Showing posts with label শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা. Show all posts
Showing posts with label শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা. Show all posts

Thursday, 31 July 2014

শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা সমগ্র



১) শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার সংক্ষিপ্ত জীবনী ও পরিচিতি

http://chairmanbd.blogspot.co.uk/2014/07/blog-post_83.html


২) বিচার প্রক্রিয়া : শহীদ হওয়ার দিন পর্যন্ত : বাংলাদেশ ওয়ারক্রাইম ব্লগ।  ডেভিড বার্গমেন http://bangladeshwarcrimes.blogspot.co.uk/search/label/Molla 
৩) শহীদ হওয়ার আগে কর্মীদের প্রতি আব্দুল কাদের মোল্লার নসিহত : আমার অনুরোধ, আমার শাহাদাতের পর ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা যেন ধৈর্য্য ও সহনশীলতার পরিচয় দেয় - আব্দুল কাদের মোল্লা
http://jamaat-e-islami.org/details.php?artid=MTU1MzE=

৪) কাদের মোল্লা, কসাই কাদের ও কিছু প্রশ্ন
http://nuraldeen.com/2013/12/24/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%93/ 
৫) কাদের মোল্লাকে নিয়ে জামায়াতের সাইটের আরো থ্রেড :
http://jamaat-e-islami.org/categorypage.php?catid=45 

৬) কাদের মোল্লার জানাজা : 
ছবি কি বলে শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা কি আসলেই কসাই কাদের? 
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/4901/Banglardamalsontan/33596#.U9rp5vldWSo  
সারাদেশে কার গায়েবানা জানাজা দেখলাম ? একজন অপরাধী হলে তো এমন হবার কথা নয় ?
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/2601/muhon/33569#.U9rxc_ldWSo

৭) শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার জানাজার নামাজ ও দাফনের চিত্র 
https://www.youtube.com/watch?v=eOccVIgH-ro 

শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার সংক্ষিপ্ত জীবনী ও পরিচিতি

আব্দুল কাদের মোল্লা
সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

সামাজিক নেতা হিসাবে আব্দুল কাদের মোল্লা একটি পরিচিত নাম। তার জন্ম ১৯৪৮ সালে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করছেন। ফরিদপুর জেলার সদরপুর থানার জরিপারডঙ্গী গ্রামে তিনি জন্ম গ্রহণ করেছেন। ধার্মিক একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে তার বেড়ে ওঠা। বড় হন তার পরিবার একটি । তার গ্রামের জরিপারডঙ্গী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়েই তার শিক্ষা জীবনের শুরু। বরাবরই তিনি ছিলেন একজন মেধাবী ছাত্র। তিনি যথাক্রমে ১৯৫৯ ও ১৯৬১ সালে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বৃত্তি লাভ করেন। তিনি ১৯৬৪ সালে আমিরাবাদ ফজলুল হক ইন্সিটিউট থেকে প্রথম শ্রেণীতে মাধ্যমিক পরিক্ষায় কৃতকার্য হন।

এরপর তিনি একই জেলার রাজেন্দ্র কলেজে ভর্তি হন। কৃতিত্বের সাথে ১৯৬৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরিক্ষায় উত্তীর্ন হন তিনি। ১৯৬৮ সালে তিনি একই কলেজ থেকে বিএসসি পাশ করেন। কিন্তু প্রবল আর্থিক সংকটের কারনে এরপর তাকে শিক্ষকতা পেশায় আত্মনিয়োগ করতে হয়। পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া হয়নি তখন আর। পরবর্তীতে ১৯৭০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। মুক্তিযুদ্ধের কারনে ১৯৭১ সালে তার মাস্টার্স পরীক্ষা দেয়া হয়ে ওঠেনাই। ১৯৭৫ সালে তিনি সামাজিক বিজ্ঞানের শিক্ষা প্রশাসনের ডিপ্লোমায় অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরে ১৯৭৭ সালে তিনি শিক্ষা প্রশাসন থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। এখানেও তিনি প্রথম শ্রেনীতে প্রথম হন। জনাব মোল্লা তার ছাত্র জীবন থেকেই শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঢাকার বিখ্যাত বিদ্যাপীঠ উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন।

তার এম,এড পরীক্ষার রেজাল্টের পরে তিনি বাংলাদেশ রাইফেলস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। পরে তিনি একই প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। সেখান থেকে তিনি ইসলামী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে সংস্কৃতি কর্মকর্তা হিসাবে যোগ দেন। ১৯৭৮ সালে রিসার্স স্কলার হিসাবে বাংলাদেশ ইসলামী সেন্টারে যোগ দেন। ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত তিনি মানারাত ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি হিসাবে ছিলেন। ১৯৮১ সালে জনাব মোল্লা বিখ্যাত দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসাবে যুক্ত হন। তখন থেকেই তিনি সাংবাদিকতার সাথে জড়িত রয়েছেন।

জনাব আব্দুল কাদের মোল্লার রয়েছে সংগ্রামী রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। অষ্টম শ্রেণীতে অধ্যায়নকালেই তিনি কম্যূনিজমের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং কম্যূনিষ্ট পার্টির ছাত্র সংগঠন ছাত্রইউনিয়নে যোগ দেন। ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি এ সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকেন। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরে তিনি বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ মাওলানা মওদূদী লিখিত তাফহীমুল কুরআনের সাথে পরিচিত হন। আগ্রহের সাথে তিনি এ গ্রন্থ পড়তে থাকেন।

