Showing posts with label আওয়ামী ইন্ডিয়ান দালাল. Show all posts
Showing posts with label আওয়ামী ইন্ডিয়ান দালাল. Show all posts

Saturday, 1 November 2014

বাংলাদেশ-ভারত তো ‘এক’... স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

আসাদুজ্জামান খান কামাল বাংলাদেশ-ভারত তো ‘এক’ঢাকা: বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ও সংস্কৃতির বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘আমরা অভিন্ন দেশ, আমরা কথা বলি এক ভাষায়, আমাদের খাদ্য একই। আমাদের দুই দেশের নাম ভিন্ন হতে পারে কিন্তু আমরা তো এক।’
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ সার্ক কালচারাল সোসাইটি আয়োজিত মৈত্রী উৎসবে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

Sunday, 27 April 2014

যুদ্ধকালে আওয়ামীলীগ নেতাদের শরনার্থী জীবনের যত কীর্তি….

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাক হানাদার বাহিনীর নৃশংস হামলার মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতা অনিবর্তনীয় হয়ে ওঠে। রাত বারোটার পরে ঢাকায় যখন চলছিল স্বেচ্ছা-আত্মসমর্পন পর্ব, ঠিক প্রায় একই সময়ে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে গর্জে ওঠে- “উই রিভোল্ট!” স্বাধীন বাংলাদেশ জড়িয়ে পড়ে জন্মযুদ্ধে, যার ডাক আসে কালুরঘাট বেতার থেকে। মেজর জিয়ার ডাকে সাড়া দিয়ে মরনপণ লড়াইয়ে সামিল হয় বাঙ্গালি সেনা, পুলিশ, রাইফেলসের ১১ হাজার যোদ্ধা।

২৫ মার্চ সন্ধার পর থেকে আওয়ামীলীগের নেতারা ভিড় করতে থাকেন শেখ মুজিবের ৩২ ধানমন্ডির বাড়িতে। দলীয় সাধারন সম্পাদক তাজউদ্দীন মুজিবের কন্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা রেকর্ড করার উদ্দেশ্যে টেপরেকর্ডার নিয়ে গেলে “রাষ্ট্রদ্রোহিতার ভয়ে” মুজিব ফিরিয়ে দেন, বরং তাজউদ্দীনকে “নাকে তেল দিয়ে ঘুমাতে” নির্দেশ দেন (আহমদ, শারমিন, ২০১৪,‘তাজউদ্দীন আহমদ নেতা ও পিতা’)। দলীয় নেতাদের নিরাপদে সরে পড়ার নির্দেশ দিয়ে সকল পরমার্শ অগ্রাহ্য করে মুজিব স্বেচ্ছায় ধরা দেয়ার সিদ্ধান্তে অনড় রইলেন, যদিও তার আগেই স্বেচ্ছাসেবক নেতা আবদুর রাজ্জাক মারফত তিনি আগাম জেনে যান ইয়াহিয়ার বাহিনীর আক্রমনের খবর। সার্বিক ধংসযজ্ঞের মুখে ২৭ মার্চ সারাদেশে ধর্মঘটের ডাক দিয়ে মুজিব সুটকেস গুছিয়ে গ্রেফতার হওয়ার অপেক্ষায় রইলেন নিজ বাসভবনে।

Friday, 25 April 2014

মুজিব কাকু বললেন ‘তাজউদ্দীন, আমি কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হব’

নয় মাসের যুদ্ধ শেষে ১৯৭১-এর ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখনও পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি। মুক্ত হয়ে তিনি দেশে ফিরেন ১০ই জানুয়ারি। অবিসংবাদিত নেতার     
প্রত্যাবর্তনে বিমানবন্দরে লাখো মানুষের ঢল। রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) সংবর্ধনার আয়োজন। একটি খোলা ট্রাকে চড়ে বঙ্গবন্ধু চার নেতাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে নিয়ে রওনা হলেন জনসভাস্থলে। স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অংশে শারমিন আহমদ লিখেছেন, মুজিব কাকুর পাশেই আনন্দে উদ্বেলিত আব্বু দাঁড়িয়ে আছেন। হঠাৎ মুজিব কাকু আব্বুর কানের কাছে মুখ নামিয়ে বললেন, ‘তাজউদ্দীন, আমি কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হব’। ঐতিহ্য প্রকাশনী থেকে সদ্য প্রকাশিত তাজউদ্দীন কন্যা শারমিন আহমদের ‘তাজউদ্দীন আহমদ, নেতা ও পিতা’ বইতে পঞ্চম পর্বে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও সরকার গঠনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি আরও লিখেন, মুজিব কাকুর উদাসীনতায় আব্বু (তাজউদ্দীন আহমদ) আহত হয়ে ছিলেন। দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু কেন জানতে চাননি কারা ছিলেন স্বাধীনতার শত্রু আর কারা ছিলেন স্বাধীনতার মিত্র। গোলাম আযমসহ সকল যুদ্ধাপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের পক্ষেও অবস্থান নিয়েছিলেন তাজউদ্দীন। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী তাজউদ্দীন কন্যা শারমিন আহমদ বিস্তারিত বর্ণনায় আরও লিখেছেন, ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি জনগণ-মন-নন্দিত বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করলেন। আনন্দে আত্মহারা লাখ লাখ মানুষের ঢল চারদিকে। তাঁদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে একনজর দেখার জন্য তাঁরা ব্যাকুল। 

