Showing posts with label ফান পোস্ট. Show all posts
Showing posts with label ফান পোস্ট. Show all posts

Tuesday, 22 October 2013

ব্রেকিং:" বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল 3G " এটিই চরম সত্য বলে আবিস্কার করলেন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী



আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন ১৯৮০-এর দশকের প্রথম দিকে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের গবেষণার মাধ্যমে থ্রিজি প্রযুক্তির উদ্ভাবন ঘটে। প্রায় ১৫ বছরের গবেষণার মাধ্যমে এর মানোন্নয়ন ঘটেছে। এটি জনসাধারণের জন্য অবমুক্ত করা হয় আইএমটি-২০০০ নামে। এত দিন এই তথ্যই ঠিক ছিলো। কিন্তু আজকে আমাদের সাবেক ৪৮ ঘন্টিয় মন্ত্রী ও বর্তমান টেলি-সামাদ থুক্কু টেলিমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল 3G... এর পরেই লাগে যতসব গন্ডগোল। সবাই টেনশনে পড়ে যায় কিভাবে কি করা যায়। সত্যিই কি এটা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল ?

এই টেনশনের পরেই বিস্তারিত জানতেই ব্লগার চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানী গবেষনার কাজে নেমে পড়েন । কিভাবে শেখ মুজিবের স্বপ্ন ছিলো এবং আমরা কি আবিস্কার করলাম তা বলবো এখন আপনাদের। Happy Thumbs Up

প্রথমেই আমরা ঢাকা থেকে টুঙ্গিপাড়ায় রওনা দিলাম। গিয়ে শেখ মুজিবের কবর জেয়ারত করলাম। Happy>- Happy>-



তার আগেই প্রধানমন্ত্রীর থেকে সাহারার দাবী প্রমানের জন্য প্রধানমন্ত্রী থেকে শেখ মুজিবের মাথার খুলি কবর থেকে তোলার জন্য অনুমুতি নিলাম। জেয়ারতের পর আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসুদ ও ইফা ডিজি শামিম আফজালের নেতৃত্বে কবর থেকে মুজিবের মাথার খুলি তোলা হলো। Thumbs Down



খুলি তোলার পর একাত্তর টিভির এক চাটুকার সাংবাদিক পরীক্ষা করছেন শেখ মুজিব কি সত্যিই ৩ জি না ৪ জি দেখেছেন। Thinking

মাথার খুলি তোলার পর আমরা নিয়ে গেলাম এটা গোপালগঞ্জে অবস্থিত জাদুঘরে 



তারপর সেই খুলিকে অত্যন্ত যত্ন সহকারে , যাতে জাতির পিতার সাথে বেয়াদবি না হয় , নিয়ে গেলাম ল্যাবরেটরিতে 



জয়ের ফেসবুক পেইজের মত মুজিবের খুলি ভেরিফাই করতেছেন একজন বিজ্ঞানী। এটি কি সত্যিই মুজিবের খুলি কিনা। ভেরিফাই করে বিজ্ঞানী নিশ্চিত হয়েছেন এটিই মুজিবের খুলি। 

তারপর বিজ্ঞানীরা বসলেন সাহারার দাবিকে প্রমানের জন্য কিভাবে আগানো যায়। বিজ্ঞানী যখন অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে সুক্ষভাবে মুজিবের খুলি দেখলেন , হায় হায় এখানে তো ৩ টা খুলি আবার ৫ টা খুলি । বিজ্ঞানী কিছুটা আশ্চর্য্য হয়ে গেলেন। 



বিজ্ঞানী ভাবলেন ১ টা মাথা দিয়ে যদি ১ জি করে ভাবা যায় তাহলে ৩ মাথা দিয়ে ৩ জির স্বপ্ন দেখতেই পারেন। ৪ জির স্বপ্ন ও দেখতে পারেন। 