তাফহীমুল কুরআনের হৃদয়স্পর্শী ছোঁয়ায় তিনি ইসলামের প্রতি প্রবল আকর্ষীত হন এবং ১৯৬৬ সালে তৎকালীন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী ছাত্রসংঘের পূর্বপাকিস্তান শাখায় যোগদান করেন। ১৯৭০ সালে তিনি এ সংগঠনের সদস্য হন। পরবর্তীতে তিনি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব পালন করেন। ইসলামী ছাত্রসংঘের শহিদুল্লাহ হল শাখার সভাপতি ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি ছাত্রসংঘের ঢাকা বিশব্বিদ্যালয় শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। অতঃপর তার উপর ঢাকা নগরী ছাত্রসংঘের সেক্রেটারীর দায়িত্ব অর্পিত হয়। একই সাথে তিনি কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ছিলেন।

তার বর্নীল ছাত্রজীবন শেষে ১৯৭৭ সালের মে মাসে তিনি বৃহত্তর ইসলামী আন্দোলন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে যোগ দেন এবং ১৯৭৮ সালের নভেম্বর মাসে রুকন শপথ নেন। অতঃপর তাকে প্রবীণ বর্ষীয়ান নেতা জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযমের ব্যাক্তিগত সেক্রেটারি হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি জামায়াত ঢাকা মহানগরীর শূরা সদস্য ও কর্মপরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। অল্পদিনের ব্যাবধানে তিনি জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশ-এ-শূরার সদস্য হন। ১৯৯২ সালে তাকে ঢাকা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারির দায়িত্ব দেয়া হয়। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা মহানগরীর নায়েব-এ-আমীরের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৫ সালে জনাব মোল্লা জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর আমীর নির্বাচিত হন এবং কেন্দ্রিয় কর্মপরিষদের সদস্য হন। ১৯৯১ সালে তাকে কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয় এবং উক্ত দায়িত্ব তিনি নিষ্ঠার সাথে পালন করতে থাকেন। ২০০০ সালে তাকে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব দেয়া হয়। উক্ত দায়িত্বের পাশাপাশি আওয়ামীলীগ সরকার বিরোধী আন্দোলনে তিনি চার দলীয় জোটের লিয়াজো কমিটির গুরুত্বপূর্ন সদস্য হিসাবে নিয়োজিত ছিলেন।

জনাব মোল্লাকে বিভিন্ন মেয়াদে চার চারবার জেলে যেতে হয়। আইয়ুব সরকারের নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালনের দায়ে ১৯৬৪ সালে প্রথমবারের মত তিনি গ্রেপ্তার হন। জেলে যেতে হয়। বিনা উস্কানীতে ১৯৭২ সালে তিনি আবার গ্রেপ্তার হন। কিন্তু স্থানীয় জনতার বিক্ষোভের মুখে পুলিশ তাকে স্থানীয় পুলিশ স্টেশন কাস্টোডী থেকেই ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। জেনারেল এরশাদের শাসনের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের কারনে আব্দুল কাদের মোল্লাকে আবারও আটক করে রাখা হয়। পরে উচ্চ আদালত তার এ আটকাদেশকে আবৈধ ঘোষণা করলে চার মাশ পরে তিনি মুক্ত হন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলন করায় তৎকালীন বিএনপি সরকার ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তাকে আটক করে।

জনাব মোল্লা একজন উত্তম সমাজসেবক। ১৯৮২ ও ১৯৮৩ সালে তিনি পরপর দুই বছর ঢাকা ইউনিয়ন অব জার্নালিস্ট (ডি ইউ জে) এর সহসভাপতি নির্বাচিত হন।

তিনি সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংস্থার সাথে যুক্ত । এদের মধ্যে বাদশাহ ফয়সাল ইন্সটিটিউট, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সোসাইটি ও এর স্কুল ম্যানেজিং কমিটি, সদরপুর মাদরাসা ও এতিমখানা, ফরিদপুর জেলার হাজিডাঙ্গি খাদেমুল ইসলাম মাদরাসা ও এতিমখানা, সাইয়্যেদ আবুল আ’লা মওদূদী একাডেমী অন্যতম। তিনি এসব মাদরাসা ও এতিমখানার উপদেষ্টার ভূমিকা পালন করে আসছেন। এছাড়াও তিনি পরপর তিন মেয়াদের জন্য বাদশাহ ফয়সাল ইন্সটিটিউট ও এর ট্রাস্টের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। মানারাত ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি ছিলেন। জনাব মোল্লা দেশ বিদেশের সমসাময়িক বিষয়ের উপর কলাম ও প্রবন্ধ লিখে আসছেন। ইসলামের বিভিন্ন দিকের উপরো তার লেখা পাওয়া যায়। তার সুচিন্তিত কলাম ও প্রবন্ধ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও বস্তুবাদ, কম্যূনিজমের উপরে তার বৈজ্ঞানিক সমালোচনা শিক্ষিত মহলের কাছে সমাদৃত হয়েছে।

