Showing posts with label বিশ্বের সেরা দশ. Show all posts
Showing posts with label বিশ্বের সেরা দশ. Show all posts

Friday, 18 July 2014

"ঈহুদিরা শক্তিশালী এবং মুসলমানেরা শক্তিহীন কেন?"

পৃথিবীতে ইহুদির সংখ্যা ১ কোটি ৪০ লক্ষ। এই জনসংখ্যায় প্রতি ১ জন ইহুদীর জন্য মুসলমানের সংখ্যা ১০০ জনের ও বেশী। অথচ ইহুদীরা মুসলমানদের তুলনায় শক্তিশালী, কেন?
আলবার্ট আইনস্টাইন ছিলেন ইহুদী। টাইম ম্যাগাজিনের নির্বাচনে নির্বাচিত শতাব্দীর সেরা মানব “ সিগমন্ড ফ্রয়েড” ছিলেন ইহুদী সিগমন্ড ফ্রয়েড কে বলা হয়ে থাকে “ সাইকোএনালিসিসের জনক” কার্ল মার্কস, পল স্যামুয়েলসন , মিল্টন ফ্রয়েডম্যান এরা সবাই ছিলেন ইহুদী।
অনান্য উল্লেখযোগ্য ইহুদী যারা সমগ্র মানব কল্যানে নিবেদিত ছিলেন এবং তাদের অবদান হল-
বেঞ্জামিন রুবিন(Benjamin Rubin ) প্রতিরোধক ভ্যাক্সিনের সুচ আবিস্কার, জোনাস সক ( Jonas Salk ) পোলিও ভ্যাক্সিনের উদ্ভাবক। এলার্ট সেবিন- Alert Sabin মুখে খাওয়ার পোলিও প্রতিরোধক ভ্যাক্সিনের উদ্ভাবক। গারট্রুড এলিওন Gertrude Elion রক্ত ক্যান্সারের ঔষধ আবিস্কার, বারুখ ব্লুমবার্গ (Baruch Blumberg )- হেপাটাইটিস বি’র প্রতিষেধক আবিস্কার, পল আরলিখ-( Paul Ehrlich) সিফিলিসে ঔষধ আবিস্কার, এলি মেচনিকফ(Elie Metchnikoff ) সংক্রামক রোগের উপর নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী। বার্নার্ড কাজ (Bernard Katz) স্নায়ু এবং মাংশপেশীর উপর নোবেলজয়ী, এনড্রু শ্যালী (Andrew Schally) এন্ডোক্রাইনোলজী’র উপর নোবেলজয়ী, আরন বেক-( Aaron Beck)- কগনিটিভ থেরাপী- মানসিক ব্যাধি চিকিৎসার উপায়। গ্রেগরী পিনকাস- Gregory Pincus জন্ম নিরোধক বড়ি
জর্জ ওয়াল্ড (George Wald) মানব চক্ষুর উপর কাজের জন্য নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী,স্ট্যানলী কোহেন. (Stanley Cohen) ভ্রুনবিদ্যায় embryology নোবেলজয়ী, উইলেম কলফ(Willem Kolff ) কিডনী ডায়ালাইসিস যন্ত্রের আবিস্কারক।
নোবেল পুরস্কারের ১০৫ বছরের ইতিহাসে নোবেলজয়ী ইহুদীর সংখ্যা-১৮০, মুসলমানের সংখ্যা- ৩।
ইহুদীরা এত শক্তিশালী কেন?
স্টানলী মেজর (Stanley Mezor ) মাইক্রোপ্রসেসিং চিপসের আবিস্কারক, (micro-processing chip.) লিও সিলার্ডLeo Szilard পারমানবিক শক্তির “ চেইন রিয়্যাক্টরের এর উদ্ভাবক the first nuclear chain reactor; পিটার শুলজ (Peter Schultz) অপটিক্যাল ফাইবার কেবল the optical fibre cable; চার্লস এডলার Charles Adler – ট্রাফিক লাইট traffic lights; বেনো স্ট্রস Benno Strauss – ইস্পাত stainless steel; ইসাডর কিস- Isador Kisee - সবাক চলচিত্র sound movies; এমিল বার্লিনার Emile Berliner – টেলিফোন মাইক্রোফোন telephone microphone and চার্লস গিনসবার্গ Charles Ginsburg – ভিডিও টেপ রেকর্ডার videotape recorder.

