Showing posts with label সংখ্যালঘু নির্যাতন. Show all posts
Showing posts with label সংখ্যালঘু নির্যাতন. Show all posts

Thursday, 3 July 2014

শাঁখারী বাজারে মন্দির দখল করলো স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

03 Jul, 2014
হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভয় দেখিয়ে পুরান ঢাকার শাঁখারী বাজারে একটি সম্পত্তিসহ মন্দির দখলের অভিযোগ উঠেছে সরকার সমর্থক সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের স্থানীয় এক নেতার বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দলীয় প্রভাব ও ভয় দেখিয়ে ইতিমধ্যে ওই ভবনটির ভাড়াটেদের উচ্ছেদ করেছেন ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ (দক্ষিণ) এর সভাপতি দেবাশীষ বিশ্বাস।

শাঁখারী বাজার এলাকার ১৪ নম্বর ভবনটির ২য় তলায় ‘শ্রী শ্রী কালা চাঁদ দেবের’ একটি মন্দির রয়েছে। ভবনের অন্যান্য অংশে বাস করছেন অন্তত ১০টি পরিবার।

Tuesday, 4 March 2014

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর হামলার প্রকৃত চিত্র এবং মিডিয়ার ব্লেইম গেমের অপরাজনীতি





১০ম জাতীয় নির্বাচনের পর আবারো সংখ্যালঘুদের উপর বিশেষ করে হিন্দুদের উপর বিভিন্ন জায়গায় হামলা হচ্ছে। যেখানে প্রশাসন থেকে ও এই সব হামলা বন্ধের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। উল্টো কয়েক জায়গায় রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য প্রশাসনকে ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০০১ সালে বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামীলীগের লোকজন সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে তুলকালাম সৃষ্টি করে। বলেছিলো সংখ্যালঘুরা সরকারী দলের সন্ত্রাসীদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে। 

কিন্তু বর্তমানে এই আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন । আসল সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করে, রাজনৈতিক সুবিধার্থে উল্টো ক্ষমতার বাহিরে থাকা জামায়াত শিবির ও বিএনপির কর্মীদের দোষারোপ করে যাচ্ছে। আর তার সাথে ইন্ধন যোগাচ্ছে কিছু মিডিয়া। মিডিয়ার এই অন্ধ রিপোর্টগুলোর কারণেই সন্ত্রাসীরা আরো বেশি করে হামলা করছে হিন্দুদের উপরে। কারণ তারা জানে তারা যতই হামলা করুক না কেন মিডিয়ায় প্রকৃত খবর আসবে না , উল্টো জামায়াত শিবিরকে দোষারোপ করা হচ্ছে। অথচ একজন স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে মিডিয়াতে আমরা প্রকৃত দৃশ্য দেখতে চাই , এবং সন্ত্রাসীরা যেই দলেরই হোক না কেন প্রশাসনের সুষ্ঠ তদন্তের মাঝে আমরা প্রকৃত দোষীদের কঠিন শাস্তি চাই। 

ঝালকাঠির রাজাপুরে হিন্দু বাড়িতে হামলা মূর্তি ভাংচুর আহত ৫ যুবলীগ নেতাসহ গ্রেফতার দুই

ঝালকাঠির রাজাপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক হিন্দুবাড়িতে হামলা ভাংচুর-লুটপাট ও গোয়াল ঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতির নেতৃত্বে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী এ হামলা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় গ্রামের বিশ্বাসবাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নারী-শিশুসহ ৫ জন আহত হয়েছে। পুলিশ হিন্দু পরিবারের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে শুক্তাগড় ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি সিদ্দিক মিয়া ও তার ভাগ্নে বরিশালের দক্ষিণ আলেকান্দার লাভলু খানের ছেলে লিমন হোসেনকে গ্রেফতার করেছে। আহতরা হলো- সাগর বিশ্বাস, তার মা মঞ্জু রানি, সুবাস চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে নয়ন বিশ্বাস, নয়নের শিশু মেয়ে সুপ্রিয়া ও উত্তম বিশ্বাস। আহতদের মধ্যে মঞ্জু রানি ও সাগর রাজাপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হয়েছেন।

Saturday, 1 February 2014

সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনায় শতকরা ৮৩ ভাগই সম্পৃক্ততা ছিল আওয়ামী লীগের

আওয়ামী লীগ সারা দেশের সংখ্যালঘু নির্যাতনের সুফল ভোগ করে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মাইনরিটি পার্টির (বামাপা) সাংগঠনিক সম্পাদক প্রবীর মিত্র।

তিনি বলেছেন, ‘সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার সুফল ভোগ করে আওয়ামী লীগ। যেসব সহিংসতা ঘটেছে সেসব জায়গায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সব জায়গায়তেই প্রায় শতকরা ৮৩ ভাগই সম্পৃক্ততা ছিল আওয়ামী লীগের।’

শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের হলরুমে সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় এবং তাদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বড় বড় রাজনৈতিক দলে যেসব হিন্দু নেতা রয়েছেন তারা শুধু নিজের জন্য সুবিধা ভোগ করছেন। সাধারণ হিন্দুদের জন্য কিছুই করেননি।’

