I am a blogger ..My blog nick name is chairman ..I try to find out the truth from injustice
Showing posts with label ফিলিস্তিন & ইসরাইল. Show all posts
Showing posts with label ফিলিস্তিন & ইসরাইল. Show all posts
Saturday, 2 August 2014
Friday, 18 July 2014
"ঈহুদিরা শক্তিশালী এবং মুসলমানেরা শক্তিহীন কেন?"
পৃথিবীতে ইহুদির সংখ্যা ১ কোটি ৪০ লক্ষ। এই জনসংখ্যায় প্রতি ১ জন ইহুদীর জন্য মুসলমানের সংখ্যা ১০০ জনের ও বেশী। অথচ ইহুদীরা মুসলমানদের তুলনায় শক্তিশালী, কেন?
আলবার্ট আইনস্টাইন ছিলেন ইহুদী। টাইম ম্যাগাজিনের নির্বাচনে নির্বাচিত শতাব্দীর সেরা মানব “ সিগমন্ড ফ্রয়েড” ছিলেন ইহুদী সিগমন্ড ফ্রয়েড কে বলা হয়ে থাকে “ সাইকোএনালিসিসের জনক” কার্ল মার্কস, পল স্যামুয়েলসন , মিল্টন ফ্রয়েডম্যান এরা সবাই ছিলেন ইহুদী।
অনান্য উল্লেখযোগ্য ইহুদী যারা সমগ্র মানব কল্যানে নিবেদিত ছিলেন এবং তাদের অবদান হল-
বেঞ্জামিন রুবিন(Benjamin Rubin ) প্রতিরোধক ভ্যাক্সিনের সুচ আবিস্কার, জোনাস সক ( Jonas Salk ) পোলিও ভ্যাক্সিনের উদ্ভাবক। এলার্ট সেবিন- Alert Sabin মুখে খাওয়ার পোলিও প্রতিরোধক ভ্যাক্সিনের উদ্ভাবক। গারট্রুড এলিওন Gertrude Elion রক্ত ক্যান্সারের ঔষধ আবিস্কার, বারুখ ব্লুমবার্গ (Baruch Blumberg )- হেপাটাইটিস বি’র প্রতিষেধক আবিস্কার, পল আরলিখ-( Paul Ehrlich) সিফিলিসে ঔষধ আবিস্কার, এলি মেচনিকফ(Elie Metchnikoff ) সংক্রামক রোগের উপর নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী। বার্নার্ড কাজ (Bernard Katz) স্নায়ু এবং মাংশপেশীর উপর নোবেলজয়ী, এনড্রু শ্যালী (Andrew Schally) এন্ডোক্রাইনোলজী’র উপর নোবেলজয়ী, আরন বেক-( Aaron Beck)- কগনিটিভ থেরাপী- মানসিক ব্যাধি চিকিৎসার উপায়। গ্রেগরী পিনকাস- Gregory Pincus জন্ম নিরোধক বড়ি
জর্জ ওয়াল্ড (George Wald) মানব চক্ষুর উপর কাজের জন্য নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী,স্ট্যানলী কোহেন. (Stanley Cohen) ভ্রুনবিদ্যায় embryology নোবেলজয়ী, উইলেম কলফ(Willem Kolff ) কিডনী ডায়ালাইসিস যন্ত্রের আবিস্কারক।
নোবেল পুরস্কারের ১০৫ বছরের ইতিহাসে নোবেলজয়ী ইহুদীর সংখ্যা-১৮০, মুসলমানের সংখ্যা- ৩।
আলবার্ট আইনস্টাইন ছিলেন ইহুদী। টাইম ম্যাগাজিনের নির্বাচনে নির্বাচিত শতাব্দীর সেরা মানব “ সিগমন্ড ফ্রয়েড” ছিলেন ইহুদী সিগমন্ড ফ্রয়েড কে বলা হয়ে থাকে “ সাইকোএনালিসিসের জনক” কার্ল মার্কস, পল স্যামুয়েলসন , মিল্টন ফ্রয়েডম্যান এরা সবাই ছিলেন ইহুদী।
অনান্য উল্লেখযোগ্য ইহুদী যারা সমগ্র মানব কল্যানে নিবেদিত ছিলেন এবং তাদের অবদান হল-
বেঞ্জামিন রুবিন(Benjamin Rubin ) প্রতিরোধক ভ্যাক্সিনের সুচ আবিস্কার, জোনাস সক ( Jonas Salk ) পোলিও ভ্যাক্সিনের উদ্ভাবক। এলার্ট সেবিন- Alert Sabin মুখে খাওয়ার পোলিও প্রতিরোধক ভ্যাক্সিনের উদ্ভাবক। গারট্রুড এলিওন Gertrude Elion রক্ত ক্যান্সারের ঔষধ আবিস্কার, বারুখ ব্লুমবার্গ (Baruch Blumberg )- হেপাটাইটিস বি’র প্রতিষেধক আবিস্কার, পল আরলিখ-( Paul Ehrlich) সিফিলিসে ঔষধ আবিস্কার, এলি মেচনিকফ(Elie Metchnikoff ) সংক্রামক রোগের উপর নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী। বার্নার্ড কাজ (Bernard Katz) স্নায়ু এবং মাংশপেশীর উপর নোবেলজয়ী, এনড্রু শ্যালী (Andrew Schally) এন্ডোক্রাইনোলজী’র উপর নোবেলজয়ী, আরন বেক-( Aaron Beck)- কগনিটিভ থেরাপী- মানসিক ব্যাধি চিকিৎসার উপায়। গ্রেগরী পিনকাস- Gregory Pincus জন্ম নিরোধক বড়ি
জর্জ ওয়াল্ড (George Wald) মানব চক্ষুর উপর কাজের জন্য নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী,স্ট্যানলী কোহেন. (Stanley Cohen) ভ্রুনবিদ্যায় embryology নোবেলজয়ী, উইলেম কলফ(Willem Kolff ) কিডনী ডায়ালাইসিস যন্ত্রের আবিস্কারক।
নোবেল পুরস্কারের ১০৫ বছরের ইতিহাসে নোবেলজয়ী ইহুদীর সংখ্যা-১৮০, মুসলমানের সংখ্যা- ৩।
ইহুদীরা এত শক্তিশালী কেন?