জনাব মোল্লা ইতোমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেছেন। এরই মধ্যে তিনি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জাপান, সিঙ্গাপুর, পাকিস্তান ও ভারতে সফর করেছেন।

জনাব মোল্লা বেগম সানোয়ার জাহানের সাথে ১৯৭৭ সালের ৮ অক্টোবর তারিখে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। দুই পুত্র ও চার কন্যার সুখি সংসার তাদের। সব সন্তানই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করছেন। সবাই ইসলামী আন্দোলনের সাথে জড়িত। বেগম সানোয়ার জাহান জামায়াতের রুকন ।

জনাব মোল্লা নিয়মিত কুরআন পড়তে ও কুরআন তেলাওয়াত শুনতে পছন্দ করেন। তিনি সাংগঠনিক ব্যাস্তময় সময় থেকে তিনি বিভিন্ন বিখ্যাত লেখক, কবি- যেমন আল্লামা ইকবাল, সাইয়্যেদ আবুল আ’লা মওদূদী, সাইয়্যেদ কুতুব, মোহাম্মাদ কুতুব, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, ফররুখ আহমেদ সহ বিখ্যাত লেখকদের লেখা পড়ার জন্য নিয়মিত সময় বেড় করেন।

এই জাতীয় দেশ বরেন্য সংগঠক ও শিক্ষাবিদ আজ আওয়ামী দুশাসনের স্বীকার হয়ে মিথ্যা অপবাদে জেল খানার মধ্যে আটক রয়েছেন। দেশবাসী তার সম্মানজনক মুক্তির জন্য অপেক্ষায় আছেন।

আজ ট্রাইব্যুনাল-২ এ তার বিরুদ্ধের বিচারের রায় ঘোষনা চলছে। মহান আল্লাহ-র কাছে অগণিত মানুষ আজ তার জন্য দোয়া করছেন। আল্লাহ যেন তাকে খুব সম্মানজনকভাবে মুক্তি দিয়ে জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেন। আমীন।
সামাজিক নেতা হিসাবে আব্দুল কাদের মোল্লা একটি পরিচিত নাম। তার জন্ম ১৯৪৮ সালে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করছেন। ফরিদপুর জেলার সদরপুর থানার জরিপারডঙ্গী গ্রামে তিনি জন্ম গ্রহণ করেছেন। ধার্মিক একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে তার বেড়ে ওঠা। বড় হন তার পরিবার একটি । তার গ্রামের জরিপারডঙ্গী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়েই তার শিক্ষা জীবনের শুরু। বরাবরই তিনি ছিলেন একজন মেধাবী ছাত্র। তিনি যথাক্রমে ১৯৫৯ ও ১৯৬১ সালে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বৃত্তি লাভ করেন। তিনি ১৯৬৪ সালে আমিরাবাদ ফজলুল হক ইন্সিটিউট থেকে প্রথম শ্রেণীতে মাধ্যমিক পরিক্ষায় কৃতকার্য হন।

এরপর তিনি একই জেলার রাজেন্দ্র কলেজে ভর্তি হন। কৃতিত্বের সাথে ১৯৬৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরিক্ষায় উত্তীর্ন হন তিনি। ১৯৬৮ সালে তিনি একই কলেজ থেকে বিএসসি পাশ করেন। কিন্তু প্রবল আর্থিক সংকটের কারনে এরপর তাকে শিক্ষকতা পেশায় আত্মনিয়োগ করতে হয়। পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া হয়নি তখন আর। পরবর্তীতে ১৯৭০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। মুক্তিযুদ্ধের কারনে ১৯৭১ সালে তার মাস্টার্স পরীক্ষা দেয়া হয়ে ওঠেনাই। ১৯৭৫ সালে তিনি সামাজিক বিজ্ঞানের শিক্ষা প্রশাসনের ডিপ্লোমায় অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরে ১৯৭৭ সালে তিনি শিক্ষা প্রশাসন থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। এখানেও তিনি প্রথম শ্রেনীতে প্রথম হন। জনাব মোল্লা তার ছাত্র জীবন থেকেই শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঢাকার বিখ্যাত বিদ্যাপীঠ উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন।

Tuesday, 4 March 2014

প্রজন্ম তুমি ভুল মানুষকে ফাঁসি দিয়েছ এবং একজন কানাডিয়ান মোজাম্মেলের মিথ্যাচার





প্রজন্ম গত বছরের ৫ ই ফেব্রুয়ারী কাদের মোল্লার ফাসির জন্য আন্দোলন শুরু করেছিলো। আপাদত দৃষ্টিতে তোমরা তোমাদের দাবি পূরণ করতে পেরেছ। কিন্তু প্রজন্ম তুমি কি কখনই চিন্তা করেছ , কাদের মোল্লা আর কসাই কাদের একই ব্যক্তি না ও হতে পারে। তুমি যা দেখনি আর যা শুনেছ তা মিথ্যা ও হতে পারে , তা কি কখনো ভেবেছ ? 

তুমি কি কখনো ভেবেছ কসাই কাদের কিভাবে স্বাধীনতার পরে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে ? তোমার কি চিন্তা জাগ্রত হয়নি যে একজন কসাইয়ের নাম স্বাধীনতার পর রাজাকারদের তালিকায় কেন তার নাম নেই? 