Tuesday, 21 January 2014

পূজামণ্ডপে প্রতিমা ভাঙচুর: আ.লীগ নেতার ছেলে গ্রেফতার

পূজামণ্ডপে প্রতিমা ভাঙচুর: আ.লীগ নেতার ছেলে গ্রেফতার
শীর্ষ নিউজ ডটকম, নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কালীপূজার আসরে মদ্যপ অবস্থায় নৃত্য করার ঘটনায় বাধা দেয়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের ছেলেরা পূজামণ্ডপে হামলা ও প্রতিমা ভাঙচুর করেছে। এ সময় তারা পূজা কমিটির দুইজনকে পিটিয়ে আহত করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা রকমান মেম্বারের ছেলে আপেল মিয়া, শ্রমিক লীগের ৭নং ওয়ার্ডের নেতা হাবিবুর রহমান হাবিবের ছেলে পনির মিয়া, আসকর আলী মৃধার ছেলে সেরাজউদ্দিন মৃধা ও আউয়াল ভুঁইয়ার ছেলে মোফাজ্জল ভুঁইয়া।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের সাওঘাট মনিপাড়া কালী পূজামণ্ডপে। সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

Saturday, 18 January 2014

সংখ্যালঘু সাবেক ইউপি নারী মেম্বার”কে গাছের সাথে বেঁধে আওয়ামীলীগের মধ্যযুগীয় নির্যাতন

nirjaton
শাহনেওয়াজ জিল্লু, কক্সবাজার: লামার ফাইতংয়ে ঘর পোড়ানোর ঘটনা তদন্তকালে সংখ্যালঘু ভানু প্রভা দে (৫০) নামের সাবেক এক নারী ইউপি মেম্বারকে গাছের সাথে বেঁধে রেখে গুরুতর নির্যাতন চালিয়ে আহত করেছে সরকারদলীয় ক্যাডাররা। আহত ওই নারী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

গতকাল ১৬জানুয়ারি বৃস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শামশুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
থানায় দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা গেছে, পার্বত্য লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের ৩০৬ নং ফাইতং মৌজার আর হোল্ডিং নং ৬৯ ও ৬৫৪ এর ৪একর জমির মালিক স্থানীয় নয়াপাড়া এলাকার সাবেক ইউপি মেম্বার ভানু প্রভা দে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওইসব জমিতে গাছ রোপন করে ভোগ দখলে আছে। কিন্তু একই এলাকার কিছু ভূমিদস্যুর নজরে পড়ে এসব জমি।

Friday, 17 January 2014

ঘটনাস্থল কোটচাঁদপুর..আ. লীগ সভাপতি পেটালেন সংখ্যালঘু প্রধান শিক্ষককে

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শরিফুন নেছা মিকি। সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে নিয়োগের বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর কাছ থেকে নেওয়া টাকায় নিজে বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য হতে না পেরে ক্ষমতাসীন দলের ওই নেতা এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে জানা গেছে।
কোটচাঁদপুর উপজেলার কাগমারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৮-৯ মাস আগে ওই বিদ্যালয়ে একজন সহকারী গ্রন্থাগারিক নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছ থেকে অনুদান হিসেবে দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতি ও কোটচাঁদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শরিফুন নেছা মিকি ওই টাকা নিজের পক্ষ থেকে অনুদান হিসেবে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন তহবিলে জমা দেন। পরে তিনি ওই টাকার বিনিময়ে নিজেকে বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির আবেদন করেন। কিন্তু বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সচিব ও প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাস এতে অপারগতা জানান এবং আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মহাপরিচালকের দপ্তর থেকে একটি অডিট টিম সেখানে যায়। অডিট চলাকালে গত বুধবার শরিফুন নেছা মিকি তাঁর দলবল নিয়ে স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। এ সময় মিকির উপস্থিতিতে তাঁর লোকজন প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

হিন্দুতে ড. চ্যাটার্জির নিবন্ধ...আওয়ামী লীগের প্রভাবশালীরাও হিন্দুর সম্পদ ও বাস্তুভিটা গ্রাস করে

ভারতীয় প্রভাবশালী দৈনিক হিন্দুতে গতকাল প্রকাশিত এক নিবন্ধে হিন্দুদের ওপর জুলুম চালানোর বিষয়ে ক্ষসতাসীন আওয়ামী লীগ এবং তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি ও জামায়াতের মনোভাব ও কৌশল মূল্যায়ন করা হয়েছে। এতে বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনার পাশাপাশি এটাও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, আওয়ামী লীগের প্রভাবশালীরাও হিন্দুদের সম্পদ গ্রাস করেছে। আবার যুদ্ধাপরাধের বিচারেও তারা গড়িমসি করেছিল। শাহবাগের তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের পরেই কেবল তারা গুরুত্বের সঙ্গে এই বিচারে মনোযোগী হয়েছে।  
ওই নিবন্ধে বলা হয়েছে, ‘আওয়ামী লীগ শাসনামলে দলটির প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নিয়মিতভাবে হিন্দুদের সম্পদ ও বাস্তুভিটা নিয়মিতভাবে কেড়ে নিয়ে থাকেন। তবে সংখ্যালঘুদের ওপর পদ্ধতিগতভাবে আক্রমণ চালানো দলটির নীতি নয়। তবে একই কথা তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি ও জামায়াতের ক্ষেত্রে খাটে না। তারা নিয়মিতভাবে হিন্দুদের জান ও মাল উভয়ের প্রতি হুমকি হয়ে থাকে। তাই হিন্দুরা কেন গভীর সমুদ্রে প্রেত দেখতে পায় সেটা অনুভব করা কষ্টসাধ্য নয়।’  