Tuesday, 2 April 2013

বিশ্বের সেরা দশটি ব্র্যান্ড ও তার বাজার মূল্য



কোকাকোলা ব্রান্ডের বাজার মূল্যে প্রথম তালিকায় আছে ....যার মূল্য ৭১৮৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার




আইবিএম বিজনেস সার্ভিস কোম্পানি..তারা আছে ২য় অবস্থানে .....যার মূল্য ৬৯৯০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ...




ব্র্যান্ড ভ্যালুর দিক থেকে কম্পিউটার সফটওয়ার কোম্পানি মাইক্রোসফট তৃতীয় ..বাজার মূল্য ..৫৯০৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ...




ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন গুগল আছে ৪থ স্থানে ...... যাদের বাজারমূল্য ৫৫৩১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার



জেনারেল ইলেকট্রিক আছে ৫ম স্থানে .... যাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ৪২৮০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার 




রেস্টুরান্ট চেইন ম্যাকডোনাল্ড আছে ষষ্ঠ স্থানে ....যাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ৩৫৫৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ..




ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি ইন্টেল আছে ৭ম স্থানে ........যাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ৩৫২১৭ মার্কিন ডলার ..



স্টিভ জবসের আপল ব্র্যান্ড আছে ৮ম স্থানে ..যাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ৩৩৪৯২ মার্কিন ডলার ..




মিডিয়া কোম্পানি ডেজনি আছে ব্র্যান্ড ভ্যালুর দিক থেকে ৯ব্ম ...যাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ...২৯০১৮ মার্কিন ডলার ..




ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি এইচপি আছে ব্র্যান্ড ভ্যালুর দিকে ১০ নাম্বার ....যার ব্র্যান্ড ভ্যালু ২৮ ৮৭৯ মার্কিন ডলার ......................

সূত্র .........বেস্ট গ্লোবাল ব্র্যান্ড

দেখে নেই বিশ্বের সেরা দশটি শক্তিশালী বিমান বাহিনী




১) বিশ্বের সর্ববৃহত বিমান বাহিনী হলো এমেরিকার ....ইউনাইটেড স্টেট এয়ারফোর্স ...এই বিমান বাহিনী ১৯৪৭ সালের ১১ ই সেপ্টেম্বর গঠন করা হয় ....ইউনাইটেড স্টেট এয়ারফোর্স এর স্লোগান হলো ...নো ওয়ান কামস টু ক্লোজ ..তাদের এতো সব অস্ত্র আর যুদ্বপ্লেন আছে যেগুলো সারাবিশ্বের সব বিমান বাহিনীর সমান...



২ ) রাশিয়ান এয়ার ফোর্স .....১৯৯১ -৯২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙ্গার পর রাশিয়ান বিমান বাহিনী গঠন করা হয় ...এই বাহিনীর আসল শক্তি এখনো কি রকম তা চিন্তার বাহিরে ...তারা বিশ্বের যে কোনো স্থানে আক্রমন করার ক্ষমতা রাখে ....



৩) ইসরায়েলি এয়ারফোর্স : ১৯৪৮ সালের ২৮ শে মে তে স্বাধীনতা পাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এই বিমান বাহিনী গঠন করা হয় ...এই বিমানবাহিনী বিশ্বের অন্যতম বিপদজনক একটি বাহিনী .



৪) উপরের ছবিটি হলো ব্রিটেনের রয়াল এয়ারফোর্সের ...এই বাহিনী প্রথম বিশ্বযুদ্বের সময় ১৯১৮ সালের পহেলা এপ্রিল গঠন করা হয় , রয়াল নেভি এয়ার সার্ভিস আর রয়াল ফ্লাইং কর্পোরেশনকে একত্রীকরণের মাধ্যমে ...



৫ ) পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ারফোর্স চায়না : শক্তির দিক দিয়ে চেনার এই বাহিনী আছে পঞ্চম স্থানে ....যাদের ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার সৈন্য এবং ২৫০০ ও বেশী যুদ্ব বিমান আছে ...এটিই এশিয়ার সর্ববৃহ বিমান বাহিনী ..১৯৪৯ সালের ১১ ই নভেম্বর এই বাহিনী গঠন করা হয় ..