স্টানলী মেজর (Stanley Mezor ) মাইক্রোপ্রসেসিং চিপসের আবিস্কারক, (micro-processing chip.) লিও সিলার্ডLeo Szilard পারমানবিক শক্তির “ চেইন রিয়্যাক্টরের এর উদ্ভাবক the first nuclear chain reactor; পিটার শুলজ (Peter Schultz) অপটিক্যাল ফাইবার কেবল the optical fibre cable; চার্লস এডলার Charles Adler – ট্রাফিক লাইট traffic lights; বেনো স্ট্রস Benno Strauss – ইস্পাত stainless steel; ইসাডর কিস- Isador Kisee - সবাক চলচিত্র sound movies; এমিল বার্লিনার Emile Berliner – টেলিফোন মাইক্রোফোন telephone microphone and চার্লস গিনসবার্গ Charles Ginsburg – ভিডিও টেপ রেকর্ডার videotape recorder.
স্টানলী মেজর (Stanley Mezor ) মাইক্রোপ্রসেসিং চিপসের আবিস্কারক, (micro-processing chip.) লিও সিলার্ডLeo Szilard পারমানবিক শক্তির “ চেইন রিয়্যাক্টরের এর উদ্ভাবক the first nuclear chain reactor; পিটার শুলজ (Peter Schultz) অপটিক্যাল ফাইবার কেবল the optical fibre cable; চার্লস এডলার Charles Adler – ট্রাফিক লাইট traffic lights; বেনো স্ট্রস Benno Strauss – ইস্পাত stainless steel; ইসাডর কিস- Isador Kisee - সবাক চলচিত্র sound movies; এমিল বার্লিনার Emile Berliner – টেলিফোন মাইক্রোফোন telephone microphone and চার্লস গিনসবার্গ Charles Ginsburg – ভিডিও টেপ রেকর্ডার videotape recorder.
Wednesday, 16 July 2014
জেনে নিন ফিলিস্তিনের ইতিহাস। চোখে আপনার অশ্রু গড়াবেই
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে ফিলিস্তিন ছিল তুরস্কের ওসমানীয় খেলাফতের অধীনে শাসিত একটি সুন্দর আকর্ষণীয় ও সমৃদ্ধ প্রদেশ। ফিলিস্তিন শ্যামল উর্বর সোনার ফসলের এলাকা ছিল। এখানকার বাসিন্দারাও দৈহিক সৌন্দর্য ও কমনীয়তার প্রতীক।
আয়তন দশ হাজার চার’শ ঊনত্রিশ বর্গমাইল। মধ্যপ্রাচ্যের ‘উর্বর চন্দ্র’ (Fertile Crescent) নামে খ্যাত এলাকার একেবারে উত্তরে ফিলিস্তিন। পৃথিবীর তিনটি প্রধান ধর্মের আবির্ভাব ঘটেছে পশ্চিম এশিয়ার একেবারে পশ্চিম অঞ্চল থেকে। ফিলিস্তিন থেকে ইহুদি ও খ্রিষ্টধর্ম এবং এটারই নিকটবর্তী এলাকা অর্থাৎ মক্কা থেকে অভ্যুদয় হয়েছে ইসলামের। আসমানি তিন ধর্মই ফিলিস্তিনে অবস্থিত বায়তুল মুকাদ্দাসকে শ্রদ্ধা ও ভক্তির উৎস ও কেন্দ্র বলে মনে করে। উদারতা ও সহিষ্ণুতা যদি বিশ্ববাসীর মধ্যে থাকত তাহলে এ শহর হতে পারত তিন ধর্মানুসারীদের মিলনস্থল। কিন্তু কী নির্মম পরিহাস। স্থানটি সবসময়ই সঙ্ঘাতের কেন্দ্র হয়ে রয়েছে।
ফিলিস্তিন মুসলমানদের হস্তগত হয় হজরত ওমর ফারুকের খেলাফতকালে ১৮ হিজরিতে। তারপর ক্রুসেড যুদ্ধের সময় প্রায় ৯০ বছর তা ছিল খ্রিষ্টানদের দখলে। আবার তা মুসলমানদের দখলে আসে গাজি সালাহুদ্দীন আইয়ুবির মাধ্যমে। এরপর ১৯১৭ পর্যন্ত তা নিরবচ্ছিন্নভাবে মুসলমানদের আয়ত্তেই ছিল। অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ১২৫০ বছর মুসলমানদের অধীনেই ছিল ফিলিস্তিন ভূমি। বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগ থেকে ইঙ্গ মার্কিন মদদে ফিলিস্তিনে ইহুদিরা শক্তি বাড়াতে থাকে এবং এক পর্যায়ে স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দাদের উৎখাত করে সেখানে একটি ইহুদি রাষ্ট্র কায়েম করে। ইহুদিদের জন্য এখানে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চক্রান্ত অনেক দীর্ঘ ও পরিকল্পিত।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কিছু দিন আগে কর্নেল লরেন্স দৃশ্যত মুসলমান হয়ে আরবদের প্রতারিত করে। অর্থাৎ তাদের মধ্যে আরব জাতীয়তাবাদের শ্লোগান তোলে ও প্রচারণা চালায়। আরব তরুণরা তার মন্ত্রে মুগ্ধ হয়ে যায়। ফল দাঁড়ায় তুর্কি খেলাফতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ।
Thursday, 11 July 2013
মার্কিন সহায়তায় মুরসিকে উৎখাতের যত নীলনকশা
মিশরে সম্প্রতি সেনা অভ্যুত্থানে দেশটির প্রথম নির্বাচিত গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কারো পক্ষ নেয়নি।’
তবে মার্কিন ফেডারেল সরকারের বেশ কিছু নথিতে দেখা গেছে, মিশরে মুরসিবিরোধী নেতাদের অর্থ সহায়তা দিয়েছে ওবামা প্রশাসন।