আমরা পরে আবার আরেক সূত্র ধরে আগালাম। ৩ শব্দের প্রতি মুজিবের প্রচুর দুর্বলতা রয়েছে। কথিত আছে তিন লক্ষকে উনি ৩০ লক্ষ বলেছেন। পরে বিজ্ঞানীরা মাথার খুলিকে অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর এই সিদ্বান্তে উপনীত হয়েছেন যে শেখ মুজিব শুধু ৩ জির স্বপ্ন দেখেননি তিনি মিনিমাম ৩০ লক্ষ জির স্বপ্ন দেখেছেন। আবার রিকমেন্ড করেছেন সাহারা খাতুন বা আওয়ামীলীগের নেক্সট টেলি মন্ত্রী যেন কোনো ভাবেই কখনোই কোনো ভাবে ৩০ লক্ষ জি এর উপরে না যায়। Big Grin Big Grin 

এই দিকে এই ধরনের এক্সেপশনাল আবিস্কারের কথা শুনে নোবেল কমিটি ব্লগার চেয়ারম্যান ও তার দলকে নোবেল পুরুস্কার দেওয়ার প্রস্তাব করেন। কিন্তু বিনয়ের সাথে বিজ্ঞানীদল এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে স্বপ্নকন্যার মেয়েকে নোবেল দেওয়ার সুপারিশ করেন Love Struck Winking Winking

(মূলত এটি একটি অলস মস্তিস্কের কল্পনা,বাস্তবতার সাথে না মিললে কেউ চেয়ারম্যানের গমের বস্তা নিয়ে টানাটানি করবেন না )