Saturday, 4 January 2014

এমপি রনির চ্যালেঞ্জ ‘কাদের মোল্লা নিরাপরাধ’

04 Jan, 2014
প্রসঙ্গটা নিজেই তোলেন গোলাম মাওলা রনি। এক নাগাড়ে বলে চলেন যুদ্ধাপরাধে ফাঁসি হওয়া কাদের মোল্লা প্রসঙ্গে তার মনের কথাগুলো। বিচারে তার মৃত্যুদণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আওয়ামী লীগের এই সংসদ সদস্য।

বাংলানিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে কাদের মোল্লাকে নিরাপরাধ দাবি করে তার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বেশ আবেড়তাড়িত পড়েন গোলাম মাওলা রনি। তার দাবি, কসাই কাদের এবং আব্দুল কাদের মোল্লা এক ব্যক্তি নন। তবে তার এই বক্তব্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাদের মোল্লার মামলার নথির কথাই উল্লেখ করেন তিনি। নিজেও কিছু কিছু বিষয় জানেন বলে দাবি করেন সরকারদলীয় এই এমপি। এছাড়াও তার বক্তব্যগুলো ছিলো স্ববিরোধী।

Monday, 23 December 2013

কাদের মোল্লা, কসাই কাদের ও কিছু প্রশ্ন

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বহুল আলোচিত বিষয় কাদের মোল্লার ফাঁসি। স্বাধীনতার ৪২ বছর পর যুদ্ধাপরাধের বিচারের মতো সংবেদনশীল একটি বিষয় এর সাথে জড়িত থাকায় আলোচনার ব্যপ্তি ছিল বিচার প্রক্রিয়া, রায়, প্রতিক্রিয়া হিসেবে শাহবাগের গণজাগরণ, আইন সংশোধন, রায় পরিবর্তন, এবং শেষপর্যন্ত ফাঁসি নিয়ে। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী ফাঁসির মধ্য দিয়েই ঘটনার যবনিকাপাত ঘটেনি। উঠে এসেছে নতুন কিছু প্রশ্ন।

কাদের মোল্লার বিচার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে মূলতঃ দুটি বিষয়ে -
  •  বিচার প্রক্রিয়ায় আপাতঃ অনিয়ম, অন্যায্যতা, বা আন্তর্জাতিক মান রক্ষায় ব্যর্থতা
  •  কাদের মোল্লার পরিচয় সংক্রান্ত জটিলতা
প্রথম ইস্যুটি নিয়ে লেখালেখি হয়েছে বিস্তর। এর মধ্যে সাংবাদিক David Bergman এর ব্লগhttp://bangladeshwarcrimes.blogspot.com/ উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে প্রমাণে জটিলতার কারণে দ্বিতীয় ইস্যুটিতে আলোচনা কম হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর পেছনে কারণ হিসেবে রয়েছে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অভিযুক্তের সংশ্লিষ্ট অপরাধে নিজেকে নির্দোষ দাবি করা যা প্রতীয়মান হয় জেল থেকে সাবেক এমপি গোলাম মাওলা রনিকে লেখা চিরকুট বা ফাঁসির পূর্বে স্ত্রীকে লেখা শেষ চিঠি থেকে। এ থেকে প্রশ্ন জাগে অভিযুক্ত কাদের মোল্লা এবং যুদ্ধাপরাধী হিসেবে কুখ্যাত মিরপুরের কসাই কাদের একই ব্যক্তি কিনা।

Saturday, 21 December 2013

কাদের মোল্লাকে হত্যা করা হয়েছে : ড. ইউসুফ আল কারযাবি

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লাকে হত্যা করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ইসলামিক স্কলারস ফোরামের চেয়ারম্যান এবং বিশ্বের প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওলামা পরিষদের সদস্য বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ড. ইউসুফ আল কারযাবি কাদের মোল্লার ফাঁসির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমরা মুসলিম দেশগুলোর দিকে নজর দিলে দেখতে পাই তারা অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করছে। বাংলাদেশ একটি বৃহৎ মুসলিম দেশ হওয়া সত্ত্বেও মুসলমানদের ওপর বর্বর নির্যাতন করা হচ্ছে। 

Monday, 16 December 2013

শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা আর কসাই কাদের কি এক ? ছবি কি বলে ?


উপরের ছবিটি ট্রাইব্যুনালে সংরক্ষিত সরকার পক্ষের কৌসুলিদের জমা দেয়া কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে মহা গুরুত্বপুর্ন একটি ডকুমেন্ট। ছবিতে জেনারেল এ এ কে নিয়াজীর পিছনে দাঁড়ানো মিরপুরের বিহারী 'কসাই কাদেরকে' আব্দুল কাদের মোল্লা বলে চালানো হয়েছে। 
নিচের ছবিতে ৯২ সালের রোকন সম্মেলনে তৎকালীন আমীরে জামায়াত অধ্যাপক গোলাম আযম সাহেবের পাশে দাঁড়ানো আব্দুল কাদের মোল্লা।