যেসব কর্মকর্তাকে অর্থ সহায়তা করা হয় তার মধ্যে আছেন একজন নির্বাসিত পুলিশ কর্মকর্তা যিনি সহিংস উপায়ে মুরসি সরকারকে উৎখাতের পরিকল্পনা করেন। আর একজন ইসলাম বিরোধী রাজনীতিককেও অর্থ দেয়া হয় যিনি প্রচারণা চালান যে মসজিদগুলো বন্ধ করে দিয়ে আলেমদের জোর করে বের করে দিতে হবে।
এছাড়া প্রাপ্ত নথিপত্রে দেখা যায়, মিশরের প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট মুরসিকে উৎখাতে জড়িত বেশি কিছু রাজনীতিককেও অর্থ সহায়তা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ভিত্তিক অনুষ্ঠান ইউসি বারকেলের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে গণতন্ত্রের উন্নয়নে স্টেট ডিপার্টমেন্টের ডেমোক্রেসি অ্যাসিসট্যান্ট তহবিলের অধীনে এই অর্থসহায়তা দেওয়া হয়।
সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মোবারককে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এই অর্থসহায়তা পেয়ে আসছে মুরসিবিরোধী রাজনীতিক ও তাদের অনুগতরা।
ফ্রিডম অব ইনফরমেশন অ্যাক্টের অধীনে প্রাপ্ত তথ্য, সাক্ষাৎকার এবং সরকারি নথিপত্রে দেখা যায় ওয়াশিংটনের এই অর্থ সহায়তা মিশরীয় আইনের লঙ্ঘন। মিশরের আইনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিদেশি অর্থসহায়তা নেয়া নিষিদ্ধ।
এমনকি এটি যুক্তরাষ্ট্রের আইনেরও লঙ্ঘন। দেশটি আইন অনুসারে বিদেশি রাজনীতিক, নাশতকামূলক কর্মকাণ্ড এবং নির্বাচিত সরকার বিরোধী কোনো কাজে জনগণের করের টাকা খরচ করা যায় না।
মূলত আরব বসন্তের পর মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামপন্থীদের উত্থান ঠেকাতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অনুগত সেক্যুলারিস্টদের ফের ক্ষমতায় আনার জন্য ‘ডেমোক্রেসি অ্যাসিসট্যান্স’ তহবিলের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র এই অর্থ সহায়তা দেয়।
ইসলামপন্থিরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিনি স্বার্থের বিরোধিতা করে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থসাহায্যপুষ্ট রাজনৈতিক কর্মী, যিনি যুক্তরাষ্ট্রেই নির্বাসিত, ওমর আফিফি সোলিমান একটি পরিকল্পনার কথা লিখেছেন এভাবে- রাস্তায় খেজুর গাছ ফেলে কায়রোমুখি বাসগুলো থামিয়ে দাও, রাস্তা ভিজিয়ে দাও গ্যাস আর ডিজেল দিয়ে। এ অবস্থায় বাসের গতি যখন কমে আসবে তখন আগুন জ্বালিয়ে দাও যাতে ভেতরের সব যাত্রী পুড়ে মারা যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ডেমোক্রেসি অ্যাসিসট্যান্স প্রোগ্রামের আওতায় একাধিক সংস্থার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে অর্থ সহায়তা করে থাকে। জনগণের করের কোটি কোটি ডলার সরবরাহ করা হয় ব্যুরো অব ডেমোক্রেসি, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লেবার, দ্য মিডল ইস্ট পার্টনারশিপ ইনিশিয়েটিভ, ইউএসএইড এবং ওয়াশিংটন ভিত্তিক আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর ডেমোক্রেসির মাধ্যমে।
এসব সংগঠন আবার অন্য সংগঠনের মাধ্যমে মুরসিবিরোধী নেতাদের অর্থ সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে আছে ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট এবং ফ্রিডম হাউস। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের নথিপত্রে দেখা যায়, বেসরকারি সংস্থা বা এনজিও’র নামে এসব সংগঠন মিশরে মুরসিবিরোধী অনেক প্রতিষ্ঠান এবং রাজনৈতিক দলকে অর্থ সহায়তা দিয়েছে।
১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর বুশ প্রশাসন ২০০২ সালে দ্য মিডল ইস্ট পার্টনারশিপ ইনিশিয়েটিভ গড়ে তোলে। এ সংগঠনটি মধ্যপ্রাচ্যে গণতন্ত্রের নামে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ কোটি ডলার খরচ করেছে। ইউএসএইড মধ্যপ্রাচ্যে বছরে খরচ করে ১৪০ কোটি ডলার। এর মধ্যে গণতন্ত্রায়ণের জন্য খরচ করা হয় ৩৯ কোটি ডলার।
যুক্তরাষ্ট্র সরকার সরাসরি গণতন্ত্র প্রকল্পের জন্য কত অর্থ ব্যয় করে তার হিসাব প্রকাশ করে না। তবে ওয়াশিংটন ভিত্তিক প্রজেক্ট অন মিডল ইস্ট ডেমোক্রেসির নির্বাহী পরিচালক স্টিফেন ম্যাকইনিমির হিসেবে, ২০১১ সালের এজন্য সাড়ে ৬ কোটি ডলার এবং ২০১২ সালে আড়াই কোটি ডলার ব্যয় করা হয়েছে।
মিশরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থ সহায়তার প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি। ২০১১ সালের সংস্থাটির জন্য কংগ্রেসের বরাদ্দ ছিল ১১ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সংস্থাটি মিশরের একজন নির্বাসিত পুলিশ কর্মকর্তাকে বছরে ১ লাখ ২০ হাজার ডলার অর্থ দিয়েছে। তার কাজ হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে মিশরে সহিংসতায় উস্কানি দেয়া।
কর্নেল ওমর আফিফি সোলিমান নামের এই পুলিশ কর্মকর্তা মিশরের এলিট পুলিশি তদন্ত বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। এই বাহিনীটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য কুখ্যাত। ২০০৮ সাল থেকে সে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সহায়তা পেয়ে আসছে। সোলিমান হোসনি মোবারক সরকার, তার বিদায়ের পর সেনা সরকার এবং সর্বশেষ মুরসি সরকারের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দিয়েছে।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বাস্তুর মর্যাদা পেয়েছেন। মিশরে তার অনুপস্থিতিতে তাকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তাকে ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর ডেমোক্রেসির ফেলোশিপ দেয়া হয়েছে। এর আওতায় তাকে ২০০৯ সালে ৫০ হাজার ডলার এবং ২০১০ সালে ৬০ হাজার ডলার অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
ইউসি বারকেলে’র সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি অর্থ নেয়ার কথা স্বীকার করেন। তবে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই অর্থ যথেষ্ট নয়। এদিকে, এনইডি তার ওয়েবসাইট থেকে মিশরে অর্থ সহায়তার হিসাব তুলে নিয়েছে।
ফেসবুকের ৮৩ হাজার অনুসারী, ইউটিউব ও অন্যান্য সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তিনি ব্রাদারহুড ও মুরসিবিরোধীদের ভয়ঙ্কর সহিংসতার পথ বাতলে দিতেন। জুনে মুরসি আন্দোলনের সময় তার একটি নির্দেশনা ছিল এরকম- প্রথমেই হাটুর হাঁড় গুড়ো করে দিয়ে মুরসি সমর্থকদের অক্ষম করে দাও।
পরে সেভাবেই মুরসি সমর্থকদের ওপর হামলা হয়। মে মাসে সে তার অনুসারিদের নির্দেশ দেয়, তারা যেন বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ কর্তৃপক্ষের প্রধানদের শিরচ্ছেদ করে।
মিশরের মুরসিবিরোধী অনেক নেতাকেও অর্থ সহায়তা দেয়া হয়। এরা গায়ের জোরে মুরসিকে উৎখাতের পক্ষে প্রচারণা চালায়। এদের মধ্যে মুরসি বিরোধী প্রধান জোট স্যালভেশন ফ্রন্টের নেতারাও রয়েছে। এই জোটের প্রধান বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট আল-বারাদেই।
এদেরই একজন হলেন মুসলিমবিরোধী নেত্রী এরশা আবদেল ফাতাহ। তিনি জোর প্রচারণা চালান যে, মুরসি প্রবর্তিত সংবিধানের পক্ষে যেসব মসজিদ থেকে প্রচারণা চালানো হয়, সেসব মসজিদ বন্ধ করে দিয়ে তার ইমামদের বের করে দিতে হবে। সত্যি সত্যিই তার সমর্থকরা এই কাজ করে বসে। এতে বাধা দেয়া হলে বেশ কয়েকজন মুরসি সমর্থককে হত্যা করা হয়।
আবদেল ফাতাহর এনজিও দ্য ইজিপশিয়ান অ্যাকাডেমিকে ২০১১ সালেই যুক্তরাষ্ট্র সরকার ৭৫ হাজার ডলার অর্থ সহায়তা দেয়। আবদেল ফাতাহ স্যালভেশন ফ্রন্টের নেত্রী। এই দলের প্রধান এল বারাদিই কিছুদিন আগেই ঘোষণা করেন, ৩০ জুন হবে মুরসির শেষ দিন। তার তিন দিন পর মুরসিকে উৎখাত করে সেনাবাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সহায়তা পেয়েছে এমন একজন হচ্ছেন মাইকেল মিউনিয়ার। তিনি প্রায়ই টিভি টকশোতে মুরসিবিরোধী জোরালো বক্তব্য রাখেন। তিনি আল হায়া পার্টিরও প্রধান। সরকারি নথিপত্রে দেখা যায়, ২০০৯ সাল থেকে তার এনজিও হ্যান্ড ইন হ্যান্ড ফর ইজিপ্ট অ্যাসোসিয়েশনকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৩ লাখ ডলার অর্থ সহায়তা দিয়েছে। তিনি দেশটির খ্রিস্টানদের মুরসিবিরোধী আন্দোলনে সহায়তা করেছেন।