৬ ) আর্মি ডেল এয়ার : এটি হলো ফ্রান্সের বিমান বাহিনী ...শক্তির অবস্থানে বিশ্বে ৬ নাম্বার স্থানে ...১৯০৯ সালে এই বিমান বাহিনী গঠন করা হয় ..এই বাহিনী বিশ্বের প্রথম প্রফেশনাল বিমান বাহিনী ..বর্তমানে ফ্রান্স বিশ্বে বিমান তৈরিতে ভালো অবস্থানে আছে ..যা এই বিমান বাহিনীর কৃতিত্ব ...


৭) ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স : শক্তির দিক দিয়ে ইন্ডিয়ান বিমান বাহিনী ৭ম ...এই বিমান বাহিনীকে বিশ্বের আধুনিক প্রফেশনাল বিমান বাহিনী হিসাবে গণ্য করা হয় ...১৯৩২ সালের ৮ই অক্টোবর এই বিমান বাহিনী গঠন করা হয় ...যাদের ১৭০০০০ সৈন্য ইবন ১৫০০ ও বেশী যুদ্ব বিমান রয়েছে ..



৮ ) লুফথাওয়াফে : : এটি হলো জার্মানির বিমান বাহিনী ...১৯৩৫ সালে এই বিমান বাহিনী গঠিত হয় ..



৯ ) রয়াল অস্ট্রেলিয়ান এয়ারফোর্স : ছোট কিন্তু খুবই ভয়ানক এই বাহিনী ...১৯৩১ সালের ২১ শে মার্চ এই বাহিনী গঠন করা হয় ...



১০ ) জাপান এয়ার সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের পর ১৯৫৪ সালের পর অন্য ২ টি বাহিনীকে একত্রীকরণের মাধ্যমে এই বাহিনী গঠন করা হয় ...স্কুয়াড্রন আক্রমের জন্য এই বাহিনী বিশেষ পরিচিত ....

এগুলো শুধু একটু সংক্ষিপ্ত ধারণা দিলাম ........আপনাদের কাছে আরো কোনো তথ্য থাকলে যোগ করতে পারেন ..   

দেখে নেই বিশ্বের সেরা কয়েকটি অনলাইন শপিং সেন্টার

বর্তমান যুগে অনলাইন শপিং আমাদের ঐতিহ্যগত ক্রয়বিক্রয়ের ধারনাকে পাল্টে দিয়েছে ... অনলাইনে ক্রয় বিক্রয়ের সুবিধা ও বিভিন্ন অনলাইন শপিংয়ের ওয়েবসাইট বৃদ্বির কারণে অনলাইন ক্রেতা এবং বিক্রেতার সংখ্যা বৃদ্বি পেয়েছে ..এখন আপনাদেরকে বিশ্বের সেরা কয়েকটি অনলাইন শপিং সেন্টারের সাথে পরিচয় করে দিবো... 


১) ইবে : ইবে হলো অনলাইন শপিং জগতের প্রধান অনলাইন শপিং সেন্টার .....প্রতি বত্সর এই সপিং সেন্টারের ক্রেতা এবং বিক্রেতার সংখ্যা বৃদ্বি পাচ্ছে . আপনার নিজের নামে একাউন্ট খুলে আপনি ও ক্রয় বিক্রয় বা নিলামে অংশগ্রহণ করতে পারবেন ...আর ইবেতে আপনি কমদামে ভালো প্রোডাক্ট পাবেন . 



২) আমাজন : আমাজন বিশ্বের একটি লিডিং অনলাইন শপিং সেন্টার ....এমেরিকার সিয়াটেল রাজ্যে অবস্থিত এই অনলাইন শপিং সেন্টারটি বিশ্বের সর্ববৃহত খুচরা বিক্রয়ের স্টোর ...১৯৯৫ সালে আমাজন প্রতিষ্ঠা করা হয় .. 



৩) ওয়ালমার্ট : অনলাইন স্টোর জগতের একটি বিখ্যাত নাম ওয়ালমার্ট ....এই কোম্পানি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের প্রোডাক্ট বিক্রি করে এবং বিশ্বে নিজেদেরকে ব্যবসায়ের জন্য একটি আদর্শ হিসাবে উপস্থাপন করেছে ...ওয়ালমার্ট বিশ্বের বৃহত প্রাইভেট চাকুরিদাতা প্রতিষ্ঠান .. 




