Showing posts with label যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল. Show all posts
Showing posts with label যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল. Show all posts

Thursday, 31 July 2014

শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা সমগ্র



১) শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার সংক্ষিপ্ত জীবনী ও পরিচিতি

http://chairmanbd.blogspot.co.uk/2014/07/blog-post_83.html


২) বিচার প্রক্রিয়া : শহীদ হওয়ার দিন পর্যন্ত : বাংলাদেশ ওয়ারক্রাইম ব্লগ।  ডেভিড বার্গমেন http://bangladeshwarcrimes.blogspot.co.uk/search/label/Molla 
৩) শহীদ হওয়ার আগে কর্মীদের প্রতি আব্দুল কাদের মোল্লার নসিহত : আমার অনুরোধ, আমার শাহাদাতের পর ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা যেন ধৈর্য্য ও সহনশীলতার পরিচয় দেয় - আব্দুল কাদের মোল্লা
http://jamaat-e-islami.org/details.php?artid=MTU1MzE=

৪) কাদের মোল্লা, কসাই কাদের ও কিছু প্রশ্ন
http://nuraldeen.com/2013/12/24/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%93/ 
৫) কাদের মোল্লাকে নিয়ে জামায়াতের সাইটের আরো থ্রেড :
http://jamaat-e-islami.org/categorypage.php?catid=45 

৬) কাদের মোল্লার জানাজা : 
ছবি কি বলে শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা কি আসলেই কসাই কাদের? 
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/4901/Banglardamalsontan/33596#.U9rp5vldWSo  
সারাদেশে কার গায়েবানা জানাজা দেখলাম ? একজন অপরাধী হলে তো এমন হবার কথা নয় ?
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/2601/muhon/33569#.U9rxc_ldWSo

৭) শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার জানাজার নামাজ ও দাফনের চিত্র 
https://www.youtube.com/watch?v=eOccVIgH-ro 

শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার সংক্ষিপ্ত জীবনী ও পরিচিতি

আব্দুল কাদের মোল্লা
সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

সামাজিক নেতা হিসাবে আব্দুল কাদের মোল্লা একটি পরিচিত নাম। তার জন্ম ১৯৪৮ সালে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করছেন। ফরিদপুর জেলার সদরপুর থানার জরিপারডঙ্গী গ্রামে তিনি জন্ম গ্রহণ করেছেন। ধার্মিক একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে তার বেড়ে ওঠা। বড় হন তার পরিবার একটি । তার গ্রামের জরিপারডঙ্গী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়েই তার শিক্ষা জীবনের শুরু। বরাবরই তিনি ছিলেন একজন মেধাবী ছাত্র। তিনি যথাক্রমে ১৯৫৯ ও ১৯৬১ সালে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বৃত্তি লাভ করেন। তিনি ১৯৬৪ সালে আমিরাবাদ ফজলুল হক ইন্সিটিউট থেকে প্রথম শ্রেণীতে মাধ্যমিক পরিক্ষায় কৃতকার্য হন।

এরপর তিনি একই জেলার রাজেন্দ্র কলেজে ভর্তি হন। কৃতিত্বের সাথে ১৯৬৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরিক্ষায় উত্তীর্ন হন তিনি। ১৯৬৮ সালে তিনি একই কলেজ থেকে বিএসসি পাশ করেন। কিন্তু প্রবল আর্থিক সংকটের কারনে এরপর তাকে শিক্ষকতা পেশায় আত্মনিয়োগ করতে হয়। পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া হয়নি তখন আর। পরবর্তীতে ১৯৭০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। মুক্তিযুদ্ধের কারনে ১৯৭১ সালে তার মাস্টার্স পরীক্ষা দেয়া হয়ে ওঠেনাই। ১৯৭৫ সালে তিনি সামাজিক বিজ্ঞানের শিক্ষা প্রশাসনের ডিপ্লোমায় অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরে ১৯৭৭ সালে তিনি শিক্ষা প্রশাসন থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। এখানেও তিনি প্রথম শ্রেনীতে প্রথম হন। জনাব মোল্লা তার ছাত্র জীবন থেকেই শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঢাকার বিখ্যাত বিদ্যাপীঠ উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন।

তার এম,এড পরীক্ষার রেজাল্টের পরে তিনি বাংলাদেশ রাইফেলস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। পরে তিনি একই প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। সেখান থেকে তিনি ইসলামী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে সংস্কৃতি কর্মকর্তা হিসাবে যোগ দেন। ১৯৭৮ সালে রিসার্স স্কলার হিসাবে বাংলাদেশ ইসলামী সেন্টারে যোগ দেন। ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত তিনি মানারাত ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি হিসাবে ছিলেন। ১৯৮১ সালে জনাব মোল্লা বিখ্যাত দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসাবে যুক্ত হন। তখন থেকেই তিনি সাংবাদিকতার সাথে জড়িত রয়েছেন।