বিশ্লেষণঃ ১৯৭১ সালে-

নিয়াজীঃ উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী নিয়াজীর বয়স ছিল ৫৭ বছর। উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি।
কাদের মোল্লাঃ বিভিন্ন সুত্রের তথ্যানুযায়ী কাদের মোল্লার বয়স ছিল ২২/২৩ বছর। উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি।
কসাই কাদেরঃ অসমর্থিত সুত্র এবং বিশ্লেষণ অনুযায়ী কসাই কাদেরের বয়স ছিল ৪৮ বছর। পাশে দাঁড়ানো নিয়াজীর সাথে তুলনা করলে বিহারী কসাই কাদেরের উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি।

প্রশ্ন-১: ৯২ সালে নিচের ছবিতে অধ্যাপক গোলাম আযমের পাশে দাঁড়ানো ৪৩/৪৪ বছর বয়স্ক কাদের মোল্লাকে যদি ২১ বছর আগে কল্পনা করা হয় তাহলে কি নিয়াজীর পাশে দাঁড়ানো ৪৮ বছর বয়স্ক 'কসাই কাদেরের' মতো মনে হবে?

কাদের মোল্লার ফাঁসিতে জাতিসংঘ মহাসচিবের দুঃখ প্রকাশ

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দেয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন। একই সঙ্গে এ ঘটনার পর বাংলাদেশের সব পক্ষকে শান্ত থাকার ও সহিংসতা পরিহারেরও আহ্বান জানান তিনি। বান কি মুনের মুখপাত্র মার্টিন নেসারকি শুক্রবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এক নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দেয়ার আগে এই দণ্ড কার্যকর না করতে জাতিসংঘের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আবেদন জানিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছিলেন। কিন্তু দণ্ড কার্যকরের পর কোন কর্মকর্তা কেন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেননি- এমন প্রশ্নের জবাবে মার্টিন বলেন, আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকরে মহাসচিব দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বান কি মুন আগেও এই পদক্ষেপকে নিরুৎসাহিত করেছেন।
http://mzamin.com/details.php?mzamin=MzE0OA==&sMQ==

Sunday, 15 December 2013

আব্দুল কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দিবেন। কিসের ভিত্তিতে ??



আব্দুল কাদের মোল্লাকে চিনিয়ে দেওয়ার কিছু নাই। বাংলাদেশের এমন কোনো মানুষ নেই যারা কাদের মোল্লাকে চিনে না। যিনি মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে আজ আসমানি ফয়সালার সামনে দাড়িয়ে। 

কাদের মোল্লার বিরুদ্বে আন্তর্জার্তিকভাবে বিতর্কিত ট্রাইবুনাল গত ফেব্রুয়ারী মাসে যাবজ্জ্বীবন কারাদন্ড দেয়। তারপর কাদের মোল্লার ফাসির দাবিতে শুরু হয় শাহবাগের কথিত গণজাগরণ। তারপর সংসদে দাড়িয়ে হাসিনা বলেছিলেন আশা করি জনগনের আশা আকাঙ্খার দিকে তাকিয়ে বিচারকরা রায় দিবেন। জামায়াতের সাথে স্ট্রং দরকষাকষিতে যেতে হলে হাসিনার দরকার একটি ফাসির রায়। পরিবর্তন করা হয় আইন।

জামায়াত শিবির কি জাসদের ভাগ্য বরণ করবে না আরো শক্তিশালী হবে ?



অনেক ভাইকে স্টাটাস দিতে দেখেছি , তাদের কনসার্ন হলো জামায়াত কি জাসদের ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছে ? তারা উদাহরণ দিচ্ছেন শেখ মুজিবের রক্ষী বাহিনীর মত বাংলাদেশের কসাই হাসিনা ও র্যাব দিয়ে নিরপরাধ জামায়াত কর্মীদের হত্যা করছে। আসলে আমাদের এতো তাড়াতাড়ি এই রকম জাস্টিফিকেশনে যাওয়া উচিত না। আমাদের বুঝতে হবে জামায়াত আর জাসদের আদর্শ এক না। জামায়াত আল্লাহর উপর নির্ভর করে ইসলামিক আন্দোলন করেতেছে আর জাসদ নাস্তিকতার উপর।অন্যদিকে কসাই হাসিনার এখন শেষ সময়। তাই মরার আগে একটু বেশি লাফাচ্ছে। এতে হতাশ হওয়ার কিছু নাই। 

কাদের মোল্লার রায় নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এর বিবৃতি ও শাহবাগী মিথ্যাচার

গত কয়েকদিন আওয়ামী বুদ্ধিজীবী, তাদের মিডিয়া এবং শাহবাগী তরুণ প্রজন্ম প্রোপাগান্ডা চালিয়ে মানুষকে এমনটা বুঝাতে চেয়েছে যে জাতিসংঘ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আসলে নীতিগত কারণে মৃত্যুদণ্ডের বিপক্ষে, এমনিতে ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যাথা নেই। শাহবাগীদের এমন দাবী আসলে সত্যের সম্পূর্ণ অপলাপ।

যেমন, হিউম্যান ওয়াচ তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলেছে, "Accused Should Have Right to Appeal in Case Rife with Fair Trial Problems."

লিংকঃ http://www.hrw.org/news/2013/12/08/bangladesh-halt-execution-war-crimes-accused

জাতিসংঘের হাই কমিশনার নাভি পিল্লাইয়ের বিবৃতিতে বিষয়টা এসেছে এভাবে, "The High Commissioner urged the Bangladeshi Government not to proceed with the death penalty in cases before the International Crimes Tribunal, particularly given concerns about the fairness of the trials."