মুরসিবিরোধী আন্দোলনের আরেক নেতা রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির নেতা মোহাম্মদ এসমাত আল সাদাত শুধু ২০১১ সালে যুক্তরাস্ট্র সরকার থেকে পেয়েছেন ৮৪,৪৪৫ ডলার। এই সাদাত গত সোমবার মুরসি সমর্থকদের ওপর সেনাবাহিনীর গণহত্যার পক্ষেও কথা বলেছেন।
বিদেশি অর্থ সহায়তায় মিশরে অশান্তি সৃষ্টির জন্য গত মাসে ৪৩ জন বিদেশী এনজিও কর্মকর্তাকে কায়রোর একটি আদালত সাজা দিলে এতে উদ্বেগ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ।
মধ্যপ্রাচ্যের অনেক বিশ্লেষক বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র মিশরে যে গণতন্ত্র চায় তার অর্থ হলো দেশটিতে তার প্রভাব বৃদ্ধি। মানবাধিকার এবং সুশাসন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো মাথাব্যথা নেই।
তবে মার্কিন ফেডারেল সরকারের বেশ কিছু নথিতে দেখা গেছে, মিশরে মুরসিবিরোধী নেতাদের অর্থ সহায়তা দিয়েছে ওবামা প্রশাসন।
যেসব কর্মকর্তাকে অর্থ সহায়তা করা হয় তার মধ্যে আছেন একজন নির্বাসিত পুলিশ কর্মকর্তা যিনি সহিংস উপায়ে মুরসি সরকারকে উৎখাতের পরিকল্পনা করেন। আর একজন ইসলাম বিরোধী রাজনীতিককেও অর্থ দেয়া হয় যিনি প্রচারণা চালান যে মসজিদগুলো বন্ধ করে দিয়ে আলেমদের জোর করে বের করে দিতে হবে।
এছাড়া প্রাপ্ত নথিপত্রে দেখা যায়, মিশরের প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট মুরসিকে উৎখাতে জড়িত বেশি কিছু রাজনীতিককেও অর্থ সহায়তা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ভিত্তিক অনুষ্ঠান ইউসি বারকেলের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে গণতন্ত্রের উন্নয়নে স্টেট ডিপার্টমেন্টের ডেমোক্রেসি অ্যাসিসট্যান্ট তহবিলের অধীনে এই অর্থসহায়তা দেওয়া হয়।
সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মোবারককে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এই অর্থসহায়তা পেয়ে আসছে মুরসিবিরোধী রাজনীতিক ও তাদের অনুগতরা।
ফ্রিডম অব ইনফরমেশন অ্যাক্টের অধীনে প্রাপ্ত তথ্য, সাক্ষাৎকার এবং সরকারি নথিপত্রে দেখা যায় ওয়াশিংটনের এই অর্থ সহায়তা মিশরীয় আইনের লঙ্ঘন। মিশরের আইনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিদেশি অর্থসহায়তা নেয়া নিষিদ্ধ।
এমনকি এটি যুক্তরাষ্ট্রের আইনেরও লঙ্ঘন। দেশটি আইন অনুসারে বিদেশি রাজনীতিক, নাশতকামূলক কর্মকাণ্ড এবং নির্বাচিত সরকার বিরোধী কোনো কাজে জনগণের করের টাকা খরচ করা যায় না।
মূলত আরব বসন্তের পর মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামপন্থীদের উত্থান ঠেকাতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অনুগত সেক্যুলারিস্টদের ফের ক্ষমতায় আনার জন্য ‘ডেমোক্রেসি অ্যাসিসট্যান্স’ তহবিলের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র এই অর্থ সহায়তা দেয়।
ইসলামপন্থিরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিনি স্বার্থের বিরোধিতা করে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থসাহায্যপুষ্ট রাজনৈতিক কর্মী, যিনি যুক্তরাষ্ট্রেই নির্বাসিত, ওমর আফিফি সোলিমান একটি পরিকল্পনার কথা লিখেছেন এভাবে- রাস্তায় খেজুর গাছ ফেলে কায়রোমুখি বাসগুলো থামিয়ে দাও, রাস্তা ভিজিয়ে দাও গ্যাস আর ডিজেল দিয়ে। এ অবস্থায় বাসের গতি যখন কমে আসবে তখন আগুন জ্বালিয়ে দাও যাতে ভেতরের সব যাত্রী পুড়ে মারা যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ডেমোক্রেসি অ্যাসিসট্যান্স প্রোগ্রামের আওতায় একাধিক সংস্থার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে অর্থ সহায়তা করে থাকে। জনগণের করের কোটি কোটি ডলার সরবরাহ করা হয় ব্যুরো অব ডেমোক্রেসি, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লেবার, দ্য মিডল ইস্ট পার্টনারশিপ ইনিশিয়েটিভ, ইউএসএইড এবং ওয়াশিংটন ভিত্তিক আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর ডেমোক্রেসির মাধ্যমে।