তিস্তায় পানি চান না আ.লীগ নেতারা!

তিস্তায় পানি চান না আ.লীগ নেতারা!
তিস্তার পানি চাই না, পানি চুক্তির দরকার নাই- এমন দাবি তুলে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার পারুলিয়ার চরে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করা হয়।
মানববন্ধন শেষে তিস্তা পূর্ব তীর রক্ষা কমিটির ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সারওয়ার হায়াত খান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, "এবার তিস্তার পানি না আসায় লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলার ২৬টি ইউনিয়নের ১ লাখ ২০ হাজার হেক্টর জমিতে ভুট্টাসহ বিভিন্ন চাষাবাদ হয়েছে। এছাড়া ৬০ হাজার পরিবার তাদের বসত বাড়ি ফিরে পেয়েছে। যে কারণে তিস্তার পানি না আসাটাই উত্তম।"

Tuesday, 4 March 2014

সাতক্ষীরা অপারেশনে ভারতীয় বাহিনীঃ আগেই বলেছিল ভারতের দ্যা হিন্দ।এবং আরো কিছু প্রমান



বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্ভভৌমত্ব দেশ। ৩০ লক্ষ প্রানের বিনিময়ে অর্জিত হয় এই দেশের স্বাধীনতা। কিন্তু যারা নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্বের স্বপক্ষের একমাত্র শক্তি বলে ,সেই রকম একটি সরকারের কাছে দেশের সার্ভভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে বলে প্রশ্ন উঠেছে সর্বমহলে। এই হুমকির একমাত্র কারণ বাংলাদেশে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ। এই ধরনের একটি ফ্যাক্সবার্তা প্রকাশ হলো গতকাল। যা নিয়ে তোলপাড় চলছে সারাদেশে। 

চলমান রাজনৈতিক সংকটে ভারতীয় বাহিনীর সাহায্য চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে পাঠানো এই বার্তায় দেখা যায়, বাংলাদেশে রাজনৈতিক দমন-পীড়ন সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহণ করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৩৩তম কোরের ১৭তম, ২০তম ও ২৭তম মাউন্টেন ডিভিশান, এবং বিএসএফ।

India among most dangerous places in the world

India among most dangerous places in the world
Latest data from National Bomb Data Centre (NBDC) show that India suffered 212 bomb blasts in 2013 - more than double of what Afghanistan (with 108 blasts) suffered. 
NEW DELHI: You are more likely to die in abomb blast in India than in Afghanistan. Strange as it may sound, government data show that India is among the most dangerous places in the world as far as bomb blasts per year are concerned - next only to Iraq and Pakistan, with even war-torn Afghanistan and Syria doing better.

Latest data from National Bomb Data Centre (NBDC) show that India suffered 212 bomb blasts in 2013 — more than double of what Afghanistan (with 108 blasts) suffered. Facing internal strife, Bangladesh with 75 blasts and Syria with 36 blasts have done better.

While the number of blasts in India decreased from 241 in 2012 to 212 in 2013, casualties went up with 130 deaths and 466 injuries last year as compared to 113 deaths and 419 injuries in 2012.

Analyzing the frequency of IED blasts in the country over the past decade, the document says between 2004 and 2013 "there have been an average of 298 blasts and 1,337 casualties in India". This is again higher than Afghanistan which in the past five years witnessed a maximum of 209 such attacks in 2010, according to the data.