জনাব আব্দুল কাদের মোল্লার রয়েছে সংগ্রামী রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। অষ্টম শ্রেণীতে অধ্যায়নকালেই তিনি কম্যূনিজমের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং কম্যূনিষ্ট পার্টির ছাত্র সংগঠন ছাত্রইউনিয়নে যোগ দেন। ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি এ সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকেন। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরে তিনি বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ মাওলানা মওদূদী লিখিত তাফহীমুল কুরআনের সাথে পরিচিত হন। আগ্রহের সাথে তিনি এ গ্রন্থ পড়তে থাকেন।

তাফহীমুল কুরআনের হৃদয়স্পর্শী ছোঁয়ায় তিনি ইসলামের প্রতি প্রবল আকর্ষীত হন এবং ১৯৬৬ সালে তৎকালীন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী ছাত্রসংঘের পূর্বপাকিস্তান শাখায় যোগদান করেন। ১৯৭০ সালে তিনি এ সংগঠনের সদস্য হন। পরবর্তীতে তিনি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব পালন করেন। ইসলামী ছাত্রসংঘের শহিদুল্লাহ হল শাখার সভাপতি ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি ছাত্রসংঘের ঢাকা বিশব্বিদ্যালয় শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। অতঃপর তার উপর ঢাকা নগরী ছাত্রসংঘের সেক্রেটারীর দায়িত্ব অর্পিত হয়। একই সাথে তিনি কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ছিলেন।

তার বর্নীল ছাত্রজীবন শেষে ১৯৭৭ সালের মে মাসে তিনি বৃহত্তর ইসলামী আন্দোলন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে যোগ দেন এবং ১৯৭৮ সালের নভেম্বর মাসে রুকন শপথ নেন। অতঃপর তাকে প্রবীণ বর্ষীয়ান নেতা জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযমের ব্যাক্তিগত সেক্রেটারি হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি জামায়াত ঢাকা মহানগরীর শূরা সদস্য ও কর্মপরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। অল্পদিনের ব্যাবধানে তিনি জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশ-এ-শূরার সদস্য হন। ১৯৯২ সালে তাকে ঢাকা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারির দায়িত্ব দেয়া হয়। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা মহানগরীর নায়েব-এ-আমীরের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৫ সালে জনাব মোল্লা জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর আমীর নির্বাচিত হন এবং কেন্দ্রিয় কর্মপরিষদের সদস্য হন। ১৯৯১ সালে তাকে কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয় এবং উক্ত দায়িত্ব তিনি নিষ্ঠার সাথে পালন করতে থাকেন। ২০০০ সালে তাকে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব দেয়া হয়। উক্ত দায়িত্বের পাশাপাশি আওয়ামীলীগ সরকার বিরোধী আন্দোলনে তিনি চার দলীয় জোটের লিয়াজো কমিটির গুরুত্বপূর্ন সদস্য হিসাবে নিয়োজিত ছিলেন।

জনাব মোল্লাকে বিভিন্ন মেয়াদে চার চারবার জেলে যেতে হয়। আইয়ুব সরকারের নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালনের দায়ে ১৯৬৪ সালে প্রথমবারের মত তিনি গ্রেপ্তার হন। জেলে যেতে হয়। বিনা উস্কানীতে ১৯৭২ সালে তিনি আবার গ্রেপ্তার হন। কিন্তু স্থানীয় জনতার বিক্ষোভের মুখে পুলিশ তাকে স্থানীয় পুলিশ স্টেশন কাস্টোডী থেকেই ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। জেনারেল এরশাদের শাসনের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের কারনে আব্দুল কাদের মোল্লাকে আবারও আটক করে রাখা হয়। পরে উচ্চ আদালত তার এ আটকাদেশকে আবৈধ ঘোষণা করলে চার মাশ পরে তিনি মুক্ত হন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলন করায় তৎকালীন বিএনপি সরকার ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তাকে আটক করে।

জনাব মোল্লা একজন উত্তম সমাজসেবক। ১৯৮২ ও ১৯৮৩ সালে তিনি পরপর দুই বছর ঢাকা ইউনিয়ন অব জার্নালিস্ট (ডি ইউ জে) এর সহসভাপতি নির্বাচিত হন।