Sunday, 13 October 2013

বাংলাদেশে যে জায়গায় খেতে পারেন

ঢাকার মধ্যের খাবার:-

১. বেচারাম দেউরীতে অবস্হিত নান্না বিরিয়ানি এর মোরগ-পোলাও
২. ঝিগাতলার সুনামী রেস্তোরা এর কাচ্চি বিরিয়ানী, গাউছিয়া হোটলের গ্রিল
৩. খিঁলগাও এর ভোলা ভাই বিরিয়ানী এর গরুর চাপ এবং মুক্তা বিরিয়ানী এর গরুর চাপ, খাসীর চাপ এবং ফুল কবুতর
৪. মতিঝিলের ঘরোয়া হোটেল এবং হীরাঝীলের ভূনা খিচুড়ী
৫. হোটেল আল-রাজ্জাকের কাচ্চি+গ্লাসি
৬. লালমাটিয়ার স্বাদ এর তেহারী
৭. নবাবপুর রোডে হোটেল স্টার এর খাসীর লেকুশ, চিংড়ি ,ফালুদা
৮. নয়াপল্টনে হোটেল ভিক্টোরীতে ৭০টি আইটেমের বুফে
৯. হাতিরপুল মোড়ে হেরিটেজ এর শর্মা
১০. শ্যামলী রিং রোডের আল-মাহবুব রেস্তোরার গ্রীল চিকেন
১১. মোহাম্মদপুর জেনেভা/বিহারী ক্যাম্পের গরু ও খাশির চাপ
১২. মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের সামনের বিহারী ক্যাম্পের "মান্জারের পুরি",কাবাব,গ্রীল চিকেন,গরুর চাপ,
১৩. চকবাজারের শাহ সাহেবের বিরিয়ানী
১৪. মিরপুর-১০-এর শওকতের কাবাব
১৫. নারিন্দার শাহ সাহেবের ঝুনার বিরিয়ানী
১৬. ইংলিশ রোডের মানিকের নাস্তা
১৭. গুলশানের কস্তুরির সরমা
১৮. সোবহানবাগের প্রিন্স রেস্টুরেন্ট এর কাকড়া
১৯. সাইন্স-ল্যাবের ছায়ানীড়ের গ্রীল-চিকেন
২০. নাজিরা বাজারের হাজীর বিরিয়ানী
২১. জেলখানা গেটের পাশে হোটেল নিরবের ব্রেন ফ্রাই
২২. নয়া বাজারের করিমের বিরিয়ানী
২৩. হাজি বিরিয়ানী এর উল্টা দিকের হানিফের বিরিয়ানী
২৪. লালবাগের ভাটের মসজিদের কাবাব বন
২৬. বংশালের শমসের আলীর ভূনা খিচুড়ী
২৭. খিলগাঁও বাজারের উল্টো পাশে আল রহমানিয়ার গ্রীল চিকেন আর তেহারী
২৮. মতিঝিল সিটি সেন্টারের পিছনের বালুর মাঠের পিছনের মামার খিচুড়ী
২৯. চানখারপুলের নীরব হোটেলের ভুনা গরু আর ভর্তার সাথে ভাত
৩০. ধানমন্ডী লায়লাতির খাসির ভুনা খিচুড়ী
৩১. হোসনী দালান রোডে রাতের বেলার পরটা আর কলিজা ভাজি
৩২. নাজিরা বাজার মোড়ে বিসমিল্লার বটি কাবাব আর গুরদার
৩৩. পুরানা পল্টনে খানা-বাসমতির চাইনিজ প্যাকেজ
৩৪. বনানীর বুমারস রেস্টুরেন্টের বুফে প্যাকেজ
৩৫. ধানমন্ডির কড়াই গোশত এর ইলিশ সস
৩৬. গুলশান ২ এর খাজানার মাটন দম বিরিয়ানী এবং হাইদ্রাবাদী বিরিয়ানী
৩৭. উত্তরার একুশে রেস্তোরার গ্রীল চিকেন
৩৮. ধানমন্ডি/বনানীর স্টার হোটেলের কাচ্চি এবং কাবাব
৩৯. মৌচাকের স্বাদ রেস্তোরার ভাতের সাথে ৩৬ রকমের ভর্তা
৪০. সাইন্স ল্যাবে মালঞ্চ রেস্তোরার কাচ্চি বিরিয়ানী, রেশমী কাবাব
৪১. সুবহানবাগের তেহারী ঘর এর তেহারী-ভুনা খিচুরী
৪২. ভূত এর কাকড়া, সিজলিং, সূপ
৪৩. শর্মা এন পিজ্জার বীফ শর্মা
৪৪. মিরপুর ঝুট পট্টির রাব্বানির চা
৪৫. চকের নূরানি ড্রিংস এর লাচ্ছি
৪৬. চকের বিসমিল্লাহ হোটেলের মোঘলাই পরটা
৪৭. সেন্ট ফ্রান্সিস স্কুলের সামনের মামার আলুর দম।
৪৮. সোহরয়ার্দী কলেজের সামনে জসিমের চটপটি ও ফুচকা।
৪৯. বাংলাবাজারে (সদরঘাট) চৌরঙ্গী হোটেলের সকালের নাস্তা।
৫০. অমূল্য মিষ্টান্ন ভান্ডারের (শাঁখারীবাজার) হালুয়া, পরোটা, সন্দেশ।
৫১. গোপীবাগের খাজা হালিম ও টিটির কাচ্চি
৫২. বাসাবোর হোটেল রাসেলের "শিককাবাব"
৫৩. বায়তুল মোকাররমে অলিম্পিয়া কনফেকশনারীর "চকলেট পেস্টি"
৫৪. কর্নফুলি গার্ডেন সিটির চার তালার "ফুচকা"
৫৫. কাঁটাবন ঢালে অষ্টব্যঞ্জনের বিফ খিচুড়ী
৫৬. পল্টনের (বিজয়নগর পানির ট্যাকিংর পেছনে) নোয়াখালী হোটেলের গরুর কালো ভুনা
৫৭. ডিসেন্ট (মতিঝিল, হাতিরপুল, বনশ্রী, ধানমন্ডি, চক, নওয়াব---এদের প্রচুর শাখা) এর ডেজার্ট আইটেমগুলা ভালো।
৫৮. ব্রাক ভার্সিটির কাছে নন্দন।এদের আইটেম ভালো।বিফ আইটেম চরম।আর ঢাকার বেস্ট চা।