Tuesday, 14 January 2014

রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৩ শ’;.. প্রতিদিন গড়ে খুন হয়েছে ১২ জন..মহাজোট সরকারের ৫ বছরে ২২ হাজার মানুষ খুন

মহাজোট সরকারের পাঁচ বছরে সারা দেশে ২২ হাজার মানুষ খুন হয়েছেন। সে হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ১২ জন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে সরকারের শেষ বছর ২০১৩ সালে খুনের ঘটনা ঘটেছে সবচেয়ে বেশি। এ বছর খুন হন চার হাজার ৪২৮ জন। গত বছর এবং চলতি বছরের শুরুতে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। গত ২৫ নভেম্বর দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে গতকাল পর্যন্ত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে প্রায় ১৫০। এত খুনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন সংশ্লিষ্টরা।

Sunday, 12 January 2014

পটুয়াখালীতে হিন্দু ব্যবসায়ীদের আ’লীগ নেতার মারধর ও দোকান ভাঙচুর...হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক; কয়েক স্থানে মন্দিরে অগ্নিসংযোগ

তিন দিন ধরে এক দিকে পটুয়াখালী শহরসহ জেলার সর্বত্র সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ অব্যাহত অন্য দিকে শহরতলী লাউকাঠি বাজারে তিনজন হিন্দু ব্যবসায়ীকে মারধর ও দোকানপাটে হামলা ভাঙচুর করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির নেতৃত্বে একদল ক্যাডার। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ। গত শনিবার রাতের এ ঘটনার পর স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মসজিদে আযান-নামাজ হয়না : চলছে গ্রেফতার বাণিজ্য

13 Jan, 2014
গত ২৯ দিনেও নীলফামারীর ঐতিহ্যবাহী রামগঞ্জ বাজার এবং টুপামারী ও লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নে স্বাভাবিক জীবন ফিরে আসেনি। এখনও কয়েকটি মসজিদে আযান দেয়া ও নামাজ আদায় হচ্ছে না। বাকী মসজিদগুলোতে আযান দেয়া ও নামাজ আদায় হলেও মুসল্ল¬ীর সংখ্যা হচ্ছে ৪ থেকে ৫ জন। এলাকাবাসী জানান, পুলিশি গ্রেফতার আতঙ্কে মানুষ ঘর-বাড়ী ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। পুলিশের দায়েরকৃত মামলা থেকে রেহাই পেতে ও গ্রেফতার না হওয়া নিয়ে চলছে বাণিজ্য।

Friday, 10 January 2014

আওয়ামীলীগ কতৃক সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের চিত্রের কিছু খবরের লিঙ্ক

1) http://www.bdtomorrow.org/blog/blogdetail/detail/1646/activist/35647

2) http://progressbangladesh.com/party-whip-abdul-wahab-awami-league-made-threats-to-attacked-hindu-community-before-the-election/

3) http://www.khichuri.org/bangladeshs-self-styled-secularists-are-no-protectors-of-minorities/

4) http://my.telegraph.co.uk/nivritchari/nivritchari/31/minorities-are-no-longer-safer-under-awami-leagues-rule/

5) http://skmahdi.wordpress.com/2013/06/10/minority-repression-in-bangladesh-savior-becomes-the-sinner/

6) http://archive.thedailystar.net/beta2/news/some-attackers-seen-with-tuku/

7) http://progressbangladesh.com/awami-league-members-attack-buddhist-family-home-over-land-case/

8) http://archive.thedailystar.net/newDesign/news-details.php?nid=252738

9) http://talukdershaheb.blogspot.co.uk/2013/03/indian-daily-suspects-al-hand-in-temple.html

10) http://www.amadershomoy2.com/content/2013/03/17/middle0847.htm

11) http://www.jamaat-e-islami.org/en/details.php?artid=MjMxMw%3D%3D

12) http://talukdershaheb.blogspot.co.uk/2013/03/shibir-guards-temples.html

13) http://talukdershaheb.tumblr.com/post/66777045242/debunking-the-daily-star-yellow-journalism-awami

আওয়ামীলীগের সংখ্যালঘু নির্যাতন ও নাশকতার স্ক্রীন শট / পেপার কার্টিং


Tuesday, 7 January 2014

Overview of the Political situation in Bangladesh, allegations of political violence, and minority persecution: Some case studies

Overview of the Political situation in Bangladesh, allegations of political violence, and minority persecution: Some case studies
The current crisis was triggered by mass protests of hundreds of thousands of ordinary people along with the political opposition against what many believe to be a politically motivated International Crimes Tribunal (ICT). As observed by Steven Kay, an expert on international criminal law, the Bangladesh government has “withdrawn all the constitutional rights to a fair and impartial trial that an ordinary Bangladeshi citizen would have so it is a very unfair war crimes tribunal”.[1] Numerous international legal experts and observers have observed that the Bangladeshi government’s refusal to allow a fair trial sheds doubt on the validity of the allegations and verdicts of the ICT, and strengthens the view that the ICT prosecution do not have a case that would stand up in an impartial court of law.
Allmost 200 people have been killed and many thousands severely injured in the past few weeks but the true extent is thought to be much more. Human Rights Watch, whilst criticising the response from the main opposition, has observed that “most deaths appear to have been caused by the security forces using live ammunition.”[2] Video footage shows police firing live and rubber bullets directly into crowds of protestors and shooting handcuffed youth at point blank range intending to kill or maim.[3]