লিংকঃ http://www.un.org/apps/news/story.asp?NewsID=46704&Cr=death+penalty&Cr1#.Uq2dVt98Lv4

এই দুই বিবৃতিতে তারা স্পষ্টভাবে ট্রাইব্যুনালের fairness নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কিন্তু শাহবাগীরা সুচতুরভাবে এসব বিষয় এড়িয়ে যায়। 

আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির তীব্র নিন্দা জাতিসংঘের

সংগ্রাম ডেস্ক : জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন। একইসঙ্গে সব পক্ষকে শান্ত ও সহিংসতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। প্রাইম নিউজ।
এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বান কি মুনের মুখপাত্র মার্টিন নেসিরকি বলেছেন, কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মহাসচিব। তিনি বলেন, মহাসচিব ফাঁসি কার্যকর করাকে নিরুৎসাহিত করেছিলেন। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে স্পর্শকাতর মুহূর্তে এমন মৃত্যুদ- না দিতে বলেছিলেন তিনি। এছাড়া যে কোনো পরিস্থিতিতে মৃত্যুদ-ের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ। এমনকি আন্তর্জাতিক অপরাধের ক্ষেত্রেও জাতিসংঘ মৃত্যুদ-ের বিরুদ্ধে বলে জানিয়েছেন নেসিরকি।

স্ত্রীকে লেখা আব্দুল কাদের মোল্লার শেষ চিঠি(মুল কপি)

16 Dec, 2013
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম 
প্রিয়তমা জীবন সাথী পেয়ারী,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ

আজ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হওয়ার পর খুব সম্ভব আগামী রাত বা আগামীকাল জেলগেটে আদেশ পৌছানোর পরই ফাঁসির সেলে আমাকে নিয়ে যেতে পারে। এটাই নিয়ম। সরকারের সম্ভবত শেষ সময়। তাই শেষ সময়ে তারা এই জঘন্য কাজটি দ্রুত করে ফেলার উদ্যোগ নিতে পারে। আমার মনে হচ্ছে তারা রিভিউ পিটিশন গ্রহণ করবে না। যদি করেও তাহলে তাদের রায়ের কোন পরিবর্তন হওয়ার দুনিয়ার দৃষ্টিতে কোন সম্ভাবনা নেই।

সুপ্রিমকোর্টে আব্দুল কাদের মোল্লার গায়েবানা জানাযা

শীর্ষ নিউজ ডটকম,ঢাকা: জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লাসহ দেশব্যাপী সংহিংসতায় নিহত নেতাকর্মীদের স্মরণে সুপ্রিম কোর্টে  গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার জোহরের নামাজের পর সর্বস্তরের আইনজীবীদের অংশগ্রহণে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে এ জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। সুপ্রিম কোর্টের  আইনজীবী অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম জানাযায় ইমামতি করেন।

Saturday, 14 December 2013

ইতিহাসের কসাই কাদের, মিডিয়া কতৃক একটি মৃত্যুদণ্ড এবং প্রগতিশীলতার উল্লাস

imageইতিহাসের কসাই কাদের, মিডিয়া কতৃক একটি মৃত্যুদণ্ড এবং প্রগতিশীলতার উল্লাস

নিউজ অর্গান ডেস্ক, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৩ : যারা বলছে কসাই কাদের। তারা এখন কি বলবে জানি না , তবে সত্য কথা হলো , কসাই কাদের বলে শেষ করে দিলাম একজন নিরীহ মেধাবীকে।

☛ একটু দেখুন একজন লেখিকার কথা। তাই আদালতের সব রায় নিয়ে এমন হাজার প্রশ্ন আছে। থামবে কি রক্তের খেলা ?

☛ ইতিহাসের কসাই কাদের, মিডিয়া কতৃক একটি মৃত্যুদণ্ড এবং প্রগতিশীলতার উল্লাস

☛ ঝিনুক,কলকাতাঃ কাদের মোল্লা আসলেই যুদ্ধ অপরাধী ছিল কিনা? কসাই কাদের আর কাদের মোল্লা আসলেই এক ব্যাক্তি কিনা? যুদ্ধ অপরাধীর বিচার রাষ্ট্র করছে? নাকি কোন রাজনৈতিক সংগঠন করছে? আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল নাকি আওয়ামীলীগ ট্রাইব্যুনাল? আব্দুল কাদের মোল্লা র একমাত্র সাক্ষী মোমেনা বেগম কে? মোমেনা বেগম কি সাক্ষী দিতে গিয়েছিল না যায় নি? এই প্রশ্নগুলো যখন উঠেছে তখন এই প্রশ্নগুলোর নিস্পত্তি না করে একজন মানুষ কিংবা অমানুষের মৃত্যুদণ্ডে শাহবাগে আমাদের উল্লাস আর যাই হক কোনদিন প্রগতিশীলতা অথবা মানবতা কোনটাই বহন করে না। 