তিনি সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংস্থার সাথে যুক্ত । এদের মধ্যে বাদশাহ ফয়সাল ইন্সটিটিউট, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সোসাইটি ও এর স্কুল ম্যানেজিং কমিটি, সদরপুর মাদরাসা ও এতিমখানা, ফরিদপুর জেলার হাজিডাঙ্গি খাদেমুল ইসলাম মাদরাসা ও এতিমখানা, সাইয়্যেদ আবুল আ’লা মওদূদী একাডেমী অন্যতম। তিনি এসব মাদরাসা ও এতিমখানার উপদেষ্টার ভূমিকা পালন করে আসছেন। এছাড়াও তিনি পরপর তিন মেয়াদের জন্য বাদশাহ ফয়সাল ইন্সটিটিউট ও এর ট্রাস্টের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। মানারাত ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি ছিলেন। জনাব মোল্লা দেশ বিদেশের সমসাময়িক বিষয়ের উপর কলাম ও প্রবন্ধ লিখে আসছেন। ইসলামের বিভিন্ন দিকের উপরো তার লেখা পাওয়া যায়। তার সুচিন্তিত কলাম ও প্রবন্ধ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও বস্তুবাদ, কম্যূনিজমের উপরে তার বৈজ্ঞানিক সমালোচনা শিক্ষিত মহলের কাছে সমাদৃত হয়েছে।

জনাব মোল্লা ইতোমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেছেন। এরই মধ্যে তিনি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জাপান, সিঙ্গাপুর, পাকিস্তান ও ভারতে সফর করেছেন।

জনাব মোল্লা বেগম সানোয়ার জাহানের সাথে ১৯৭৭ সালের ৮ অক্টোবর তারিখে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। দুই পুত্র ও চার কন্যার সুখি সংসার তাদের। সব সন্তানই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করছেন। সবাই ইসলামী আন্দোলনের সাথে জড়িত। বেগম সানোয়ার জাহান জামায়াতের রুকন ।

জনাব মোল্লা নিয়মিত কুরআন পড়তে ও কুরআন তেলাওয়াত শুনতে পছন্দ করেন। তিনি সাংগঠনিক ব্যাস্তময় সময় থেকে তিনি বিভিন্ন বিখ্যাত লেখক, কবি- যেমন আল্লামা ইকবাল, সাইয়্যেদ আবুল আ’লা মওদূদী, সাইয়্যেদ কুতুব, মোহাম্মাদ কুতুব, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, ফররুখ আহমেদ সহ বিখ্যাত লেখকদের লেখা পড়ার জন্য নিয়মিত সময় বেড় করেন।

এই জাতীয় দেশ বরেন্য সংগঠক ও শিক্ষাবিদ আজ আওয়ামী দুশাসনের স্বীকার হয়ে মিথ্যা অপবাদে জেল খানার মধ্যে আটক রয়েছেন। দেশবাসী তার সম্মানজনক মুক্তির জন্য অপেক্ষায় আছেন।

আজ ট্রাইব্যুনাল-২ এ তার বিরুদ্ধের বিচারের রায় ঘোষনা চলছে। মহান আল্লাহ-র কাছে অগণিত মানুষ আজ তার জন্য দোয়া করছেন। আল্লাহ যেন তাকে খুব সম্মানজনকভাবে মুক্তি দিয়ে জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেন। আমীন।
সামাজিক নেতা হিসাবে আব্দুল কাদের মোল্লা একটি পরিচিত নাম। তার জন্ম ১৯৪৮ সালে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করছেন। ফরিদপুর জেলার সদরপুর থানার জরিপারডঙ্গী গ্রামে তিনি জন্ম গ্রহণ করেছেন। ধার্মিক একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে তার বেড়ে ওঠা। বড় হন তার পরিবার একটি । তার গ্রামের জরিপারডঙ্গী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়েই তার শিক্ষা জীবনের শুরু। বরাবরই তিনি ছিলেন একজন মেধাবী ছাত্র। তিনি যথাক্রমে ১৯৫৯ ও ১৯৬১ সালে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বৃত্তি লাভ করেন। তিনি ১৯৬৪ সালে আমিরাবাদ ফজলুল হক ইন্সিটিউট থেকে প্রথম শ্রেণীতে মাধ্যমিক পরিক্ষায় কৃতকার্য হন।