সংখ্যালঘুদের উপর হামলার প্রকৃত চিত্র এবং মিডিয়ার ব্লেইম গেইম :-s



১০ম জাতীয় নির্বাচনের পর আবারো সংখ্যালঘুদের উপর বিশেষ করে হিন্দুদের উপর বিভিন্ন জায়গায় হামলা হচ্ছে। যেখানে প্রশাসন থেকে ও এই সব হামলা বন্ধের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। উল্টো কয়েক জায়গায় রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য প্রশাসনকে ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০০১ সালে বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামীলীগের লোকজন সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে তুলকালাম সৃষ্টি করে। বলেছিলো সংখ্যালঘুরা সরকারী দলের সন্ত্রাসীদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে। 

Monday, 25 November 2013

গৌরনদীতে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে হিন্দু বাড়িতে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর


জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বরিশালের  পৌর কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে এক হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে।

গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ  বিজয়পুর এলাকার অধিবাসী রতন ভৌমিকের বাড়িতে এই হামলার ঘ্টনা ঘটে। হামলাকারীরা এ সময় ওই বাড়িতে মনসা মন্দিরের নির্মাণাধীন মনসা প্রতিমা ভাঙচুর ও ২ নারীকে আহত করে বাড়িতে তিনটি সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে দেয়।

রতন ভৌমিক জানান. গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ  বিজয়পুর এলাকায় তার পৈত্রিক বাড়ির ২ একর ৭৭ শতক জমি স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ফিরোজ আহম্মেদ ও তার স্বজনরা  দাবি করে আসছেন। এ নিয়ে বরিশাল আদালতে দেওয়ানি  মোকদ্দমা  বিচারাধীন রয়েছে।

Sunday, 3 November 2013

পাবনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ভাঙচুর : নেপথ্যে ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি!

পাবনার সাঁথিয়ায় ফেসবুকে হজরত মুহাম্মদ সা: সম্পর্কে কটূক্তির বিষয়টি ছড়িয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনার নেপথ্যে ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি মূল কারণ বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা। এই ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। এই ঘটনায় রাজিব সাহার বাবা বাবা বাবলু সাহা বাদি হয়ে আতাইকুলা থানায় একটি মামলা করেছেন। ঘটনায় জড়িতের অভিযোগে রেজাউল করিম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্য দিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টে। একই সাথে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এ বি এম আলতাফ হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

Thursday, 31 October 2013

‘সংখ্যালঘু নির্যাতন বেশি ঘটেছে মহাজোট সরকারের আমলে’

31 Oct, 2013
মহাজোট সরকারের আমলে দেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ মাইনরিটি পার্র্টির সভাপতি শচীন্দ্র লাল দে। তিনি চলতি বছরের এক পরিসংখ্যান উল্লেখ্য করে বলেন, এবার ৪৭৮টি মঠ ও মন্দির, ১২৪টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ড. বিশ্বনাথ সরকার।

মাইনরিটি পার্র্টির সভাপতি শচীন্দ্র লাল দে বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে চট্টগ্রামের নদীরহাট, বাঁশখালী, রামু, দিনাজপুরের চিরিরবন্দর, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের চাকরদাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংখ্যালঘুদের মঠ, মন্দির ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাপক হামলা, অগ্নিসংযোগ- লুটপাট হয়েছে।১৭ জন কুমারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে; তাদের মধ্যে আটজনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

শচীন্দ্র লাল দে বলেন, দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। এই পরিস্থিতিতে সব দল ও মতের লোকজনের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশকে শঙ্কা ও রাহুমুক্ত করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Friday, 31 May 2013

ভোলায় মন্দিরে আওয়ামী লীগ নেতার হামলা প্রতিমা ভাঙচুর, আহত ৪, গ্রেপ্তার ৩


ভোলার লালমোহনের লর্র্ডহার্ডিঞ্জের মন্দিরে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আলী ব্যাপারী ও তার দল। এ সময় তাদের মহিলাসহ 
৪ জন আহত হয়েছেন। মন্দিরের পুরোহিত কিরণ চন্দ্র দাস জানান, বেলা ১২ টার দিকে মন্দিরের ভিতর গরু আসাকে কেন্দ্র করে ঝর্ণা রানী দাসের সাথে লর্ড হার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের ছেলে সিরাজের কথাকাটাকাটি হয়। এ সময় মন্দিরের পুরোহিত বাধা দিলে তিনি চলে যান। এরপর বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা আলী ব্যাপারীর নেতৃত্বে সিরাজ, মোসারেফ, মোবারক, রিয়াজ, সানাউল্লাহ, লোকমান, কামরুল ও গালপোড়া অনুসহ একদল সন্ত্রাসী মন্দিরের ভিতর ঢুকে প্রতিমা ভাঙচুর করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে সন্ত্রাসীরা কিরণ চন্দ্র দাস, ঝর্ণা রানী দাস, বিরঙ্গী বৈশ্য, ববিতা রানী দাসকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এলাকাবাসী আহতদের হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে ভোলা জেলার কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মোবাশ্বের উল্লাহ চৌধুরী বলেন, লালমোহনের লর্ড হার্ডিঞ্জ-এর সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় বিভিন্ন সময় কারণে-অকারণে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, আর এই নির্যাতনের গডফাদার হচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতারা। তিনি দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও করেন। লালমোহন থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নেতা অলি ব্যাপারীর দুই ছেলেসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অলি ব্যাপারীকেও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। 
ভোলায় মন্দিরে আওয়ামী লীগ নেতার হামলা প্রতিমা ভাঙচুর, আহত ৪, গ্রেপ্তার ৩