৪) আলিবাবা : আলিবাবা গ্রুপ হলো বহুমুখী চায়না কোম্পানি ....আপনি যা কিনতে চাইবেন তারা তাই বিক্রি করবে ...এশিয়া ছাড়া ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এই কোম্পানির নাম ছড়িয়ে পড়েছে ....নির্ভরতা এবং অভুতপুর্ব সেবার কারণে তারা বিশ্বের বিভিন্ন পুরুস্কার পেয়েছে .. 



৫ ) ক্রেগসলিস্ট : ক্রেগসলিস্টের মাধ্যমে আপনি ভালো এবং কুয়ালিটি সম্পন্ন জিনিস কিনতে পারবেন ..১৯৯৫ সালে এটির যাত্রা শুরু হয়ে বর্তমানে বিশ্বের ৫০ টির ও বেশী দেশে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে 



৬)বেস্টবাই : বেস্ট বাই অনলাইন ইলেকট্রনিক্স শপ হিসাবে বেশী পরিচিত ...বেস্ট বাইয়ের নেট মুনাফা ছিলো ৫০ বিলয়নের আর সর্বশেষ ৬৫০ বিলিয়নের উপর গিয়ে দাড়িয়েছে ...২০০৪ সালে প্রোবস ম্যগাজিন তাদেরকে কোম্পানি অফ দ্যা ইয়ার পুরুস্কারে ভূষিত করে .. 



৭ ) মেসেস : অনলাইন শপিং ছাড়া ও এটি শতবর্ষ পুরানো একটি প্রতিষ্ঠান ...১৮৫৮ সালে ডিপার্টমেন্টাল স্টোর হিসাবে চালু করে বর্তমানে ১০০ ও বেশী স্টোর চালু করেছে ...বর্তমানে এই কোম্পানির অনলাইন স্টোর ও ভালো সুনাম অর্জন করে বিশ্বের ১০০টির ও বেশী দেশে প্রোডাক্ট সাপ্লাই দিচ্ছে .. 



৮ ) নিউ এগ : কম্পিউটারের সকল ধরনের সফটওয়ার হার্ডওয়ার ও অন্যান্য টুলসের বিক্রয়ের অনন্য অনলাইন শপ নিউএগ ...২০০১ সালে ক্যালিফোর্নিয়াতে চালু হওয়া এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে অনলাইনের সেরা একটি শপিং সেন্টার ..২০০৫ সালে ১ বিলিয়ন ডলার বিক্রির মাত্রা অতিক্রম করে অনলাইন শপিং স্টোরের জায়ান্টে পরিনত হয় .. 



৯ ) ওভারস্টক : ২০০২ সালে এমেরিকাতে এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয় ...২০০৯ সালে ৭.৭ মিলিয়ন ডলার প্রফিট করে অনলাইন শপিং জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করে ..

চিনে নিন বিশ্বের সেরা কজন ব্যক্তিকে,যারা উচ্চ শিক্ষা ছাড়াই এই বিশ্বে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে

কে বলেছে এই আধুনিক যুগে সফলতা অর্জন করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী লাগে ....এই পৃথিবী পরিবর্তন করতে ডিগ্রী লাগবে এমন কোনো বাধ্যবাদকতা নেই ......আজ আপনাদেরকে এমন কয়েকজন লোকের সাথে পরিচয় করে দিবো যারা কলেজের প্রথাগত ডিগ্রী ছাড়া ও তাদের অবিরাম প্রচেষ্টার ফলে জীবনে সফলতা অর্জন করেছে   


১..বিল গেটস : উপরের ছবিতে যাকে দেখছেন , উনি হলেন বিলগেটস .....সেট (SAT) পরীক্ষায় ১৫৯০ স্কোর করার পর এই লাজুক বালক নামিদামি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ..কিন্তু অদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে এই বালকটি তার পড়ালেখা শেষ করতে পারেন নি ....হ্যা আমি বিলগেটসের কথাই বলছি , এবং অদ্বুদ পরিস্থিতি ছিলো আজকের দিনের মাইক্রোসফট . 



২) স্টিভ জবস নতুন কিছু আবিস্কার করাই নেতা আর অনুসারীর মাঝে পার্থক্য ...আইপ্যাড , আইফোন , আইপড এর পিছনের জাদুকর হচ্ছেন এই রকম একজন নেতা যার নাম স্টিভ জবস ...১৯৭২ সালে অর্থের অভাবে কোর্স শুরু করার আট মাসের মাথায় স্টিভ জবস রিড কলেজ থেকে বাদ পড়েন ... 