এরপর তিনি একই জেলার রাজেন্দ্র কলেজে ভর্তি হন। কৃতিত্বের সাথে ১৯৬৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরিক্ষায় উত্তীর্ন হন তিনি। ১৯৬৮ সালে তিনি একই কলেজ থেকে বিএসসি পাশ করেন। কিন্তু প্রবল আর্থিক সংকটের কারনে এরপর তাকে শিক্ষকতা পেশায় আত্মনিয়োগ করতে হয়। পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া হয়নি তখন আর। পরবর্তীতে ১৯৭০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। মুক্তিযুদ্ধের কারনে ১৯৭১ সালে তার মাস্টার্স পরীক্ষা দেয়া হয়ে ওঠেনাই। ১৯৭৫ সালে তিনি সামাজিক বিজ্ঞানের শিক্ষা প্রশাসনের ডিপ্লোমায় অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরে ১৯৭৭ সালে তিনি শিক্ষা প্রশাসন থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। এখানেও তিনি প্রথম শ্রেনীতে প্রথম হন। জনাব মোল্লা তার ছাত্র জীবন থেকেই শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঢাকার বিখ্যাত বিদ্যাপীঠ উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন।

Sunday, 22 June 2014

ট্রাইব্যুনালে নতুন কেলেঙ্কারী

ঢাকা: ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটরদের মধ্যকার পারস্পরিক দ্বন্দ্ব-কলহ এখনো চলমান। ঠিক সেই মুহূর্তে নতুন বিতর্কের জন্ম নিল। সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার মাঝেও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম কৌশলী ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজের নিজস্ব কম্পিউটার থেকে মানবতাবিরোধী মামলার বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত খোয়া গেছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।
এমনকি এ বিষয়ে শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রুমটি সাময়িক সময়ের জন্য সিলগালা করে দেন।

রোববার দীর্ঘ ১০ দিনের ছুটি শেষে ট্রাইব্যুনালে যোগদানের পর দুপুরে নিজ কক্ষে অবস্থানকালে এ বিষয়টি প্রথম তুরিন আফরোজের নজরে আসে।

Sunday, 4 May 2014

মীর কাশেম আলীঃ মাত্র এক বোতল পানির জন্য কি না করলেন

মাত্র এক বোতল পানির জন্য ইনসান এমন করতে পারে, তা আপনি না দেখলে বিশ্বাস করবেন না। কিন্তু এই কাজটি ঘটেছে মীর কাশেম আলীর বেলায়। আমার এই এজহারের সাক্ষী হবেন শিবিরের এক জামানার কেন্দ্রীয় সভাপতি, যিনি এখন দিগন্ত টেলিভিশনের বড় কর্মকর্তা। আমার বিশ্বাস তিনি তিনি সাক্ষী দেবেন।
মীর কাশেম আলী মানে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা। তিনি-
১. জামায়াতে ইসলামীর সর্বোচ্চ বডি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য।
২. ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম।
৩. ইবনে সিনার ডাইরেক্টর ও সর্বোচ্চ নির্বাহী।
৪. দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশন-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান।
৫. মেসার্স কেয়ারী ইন্টারন্যাশনাল এর চেয়ারম্যান।
২০১০ এ তিনি দেশ থেকে বিদেশে গেলেন বা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গেলেন।পালিয়ে গেলেন ঢাকার জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করে। বিভিন্ন দেশ ঘুরে আসলেন মধ্যপ্রাচ্যের কাতারে। উদ্দেশ্য আল জাজিরা টেলিভিশনের সাথে দিগন্ত টেলিভিশনের অনুষ্ঠান সম্পর্কিত চূক্তি করা। সাথে দিগন্ত মিডিয়া কপোরেশনের শেয়ার বিক্রি। দেশের প্রায় সকল পত্রিকায় মোটা হরফে নিউজঃ মীর কাশেম আলী দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন। তিনি অবশ্য বিবৃতি দিলেন যে, তিনি পালিয়ে যাননি, কাজে এসেছেন এবং কাজ শেষে আবার দেশে ফিরবেন সহসাই। তার সফর সংগী ছিলেন শিবিরের এক সময়ের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুজিবুর রাহমান মনজু।
তার সেই সফরেই তিনি মাত্র এক বোতল পানির জন্য যে কান্ডটাই না ঘটালেন, তা শুনলে বিশ্বাস করবেন না।

Saturday, 26 April 2014

‘মুজিব কাকু সরে গিয়েছিলেন অনেক দূরে’