Sunday, 1 December 2013

বিএনপির উপলব্ধি না হলে ও জামায়াতের যে উপলব্ধি আবশ্যক


মাহবুব জামান
বিএনপি একটি মিডিয়া প্রতিবন্ধী প্লাটফর্ম। গোটা বিএনপি’তে একজনও সক্রিয় মিডিয়া বিশেষজ্ঞ পাওয়া যাবে না।এ নিয়ে তাদের মধ্যে লক্ষণীয় কোনো ভাবনাও নেই।আজকের বিএনপি’র মূল দল, ছাত্রদল, যুবদল সহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের কেউই মিডিয়ার সাথে নিবিড় সম্পর্ক বা যোগাযোগ রাখে না।

তারা জানেই না মিডিয়াতে সক্রিয়ভাবে কারা আছে বিএনপিমনা, আর কারা আওয়ামীমনা। বিএনপিমনার সংখ্যা এতো কম কেন? বাড়াতে হলে কী করতে হবে। আওয়ামী লীগ এক্ষেত্রে কী করছে। এসব নিয়ে তারা মাথাই ঘামান না। শুধুমাত্র ক্ষমতায় গিয়ে কয়েকটা চ্যানেল আর একটা-দুইটা পত্রিকা বের করে ওই আওয়ামীমনা সাংবাদিকদের হাতেই তুলে দিয়ে খালাস। একবার জানার চেষ্টাও করে না যাদের হাতে চ্যানেলটা বা পত্রিকাটা দিলাম এরা কোন মাইন্ডের লোক। বিএনপি’র না হোক।অন্তত  আওয়ামী ঘেঁষা যেন না হয়। এটাও নিশ্চিত করে না। ভাবে এইতো হয়ে গেছে। আর প্রেস ক্লাবের নেতৃত্ব নিয়ে বিএনপি তৃপ্তির ঢেকুর তোলে।একবার তলিয়ে দেখে না সাংবাদিকতা পেশায় তাদের অধিকাংশের অবস্থান কোথায়। সে জন্যই রাতারাতি ৭১ টিভি দ্বিতীয় বিটিভি হয়ে যায়, কেউ তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে না। অথচ এনটিভি, বাংলাভিশনকে প্রতিদিন পেশাদারিত্ব বা নিরপক্ষেতার প্রমাণ দিতে হয়।

Wednesday, 20 November 2013

‘নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পেতেই টিকফা চুক্তি’

20 Nov, 2013
জিএসপি ফিরে পেতে টিকফা চুক্তিতে সই করতে যুক্তরাষ্ট্র বারবার চাপ দিয়ে গেলেও মেয়াদের শেষ সময়ে এসে বিতর্কিত টিকফা চুক্তি না করার পক্ষেই ছিল সরকার। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও প্রধানমন্ত্রী নিজের অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পেতে টিকফা সই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে বর্তমান নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে টিকফা চুক্তি সই করাকে অবৈধ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আনু মোহাম্মাদ নতুন বার্তা ডটকমকে বলেন, “নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রসন্ন চেহারা পাওয়ার জন্য টিকফা চুক্তি করার জন্য তাড়াহুড়া করছে সরকার। টিকফা চুক্তি বাংলাদেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানোর মতো ব্যাপার। বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি করার অধিকার কোনো সরকারের নেই। ”

Saturday, 16 November 2013

সুবীর ভৌমিক কি দক্ষিণ এশিয়ায় আগুন লাগিয়ে দেবেন!

এক

টাইমস অব ইন্ডিয়ায় নভেম্বরের ১ তারিখে সুবীর ভৌমিক যে লেখা লিখেছেন তার শিরোনামে দুটি অংশ ছিল। প্রথমাংশে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ একটি সহিংস পর্বের মধ্যে রয়েছে’; দ্বিতীয়াংশ, “বাংলাদেশে যেন বন্ধু সরকার ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করতে পারে সেটা দেখার জন্য ভারতের অবশ্যই যা কিছু দরকার তার সবই করা উচিত” (Bangladesh is in a violent phase and India must do all it can to see a friendly regime return to power)।

সুবীর ভৌমিক বাংলাদেশের নিউজ পোর্টাল বিডি নিউজ২৪-এর সিনিয়র সম্পাদক। ভারতীয় হওয়া সত্ত্বেও এই লেখার নীচে তাঁর এই বাংলাদেশের পরিচয়টাকেই প্রধান করা হয়েছে। তাঁর নামও বাঙালিরই নাম, থাকেন কলকাতায়, বিবিসির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত।