এসব সংগঠন আবার অন্য সংগঠনের মাধ্যমে মুরসিবিরোধী নেতাদের অর্থ সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে আছে ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট এবং ফ্রিডম হাউস। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের নথিপত্রে দেখা যায়, বেসরকারি সংস্থা বা এনজিও’র নামে এসব সংগঠন মিশরে মুরসিবিরোধী অনেক প্রতিষ্ঠান এবং রাজনৈতিক দলকে অর্থ সহায়তা দিয়েছে।
১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর বুশ প্রশাসন ২০০২ সালে দ্য মিডল ইস্ট পার্টনারশিপ ইনিশিয়েটিভ গড়ে তোলে। এ সংগঠনটি মধ্যপ্রাচ্যে গণতন্ত্রের নামে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ কোটি ডলার খরচ করেছে। ইউএসএইড মধ্যপ্রাচ্যে বছরে খরচ করে ১৪০ কোটি ডলার। এর মধ্যে গণতন্ত্রায়ণের জন্য খরচ করা হয় ৩৯ কোটি ডলার।
যুক্তরাষ্ট্র সরকার সরাসরি গণতন্ত্র প্রকল্পের জন্য কত অর্থ ব্যয় করে তার হিসাব প্রকাশ করে না। তবে ওয়াশিংটন ভিত্তিক প্রজেক্ট অন মিডল ইস্ট ডেমোক্রেসির নির্বাহী পরিচালক স্টিফেন ম্যাকইনিমির হিসেবে, ২০১১ সালের এজন্য সাড়ে ৬ কোটি ডলার এবং ২০১২ সালে আড়াই কোটি ডলার ব্যয় করা হয়েছে।
মিশরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থ সহায়তার প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি। ২০১১ সালের সংস্থাটির জন্য কংগ্রেসের বরাদ্দ ছিল ১১ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সংস্থাটি মিশরের একজন নির্বাসিত পুলিশ কর্মকর্তাকে বছরে ১ লাখ ২০ হাজার ডলার অর্থ দিয়েছে। তার কাজ হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে মিশরে সহিংসতায় উস্কানি দেয়া।
কর্নেল ওমর আফিফি সোলিমান নামের এই পুলিশ কর্মকর্তা মিশরের এলিট পুলিশি তদন্ত বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। এই বাহিনীটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য কুখ্যাত। ২০০৮ সাল থেকে সে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সহায়তা পেয়ে আসছে। সোলিমান হোসনি মোবারক সরকার, তার বিদায়ের পর সেনা সরকার এবং সর্বশেষ মুরসি সরকারের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দিয়েছে।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বাস্তুর মর্যাদা পেয়েছেন। মিশরে তার অনুপস্থিতিতে তাকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তাকে ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর ডেমোক্রেসির ফেলোশিপ দেয়া হয়েছে। এর আওতায় তাকে ২০০৯ সালে ৫০ হাজার ডলার এবং ২০১০ সালে ৬০ হাজার ডলার অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে।
ইউসি বারকেলে’র সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি অর্থ নেয়ার কথা স্বীকার করেন। তবে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই অর্থ যথেষ্ট নয়। এদিকে, এনইডি তার ওয়েবসাইট থেকে মিশরে অর্থ সহায়তার হিসাব তুলে নিয়েছে।
ফেসবুকের ৮৩ হাজার অনুসারী, ইউটিউব ও অন্যান্য সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তিনি ব্রাদারহুড ও মুরসিবিরোধীদের ভয়ঙ্কর সহিংসতার পথ বাতলে দিতেন। জুনে মুরসি আন্দোলনের সময় তার একটি নির্দেশনা ছিল এরকম- প্রথমেই হাটুর হাঁড় গুড়ো করে দিয়ে মুরসি সমর্থকদের অক্ষম করে দাও।
পরে সেভাবেই মুরসি সমর্থকদের ওপর হামলা হয়। মে মাসে সে তার অনুসারিদের নির্দেশ দেয়, তারা যেন বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ কর্তৃপক্ষের প্রধানদের শিরচ্ছেদ করে।
মিশরের মুরসিবিরোধী অনেক নেতাকেও অর্থ সহায়তা দেয়া হয়। এরা গায়ের জোরে মুরসিকে উৎখাতের পক্ষে প্রচারণা চালায়। এদের মধ্যে মুরসি বিরোধী প্রধান জোট স্যালভেশন ফ্রন্টের নেতারাও রয়েছে। এই জোটের প্রধান বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট আল-বারাদেই।
এদেরই একজন হলেন মুসলিমবিরোধী নেত্রী এরশা আবদেল ফাতাহ। তিনি জোর প্রচারণা চালান যে, মুরসি প্রবর্তিত সংবিধানের পক্ষে যেসব মসজিদ থেকে প্রচারণা চালানো হয়, সেসব মসজিদ বন্ধ করে দিয়ে তার ইমামদের বের করে দিতে হবে। সত্যি সত্যিই তার সমর্থকরা এই কাজ করে বসে। এতে বাধা দেয়া হলে বেশ কয়েকজন মুরসি সমর্থককে হত্যা করা হয়।