তাজউদ্দীন আহমদ প্রসঙ্গে একটি কথা খুবই প্রচলিত। ১৯৭১ সালে মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক চলছে ঢাকায়। পাকিস্তান পিপলস পার্টি প্রধান জুলফিকার আলী ভুট্টো ঢাকায় এসেছেন। আছেন ইন্টারকন্টিনেন্টালে কড়া মিলিটারি পাহারায়। কজন বাঙালি সাংবাদিক সাক্ষাতের অনুমতি পেয়েছে। আলাপকালে ভুট্টো এ সময় বলে বসলেন, আলোচনা বৈঠকে মুজিবকে আমি ভয় পাই না। ইমোশনাল এপ্রোচে মুজিবকে কাবু করা যায়, কিন্তু তার পেছনে ফাইল বগলে চুপচাপ যে নটোরিয়াস লোকটি বসে থাকে তাঁকে কাবু করা শক্ত। দিস তাজউদ্দীন, আই টেল ইউ, উইল বি ইউর মেইন প্রবলেম। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী তাজউদ্দীন কন্যা শারমীন আহমদের ঐতিহ্য প্রকাশনী থেকে সদ্য প্রকাশিত ‘তাজউদ্দীন আহমদ, নেতা ও পিতা’ বইতে মুজিব-তাজউদ্দীন সম্পর্ক নিয়ে লিখেছেন, ষাটের দশকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক স্বর্ণালি লগ্নে মুজিব-তাজউদ্দীন এই নবীন জুটির আবির্ভাব বাংলাদেশের রাজনৈতিক মঞ্চে। তারা আওয়ামী লীগে প্রগতিশীল নতুন ধারার সূচনা করেন। তারা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো নিতেন একত্রে। বাস্তবায়ন করতেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। তাদের কাজ দেখে মনে হতো তারা এক অভিন্ন সত্তা। তাদের টিমওয়ার্কের সবল ভিত্তির ওপর ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন ও জনগণের আস্থা অর্জন সম্ভবপর হয়েছিল। তারা ছিলেন একে অন্যের পরিপূরক।

Tuesday, 4 March 2014

প্রজন্ম তুমি ভুল মানুষকে ফাঁসি দিয়েছ এবং একজন কানাডিয়ান মোজাম্মেলের মিথ্যাচার





প্রজন্ম গত বছরের ৫ ই ফেব্রুয়ারী কাদের মোল্লার ফাসির জন্য আন্দোলন শুরু করেছিলো। আপাদত দৃষ্টিতে তোমরা তোমাদের দাবি পূরণ করতে পেরেছ। কিন্তু প্রজন্ম তুমি কি কখনই চিন্তা করেছ , কাদের মোল্লা আর কসাই কাদের একই ব্যক্তি না ও হতে পারে। তুমি যা দেখনি আর যা শুনেছ তা মিথ্যা ও হতে পারে , তা কি কখনো ভেবেছ ? 

তুমি কি কখনো ভেবেছ কসাই কাদের কিভাবে স্বাধীনতার পরে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে ? তোমার কি চিন্তা জাগ্রত হয়নি যে একজন কসাইয়ের নাম স্বাধীনতার পর রাজাকারদের তালিকায় কেন তার নাম নেই? 

Friday, 17 January 2014

ভোট না দেয়ায় হিন্দু ব্যবসায়ীর উপর যুবলীগ নেতার হামলা

নাটোরের সিংড়া পৌর এলাকার দশম সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে না যাওয়ায় বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতির নেতৃত্বে হিন্দু ব্যবসায়ীকে তার দোকানে এসে মারপিট করা হয়েছে। প্রহৃত ব্যবসায়ী পৌর এলাকার বালুয়া বাসুয়া রোড়ের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনের প্রতিভা লাইব্রেরীর মালিক শ্রী সতেন্দ্র নাথ (৩৫)। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, কারো কাছে বিচার চাইনি, শুধু ভগবানকে বলে রেখেছি। এর আগে আরেক হিন্দু ব্যবসায়ীর দোকান ভাংচুরের ঘটনায় পুলিশ বৃহস্পতিবার বাপ্পি নামে এক যুবলীগ কর্মীকে আটক করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নির্বাচনে সতেন্দ্র নাথ ও তার পরিবারের লোকজন ভোট দিতে যাননি। বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার সকালে ইটালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোতালেব সরদার তার কয়েকজন সহযোগীসহ দোকানে এসে শ্রী সতেন্দ্র নাথের কাছে ভোট দিতে না যাওয়ার কারন জানতে চেয়ে চলে যান। 

Saturday, 4 January 2014

এমপি রনির চ্যালেঞ্জ ‘কাদের মোল্লা নিরাপরাধ’

04 Jan, 2014
প্রসঙ্গটা নিজেই তোলেন গোলাম মাওলা রনি। এক নাগাড়ে বলে চলেন যুদ্ধাপরাধে ফাঁসি হওয়া কাদের মোল্লা প্রসঙ্গে তার মনের কথাগুলো। বিচারে তার মৃত্যুদণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আওয়ামী লীগের এই সংসদ সদস্য।

বাংলানিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে কাদের মোল্লাকে নিরাপরাধ দাবি করে তার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বেশ আবেড়তাড়িত পড়েন গোলাম মাওলা রনি। তার দাবি, কসাই কাদের এবং আব্দুল কাদের মোল্লা এক ব্যক্তি নন। তবে তার এই বক্তব্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাদের মোল্লার মামলার নথির কথাই উল্লেখ করেন তিনি। নিজেও কিছু কিছু বিষয় জানেন বলে দাবি করেন সরকারদলীয় এই এমপি। এছাড়াও তার বক্তব্যগুলো ছিলো স্ববিরোধী।

Wednesday, 1 January 2014

আওয়ামী লীগ একাত্তরে স্বাধীনতা চায়নি' : টাইমস অব ইন্ডিয়া

01 Jan, 2014

'১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি' বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় এক গবেষক। তিনি বলেছেন, তারা যে দেশের স্বাধীনতা চান, সেটা মার্চ মাস পর্যন্ত কোথাও বলেননি।

ভারতের প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ার সাথে এক সাক্ষাৎকারে গবেষক শ্রীনাথ রাঘবন একথা বলেছেন। বাংলাদেশের উদ্ভব নিয়ে তিনি একটি বইও লিখেছেন।

শ্রীনাথ রাঘবন লন্ডনের কিংস কলেজের রিসার্স ফেলো এবং সেন্টার ফর পলিসি রিসার্সের সিনিয়র ফেলো।

Tuesday, 31 December 2013

Even in 1971, Awami League wasn't stating it wanted independence: Srinath Raghavan

With elections approaching amidst violence, Bangladesh's future looks uncertain. Some of this is rooted in a past marked by enduring clashes.Srinath Raghavan , senior fellow at the Centre for Policy Researchand senior research fellow at King's College, London, spoke withAshish Yechury about why Bangladesh's creation was a global affair, influences shaping this — and how even Israel apparently got involved:

Your book is called 1971: A Global History of the Crea-tion of Bangladesh — why global?

Well, the creation of Bangladesh is generally seen as a subcontinental affair; in default mode, it's seen as the second partition. This seems to me a very narrow view. It doesn't take into account a wider international context in which this happened and which decisively shaped the outcome. This was a global event — participants themselves thought they had to secure global support. In a sense, the struggle on the ground was matched by a struggle for global opinion. That's central in understanding these events.

You argue Bangladesh's creation wasn't inevitable — but you list conditions in the build-up to 1971 which played a key role. How do you reconcile these?

Monday, 23 December 2013

কাদের মোল্লা, কসাই কাদের ও কিছু প্রশ্ন

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বহুল আলোচিত বিষয় কাদের মোল্লার ফাঁসি। স্বাধীনতার ৪২ বছর পর যুদ্ধাপরাধের বিচারের মতো সংবেদনশীল একটি বিষয় এর সাথে জড়িত থাকায় আলোচনার ব্যপ্তি ছিল বিচার প্রক্রিয়া, রায়, প্রতিক্রিয়া হিসেবে শাহবাগের গণজাগরণ, আইন সংশোধন, রায় পরিবর্তন, এবং শেষপর্যন্ত ফাঁসি নিয়ে। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী ফাঁসির মধ্য দিয়েই ঘটনার যবনিকাপাত ঘটেনি। উঠে এসেছে নতুন কিছু প্রশ্ন।

কাদের মোল্লার বিচার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে মূলতঃ দুটি বিষয়ে -
  •  বিচার প্রক্রিয়ায় আপাতঃ অনিয়ম, অন্যায্যতা, বা আন্তর্জাতিক মান রক্ষায় ব্যর্থতা
  •  কাদের মোল্লার পরিচয় সংক্রান্ত জটিলতা
প্রথম ইস্যুটি নিয়ে লেখালেখি হয়েছে বিস্তর। এর মধ্যে সাংবাদিক David Bergman এর ব্লগhttp://bangladeshwarcrimes.blogspot.com/ উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে প্রমাণে জটিলতার কারণে দ্বিতীয় ইস্যুটিতে আলোচনা কম হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর পেছনে কারণ হিসেবে রয়েছে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অভিযুক্তের সংশ্লিষ্ট অপরাধে নিজেকে নির্দোষ দাবি করা যা প্রতীয়মান হয় জেল থেকে সাবেক এমপি গোলাম মাওলা রনিকে লেখা চিরকুট বা ফাঁসির পূর্বে স্ত্রীকে লেখা শেষ চিঠি থেকে। এ থেকে প্রশ্ন জাগে অভিযুক্ত কাদের মোল্লা এবং যুদ্ধাপরাধী হিসেবে কুখ্যাত মিরপুরের কসাই কাদের একই ব্যক্তি কিনা।

Saturday, 21 December 2013

কাদের মোল্লাকে হত্যা করা হয়েছে : ড. ইউসুফ আল কারযাবি

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লাকে হত্যা করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ইসলামিক স্কলারস ফোরামের চেয়ারম্যান এবং বিশ্বের প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওলামা পরিষদের সদস্য বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ড. ইউসুফ আল কারযাবি কাদের মোল্লার ফাঁসির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা মুসলিম দেশগুলোর দিকে নজর দিলে দেখতে পাই তারা অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করছে। বাংলাদেশ একটি বৃহৎ মুসলিম দেশ হওয়া সত্ত্বেও মুসলমানদের ওপর বর্বর নির্যাতন করা হচ্ছে। 

Monday, 16 December 2013

শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা আর কসাই কাদের কি এক ? ছবি কি বলে ?