Friday, 15 March 2013

আসুন দেখি বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন ও তান্ডব চালায় কারা




গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের মিডিয়াগুলো জামায়াত শিবিরের আন্দোলন নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি করছে .দেখাচ্ছে হলুদ সাংবাদিকতার নির্লজ্ব নমুনা,বলা হচ্ছে গত ২৮ তারিখে জামায়াত শিবির সংখ্যালঘুদের উপর হামলা করেছে . কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় বাংলাদেশে জামায়াত শিবিরের বিপক্ষে সবগুলো টিভি চ্যানেল , যাদের অসংখ্য ক্যামেরা , কিন্তু কেউ একটি লাইভ ছবি বা ভিডিও দেখাতে পারেনি।

গতকয়েক দিন ধরে আমাদের মিডিয়াগুলো বিভিন্ন কিচ্ছা কাহিনী লিখে জামায়াত শিবির সংখ্যালঘুদের উপর হামলা করেছে বলে এক মহানাটক সৃষ্টি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত .

এই অপচেষ্টায় বাদ যায়নি শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের সমর্থক কিছু ফেসবুক পেইজ ও ..যারা ইন্ডিয়ায় ভাঙ্গা বৈদ্বদের মন্দির ভাংচুরের ঘটনায় বাংলাদেশে জামায়াত শিবিরের কাজ বলে ফেসবুকে তথ্য সন্ত্রাস চালিয়েছে ..ছবিটি হলো



কিন্তু ছবিটির আসল খবর হলো ইন্ডিয়াতে Buddha Statues Vandalized 

একই ভাবে রোহিঙ্গা শিশুর বিকৃত লাশের ছবি দিয়ে জামায়াত শিবিরের কাজ বলে চালিয়েছিল শাহবাগের আন্দোলনকারীরা

ছবিটি খুবই বিভত্স তাই এই লিংকে গিয়ে পেইজের নিচের দিকে দেখুন 

..যেখানে বলা হয়েছে বৈদ্বদের দ্বারা নিহত রোহিঙ্গা মুসলিম শিশুর লাশ ..

এই হলো আমাদের দেশের মিডিয়ার পাশাপাশি সোশাল মিডিয়াগুলোতে জামায়াত শিবিরের বিরুদ্বে তথ্য সন্ত্রাসের নমুনা ..

কিন্তু এই মিডিয়াগুলো যে এলাকায় জামায়াত শিবিরকে দোষী করার চেষ্টায় লিপ্ত সেই একটি এলাকা হলো বাশখালী .বাশখালীর ঘটনায় যেখানে সব পত্রিকা জামায়াত শিবিরের নামে মিথ্যা খবর প্রকাশ করছে সেখানে আমারদেশ পত্রিকা গতকাল বোম ফাটিয়েছে বাঁশখালীতে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলায় নেতৃত্ব দেয় আ.লীগের বিদ্রোহী গ্রুপ : পুলিশের ভূমিকা ছিল রহস্যজনক, মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা কামাচ্ছে সরকারদলীয়রাএই শিরোনামে রিপোর্ট করে ..

খবরে বলা হয় চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে গত সপ্তাহে বিক্ষুব্ধ জনতার ওপর পুলিশের গুলির পর আওয়ামী লীগ নেতাদের উস্কানি ও অংশগ্রহণে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ করা হয়। আর এই নাশকতার জন্য পরিকল্পিতভাবে বেছে নেয়া হয় বাঁশখালীর দরিদ্র সংখ্যালঘু পরিবার ও তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে।



আজকে আবার নয়াদিগন্ত পত্রিকার ফেসবুক পেইজে আওয়ামী লীগের নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে সংখ্যালঘুরা থানায় : চাঁদা দাবি, বৌ ঝিকে উঠিয়ে নেয়ার হুমকি শিরোনামে খবর প্রকাশ করে

এতে বলা হয় টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌরসভার চন্দবাড়ি গ্রামের সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যরা আওয়ামী সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের হাতে এখন জিম্মি। সরকারি দলের নাম ভাঙিয়ে নানা অত্যাচার-নির্যাতনের পর এখন তাদের গ্রামছাড়া করার পাঁয়তারা করছে। সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যরা গতকাল সন্ধ্যায় দলবেধে থানায় হাজির হয়ে জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে লিখিত অভিযোগ করে।

লিখিত পিটিশনে গ্রামের সংখ্যালঘু নেতা রংলাল চন্দ্র পাল অভিযোগ করেন, পার্শ্ববর্তী হাটবৈরাণ গ্রামের মৃত হাবিবের ছেলে ফারুখ, মৃত আছর আলীর ছেলে মনির এবং চন্দবাড়ী গ্রামের মৃত ইবরাহিমের ছেলে লতিফ এবং ফজর আলীর শরীফ সরকারি দলের নাম ভাঙিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা আদায় করে আসছে। চাঁদা না দেয়ায় এরআগে তারা বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে কয়েক দফা ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। বেশকজনকে মারপিটও করে

এদিকে আজকের নিউএজ পত্রিকায আওয়ামীলীগ নেতা দ্বারা হিন্দু মহিলা ধর্ষণ নিয়ে রিপোর্ট করে Woman, raped and threatened, goes into hiding শিরোনামে খবর প্রকাশ করে . এতে বলা হয়

Mahfuzur, also convener of the Kachua unit Awami League, is reported to have raped the woman in her house at night on December 19 at Charkati in the upazila. Her husband, who owns a pharmacy, was not at home at the time.