আবদেল ফাতাহর এনজিও দ্য ইজিপশিয়ান অ্যাকাডেমিকে ২০১১ সালেই যুক্তরাষ্ট্র সরকার ৭৫ হাজার ডলার অর্থ সহায়তা দেয়। আবদেল ফাতাহ স্যালভেশন ফ্রন্টের নেত্রী। এই দলের প্রধান এল বারাদিই কিছুদিন আগেই ঘোষণা করেন, ৩০ জুন হবে মুরসির শেষ দিন। তার তিন দিন পর মুরসিকে উৎখাত করে সেনাবাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সহায়তা পেয়েছে এমন একজন হচ্ছেন মাইকেল মিউনিয়ার। তিনি প্রায়ই টিভি টকশোতে মুরসিবিরোধী জোরালো বক্তব্য রাখেন। তিনি আল হায়া পার্টিরও প্রধান। সরকারি নথিপত্রে দেখা যায়, ২০০৯ সাল থেকে তার এনজিও হ্যান্ড ইন হ্যান্ড ফর ইজিপ্ট অ্যাসোসিয়েশনকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৩ লাখ ডলার অর্থ সহায়তা দিয়েছে। তিনি দেশটির খ্রিস্টানদের মুরসিবিরোধী আন্দোলনে সহায়তা করেছেন।
মুরসিবিরোধী আন্দোলনের আরেক নেতা রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির নেতা মোহাম্মদ এসমাত আল সাদাত শুধু ২০১১ সালে যুক্তরাস্ট্র সরকার থেকে পেয়েছেন ৮৪,৪৪৫ ডলার। এই সাদাত গত সোমবার মুরসি সমর্থকদের ওপর সেনাবাহিনীর গণহত্যার পক্ষেও কথা বলেছেন।
বিদেশি অর্থ সহায়তায় মিশরে অশান্তি সৃষ্টির জন্য গত মাসে ৪৩ জন বিদেশী এনজিও কর্মকর্তাকে কায়রোর একটি আদালত সাজা দিলে এতে উদ্বেগ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ।
মধ্যপ্রাচ্যের অনেক বিশ্লেষক বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র মিশরে যে গণতন্ত্র চায় তার অর্থ হলো দেশটিতে তার প্রভাব বৃদ্ধি। মানবাধিকার এবং সুশাসন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো মাথাব্যথা নেই।
Wednesday, 29 May 2013
ইসরাইলী নরপশুদের দ্বারা মাভি মারমারা আক্রমন নিয়ে এক্সক্লুসিভ ছবি ব্লগ
অবরুদ্ধ গাজাবাসীদের সাহায্যার্থে ৬ টি জাহাজ ভর্তি ত্রান সামগ্রী নিয়ে “স্বাধীনতা বহর” যাওয়ার সময় ইসরাইলী সৈন্যরা বহরে বাধা দেয়। বহর থেকে বলা হয় যে, তারা ইসরাইলে না বরং ফিলিস্তিনে যাচ্ছে। তাছাড়া তারা তখনও আন্তর্জাতিক জলসীমায় ছিল। ৩১ মে ২০১০ সকালের সূর্য উঠার আগেই ইসরাইলী সৈন্যরা আক্রমন চালায় মাভি মারমারা জাহাজে। ৯ জন তুর্কী নাগরিক মারা যায়। পরে জাহাজ সহ সকলকে অবরুদ্ধ করে ইসরাইলে নিয়ে যাওয়া হয়। জাহাজে প্রায় ৬০০ ত্রাণ কর্মী ছিল। যাদের মধ্যে প্রায় ৩৬ টি দেশের নাগরিক, প্রচুর সাংবাদিক, নোবেল বিজয়ী, লেখক, সংসদ সদ্য এবং বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাও ছিল। পরবর্তীতে তুরস্ক সরকারের কঠোর পদক্ষেপের ফলে ইসরাইল সকলকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। কিন্তু পড়ে থাকে ৯ টি লাশ আর অসংখ্য আহত লোকদের আর্তনাদ।
This page is a tribute and memorial for the Shuhada (Martyrs) of The Freedom Flotilla I who were savagly massacred in International Waters by Israeli Occupation Forces and sacrificied their lives while on a peaceful mission to Gaza. To support and show solidarity for their brothers and sisters in Gaza and Palestine.
We won’t forget the shuhada of the The Mavi Marmara Massacre | May 30, 2011
Shaheed Ibrahim Bilgen - Shaheed Ali HaydarBengi – Shaheed Cevdet Kiliçlar - Shaheed Çetin Topçuoglu - Shaheed Necdet Yildirim - Shaheed Fahri Yaldiz - Shaheed Cengiz Songür - Shaheed Cengiz Akyüz - Shaheed Furkan Dogan
انّا للہ و انّا الیه راجعون
‘Inna Lillahi wa ‘Inna ‘Ilayhi Raji’un, Allahu Akbar
May Allah Subhana wa Ta’ ala grant the Shuhada a High Rank in Jannatul Firdaus,
and ease it for their families, loved ones and anyone around them. Allahumma Ameen ya Rabbil ‘Alameen.
and ease it for their families, loved ones and anyone around them. Allahumma Ameen ya Rabbil ‘Alameen.
Mavi Marmara Sailing to Gaza
Large Crowds gather to witness the leaving Mavi Marmara in Turkey
The Joy...
Releasing doves...
The Pull off... Heading to Gaza...