উপরের ছবিটি ট্রাইব্যুনালে সংরক্ষিত সরকার পক্ষের কৌসুলিদের জমা দেয়া কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে মহা গুরুত্বপুর্ন একটি ডকুমেন্ট। ছবিতে জেনারেল এ এ কে নিয়াজীর পিছনে দাঁড়ানো মিরপুরের বিহারী 'কসাই কাদেরকে' আব্দুল কাদের মোল্লা বলে চালানো হয়েছে। 
নিচের ছবিতে ৯২ সালের রোকন সম্মেলনে তৎকালীন আমীরে জামায়াত অধ্যাপক গোলাম আযম সাহেবের পাশে দাঁড়ানো আব্দুল কাদের মোল্লা।

বিশ্লেষণঃ ১৯৭১ সালে-

নিয়াজীঃ উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী নিয়াজীর বয়স ছিল ৫৭ বছর। উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি।
কাদের মোল্লাঃ বিভিন্ন সুত্রের তথ্যানুযায়ী কাদের মোল্লার বয়স ছিল ২২/২৩ বছর। উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি।
কসাই কাদেরঃ অসমর্থিত সুত্র এবং বিশ্লেষণ অনুযায়ী কসাই কাদেরের বয়স ছিল ৪৮ বছর। পাশে দাঁড়ানো নিয়াজীর সাথে তুলনা করলে বিহারী কসাই কাদেরের উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি।

প্রশ্ন-১: ৯২ সালে নিচের ছবিতে অধ্যাপক গোলাম আযমের পাশে দাঁড়ানো ৪৩/৪৪ বছর বয়স্ক কাদের মোল্লাকে যদি ২১ বছর আগে কল্পনা করা হয় তাহলে কি নিয়াজীর পাশে দাঁড়ানো ৪৮ বছর বয়স্ক 'কসাই কাদেরের' মতো মনে হবে?

কাদের মোল্লার ফাঁসিতে জাতিসংঘ মহাসচিবের দুঃখ প্রকাশ

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দেয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন। একই সঙ্গে এ ঘটনার পর বাংলাদেশের সব পক্ষকে শান্ত থাকার ও সহিংসতা পরিহারেরও আহ্বান জানান তিনি। বান কি মুনের মুখপাত্র মার্টিন নেসারকি শুক্রবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এক নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দেয়ার আগে এই দণ্ড কার্যকর না করতে জাতিসংঘের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আবেদন জানিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছিলেন। কিন্তু দণ্ড কার্যকরের পর কোন কর্মকর্তা কেন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেননি- এমন প্রশ্নের জবাবে মার্টিন বলেন, আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকরে মহাসচিব দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বান কি মুন আগেও এই পদক্ষেপকে নিরুৎসাহিত করেছেন।
http://mzamin.com/details.php?mzamin=MzE0OA==&sMQ==

Sunday, 15 December 2013

আব্দুল কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দিবেন। কিসের ভিত্তিতে ??



আব্দুল কাদের মোল্লাকে চিনিয়ে দেওয়ার কিছু নাই। বাংলাদেশের এমন কোনো মানুষ নেই যারা কাদের মোল্লাকে চিনে না। যিনি মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে আজ আসমানি ফয়সালার সামনে দাড়িয়ে। 

কাদের মোল্লার বিরুদ্বে আন্তর্জার্তিকভাবে বিতর্কিত ট্রাইবুনাল গত ফেব্রুয়ারী মাসে যাবজ্জ্বীবন কারাদন্ড দেয়। তারপর কাদের মোল্লার ফাসির দাবিতে শুরু হয় শাহবাগের কথিত গণজাগরণ। তারপর সংসদে দাড়িয়ে হাসিনা বলেছিলেন আশা করি জনগনের আশা আকাঙ্খার দিকে তাকিয়ে বিচারকরা রায় দিবেন। জামায়াতের সাথে স্ট্রং দরকষাকষিতে যেতে হলে হাসিনার দরকার একটি ফাসির রায়। পরিবর্তন করা হয় আইন।

জামায়াত শিবির কি জাসদের ভাগ্য বরণ করবে না আরো শক্তিশালী হবে ?