মোমেনার সাক্ষী আবদুল কাদের মোল্লার দণ্ড ও বিচারের নীতি..অলিউল্লাহ নোমান

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী মহাসচিব আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হওয়ায় শাহবাগিদের নগ্ন উল্লাস প্রচারে ব্যস্ত ইন্ডিয়াপন্থী’ আওয়ামী-বাম মিডিয়াগুলো। এক তরফা প্রচারণায় শাহাদাতের পথযাত্রী আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগের ফিরিস্তি ও বয়ানও অব্যাহত আছে। আবদুল কাদের মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় দেশজুড়ে আয়োজিত গায়েবানা জানাজার হাজারও মানুষের উপস্থিতি তাদের চোখে পড়ে না। শুধু দেশজুড়ে নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দেশে গায়েবানা জানাজা হয়েছে আবদুল কাদের মোল্লার জন্য। কাশ্মীর থেকে ফিলিস্তিন, তুরস্ক থেকে ইংল্যান্ড, আমেরিকা থেকে আফ্রিকা মুসলমানের আবাস রয়েছে এমন কোনো দেশ বাদ নেই আবদুল কাদের মোল্লার জন্য গায়েবানা জানাযা হয়নি।
আবদুল কাদের মোল্লার স্ত্রী-সন্তানরা ফরিদপুরে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছার আগেই লাশ দাফন, পাড়া-প্রতিবেশীদের বাড়িতে ঢুকতে পুলিশের বাধা, লাশের মুখ দেখতে না দেয়ার মতো অমানবিক আচরণ করেছে পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষ দেখায় দাফনের বিষয়ে বলে যাওয়া ইচ্ছাটুকু পূরণের সুযোগ দেয়া হয়নি। পারিবারিক ঘনিষ্ঠ একজন জানান, শেষ দেখায় তার অছিয়ত ছিল হজের সময়ে গায়ে জড়ানো এহরামের কাপড়টি দিয়ে কাফনের পোশাক লাগানো, বড় মেয়ের জামাইকে দিয়ে জানাজায় ইমামতি করানো এবং কবরে বড় মেয়ের জামাইসহ দুই ছেলেকে দিয়ে লাশ কবরে নামানো। এর কোনো সুযোগ না দিয়ে কড়া পুলিশ পাহারায় ভোরের আগেই রাতের আঁধারে দাফনের সব আয়োজন হয় সরকারি হেফাজতে। ফাঁসির পরও প্রাণহীন আবদুল কাদের মোল্লার দেহকে ভয় পেয়েছে সরকার। সেজন্যই হয়তো নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় রাতের আঁধারে এতসব আয়োজন। এমনকি স্থানীয় সাংবাদিকদেরও রাস্তায় আটকে রাখা হয় লাশ গ্রামের বাড়িতে না পৌঁছা পর্যন্ত।

Friday, 13 December 2013

আয়রনি


মূল: সাদিয়া হোসেইন
সম্পাদনা: শরীফ আবু হায়াত অপু


بِسْــــــــــــــــــمِ اﷲِالرَّحْمَنِ اارَّحِيم


আবদুল কাদের মোল্লার মৃত্যুতে যারা খুশি, তারা কেউ তাঁকে খুন করতে দেখে নি, ধর্ষণ করতে দেখে নি, এমন কি দুই চোখেও তাঁকে দেখে নি। আর তাঁর মৃত্যুতে যারা অখুশি, তাদের একটা বড় অংশ তাঁকে কাছ থেকে দেখেছে, তার সাথে এক জীবন কাটিয়েছে, তাঁর একটা বক্তৃতা শুনেছে কিংবা কারাগারে এক সাথে কিছু বিকাল কাটিয়েছে! 

অথবা আমার মতো যারা মনে করত জামাতের নেতা মাত্রই শুওরের বাচ্চা। রাজাকার। যুদ্ধাপরাধী। আমরা অবাক বিস্ময়ে আবিষ্কার করলাম কাদের মোল্লার বিচার এবং হত্যা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। 

Thursday, 12 December 2013

কাদের মোল্লার স্ত্রীর আক্ষেপ...


নাসির আহমাদ রাসেল, ঢকা : জনপ্রিয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি’র কাছে যেভাবে কাউকে না বলা কথা চিরকুটে লিখে গেছেন আব্দুল কাদের মোল্লা। ঠিক তেমনি না বলা কথা রয়েছে তার স্ত্রী সানোয়ারা জাহানেরও।কাশিমপুর কারাগারে  গোলাম মাওলা রনির উদ্দেশ্যে  চিরকুট বার্তায় আব্দুল কাদের মোল্লা  লিখেছিলেন, “প্রিয় রনি, যদি কখনও সময় পাও এবং তোমার ইচ্ছা হয় তবে আমার ফাঁসির পর একবার হলেও বলো বা লিখো- কাদের  মোল্লা আর কসাই কাদের এক ব্যক্তি নয়। আমার আত্মা কিয়ামত পর্যন্ত কাঁদবে আর কসাই কাদের তখন কিয়ামত পর্যন্ত অট্টহাসি দিবে।”

Why I am against the execution of Abdul Kader Mollah...David Bergman

In his blog, Bergman has chronicled the events as they occurred for the last few days. Within those narratives he has aptly pointed out the problems within the way the trial was held. I am just juxtaposing them together so that everyone can have a quick look at it.
 Bergman starts by making it clear that his issues with trial are not that of some minor nuances. The problem is at the very core of a trial - that of evidence. He says:
 Yes I do not support the death penalty, but that is not why I am against the execution of Molla.