The Night….Before until the Attack on the Mavi Marmara
Australians Maryam Luqman and Jerry Campbell on the ship before the attack. Photo: Kate Geraghty
Prayers on the night before the attack.
The evening prayer on the night before the attack .
On the night before the attack, men hold the evening prayer on the ship.
- Activists shine searchlights on one of the Israeli assault boats.
Activists wearing gas masks and carrying poles defend the Mavi Marmara as it comes under attack from the Israelis.
Smoke from tear gas and explosions fills the second deck of the Mavi Marmara.
Passengers on the Mavi Marmara look down at one of the Israeli assault boats just before the attack.
One of the many Israeli assault boats at the side of the Mavi Marmara.
Passengers on the second deck use hoses on the assault boats amid smoke and tear gas.
The Attack
And Israeli commando troops came with a deathlist and a license to kill…
This image made from video provided by the Israeli Defence Force on Monday, May 31, 2010 shows what the IDF says is one of several commandos being dropped onto the Mavi Marmara ship by helicopter in the Mediterranean Sea. Israeli commandos rappelled down to an aid flotilla sailing to thwart a Gaza blockade on Monday, clashing with pro-Palestinian activists on the lead ship in a raid that left at least nine passengers dead. (AP Photo/Israel Defence Force) AP HAS NO WAY OF INDEPENDENTLY VERIFYING THE AUTHENTICITY OF THE VIDEO PROVIDED BY THE ISRAELI DEFENCE FORCE
This video image released by the Turkish Aid group IHH Monday May 31, 2010 purports to show Israeli soldiers aiming a gun on the deck of a Turkish ship, part of an aid convoy heading to the Gaza Strip, after Israeli soldiers boarded the vessel in international waters off the Gaza coast. Israeli commandos on Monday stormed six ships carrying hundreds of pro-Palestinian activists on an aid mission to the blockaded Gaza Strip, killing at least 10 people and wounding dozens after encountering unexpected resistance as the forces boarded the vessels. AP Photo/IHH via APTN)
The Mavi Marmara after the Attack
Gaza mourns the Shuhada of the Mavi Marmara
Palestinians and their children threw flowers into the sea for each of the 19 murdered peace activists | June 3, 2010
The Shuhada
Ibrahim Bilgen
Ibrahim Bilgen | A 61 year-old Turkish politician, engineer and activist who was married with six children
Shot once in the right temple, once in the right side of his chest, once in the back and once in the hip.
Of interest during the autopsy was the discovery of a tiny bag containing pellets, still intact in his brain, which the report said was fired from a hunting rifle
Shot once in the right temple, once in the right side of his chest, once in the back and once in the hip.
Of interest during the autopsy was the discovery of a tiny bag containing pellets, still intact in his brain, which the report said was fired from a hunting rifle
Ali Heyder Bengi
Ali Heyder Bengi | 29 years old from Diyarbakir – Graduate of Al-Azhar University (Cairo) – Department of Arabic literature – Married and father of four children.
Shot six times, including once in the abdomen
Shot six times, including once in the abdomen
Kovdit Kililar
Kovdit Kililar | 38 years old, the web editor of the charity IHH, married and father of two children.
Killed by a single bullet that hit him between the eyebrows as he raised his camera to photograph the commandos landing on the Mavi Marmara
Killed by a single bullet that hit him between the eyebrows as he raised his camera to photograph the commandos landing on the Mavi Marmara
Cetin Topkoogelo
Cetin Topkoogelo | 54 years old former Taekwondo champion who worked as a coach for the Turkish national team
Shot three times – once in the back of his head, once in his hip and once in his belly, died as his wife tried to save him.
Shot three times – once in the back of his head, once in his hip and once in his belly, died as his wife tried to save him.
Necdet Yildirim
Necdet Yildirim | An aid worker in the humanitarian relief organization (IHH) of the city of Malatya – Married and father of a girl aged three years.
Two gunshot wounds: right shoulder, left back
Two gunshot wounds: right shoulder, left back
Vahri Yildiz
Vahri Yildiz | 43 year old Fireman working in the town of Adiyaman – Married and father of four children.
Hit by five bullets, among them a fatal one in the chest.
Hit by five bullets, among them a fatal one in the chest.
Cengiz Sunqur
Cengiz Sunqur | 47 years old – from the city of Izmir – Married and father of seven children
One gunshot wound: front of neck
One gunshot wound: front of neck
Cengiz Okez
Cengiz Okez | 41 years old from Iskenderun – Married and father of three children (14,12,9 years). Pictured here with his youngest daughter.
Four gunshot wounds: back of head, right side of face, back, left leg
Four gunshot wounds: back of head, right side of face, back, left leg
Farrakhan Dogan - American
Farrakhan Dogan | American 19 year-old student in secondary School- had hoped and planned to become a doctor. The son of Dr. Ahmed Dogan (Assistant Professor at the University of Irkiis). Farrakhan holds dual citizenship, both Turkish and American and has two brothers.
Shot five times – from close range in the right side of his nose, in the back of the head, in the back and twice in the left leg
Shot five times – from close range in the right side of his nose, in the back of the head, in the back and twice in the left leg
How many more dead corpses of Palestinians, peace-activists or humanitarian convoy members does the international community need to see in order to act? How many more cruelties and violations of Human Rights, Regulations and International Law will be needed to intervene so this ongoing warcrime and massacres are being stopped once and for all.
Subscribe to:
Posts (Atom)