ঢাকার বাইরের খাবার:-

১. স্পেশাল শাক ভাজি + ভেটকি মাছ--হোটেল সাজনা, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম
২. করাই মাটন+সাতকরা দিয়ে গরুর মাংস, কাবাব এবং নান, হাইদ্রাবাদী বিরিয়ানী-হোটেল উন্দাল, পূর্ব জিন্দাবাজার, সিলেট
৩. কালাই রুটি-- কোর্টের সামনে, রাজশাহী
৪. রুইমাছ ভাজি--কস্তুরি হোটেল, খুলনা
৫. মামুনের চাপ/জনি কাবাব এণ্ড চাপ--চার খাম্বার মোর, যশোর
৬. খুলনার হারুন ভাইয়ের ইলিশ ভাজা, বেজের ডাঙ্গার মুসলিম হোটেলের গরুর মাংস
৭. কক্সবাজারের পৌশির ভর্তা আইটেম, নিরিবিলির খিচুড়ি
৮. বিদ্যুতের কলিজার সিঙ্গারা ও খাসির সমুচা— সাহেব বাজার, রাজশাহী,
রাজশাহীর মিষ্টান্ন ভান্ডারের কমলা ভোগ,
রাজশাহী 'শামীম রেস্টুরেন্ট' এর টক দিয়ে সিঙারা,
রাজশাহীর বর্ণালীর মোড় এর তিলের জিলাপী
৯. চট্টগ্রামে - নিউ মার্কেট মোড়স্থ এ বি পি হোটেলের চা পরটা,
জি ই সি মোড়ের হান্ডিতে তেহেরী,
আগ্রাবাদস্থ সিরভার স্পুন এর ছোট জিলাপি ও দই,
হালিশহরস্থ গাউসিয়া হোটেল এর ফিরনী ও চা,
আন্দরকিল্লা মদিনা'র শাক।
১০. চট্টগ্রামের চকবাজার সবুজ হোটেলের- সিঙ্গারা,
রেয়াজউদ্দিন বাজারের- দইচিড়া,
তুলসিধাম বোস ব্রাদার্সের- মিস্টি
১১. রংপুরের সিঙ্গারা হাউজের সিঙ্গারা with সস্
১২. বগুড়ার দই
১৩. গাইবান্ধার রস মালাই,
১৪. নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার গরম গরম স্পন্জের মিস্টি।
১৫. নারায়ণগঞ্জের আমলাপাড়া এলাকায় আলম কেবিনের সকালের নাস্তা, দুই নাম্বার রেলগেট এলাকায় বোস কেবিনের চা ও কাটলেট।
১৬. কুমিল্লায় অরিজিনাল মাতৃভান্ডারের (কান্দিরপাড়ের মনোহরপুড়ে দোকান) রসমালাই।
১৭. সিরাজগঞ্জের ধানসিঁড়ির দই। বগুড়ার দই এইটার কাছে কিসুনা। এইখানে একটা ঘি পাওয়া যায়। সেইটাও মারাত্নক।
১৮. সেন্ট মার্টিনে কুমিল্লা হোটেলের (জাহাজ ঘাটের কাছে) মিক্সড শুটকী ভর্তা।
১৯. সিলেটের উন্দাল রেস্টুরেন্টের হায়দ্রাবাদী ও চিকেন বিরিয়ানী, তন্দুরী চিকেন-স্পেশাল নান, স্পেশাল সালাদ।
২০. তালাইমারীর বট-পরোটা ( রাজশাহী ), বাটার মোড়ের জিলাপী ( রাজশাহী )
২১. মুক্তাগাছার মণ্ডা ( ময়মনসিংহ ),
২৩. দয়াময়ী মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের খেজুর গুরের সন্দেশ ( ময়মনসিংহ ),
২৪. জয়কালী মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের ছানার পোলাও ( ময়মনসিংহ ),
২৫. চুকনগরের খাসির মাংস ( খুলনা ),
২৬. বরিশালের শশী মিষ্টি
২৭. সিলেটের শাহপরান মাজার গেটের মালাই চা, পুরাই সি....রাম।
জিন্দাবাজারের পাঁচ ভাই হোটেলের কোয়েলের রোস্ট।
২৮. খুলনার চুকনগরের আব্বাসের খাসির মাংশ
২৯. চাঁপাই নবাবগন্জের নশীপুরের দই,
চাঁপাই নবাবগন্জের শিবগন্জের মনাকষা বাজারের স্পন্জ গোল্লা / দমমিস্টি,
চাঁপাই নবাবগন্জের কলাইয়ের রুটি ও ধনিয়া পাতার চাটনি
৩০. নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি

Saturday, 25 May 2013

একটি কৌতুক এবং বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা

মৃত্যুর পরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা , ব্রিটেনের ক্যামেরুন ও যুক্তরাষ্টের ওবামার জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার জন্য গড ফেরেশতাদের আদেশ দিলেন . তারা কয়েকদিন জাহান্নামে বাস করার পর তিন রাষ্ট্রপ্রধান তাদের দেশের খোজ খবর নেওয়ার জন্য জাহান্নামের দারোগাকে বললেন , আমরা একটু আমাদের দেশে ফোন করে দেশের খোজ খবর নিতে চাই . জাহান্নামের দারোগা বললো এখানে ফোন করার কোনো সুযোগ নেই . তবে টাকা দিলে আমি ব্যবস্থা করতে পারি . টাকা দেওয়ার শর্তে ও ফোন করতে রাজি হয়ে গেলো তিন রাষ্ট্রপ্রধান .
প্রথমে ক্যামেরুন লন্ডনে ফোন করার জন্য জাহান্নামের দারোগাকে বললেন . দারোগা বললেন ফোন করতে হলে ১০০ পাউন্ড লাগবে . ক্যামেরুন ফোন করলেন এবং অনেক দামাদামির করার পরে ৯০ পাউন্ড বিল দিয়ে বিদায় নিলেন .
এর পর আসলেন ওবামা আমেরিকাতে ফোন করার জন্য . জাহান্নামের দারোগা বললেন ১০০ ডলার দিতে হবে . ওবামা ফোন করলেন এবং অনেক দামাদামির পর ৯৫ ডলার বিল দিয়ে বিদায় নিলেন .
সর্বশেষ আসলেন হাছিনা বাংলাদেশে ফোন করার জন্য . জাহান্নামের দারোগা হাসিনাকে ফোন দিলেন . হাসিনা অনেকক্ষণ ধরে বাংলাদেশে কথা বললেন . কথা বলার পর জাহান্নামের দারোগা বিল চাইলেন .দারোগা বললেন আপনার বিল মাত্র ৫ টাকা . হাসিনা তো পুরা টাসকি খেয়ে গেলো . বেচারা দারোয়ান ওবামা ও ক্যামেরুনকে যথাক্রমে ৯৫ ডলার ও ৯০ পাউন্ড বিল ছাড়া ফোন করতে দেয় নি .আর আমার জন্য এতো সস্তা ?