অনেক ভাইকে স্টাটাস দিতে দেখেছি , তাদের কনসার্ন হলো জামায়াত কি জাসদের ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছে ? তারা উদাহরণ দিচ্ছেন শেখ মুজিবের রক্ষী বাহিনীর মত বাংলাদেশের কসাই হাসিনা ও র্যাব দিয়ে নিরপরাধ জামায়াত কর্মীদের হত্যা করছে। আসলে আমাদের এতো তাড়াতাড়ি এই রকম জাস্টিফিকেশনে যাওয়া উচিত না। আমাদের বুঝতে হবে জামায়াত আর জাসদের আদর্শ এক না। জামায়াত আল্লাহর উপর নির্ভর করে ইসলামিক আন্দোলন করেতেছে আর জাসদ নাস্তিকতার উপর।অন্যদিকে কসাই হাসিনার এখন শেষ সময়। তাই মরার আগে একটু বেশি লাফাচ্ছে। এতে হতাশ হওয়ার কিছু নাই। 

কাদের মোল্লার রায় নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এর বিবৃতি ও শাহবাগী মিথ্যাচার

গত কয়েকদিন আওয়ামী বুদ্ধিজীবী, তাদের মিডিয়া এবং শাহবাগী তরুণ প্রজন্ম প্রোপাগান্ডা চালিয়ে মানুষকে এমনটা বুঝাতে চেয়েছে যে জাতিসংঘ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আসলে নীতিগত কারণে মৃত্যুদণ্ডের বিপক্ষে, এমনিতে ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যাথা নেই। শাহবাগীদের এমন দাবী আসলে সত্যের সম্পূর্ণ অপলাপ।

যেমন, হিউম্যান ওয়াচ তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলেছে, "Accused Should Have Right to Appeal in Case Rife with Fair Trial Problems."

লিংকঃ http://www.hrw.org/news/2013/12/08/bangladesh-halt-execution-war-crimes-accused

জাতিসংঘের হাই কমিশনার নাভি পিল্লাইয়ের বিবৃতিতে বিষয়টা এসেছে এভাবে, "The High Commissioner urged the Bangladeshi Government not to proceed with the death penalty in cases before the International Crimes Tribunal, particularly given concerns about the fairness of the trials."

লিংকঃ http://www.un.org/apps/news/story.asp?NewsID=46704&Cr=death+penalty&Cr1#.Uq2dVt98Lv4

এই দুই বিবৃতিতে তারা স্পষ্টভাবে ট্রাইব্যুনালের fairness নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কিন্তু শাহবাগীরা সুচতুরভাবে এসব বিষয় এড়িয়ে যায়। 

আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির তীব্র নিন্দা জাতিসংঘের

সংগ্রাম ডেস্ক : জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন। একইসঙ্গে সব পক্ষকে শান্ত ও সহিংসতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। প্রাইম নিউজ।
এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বান কি মুনের মুখপাত্র মার্টিন নেসিরকি বলেছেন, কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মহাসচিব। তিনি বলেন, মহাসচিব ফাঁসি কার্যকর করাকে নিরুৎসাহিত করেছিলেন। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে স্পর্শকাতর মুহূর্তে এমন মৃত্যুদ- না দিতে বলেছিলেন তিনি। এছাড়া যে কোনো পরিস্থিতিতে মৃত্যুদ-ের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ। এমনকি আন্তর্জাতিক অপরাধের ক্ষেত্রেও জাতিসংঘ মৃত্যুদ-ের বিরুদ্ধে বলে জানিয়েছেন নেসিরকি।

স্ত্রীকে লেখা আব্দুল কাদের মোল্লার শেষ চিঠি(মুল কপি)

16 Dec, 2013
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম 
প্রিয়তমা জীবন সাথী পেয়ারী,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ

আজ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হওয়ার পর খুব সম্ভব আগামী রাত বা আগামীকাল জেলগেটে আদেশ পৌছানোর পরই ফাঁসির সেলে আমাকে নিয়ে যেতে পারে। এটাই নিয়ম। সরকারের সম্ভবত শেষ সময়। তাই শেষ সময়ে তারা এই জঘন্য কাজটি দ্রুত করে ফেলার উদ্যোগ নিতে পারে। আমার মনে হচ্ছে তারা রিভিউ পিটিশন গ্রহণ করবে না। যদি করেও তাহলে তাদের রায়ের কোন পরিবর্তন হওয়ার দুনিয়ার দৃষ্টিতে কোন সম্ভাবনা নেই।