Local people alleged that Mahfuzur had threatened lives of her and her husband if they did not leave the country. 
The woman, along with her husband and a minor son, went into hiding early December 21.

Muktijoddha Sangsad and Puja Udjapan Parishad of the district went on demonstrations, rallying for the removal of Mahfuzur as upazila chairman and his early arrest.


এদিকে লাকসামে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা হিন্দুদের মেরে বর্ষপূর্তি পালন করেছে .

বিস্তারিত খবরে জানা যায় স্থানীয় হিন্দুদের ১৯২০ সাল থেকে ভোগ দখল করে আসা জমির উপর কুদৃষ্টি পড়ে স্থানীয় কয়েকজন আওয়ামীলীগ নেতার। ২০০৯ সাল(আওয়ামী লীগের ক্ষমতা লাভের বছর) থেকে চলা মামলায় আদালতে টিকতে না পেরে ২০১১ সালে এসে ঘর বাড়ী ভাংচুর, বিশ বছরের ছেলে থেকে ৯০ বছরের বৃদ্ধা সবাইকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। আড়াই ঘন্টা ধরে চলা এ তান্ডবে প্রায় অর্ধশতাধিক আওয়ামী ক্যাডার অংশ নেয় 

দেখে নিন লাকসামে আওয়ামী তান্ডবের কিছু চিত্র 







এদিকে সাতক্ষীরাতে ও তান্ডব চালাচ্ছে সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা সংখ্যালঘু নির্যাতনে ভাংছে দেশের সব রেকর্ড 

ক্ষমতাসীনদের হাতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়। তাদের জায়গাজমি দখল করে নিচ্ছে সরকারদলীয় নামধারী কিছু সন্ত্রাসী। পেট্রল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে কয়েকজনকে। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের কাছে নালিশ জানিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না। 



পিরোজপুরে ও সরকারী বাহিনী চালাচ্ছে নজিরবিহীন সন্ত্রাস
 .. পিরোজপুরের হিন্দুরা দলমত নির্বিশেষে গণস্বাক্ষর দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের অত্যাচারের প্রতিকারের আবেদন জানিয়েছেন। চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলন করার অপরাধে সরকারদলীয় লোকজন অমরেন্দ্র মল্লিকের পরিবারের সদস্যদের নামে চুরি ও মারপিটের মিথ্যা মামলা দেন। পরে তার বাড়িতে হানা দিয়ে সবাইকে বেদম পেটান। অমরেন্দ্র মল্লিককে স্ত্রী-পুত্র-কন্যার সামনে উলঙ্গ করে মারধর করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। 

এদিকে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নেতা সি আর দত্ত বীরউত্তম এ ব্যাপারে সোমবার এ প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনা সত্য। এগুলো আমি অবহিত হয়েছি। আমরা এর বিরুদ্ধে কাজ শুরু করব। আওয়ামী লীগকে এর মধ্যেই আমরা জানিয়েছি। আমার কথা হলো – সবার বোঝা উচিত সংখ্যালঘু হিসেবে হিন্দুদের ওপর যে হামলা-নির্যাতন হচ্ছে তা দেশের মানুষ পছন্দ করে না


তিন এমপির বিরুদ্ধে অভিযোগ : হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা সংখ্যালঘু নির্যাতনের জন্য সরকারি দলের তিনজন এমপিকে সরাসরি দায়ী করেছেন। তারা বলছেন, এদের প্রশ্রয়েই তাদের অনুসারীরা সংখ্যালঘুদের নির্যাতন করেছেন। 

এখন দেখবেন সারাদেশে আওয়ামীলীগের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যালঘু নির্যাতনের চিত্র 



১) ৫ মার্চ নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের তিনটি সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা।
 

২)গত বছরের ২২ আগস্ট রাজধানীর সূত্রাপুরের ৯৫ ঋষিকেশ দাস লেনে আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা এক হিন্দু পরিবারের বাড়ি দখল করতে তাদের নয়জনকে মারধর, লুটপাট এমনকি পরে তাদের অপহরণ করে। 

৩) ২ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দাবিতে মানববন্ধন করে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। সংখ্যালঘুরা তাদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। 

৪)২০ এপ্রিল কেরানীগঞ্জে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা সম্পত্তি দখল করতে গিয়ে অজিত করাতি ওরফে ক্ষীরমোহনকে (৫৫) পিটিয়ে হত্যা করে। এ সময় চারটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটও করা হয়। অজিত করাতিকে পিটিয়ে হত্যার ভিডিও ফুটেজ ক্যামেরায় ধারণ করায় পুলিশ সাংবাদিকদের লাঞ্ছিতও করে। 

