরে থেকে নগদ নারায়ণের ভাগ পাচ্ছিলো না। সরাসরি ইমরান সরকার, প্রিতম ও নিঝুম প্রমুখ শাহবাগি পালের গোদাদের কাপড়চোপড় খুলে দেয় সে।


আওয়ামী ও বাম ব্লগারদের এ অভ্যাস অনেক পুরনো। এরা নিয়মিত সামহোয়ারইন ব্লগ ব্যাবহার করে বিভিন্ন মানবিক সহায়তা কালেকশানের খেলায় নামে। একশ টাকা উঠলে তা থেকে দশ বিশ টাকা লোক দেখিয়ে ভিকটিমকে দিয়ে বাকী টাকা নিজেদের ভোগে লাগিয়ে আসছে এরা গত চার পাঁচ বছর যাবত। নিয়মিত। মাহমুদ মুন্সী ওরফে স্বপ্নকথক ইব্রাহিম খলীল ওরফে সবাক পাখি এসব করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছে। এসব করে এদের লোভ সীমাহীন হয়ে যায়। তাই শাহবাগ মঞ্চ ও সাভার ভবন ধ্বস কেন্দ্র করে কোটি টাকা আত্মসাতের খেলায় নেমে পড়ে এরা।

আইজু একটা ছবি দিয়ে দেখিয়ে দেয় শাহবাগিরা পাবলিকের কাছ থেকে টাকা তুলেছে। এরকম টাকা তোলা হয়েছে সারা দেশে। কেউ না দিলে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী হয়ে গিয়েছে। পত্রিকায় এসেছে বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা আদায় করেছে ইমরান চাদর বাহিনী। টাকা না দিলে তাদেরকে জামায়াতী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় যুক্ত করার হুমকি দেয়া হয়েছে। ঐ সময়ের কথা স্মরণ করলেই বুঝবেন তারা কিভাবে রামরাজত্ব করেছিলো। সরকারের চেয়েও শক্তিশালী ছায়া সরকার হয়ে দাড়িয়েছিলো শাহবাগি শুকর বাহিনী। 


এসময় ডা. আইজুদ্দিন কিছুদিন আগের গোপন মেইল ও মেসেজ প্রকাশ করে দিয়ে প্রমাণ করে দেয় ইমরান সরকার হলো আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের রোপণ করা দলীয় দালাল। নির্দলীয় কোন মানুষ এই চাদরবাবা না। আইজুর দেয়া তথ্যে ফাঁস হয়ে যায়, শাহবাগের গণপ্রজনন চত্বর পুরোটাই সাধারণ মানুষের আবেগকে পুঁজি করে আওয়ামী লীগের সাজানো নাটক। 


ডা. আইজুদ্দিন যখন এসব ফাঁস করে দেয় তখন শাহবাগিরা মরিয়া হয়ে আইজুদ্দিন নিকের আড়ালে থাকা দুই মধ্যবয়সী বিকৃত রুচির শয়তান শরিফ আজাদ ও মেসকাতের পরিচয়, ছবি, বউ এর ছবি, ঠিকানা ফোন নাম্বার ইত্যাদিও ফাঁস করে দেয়। যথার্থ শুকরছানার মতো তারা তাদের জন্মদাতা এটিমের গুরু আইজুর পাছায় কামড় বসিয়ে দেয়। 


আমেরিকায় আইজু ওরফে শরিফ সাহেবের লুচ্চামি ও পুলিশের কাছে ধরা খাওয়ার প্রমাণও হাজির হয়ে যায়। 


এর ভেতরে সুশান্ত ও নিঝুমের কাঁদা ছোড়াছুড়ি এখনো চলছে। ডা. আইজুর পোষ্টগুলো সব ব্লগ থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। বেশিরভাগ শাহবাগি নিজেদের ফেসবুক কেলেংকারি বয়ান মুছে দিয়েছে, নিজেদের আইডি ডিএকটিভেট করে রেখেছে। কিন্তু এসব করে চোর শাহবাগিরা নিজেদের চরিত্র বদলাতে পারেনি, লুকাতেও পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের নাম দিয়ে এই তস্কর ও চোর-বাটপারের চক্র যে ব্যাবসা ফেঁদে বসেছে পুরো দেশের সামনে তা আজ নাঙ্গা হয়ে গিয়েছে।


শাহবাগি কমরেডদের পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝা যায় লুচ্চা অমি পিয়াল সম্পর্কে লন্ডনী চাঁই নিঝুম মজুমদারের কিছু মন্তব্যে। 


টাকা পয়সার ভাগাভাগি নিয়ে এদের কামড়াকামড়ি এখন চলমান। নিজেদের গ্রুপিং এর ফলে গোপন তথ্য বের করে দিচেছ এরা। দেখা যাচ্ছে লীগের ক্ষমতা ব্যবহার করে ঢাবির ভেন্যু ব্যাবহার করে পঞ্চাশ হাজার টাকা ভাড়া টা পর্যন্ত এরা দেয়নি। কত বড় ছ্যাচ্ছর এই শাহবাগি শুকরের দল, কত বড় ছোটলোক, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঢাবি ব্যাবহার করেছে, এখন ন্যুনতম পাওনা টাকাটাও দেয়ার কোন খবর নাই। এই হলো শাহবাগিদের আসল চেহারা। সত্যিকার বাটপারি মানসিকতা। জয় দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ।