৩) মার্ক জুকারবার্গ : নিজের দিকে তাকান , আর দেখেন ফেসবুক আপনার জীবনকে কিভাবে পরিবর্তন করে দিয়েছে ...হ্যাকিং আর জাঙ্ক ফুডে আসক্ত মার্ক জুকারবার্গ কির্কল্যান্ড হাউস নামের একটি সোশাল নেটওয়ার্ক সাইট চালু করেন ...পরে যেটি মাল্টি বিলিয়নের কর্পোরেট জায়ান্টে পরিনত হয় ..ফেসবুকের অসাধারণ সফলতার কারণে জুকারবার্গ পড়ালেখা ছেড়ে দেন এবং বিশ্বের মাঝে সেরা কনিষ্ঠ বিলিযনারিতে পরিনত হন ... 



৪ ) মাইকেল ডেল : ডেল কম্পিউটার কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও ....এই ব্যবসা তাকে বিশ্বের একজন ধনী লোকে পরিনত করে ..টেক্সাস ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় ডেল কোম্পানি চালু করেন এবং সফলতার মুখ দেখেন ...ব্যবসায়ে ফুলটাইম দেখাশুনার জন্য মিস্টার ডেলকে পড়াশোনা ছাড়তে হয় ... 



৫ ) টেড টার্নার : কেবল টিভি নেটওয়ার্ক সিএনএন এর প্রতিষ্ঠাতা ....টার্নার ব্রাউন ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির ছাত্র ছিলেন ...বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন হলের রুমে মেয়ে বান্দ্ববি নিয়ে আসার কারণে বহিস্কৃত হন ... 



৬) জেমস ক্যামেরুন : আপনি কি বিশ্বাস করেন হলিউডের এই সম্রাট একদিন ট্রাক ড্রাইভার ছিলো ..ভবিষ্যত অনিশ্চিত ভেবে ফুলার্টন কলেজ ত্যাগ করে ফিল্ম টেকনোলজিতে গবেষনায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন ...ক্যামেরুনকে বর্তমানে হলিউডের সাইন্স ফিকশন মুভির প্রবর্তক বলা হয় ...তার মুভি টাইটানিক প্রফিট ১.৮ বিলিয়ন আর আভাটর ২.৭ বিলিয়ন , যা সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ট মুনাফা অর্জনকারী ছবি ... 



৭ ) টম হাংক : হলিউডের এই মহারাজ অভিনেতার স্বপ্ন ছিলেন জোর্তিবিদ হবেন ..কিন্তু অংকে কাঁচা বলে কলেজ ত্যাগ করে থিয়েটারে যোগ দেন ...১৯৭৯ থেকে এই অভিনেতা নিজেকে অভিনয় , লিখনি এবং পরিচালনার অগ্রদূত হিসাবে প্রতিষ্টিত করেন ... 

(বি দ্র : কেউ আবার এদের সফলতা দেখে নিজের পড়ালেখা ছেড়ে দিবেন না )   

Saturday, 16 March 2013

বিজ্ঞানের যেই ১০টি আবিস্কার আমাদের জীবনকে বদলে দিয়েছে

প্রত্যেক বছর নতুন নতুন জিনিস আবিস্কার হচ্ছে . আর এই আবিষ্কারগুলোর মাধ্যমে আমরা উপকৃত হচ্ছি...সেই আবিষ্কারগুলোর মাঝে কিছু আবিস্কার আছে যেগুলো আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ...এই জিনিসগুলো ছাড়া বর্তমান পৃথিবী অচল মনে হয় ..আজকে আমরা দেখে নিবো সেই রকম দশটি আবিস্কার যেগুলো আমাদের জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে .. 



১)চাকা : চিন্তা করুন তো এই চাকা বিহীন এই পৃথিবী ...বাস ট্রাক , বিমান , ট্রেন এগুলো কি চাকা ছাড়া সম্ভব ? আর আমাদের দেশের জনপ্রিয় শিল্পী এন্ড্রু কিশোর চাকা আবিস্কার না হলে কি এই গানটি গাইতে পারতেন ? আমার গরুর গাড়িতে বউ সাজিয়ে   ... শিল্প বিপ্লবের মূল ছিলো এই চাকা ...বিশ্বের শিল্প , টেকনোলজি ও অর্থনীতির প্রক্রিয়ায় এই চাকা বিশেষ অবদান রাখছে  