Monday, 11 November 2013

বর্তমান প্রশাসনে হিন্দু কর্মকর্তাদের তালিকা

প্রশাসনে ২% হিন্দুদের কল্পনাতীত আধিক্য, যা বড়ই দুশ্চিন্তার বিষয়। নিচের তালিকা দেখলে নিশ্চয়ই আপনি রাতে ঘুমাতে পারবেন না
===================================
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে হিন্দুদের উগ্রপন্থী কর্মকাণ্ড সীমাহীন পর্যায়ে পৌছেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মুসলিম মেয়েদের রেপ করা, নওমুসলিমদের হত্যা করা, মুসলমানদের ধর্মীয় বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে কটূক্তি করা ইত্যাদি এখন হিন্দুদের কাছে মামুলী ব্যাপার।
“প্রায় ৯৫ শতাংশ মুসলমানের দেশে, মাত্র ২-৩ শতাংশ হিন্দু এত দুঃসাহস পাচ্ছে কোথা থেকে” তাই এখন সবার প্রশ্ন।
সবাই জানতে চায়:
ছাগল নাঁচে খুঁটির জোরে, তাহলে হিন্দুদের খুঁটির জোর কোথায়?

অঘোষিত গৃহযুদ্ধে খালেদা জিয়ার প্রাপ্য জনতার সাহস ও দেশপ্রেম :শফিক রেহমান

দৈনিক পত্রিকা অফিসে সকাল বেলাটা হচ্ছে ডেড আওয়ার। বেলা বারোটা পর্যন্ত সেখানে উপস্থিতির সংখ্যা থাকে খুব কম। সিটি এডিশন ছাপানো, প্যাকিং ও ডেলিভারি শেষ হয়ে যাওয়ার পর ভোর রাত থেকে পত্রিকা অফিস হয়ে যায় প্রায় মৃত। তখন থাকে না রোটারি প্রেসের শব্দ। থাকে না কম্পিউটার স্কৃনের আলো। থাকে না রুম থেকে রুমে স্টাফের চলাচল। সকালে ক্লিনাররা আসার পর থেকে পত্রিকা ভবন জেগে উঠতে শুরু করলেও সকাল এগারোটার দিকে চিফ রিপোর্টারের মিটিং শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত অন্যান্য স্টাফ থাকে খুব কম। তাই এমন সময়টাই পুলিশ বেছে নেয় পত্রিকা অফিসে হামলা করার জন্য। তাই এমন সময়ই পুলিশ কাওরানবাজারে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা অফিসে হামলা চালিয়ে সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করতে পেরেছিল ন্যূনতম বাধার মুখে।

Saturday, 2 November 2013

হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে ভারতের বরাদ্দ এক হাজার কোটি: ভারতীয় দৈনিক

03 Nov, 2013
আসাম থেকে প্রকাশিত, ইন্ডিয়ান ডেইলি নববার্তা প্রসঙ্গ ২১ অক্টোবর ইস্যুতে লিখেছে


"বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন আর তিন মাস বাকি। এর মধ্যে শুরু হয়ে গেছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা শাখা আইএসআই এবং ভারতের 'র'-এর মধ্যে ক্ষমতা প্রদর্শনের ছায়াযুদ্ধ। দিল্লি চাইছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জোট ক্ষমতায় পুনরায় ফিরে আসুক এবং ইসলামাবাদ চাইছে বিএনপি জামাত জোট ক্ষমতা দখল করুক। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগকে সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ১০০০ কোটি টাকা ব্যায়ের প্রস্তাব পাশ করেছে।

Friday, 1 November 2013

বিডিনিউজের সম্পাদক সুবীর ভৌমিকের নিবন্ধ : আ.লীগকে ক্ষমতায় আনতে ভারতের সামরিক হস্তক্ষেপের সুপারিশ