৫) গত বছর ২২ ডিসেম্বর রাতে সিংড়ার তাজপুর গ্রামে দেবোত্তর সম্পত্তি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে বাড়িতে ও খড়ের পালায় দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করে। এতে রাজবিহারী ঘোষ নামে একজন বৃদ্ধ দগ্ধ হন। দুই দিন পর তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। ঐক্য পরিষদের নেতা অ্যাডভোকেট রানা দাসগুপ্ত অভিযোগ করেছেন, আমি ওই গ্রামে তদন্ত করতে যাই। পরে দেখি ৯০ একর জমি নিয়েই এ বিরোধের সূত্রপাত। পরিস্থিতি অনুযায়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাদেরই স্থানীয় সংখ্যালঘুরা দায়ী করেছেন।

৬)গত বছরের ২৫ জুলাই নরসিংদীর পলাশের চরসিন্দুর গ্রামে শ্মশানের জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘুদের চারটি বাড়িঘর ও মূর্তি ভাঙচুর এবং তাদের বাড়িতে লুটপাট করা হয়।

৭)১১ জুলাই দোহারের নারিশা পূর্বচর গ্রামে সংখ্যালঘু নৃপেন মালাকারের জমিতে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দখল করা হয়।

৮)২২ ফেব্রুয়ারি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বড়মাছুয়া ইউনিয়নের খেজুরবাড়িয়া গ্রামের সিকদারবাড়িসহ চার সংখ্যালঘু পরিবারের পানের বরজ ও খড়ের গাদায় আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

পরিষদ নেতারা অভিযোগ করেন, বরিশালের অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনের মন্দিরে গত কোরবানির সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা গরু ঝুলিয়ে কোরবানি দিয়েছেন। 

৯)চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের এমপির পুত্র বনবিভাগের গাছ কেটে জায়গা দখল করেই ক্ষান্ত হননি, তিনি জমিসংলগ্ন জেলেপাড়ার ৭০-৮০টি সংখ্যালঘু পরিবারের চলার পথ বন্ধ করে দেন। 

১০)যেভাবে সপরিবারে নির্যাতিত হলেন অমরেন্দ্র: নির্যাতনের শিকার অমরেন্দ্র মল্লিক খোড়াতে খোড়াতে নিউ এজ অফিসে এসেছিলেন। তার এক হাত ভেংগে গেছে। শরীরে নির্যাতনের অসংখ্য চিহ্ন। 

গত ৫ মে দুপুর আড়াইটায় কিছু আওয়ামী লীগ নেতা কর্মী আমার বাড়িতে যান। তারা গিয়েই আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পড়–য়া পুত্র শিমুল মল্লিককে বেধড়ক মারধর শুরু করে। আমি খবর পেয়ে বাড়ি যাই। আমাকে সামনে পেয়ে আমার ওপরেও চড়াও হয়। 

আমরা দ্রুত ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ার চেষ্টা করি। কিন্তু তারা দড়জা লাগানোর সময় দেয়নি। ঘড়ের ভেতর ঢুকে আমাকে ও আমার পুত্রকে মেঝেতে ফেলে দিয়ে মারধর করতে থাকে। আমাকে পরিবারের সামনেই উলংগ করে ফেলে পেটাতে থাকে। পরে আমাকে দড়ি দিয়ে পিছমোড়া বেঁধে কিল ঘুষি মারতে মারতে টেনে বাইরে নিয়ে যায়। 



নির্যাতনের শিকার অমরেন্দ্র

১১)২২ অক্টোবর আওয়ামী লীগ নামধারী একদল সন্ত্রাসী বন্দুক উঁচিয়ে কাফরুল থানার পুলিশের সামনেই ক্যাথলিক খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্য রীতা গমেজের বাড়ির অধিকাংশ জমি জবর-দখল করে। রীতা গমেজের পরিবার থেকে পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ করতে গেলে তা নেওয়া হয়নি। রীতা গমেজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে জানান, তিনিও আওয়ামী লীগের কর্মী। গত নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করেছেন। অথচ এখন আওয়ামী লীগের পরিচিত লোকজনই পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তায় ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় উপস্থিত আওয়ামী লীগ কর্মীরা

এ সময় রীতা গমেজের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেন এবং হুমকি দেন, তারা তাদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করবেনই। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার দলের লোকজনকে নিবৃত্ত না করে উল্টো বলেন, বাংলাদেশে জমিজিরাত দখলের ঘটনা ঘটছে, তাকে সংখ্যালঘু নির্যাতনের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে কেন?