সূত্র:
১. আমারব্লগে ডা. আইজুর পোষ্ট। আওয়মী মালিক সুশান্ত সব মুছে দিয়েছে।
২. প্রজন্মব্লগে ডার্কজাষ্টিসের পোষ্ট। আওয়ামী মালিক ইমরান সরকার মুছে দিয়েছে।
৩. সামহোয়ারে মৌসুম দাশের পোষ্ট। আওয়ামী মালিক জানা মুছে দিয়েছে।
৪. আমারব্লগে মনির নিকের পোষ্ট।
৫. ফেসবুকে এদের নিজেদের কামড়াকামড়ির ষ্ট্যাটাস ও মন্তব্যসমুহ। এরা পরে নিজেরাই বিভিন্ন সময় মুছে দিয়েছে।

তবু অনলাইনে চাইলেই সব মুছে ফেলা যায় না। আগ্রহীরা চাইলে নিচের লিংকগুলোতে ও গুগলক্যাশে এদের কামড়াকামড়ি দেখতে পারেন।
 
 

Friday, 24 May 2013

শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের নাস্তিক নেতাদের আসল চেহারা!

ব্লগার, অনলাইন এক্টিভিষ্ট??? এরা কারা তাদের পরিচয় সাধারণ মানুষ তো জানেনা। তাই গত তিন চার বছর ধরে এরা যা করে আসছে তার কিছু উদাহরণ তুলে ধরা হলো। নিচের স্ক্রিণশটগুলো দেখিয়ে দেবে বাংলাদেশে ব্লগিং অর্থ কি। এই ব্লগারদের নেতৃত্বে সবাই আন্দোলন চালান। জোরেসোরে চালাতে থাকলে শেষপর্যন্ত এরা কাপড়ের তলায় লুকানো ইস্যুগুলো সময় মতো বের করবে। 

প্রথমেই একজন বড়সড় এক্টিভিষ্ট এর মতামত ও মন্তব্যে পাল্টা মতামত: 




ইব্রাহিম খলিল নামের এক প্রতারক সবাক নিকে লিখেন, বেশ পান্ডা গোছের ব্লগার। শাহবাগের আন্দোলন অর্গানাইজ করছেন, নিয়মিত ফেসবুকে 'সবাক পাখি' নিকে আপডেট দিচ্ছেন। আল্লাহ প্রসঙ্গে সবাক এর মতামত: 



আরিফুর রহমান ইংল্যান্ডে থাকেন, বর্তমানে লিখছেন ওঙ্কার ও বিভিন্ন নিকে। বেশ চাঁই মার্কা ব্লগার। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ষ্ট্রাটেজি ফোরামের নেতা। নিঝুম মজুমদারের সাথে গিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনারেও যোগ দেন। যুদ্ধাপরাধী বিরোধী আন্দোলন সংগঠন করে আসছেন বহু বছর যাবত। ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে তার মুল্যবান মতামত: 


........................................................................................ 


........................................................................................ 


........................................................................................ 


........................................................................................ 




আসিফ মহিউদ্দিন সাহেব এখন বাংলাদেশের উদীয়মান হুমায়ুন আজাদ। নিজেকে বেশ কেউকেটা মনে করেন। জাফর ইকবালের সাথে গভীর সম্পর্ক নিয়ে ফেসবুকে বয়ান দেন। তিনিও বিশিষ্ট ব্লগার ও শাহবাগ আন্দোলনের সংগঠক। ইসলাম নিয়ে তার প্রচুর সুচিন্তিত মতামত আছে, কিছু নমুনা: 



........................................................................................ 


........................................................................................ 
সুরা লাহাবকে নকল করে আসিফ মহিউদ্দিনের লিখিত সুরা: 




বিপ্লব নামের এক অবদমিত মধ্যবয়সী লম্পট দীর্ঘদিন যাবত ব্লগিং এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন শয়তান নিক দিয়ে। ফেসবুকে আছেন আল্লামা শয়তান নামে। এখন শাহবাগে আছেন ও আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন: 



........................................................................................ 



এধরণের আরো অনেক ব্লগার আছেন, যাদের দীর্ঘ বহু বছরের সাধনা আজ সফল হওয়ার উপক্রম। এখন তারা ফেসবুকে শোলাকিয়ার ইমাম, দাড়িওয়ালা বৃদ্ধ আর মাদ্রাসা ছাত্রদের ছবি দিয়ে ইসলামপ্রেমী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তাদের সাথে আমার ব্যাক্তিগত কোন বিরোধ নেই। ইসলাম নিয়েও আমার বাড়াবাড়ি কোন মায়া নেই। তবে দু:খ হলো, এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া ব্লগার ও অনলানই এক্টিভিষ্ট! দের একটু সৎ হওয়া উচিত ছিলো। যেহেতু এরা চেহারা লুকায়, তাই সবার তা বুঝা দরকার। অনেক কমবয়সী ছেলে পিলে বলবে, এরা যাই হোক তাতে কিছু আসে যায় না। তা ঠিক, যখন সময় সুযোগ অনুকুলে নিয়ে এরা আপনার বাপের দাড়ি আর মায়ের বোরকা টেনে ছিড়বে, তখনও কিছু আসে যায় না। আমার কোন সমস্যা নাই, যেহেতু আমার দাড়িও নাই বোরকাও নাই। 



........................................................................................ 


........................................................................................ 


........................................................................................ 


........................................................................................ 


........................................................................................ 


........................................................................................ 


........................................................................................ 


........................................................................................ 

অমি পিয়াল, জেবতিক, সবাক, স্বাচিপ নেতা এইসব বাম নাস্তিক আর আওয়ামীদের হাত থেকে আন্দোলনটাকে বাঁচানো দরকার। হাজার হাজার সাধারণ মানুষের দেশপ্রেমকে পুঁজি করে এরা সুবিধা নিতে চাইছে।