‘ভারতের বন্ধু’ আওয়ামী লীগকে ফের ক্ষমতায় আনতে ‘অবশ্যই সবকিছু করার’ সুপারিশ করেছে আওয়ামীপন্থি অনলাইন নিউজপোর্টাল বিডিনিউজের সিনিয়র এডিটর ও বিবিসির সাবেক সংবাদদাতা সুবীর ভৌমিক। বাংলাদেশ আবার ১৯৭১ সাল পূর্ব অবস্থায় ফিরে যেতে পারে আশঙ্কা করে তিনি প্রয়োজনে ভারতীয় ‘সামরিক হস্তক্ষেপের’ সুপারিশ করেছেন।
গতকাল টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি এসব মন্তব্য করেছেন।
‘বাংলাদেশ ইন এ ভায়োলেন্ট ফেস অ্যান্ড ইন্ডিয়া মাস্ট ডু অল ইট ক্যান টু সি এ ফ্রেন্ডলি রেজিউম রিটার্ন টু পাওয়ার (সহিংস ধাপে বাংলাদেশ এবং বন্ধু সরকারকে ক্ষমতায় ফেরাতে ভারতের যা করা সম্ভব তার সবকিছুই করতে হবে)’ শিরোনামে প্রকাশিত নিবন্ধে আরও বলা হয়, ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মতো আচরণ করছেন।

Tuesday, 29 October 2013

একুশে ফেব্রুয়ারিতে শেখ মুজিবুর রহমান

গত ১৭ই ফেব্রুয়ারী ঢাকায় আয়োজিত আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবী করেন ভাষা আন্দোলনের পথিকৃত ছিলেন তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান। ‍একইভাবে গতবছর আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাএকইরূপ দাবী করেন।


     ২১ ফেব্রুয়ারী ১৯৫২, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা, রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবীতে ছাত্রদের ঐতিহাসিক সভা


এ ছাড়াও সরকারী হ্যান্ডআউটের বরাতে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা পরিবেশন করে, "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।" সরকারী এসব দাবীর প্রেক্ষিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার প্রেক্ষাপটে প্রখ্যাত রাজনীতিক ও কলামিষ্ট বদরুদ্দিন ওমরের লেখাটি আমার দেশ পত্রিকার সৌজন্যে প্রকাশিত হলো।

লেখক : বদরুদ্দীন উমর
একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমীর বইমেলা উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রীতি অনুযায়ী এক ভাষণ দিয়েছেন।

RAW is turning Bangladesh into A battle field for Indian Interests

logo of Indian Secret Agency RAW(Research and Analysis Wing)

(Dedicated the Article in honor of the assassinated 56 Military officers in Pilkhana in Feb 25-26th, 2010)

Introduction:Indian RAW and Bangladeshi DGFI-NSI Jointly operate in Bangladesh that indicates a new reality where the doubts are raising heads from the smokes.

Questions:

1. Is Bangladesh government really gone under Indian government's command and control?

2. Is Bangladesh commanded by Indian Arm forces?

পার্বত্য চট্রগ্রামকে পুর্ব-তিমুর/দক্ষিণ সুদানের মতো বিচ্ছিন্ন করে আরেকটি ইসরাইল বানানো হবে ?


ছবিঃ দেশের এক-দশমাংশ এলাকা নিয়ে গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম কি পুর্ব-তিমুর, দক্ষিন সুদানের মতো বিচ্ছিন্ন করা হবে নাকি আরেকটি ইসরাইল বানানো হবে

আমাদের ক্লাসের সুদানী মেধাবী মেয়ে রাগাত। বাবা-মায়ের সাথে সৌদিতে পড়ালেখা করলেও এখন মাষ্টার্স ছাত্র হিসেবে পড়াশুনা করে সুইজারল্যান্ডের জুরিখে ইউনিভার্সিটিতে। গত মধ্য ফ্রেব্রয়ারীতে তিউনেশিয়া, মিশর বিপ্লবের তাজা ও উদ্দিপনামুলক খবরের মাঝেও তার মন বেশ খারাপ। কারন জিজ্ঞেস করলেই বললো, বিশাল সুদানকে ভেজ্ঞে টুকরো টুকরো করা হচ্ছে। শুধু মাত্র খৃষ্টান অধ্যুষিত হওয়ার কারনেই দক্ষিণ সুদানকে পশ্চিমা শক্তি আলাদা করে এককালের আফ্রিকার বৃহত দেশ (আয়তনে) সুদান ভেজ্ঞে দুর্বল করে ফেললো। রাগাত আরো জানালো, দক্ষিণ সুদানে অনেক খনিজ সম্পদ আছে যা নিয়ন্ত্রন করার জন্য দেশটিকে বহুবছর থেকে পশ্চি্মা খৃষ্টানরা নানা প্রচেষ্টার মাধ্যমে ধর্মান্তরিকরনের কাজটি করেছে। দক্ষিণ সুদানকে বিশ্বমোড়ল একদিন স্বাধীন করেই দিবে এটা এতোদিন আমরা বিশ্বাস করতে ও বুঝতে না পারলেও এখন বুঝি।যখন বুঝি, তখন কিছুই করার নেই। এরা আসলেই আমাদের টুকুরো টুকরো করার জন্য এতোদিন ধরে কাজ করেছিল।