১২) বর্তমান সরকারের আমলে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা থেকে ২৫টি সংখ্যালঘু পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ কর্মীরা সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর জবর-দখল করছেন।

১৩) ১৫ মে রাতের আধাঁরে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা ও তার সহযোগীরা উপজেলার পানপুঞ্জির খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কবরস্থান দখল করে ক্রুশ গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। 

১৪)আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন তারা। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের জায়গাজমি দখল করে নিচ্ছে সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা। নির্যাতিতরা অভিযোগ দিতেও ভয় পাচ্ছেন।

১৫) ২০০৯ সালের মে মাসে সাতক্ষীরার আবাদের হাটের ঘোষাল পরিবারের ৩৮ বিঘা জমি দখল করে নেয় যুবলীগের এক ক্যাডার ও তার সহযোগীরা। এ নিয়ে গণমাধ্যমে লেখালেখি শুরু হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ঘোষাল পরিবার আইন আদালতের আশ্রয় নেয়। 

১৬)২০০৯ সালের ৩১ মার্চ দেবহাটার কালাবাড়িয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ ঘোষের মালিকানাধীন ৩০০ বিঘার ঘের দখল করে নেয় ভূমিহীন আওয়ামী লীগ নামধারী সন্ত্রাসীরা। সুভাষ ঘোষ জানান, ১৯৭৯ সালে তার বাবা ওই জমি সরকারের কাছ থেকে নিলামে কেনেন। দখলে বাধা দিলে তার স্বজনদের পিটিয়ে আহত করা হয় । 

১৭)এদিকে গত মে মাসের ১৪ তারিখে কালিগঞ্জের উজয়মারিতে ২২টি সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখল করে নেন আওয়ামী লীগের আরেক কর্মী। এরপরই ওই জমিতে ইটভাটা তৈরির কাজ শুরু করেন তিনি। এতে বাধা দিতে গিয়ে জমির মালিক রমেশ মন্ডলসহ আহত হন তিনজন 

১৮) এদিকে আরেক আওয়ামী লীগ নেতা শ্যামনগরের গোপালপুরের সুরেশ মন্ডলের দুই বিঘা জমি জোর করে দখল করে নিয়েছেন। তিনি সুরেশ মন্ডলের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা ও ফেনী আদালতে একাধিক মিথ্যা মামলাও করেছেন। 

১৯)রাজধানীর সূত্রাপুরে দুই আওয়ামী লীগ নেতার নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী দুইশ’ বছরের প্রাচীন একটি মন্দিরে হামলা চালিয়ে ৫টি প্রতিমা ভেঙে চুরমার কর 

২০)লালমনিরহাটের সদর উপজেলার ভোলার চওড়া নামক গ্রামে গভীর রাতে ক্ষমতাসীনরা সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের (হিন্দুর ) মহাদেব ও কালীমায়ের মন্দিরে প্রবেশ করে প্রায় ভরি খানেক স্বর্ণালঙ্কার লুট করা ছাড়াও ভেঙ্গে দিয়েছে মহাদেব ঠাকুরের মূর্তি 

ঠিক গত ২৮ তারিখে মাওলানা সাইদীর রায়ের পর একই ঘটনা ঘটেছে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ও ঘটেছে . আওয়ামীলীগের লোকজন হিন্দু বাড়ি ও মন্দির ভেঙ্গে জামায়াত শিবির কর্মীদের হুমকি দিচ্ছে এবং চাদা আদায়ে বাধ্য করছে ..চাদা না দিলে জামায়াত শিবিরের কর্মীদের পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করানোর ও ভয় দেখানো হচ্ছে .. 

রামুতে বৈদ্ব মন্দিরে ও হামলা করেছিল 

আ.লীগ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাই ..যেটা নিয়ে সারা বিশ্বে হুলুস্থুল কান্ড ঘটেছিলো 



বিস্তারিত খবরে জানা যায় ,মত্স্যজীবী লীগের নেতা ভূট্টো বিতর্কিত ছবিটি কেন সে ফেসবুকে শেয়ার করেছে জানতে চাইলে উত্তম বড়ুয়া উল্টো তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে আনছারুল হক ভূট্টো ‘তুমি দাঁড়াও, আমি আসছি’ বলে মোবাইল রেখে দেন। 

সূত্রগুলোর মতে, মোবাইল রাখার পরপরই মত্স্যজীবী লীগ নেতা আনছারুল হক ভূট্টো তার দলীয় ছেলেদের খবর দেন। পরে রাত ১০টার দিকে প্রথম মিছিলটি বের করেন তিনিই। ওই মিছিল থেকে বিতর্কিত ছবি ট্যাগকারী উত্তম বড়ুয়ার শাস্তি দাবি করা হয়। ওই মিছিলে আনছারুল হক ভূট্টো ছাড়া জেলা ছাত্রলীগ সদস্য সাদ্দাম হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন সভাপতি আজিজুল হক, যুবলীগ নেতা সাব্বিরের ভাই হাফেজ মোহাম্মদসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাই ছিলেন। 

যেখানে আমাদের মিডিয়াগুলো বলছে জামায়াত শিবির মন্দিরে হামলা করছে সেখানে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে – দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা আওয়ামী লীগেরই নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। বর্তমানে তাদেরকে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া ভাংচুরসহ ভিটেমাটি থেকে ও উচ্ছেদ করছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা । দিন দিন এটা বেড়েই চলেছে। সভ্য গণতান্ত্রিক সমাজে সব সম্প্রদায়ের মানুষের সমান আইনি সুবিধা ও নিরাপত্তা পাওয়ার কথা। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের লোকদের দ্বারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা যে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন তাতে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক, আমরা কোন গণতান্ত্রিক সমাজে বাস করছি।

তথ্য সূত্র ...

ব্লগার হাসান ভাই 

**সারাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে আ’লীগ কর্মীরা- আমার দেশ 

*মানবাধিকার সংস্থা অধিকার

** ক্ষমতাসীনদের হাতে সংখ্যালঘু নির্যাতন - সাপ্তাহিক বুধবার