হাসিনা তখন জাহান্নামের দারোগাকে জিজ্ঞেস করলেন আচ্ছা আমার বিল এতো কম কেন, কিন্তু ওবামা ও ক্যামেরুন থেকে অনেক বেশী টাকা নিলেন ? দারোগা বললো আরে ওরা তো ইন্টারন্যাশনাল কল করেছে ,আর আপনি তো লোকাল কল করেছেন , মানে জাহান্নাম টু জাহান্নাম তাই ৫ টাকা মাত্র 
আজ সমগ্র বাংলাদেশের অবস্থা পুরা জাহান্নামের কাছাকাছি . আইনশৃঙ্খলার অবস্থা খুব খারাপ . প্রতিদিন ১০-১২ টি খুন,ধর্ষণের ঘটনা আছে . দ্রব্যমূল্যের দাম আকাশচুম্বী . দুই দলের দুই সতীনের মতো জগড়া , আর এটে প্রাণ উষ্ঠাগত সাধারণ জনগনের .যেখানের ফাসির আসামিরা রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে খালাস পেয়ে যায় , সেই দেশের অবস্থা পুরা জাহান্নাম হতে দেরি নাই .
আমরা একটি সুজলা , সুফলা , কল্যানমুখী বাংলাদেশ দেখতে চাই . যেখানে থাকবেনা হিংসা , বিদ্বেষ , ঘৃনা … আমরা সকলে দেশের উন্নয়নে কাধে কাধ মিলে কাজ করি .

Sunday, 12 May 2013

তুমি মানুষ না আওয়ামীলীগ? তারপর আরো কিছু এক্সটেনশন


"তুমি মানুষ না আওয়ামীলীগ?"- এই বিশেষ 'প্রবচন' বহুদিন ধরে চলছে।
এটার একটু সম্প্রসারণ কাজ (Extension) হওয়া দরকার।
এই 'হায়েনালীগে' এমনসব কুকুর-বিড়ালরা রয়েছে যারা স্ব স্ব ক্ষেত্রে জীবন্ত কিংবদন্তি হয়ে থাকবে যুগ থেকে যুগান্তরে আর কাল থেকে কালান্তরে।
আসুন, তাদেরকে অমর করে রাখার বন্দোবস্ত পাকাপোক্ত করার কোশেশ করি। যেমন-

*আমাকে একটি হাসিনা দাও, আমি তোমাদেরকে বেশ কয়েকটি বড়সড় গনহত্যা উপহার দেব।

*বন্যরা বনে সুন্দর, 'মখা'রা হেমায়তপুরে।

*স্বদেশের উপকারে নেই যার মন, কে বলে মানুষ তারে 'আবুল' সেই জন?

*তুমি 'আবুল' তাই বলিয়া আমি দেশপ্রেমিক হইবনা কেন?

*দেশ হতে দেশ দেশান্তরে, ছুটছে 'দীপু' কেমন করে!!!!!!!

*'শাহজাইন্যা' আমার চোখের তারা উপ্রায়ালাইতে চায়।

*হে আওয়ামীলীগ, তুমি দেশটারে করিয়াছ শ্মশান; তুমি হেথা ফুঁকিয়াছ 'ইসরাফিলের' বিষাণ।

*'আম্লীগ'-'ইবলিশ' মাসতুতো ভাই।

*আওয়ামী কুকুর সদা কামড়ায়।

*'আম্লীগ' জ্ঞানী হলেও পরিত্যাজ্য।

*'সুরঞ্জিতের' দশদিন আর গৃহস্থের একদিন।

...যাওকগা, আর কইলাম না, বাকিটা আপনারাই বলেন।।।

Thursday, 25 April 2013

আসেন দলে দলে কবিতা আবৃতি করি ..আর ফানি টম থেকে আবৃতি শুনি


আমাদের পদ্মা নদী চলে বাঁকে বাঁকে, 
সেতু করার আশা দিয়ে বিশ্ব ব্যাংক ডাকে 
গাড়ি নিয়ে যাবে আবুল, কালকিনি বাড়ি 
সিনা উঁচু করে দিবে, পদ্মা সেতু পাড়ি   

পার হয়ে যায় দিন পার হয় রাত, 
আচমকা বিনা মেঘে যেন বজ্রপাত, 
কমিশন চেয়ে আবুল করলো কি ভুল, 
টাকা দিবেনা বিশ্ব ব্যাংক, একী হুলুস্থুলল   