২)গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার : গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার মানব জাতির জন্য আশির্বাদ স্বরূপ ...১৫৮২ সালে এটি আবিস্কৃত হয় ..একে আগের জুলিয়ান মডেলের ক্যালেন্ডারের উন্নত ভার্সন মনে করা হয়   




৩)স্টিম ইঞ্জিন : মানুষ এমন একটি শক্তির সন্দ্বান করছিলো যেটি কখনো শেষ হবে না , সেই রকম সন্ধানের সময় স্টিম ইঞ্জিন আবিস্কার হলো , এবং পৃথিবী পেলো নতুন মাত্রা..পুরো শিল্প বিপ্লবের সময়ে গুরুত্বপূর্ন আবিস্কারের মধ্যে স্টিম ইঞ্জিন হলো অন্যতম ...   




৪)এমোনিয়া তৈরির হ্যাবার্স পদ্বতি আবিস্কার: শতাব্দীর একটি শ্রেষ্ট আবিস্কার ধরা হয় এটিকে ..নাইট্রোজেন ও হাইড্রজেন থেকে কম মূল্যে এমোনিয়া(এনএইচ৩) তৈরির প্রক্রিয়া হলো হ্যাবার্স পদ্বতি ...প্রত্যেক বছর ৫০০ মিলিয়ন টনের ও বেশি কৃত্তিম সার তৈরী করতে এই পদ্বতি ব্যবহার করা হয়   





৫)বাল্ব/বিদ্যুত : লাইট বা বিদ্যুত ছাড়া কি এই পৃথিবী কল্পনা করা যায় ? যতই বিদ্যুত আবিস্কার হোক না কেন , বাল্ব না থাকলে কিভাবে জ্বালাবেন লাইট ?এই লাইট আমাদের রাতের বেলা আলো দেয় , এতে বেশি কাজ করে ব্যবসা বানিজ্য সমৃদ্ব হচ্ছে  
কলকারখানা চালাতে , যে কোনো কাজে বিদ্যুত ছাড়া জীবন পরিচালনা অকল্পনীয়  




৬)ফ্লাইং মেশিন : ফ্লাইং মেশিন আবিস্কার হওয়ার ফলে মানুষের ভ্রমণ করার পদ্বতি পাল্টে গেছে .....জীবনে এনেছে গতি ও আরাম ...বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কম সময়ে আমরা পৌঁছতে পারছি ..এই ফ্লাইং মেশিনের কারণেই মানুষ চাদে যেতে সক্ষম হয়েছে  




৭)ওয়ারল্যাস টেলিগ্রাফি: বাংলাদেশে যেই মোবাইল বিপ্লব অথবা দেশে থেকে বিদেশে প্রিয়জনের সাথে স্কাইপেতে ভিডি চ্যাট করছেন কার অবদান ? হা সেটা ওয়ারল্যাস টেলিগ্রাফির .. 




৮)ট্রানজিস্টার: বিংশ শতাব্দীর সেরা একটি আবিস্কার ..ট্রানজিস্টার ছাড়া বর্তমান ডিজিটাল অর্থনীতি দেখতে কি রকম 
হতো? গুগল , মাইক্রোসফট কি জায়ান্ট কোম্পানিতে পরিনত হতে পারতো ? ভেবে দেখুনতো ট্রানজিস্টার ছাড়া কম্পিউটার , রেডিও . টিভি কেমনে চলতো ? 




৯)আনবিক বোমা : যে কোনো আবিস্কারের ভালো এবং খারাপ দিক আছে ....যেমন এটম বোম্ব ...সেই ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোসিমা নগরীর কথা শুনলে গা শিউরে উঠে ...কিন্তু এটির একটি ভালো দিক হলো , বিশ্বের সুপার পাওয়ার দেশগুলোর মাঝে শান্তি বজায় রাখছে ...  




১০)ইন্টারনেট : আপনি যেই এই পোস্টটি পড়ছেন , এটি ইন্টারনেটের অবদান ...আমরা যখনি ইন্টারনেটের কথা চিন্তা করি , তখনি ভাবি , আমরা কিভাবে একে অন্যের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করি , ইনফরমেশন শেয়ার করি , কোনো কাজ শেষ করা , ফেসবুক , টুইটার এমনকি টাকা বানানো , সবই ইন্টারনেটের মাধ্যমে সহজ হয়ে গেছে