একজন গওহর রিজভী



এম আবদুল্লাহ


বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর ৩৯ বছর তাকে এদেশে দেখা গেছে কমই। তবে বছর দেড়েক ধরে বাংলাদেশের সরকার তার উপস্থিতি অনুভব করছে প্রবলভাবে। আর নিজেকে তর্কে-বিতর্কে জড়িয়ে ফেলছেন অনায়াসে। ব্রিটেন ও বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারী তিনি। তবে তার স্থায়ী ঠিকানা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যামব্রিজের ৭৯নং জন এফ কেনেডি স্ট্রিট। বড় একটা সময় কেটেছে ভারতে। লেখালেখি, ধ্যান-জ্ঞান, গবেষণা সবই ভারতকে ঘিরে। স্ত্রী ইতালির। পারিবারিক প্রধান ভাষা উর্দু, হিন্দি। সালামের পরিবর্তে ‘আদাব’ বলে সম্ভাষণ জানাতে অভ্যস্ত। ধর্মবিশ্বাসে কাদিয়ানী। সব মিলিয়ে এক রহস্যময় চরিত্র। বাংলাদেশের এ সময়ের সবচেয়ে ব্যস্ত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি ড. গওহর রিজভী।

Power handover to Awami League in 2008 election was pre-planned : WikiLeaks



Interim regime planned before polls power handover to AL

The military-controlled interim regime,  at least two days before the December 29, 2008 general elections, had planned to hand over power to the Awami League and its leaders Sheikh Hasina on January 10, 2009.
An adviser to the interim regime on December 27, 2008 disclosed the plan to the then US ambassador in Dhaka James F Moriarty.
Moriarty said this in a diplomatic cable he sent to Washington on December 28, 2009 which was released by WikiLeaks on August 30, 2011.

Saturday, 5 October 2013

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসবেন বলে...

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে স্বাগত জানাতে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত প্রখর রোদের মধ্যে রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়েছিল স্কুলপড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। প্রচণ্ড গরমে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে শিক্ষার্থীরা। অনেককে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষক ও অভিভাবকরা কানাঘুষা করলেও কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাননি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ উপেক্ষা করে পরীক্ষার সময় পরিবর্তন করে এবং ক্লাস বাদ দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রখর রোদে দাঁড়িয়ে রেখে এভাবে মন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর ফলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। গতকাল দুপুরে খুলনার বয়রাস্থ মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনে এ ঘটনাটি ঘটে। আয়োজকরা জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের আগমনকে কেন্দ্র করে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনে ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড ও রং-বেরঙের পতাকা দিয়ে সাজানো হয়েছিল। কেএমপির নতুন তিন থানা লবণচরা, হরিণটানা ও আড়ংঘাটার উদ্বোধন অনুষ্ঠানের জন্য। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বয়রা পুলিশ লাইনে সকাল ১১টায় ওই তিন থানার ফলক উন্মোচন করার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত হন ১২টা ৪০ মিনিটে। তার আগমন উপলক্ষে মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন স্কুলের মিডটার্ম পরীক্ষার সময় পরিবর্তন করে সকাল সাড়ে আটটা থেকে দশটায় করা হয়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই শিক্ষার্থীদের পুলিশ লাইনের রাস্তার দু’পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রাখা হয়। এদের মধ্যে দুপুর ১২টায় সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী রাবেয়া আক্তার ঝুমা প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে কেএমপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় সহপাঠীরা অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়ে। এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক তরিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মিডটার্ম পরীক্ষা থাকার কারণে বাচ্চারা অনেকেই সকালে না খেয়ে আসছে। তাই দুর্বলতায় সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র ঝুমা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মেট্রোপলিটন পুলিশের পরিচালিত স্কুল হওয়ার কারণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকা আমাদের নির্দেশ ছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর খুলনার বয়রা পুলিশ লাইনে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ আয়োজিত নবগঠিত লবণচরা, হরিণটানা এবং আড়ংঘাটা থানার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে। কেএমপি কমিশনার মো. সফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সুধী সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। বক্তৃতা করেন খুলনা চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রি-এর সভাপতি কাজী আমিনুল হক ও পুলিশিং কমিটির সভাপতি লিয়াকত আলী। এ সময় অন্যদের মধ্যে সংসদ সদস্য ননী গোপাল মণ্ডল, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. ফায়েকুজ্জামান, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ হারুনুর রশিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা রশিদী সুজা, পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (ফাইন্যান্স) আবুল কাশেম, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি, খুলনা জেলা প্রশাসক এবং খুলনা পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Saturday, 28 September 2013