গ্যাঁকগ্যাঁক করে উঠে সুরঞ্জিতের ঝাঁক, 
রাতে উঠে থেকে থেকে ওবায়দুলের হাঁক   

তীরে তীরে ছেলেপেলে টিফিনের কালে, 
গামছায় সুধা ভরি সদনেতে ঢালে 
সকালে বিকালে কভু বাজার হলে পরে 
আঁচল ছাঁকিয়া তারা চাঁদার টাকা তুলে   

সারা দেশে লীগে লীগে পড়ে যায় সাড়া, 
প্রয়োজনে কিডনি নাকি বেচে দিবে তারা   
পেটের শিশুটিও কান করে খাড়া, 
ভূমিষ্ঠ হইয়া বলে, 
এ কোন আজব দেশে জন্মিলাম খোদা ।   

Tuesday, 2 April 2013

যদি খালেদা হাসিনা এসবিতে ব্লগিং করতো,তাহলে পরিস্থিতি কেমন হতো

ধরেন দেশে কোনো টিভি মিডিয়া নাই , আছে শুধু ব্লগ ....তাই খালেদা জিয়া আজকের সংবাদ সম্মেলন হিসাবে এসবি ব্লগকে বেছে নিলো .....   আর সংবাদ সম্মেলন হবে পোস্ট দিয়ে  

তো খালেদা জিয়া ইলিয়াস আলীকে ফেরত দিতে সরকারকে শনিবার পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়ে একটা পোস্ট দিলো ............ 
পোস্ট দেওয়ার পরই প্রথম কমেন্ট করলো হাসিনা ...... 
হাসিনা : আপনারাই তো ইলিয়াস আলীকে গুম করে নাটক করছেন ..... এখন হাসিনা রেটিং কি দিবে , তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেলো.... ( মনে মনে বলতেছে মডুরা মাইনাস বাটন কেন যে বন্দ্ব করে দিলো , কারণ উনি একটার বদলে ১০ টা মাইনাস দিতে অভ্যস্ত )   

কমেন্টের জবাবে খালেদা : হ্যা আমাদের আর খাইয়া কাম নাই , আপনারা সুরুঞ্জিতের ৭০ লাখ টাকা ঘুষের ঘটনা ধামাচাপা দিতেই ইলিয়াস আলীকে গুম করেছেন .....   (রেটিং দিতে গিয়ে দেখে খালেদার এই অধিকার নাই , মনে মনে মাল্টি নিক নিয়ে আসার চিন্তা করলো )   

এই কমেন্টের জবাবে হাসিনা : আসল কথা হলো আপনারা ইস্যু বানানোর জন্য ইলিয়াস আলীকে গুম করেছেন ...( মনে মনে হাসিনা আমরা যেই রকম শেরাটনের সামনে বাসে আগুন দিয়ে ১১ জন মেরেছিলাম ) 

খালেদা : আপনি তো প্রধানমন্ত্রী , তো আপনিই বের করুন কে গুম করেছে ......  

হাসিনা : আমরা তো চেষ্টা করতেছি ( মনে মনে আমার বাপকে এই দেশের মানুষ মেরেছে , ইলিয়াসকে গুম তো করেছি আমরা , এখন খালেদা হরতাল দিয়ে দেশের বারোটা বাজাক ) 

খালেদা : আপনাদের কত ঘন্টা লাগবে , আর আপনাদেরিতো মানুষের জানমাল রক্ষা করার দ্বায়িত্ব  

হাসিনা : ৪৮ ঘন্টা তো বলেছি , কিন্তু একটা জিনিস মনে রাখবেন , ইলিয়াস গুম হয়েছে রাস্তা থেকে , আর কারো জন্য রাস্তা পাহারা দেওয়া আমাদের দ্বায়িত্ব না   


এরই মধ্যে লীগ বিএনপির ব্লগারেরা খালেদা হাসিনাকে সাপোর্ট করে কমেন্ট করতেছে ..      

এবার ইলিয়াস প্রসংগ বাদ দিয়ে পোস্ট অন্য দিকে ডাইভার্ট হচ্ছে 

খালেদা :
 আসেন আমরা তত্ববধায়ক সরকারকে ফিরিয়ে নিয়ে আসি  

হাসিনা : তত্বাবধায়ক সরকার আপনাকে কোলে তুলে ক্ষমতায় আনবে না 

এরই মাঝে বিএনপির পাপিয়া ব্লগে লগিন করেই হাসিনার এই কমেন্ট দেখে সাথে সাথে রিপ্লাই

পাপিয়া :
 ৯৬ তে গোলাম আযমের কোলে বসে আর ২০০৮ এ মইন ফখরুদ্দিনএর কোলে বসেই তো আপনারাই ক্ষমতায় এসেছিলেন   

হাসিনা : পাপিয়ার কমেন্ট দেখে , মডুরা এই কমেন্ট ক্যামনে রাখে এখনো পর্যন্ত, এই কমেন্ট না মুছলে ইলিয়াসের মত ব্লগ কিন্তু গুম কইরা দিমু .. ( মনে মনে হাসিনা ,পাপিয়া কিন্তু মিথ্যা বলে নাই ,আমিই তো কৈছিলাম তত্বাবধায়ক সরকার আমাদের আন্দোলনের ফসল )  

হটাত সংসদের স্পিকারের মত মডুরা পাপিয়াকে নোটিশ পাঠালো , নীতিমালা লঙ্গনের কারণে আপনার মন্তব্যটি মুছে ফেলা হলো , এবং আপনাকে সতর্ক করা হলো   
( পাপিয়া রাগে দুক্ষে মডুদের মেইল করলো , আর বেশী দিন কিন্তু বাকি নাই , দেড় বছর পর কিন্তু সুদে আসলে ফেরত নিমু , এখনো সময় আছে ভালো হইয়া যায় )     

এবার হাসিনা পাপিয়ার ওই কমেন্টের রাগ ঝাড়লো জিয়া পরিবারের উপর ,রাগে দুক্ষে একটা কমেন্ট করলো : খালেদার জন্ম শিলাগুরিতে , আর জিয়া ঘটনা চক্রে মুক্তিযোদ্বা   

খালেদা : আপ্নে এতগুলো ডিগ্রী কিনে ও কিভাবে কথা বলতে হয় তা শিখেন নাই   

এই কমেন্ট দেখে হাসিনা লীগ মার্কা ব্লগারদের লগি বৈঠা   নিয়ে ব্লগে আসতে বললো , তাই দেখে খালেদা বিএনপির কর্মীদের কাস্তে আর জামায়াত কর্মীদের পাল্লার ডান্ডা আর ৪ কেজি ওজনের বাটখারা নিয়ে আসতে বললো .......    

ব্লগে তুমুল উত্তেজনা , যেই কোনো সময় কিছু একটা ঘটে যেতে পারে      মডুরা আপ্রাণ চেষ্টা করতেছে পরিস্থিতি শান্ত রাখার জন্য ........হটাত ব্লগের সার্ভার ডাউন হয়ে গেলে , সবাই শান্ত হয়ে গেল ( ইশ ব্লগের সার্ভারের মত এই ২ টা বেটি যদি ডাউন হয়ে যেত )........আবার সার্ভার ঠিক হলে কি হয় আল্লাহই জানে     

( এইটা একটা কাল্পনিক সংলাপ , বাস্তবের সাথে মিলে গেলে চেয়ারম্যান দায়ী না ) 

আর ব্লগ ঠিক থাকলে হাসিনা খালেদা কি কি কমেন্ট করতো , আপনারা ও সেটি যোগ করতে পারেন