গার্মেন্ট অস্থিরতায় ২০ হাজার ভারতীয় ম্যানেজারের ইন্ধন

জন্মসূত্রে ভারতীয় হলেও বাংলাদেশে তারা বসবাস করেন নিজ দেশের মতোই। ভিসা-টিকিটের বালাই নেই। ইচ্ছেমতো এ দেশে আসেন, ইচ্ছে হলেই ভারতে যান। বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিয়ত লাখ লাখ ডলার নিয়ে গেলেও সরকারকে কোনো ট্যাক্স দেন না। সরকারি বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যও তাদের ঘাটায় না। কারণ তারা বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্পের ‘প্রাণ’. ...মার্চেন্ডাইজার, প্রোডাকশন ম্যানেজার, জেনারেল ম্যানেজার, ফাইন্যান্স ম্যানেজার, অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার, ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং ম্যানেজার, কোয়ালিটি কন্ট্রোলার প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে তারা নিয়োজিত। অর্ডার আনা থেকে শুরু করে পণ্য প্রেরণ পর্যন্ত সব গুরুত্বপূর্ণ কাজই হয়ে থাকে অপেক্ষাকৃত অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন এসব কর্মকর্তার হাত দিয়ে। কারখানার মালিক ও সাধারণ শ্রমিকদের মাঝে সেতুবন্ধনের কাজটিও করে থাকেন তারা। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রফতানি বাণিজ্যে ৮০ শতাংশ অবদান রক্ষাকারী বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্প খাতের বেশির ভাগ উদ্যোক্তারই শিক্ষা প্রয়োজনের তুলনায় কম। তাদের অনেকেই কারখানার মালিক হয়েছেন শ্রমিক থেকে। আবার এমন অনেক কারখানাও রয়েছে যেগুলোর মূল মালিকেরা এ ব্যবসায়ের সাথে সরাসরি যুক্ত নন। সামান্য মালিকানা নিয়ে যিনি কারখানা দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করছেন তিনি এক সময় শ্রমিক ছিলেন।

টাকাওয়ালা কিছু লোককে ম্যানেজ করে নিজে কিছু শেয়ার নিয়ে কারখানা গড়ে তুলেছেন। কারখানার গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করছেন মধ্যম পর্যায়ের ম্যানেজারেরা, যাদের বেশির ভাগই ভারত কিংবা শ্রীলঙ্কা বংশোদ্ভূত। এরাই মন চাইলে কারখানার ভালো করছেন, আবার মনের মধ্যে কোনো দূরভিসন্ধি এলে মালিকপক্ষকে কৌশলে পথে বসিয়ে দিচ্ছেন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত আট থেকে ১০ বছরে যেসব কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ হয়েছে তার বেশির ভাগই ছিল কমপ্লায়েন্ট। এসব কারখানায় কর্মপরিবেশ ভালো, নিয়মিত বেতন-ভাতা দেয়া হয়, ওভার টাইম দেয়া হয়, টিফিন থেকে শুরু করে বেশির ভাগ যুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রেই এসব কারখানার শ্রমিকেরা সন্তুষ্ট। অথচ কখনো রাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রমিক মৃত্যুর অজুহাতে, কখনো শ্রমিক গুম কিংবা টয়লেটে ভূত থাকার মতো গুজব ছড়িয়ে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ করানো হচ্ছে এসব কারখানায়। অপর দিকে যেসব কারখানায় নিয়মিত বেতন-ভাতা দেয়া হয় না, কাজের পরিবেশ নি¤œমানের এবং কথায় কথায় শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটছে শ্রমিক অসন্তোষ বা ভাঙচুরের ঘটনা এসব কারখানায় অনেক কম ক্ষেত্রেই ঘটছে।

এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তৈরী পোশাক শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট একাধিক দায়িত্বশীল উদ্যোক্তা জানান, যেসব কারখানা বড় ও কমপ্লায়েন্ট সেগুলোর কাজের ভলিউমও বেশি। মোটা অঙ্কের বেতন দিয়ে বিদেশী কর্মকর্তাদের এখানে নিয়োগ করা হয়। তাদের অনেক সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়। কিন্তু কোনো কারণে মালিকের ওপর ুব্ধ হলে কিংবা কারখানার মালিক হওয়ার খায়েশ হলে তারা শ্রমিক অসন্তোষের মতো ঘটনা ঘটিয়ে কারখানা ধ্বংস করে দেন। স্থানীয় মাস্তান, রাজনৈতিক টাউট, ঝুট ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পক্ষকে লেলিয়ে দেয় কারখানার বিরুদ্ধে। অন্য দিকে ছোটখাটো কারখানাগুলো নিজেরা কোনো কাজ আনতে পারে না। অন্য কারখানার কাজ তারা সাব কন্ট্রাক্টে করে থাকে। এসব কারখানায় মোটা অঙ্কের বেতন দিয়ে বিদেশীদের পোষা হয় না। ফলে উসকানি দেয়া হয় না, ভাঙচুরও হয় না। অনুসন্ধানে দেখা যায়, বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্প খাতে বর্তমানে প্রায় ২৫ হাজার বিদেশী কর্মরত আছেন। এদের মধ্যে ২০ হাজারই ভারতীয়। একেক কারখানায় ১০ থেকে ২০ জন ভারতীয় মিলে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালী সিন্ডিকেট।

অপেক্ষকৃত অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন বলে দাবিদার এসব কর্মকর্তা এতটাই দাপুটে অবস্থানে রয়েছেন যে মালিকরা চাইলেও তাদের মাঝে বা তাদের ওপরে কোনো বাংলাদেশীকে বসাতে পারেন না। তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে নিজের বিশ্বস্ত কোনো বাংলাদেশী বা আত্মীয়স্বজনকে বসাতে চাইলে একযোগে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন তারা। পেশাগত কারণেই আমেরিকা-ইউরোপে অবস্থানরত ভারতীয় বংশোদ্ভূত ধনাঢ্য ব্যক্তিদের সাথে তাদের সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। তারপর কৌশলে নিজ কর্মস্থল কারখানাটি বিক্রি করে দেন ভারতীয়দের কাছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্পের সাথে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করে যারা টিকতে পারছে না তারাও যুক্ত হয়েছে এই চক্রের সাথে। বিশেষ করে ইউরোপ-আমেরিকায় ভালো অবস্থানে থাকা ভারতীয়রা উঠেপড়ে লেগেছে এর বিরুদ্ধে। নিজেদের অস্থাভাজন এই মিড লেবেল ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে তারা একের পর এক নামকরা কারখানা বন্ধ করে দিচ্ছেন, আবার কৌশলে কিনেও নিচ্ছেন।

 অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, একদা বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্পের অহঙ্কার হিসেবে পরিচিত এসকিউ, ক্রিস্টাল, মাস্টার্ড, হলিউড, শান্তা, রোজ, ফরচুনা, ট্রাস্ট, এজাক্স, শাহরিয়ার, স্টারলি, ইউনিয়ন প্রমুখ দেশসেরা গার্মেন্ট কারখানার মালিক এখন ভারতীয়রা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নিজ দেশের ওই ম্যানেজারদের যোগসাজশে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ, আমেরিকান, কানাডিয়ান নাগরিকেরা কিনে নিয়েছেন এসব কারখানা। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ নয়া দিগন্তকে বলেন, কারখানাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা এসব কর্মকর্তা এতটাই ক্ষমতাশালী যে, অনেক সময় স্বল্পশিক্ষিত মালিকদের তারাই নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। কৌশলে তারাই শ্রমিকদের সাথে মালিকদের সম্পর্ক তিক্ত করেন। একেক পক্ষকে একেক রকম বুঝিয়ে অস্থিরতা বাড়িয়ে তোলেন। তবে শিল্পের জন্য তাদের অপরিহার্যতা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের এখানে অনেক শিক্ষিত বেকার আছে সত্য, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর লেখাপড়া কর্মমুখী না হওয়ায় আমরা যখন লোক নিয়োগের উদ্যোগ নেই তখন যোগ্য লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি পোশাক শিল্প খাতে কর্মরত বিদেশীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
http://www.nowbdnews1.com/nayadiganta/2013/09/28/16851.htm