Yes, I think there are many legal inadequacies in the International Crimes (Tribunal) Act 1973, but that is also not the reason? Yes, I am aware of the many controversies and scandals that have taken place at the tribunal (including the abduction of a defence witness, the release of skype conversations/e-mails showing, b at least one of the tribunal judges in collusion with the prosecution and the government, and at least 6 tribunal investigators and prosecutors seeking last month Awami League parliamentary seats) – but again these controversies, and there are many more, are not in themselves the reason why I object to Molla's death penalty.

The reason for thinking that it is outrageous to put Molla to death is because of the flimsiness of the evidence on the charge which he has been sentenced to death and the fact that the tribunal simply did not allow him to put forward his defence, restricting his witnesses to five.

The Evidence Issue

Bergman writes:

It is important to remember the following: the case on which Molla is being hung involves the murder of six members of one family.

There was only one witness to the incident, a daughter of the family who was the sole survivor. She was 13 years at the time. In her testimony in court, she said that on 26 March 1971 her father ran towards the house and said “Qader Molla will kill me” and that Quader Molla pulled her father by the collar, and draged him out of the house, The men then killed her mother, three sisters (one of whom was first raped) and baby brother. After the incident, she said, ‘A person called Kamal Khan who served tea to freedom fighters told me, “Quader Molla killed my parents.” My Ukil Baba [marriage witness] Akkas Molla also told me the same thing ...’

Wednesday, 11 December 2013

ছয় সাংবাদিক ও বিচারপতি মানিক মিলে কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় লেখেন !

বঙ্গদেশের বিচারালয় ও তার বিচারপতিরা কতটা নিচে নামতে পারে উপরের শিরোনাম দেখে চিন্তা করতে পারেন? বাস্তবে তাই হয়েছে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লাকে ফাঁসির দণ্ড দিয়ে যে পূর্ণাঙ্গ রায় লেখা হয়েছে তা মূলত লেখেন হাইকোর্টে কর্মরত আওয়ামী সমর্থক ছয় সাংবাদিক। রায়ে কি থাকলে ভাল হয়, ভাষা কেমন হওয়া উচিৎ, রায় কত পৃষ্ঠার হবে এমন নানা বিষয় সাংবাদিকরা মানিককে ঠিক করে দেন। মানিক তাদের কথামতো সাহিত্য মিশিয়ে একটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করার চেষ্টা করেন। যা পাঁচ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হয়। আর ইহা এমন এক অমৃত যা বিচারপতিদের সাইন হয়ে প্রকাশ হওয়ার আগেই সাংবাদিকদের হাতে হাতে হাতে পাওয়া যাচ্ছিল! চার ডিসেম্বর সাংবাদিকদের হাতে ছিল মানিকের লেখা কাদের মোল্লার পূর্ণাঙ্গ রায়..

এই সাংবাদিকরা হলেন, ডেইলি স্টারের আশুতোষ সরকার, ঢাকা ট্রিবিউনের জুলফিকার আলী মানিক, চ্যানেল আইয়ের মান্না, সমকালের আবু সালেহ রনি, নিউ এজ এর মিশন ও এটিএন নিউজের চিফ রিপোর্টার মাশুদুল হক।

মানিক এর বাইরেও বিভিন্ন সময় সাংবাদিক ডেকে এনে রায় লেখার ব্যাপারে পরামর্শ চান! এদের মধ্যে রয়েছে প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খান ও প্রথম আলোর ট্রাইব্যুনাল রিপোর্টার কুন্তল রায়।

জানা যায়, বিচারপতি মানিক প্রথমে ফাঁসি দণ্ড দিয়ে লেখা রায়ের একটি খসড়া করেন। এরপর এটি তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, আইন উপষ্টো শফিক ও আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুলকে দেখান। তাদের পরামর্শ নেয়ার পর রায়টি কিভাবে সাজালে সুন্দর হয় এ নিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। সাংবাদিকরা ভাষাগত বিভিন্ন দিক নিয়া মানিককে পরামর্শ দেন। রায় লেখার পর তার প্রুফ দেখে দেন। 
শুধু রায় লেখা নয় , রায়ের বাংলা অনুবাদ করেন ও ওই সব সাংবাদিকরা।


কাদের মোল্লার রায় প্রকাশের আগের দিনই মানিকের রুমে বসে ইংরেজি রায়ের বাংলা করেন সাংবাদিকরা! জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির দণ্ডাদেশের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগের দিন অর্থাৎ চার ডিসেম্বর বিচারপতি মানিকের কক্ষে বসে সাংবাদিকরা ইংরেজি রায়টার বাংলা অনুবাদ করেন। পরদিন রায়টি প্রকাশের পর তা যাতে দ্রুত মিডিয়ায় প্রচার করা যায় এ জন্য মানিক তার কাছের সাংবাদিকদের দিয়ে এ কাজ করান। অথচ তখনও রায় প্রকাশের একদিন বাকি। এরপর তা বেশ কয়েকজন সাংবাদিক পেনড্রাইভে করে নিয়ে যান! পাঁচ ডিসেম্বর রায় প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই রায়ের বাংলা অনুবাদ বিভিন্ন কোর্ট রিপোর্টারের মেইলে পাঠানো হয়. 

বিচারপতি মানিকের রুমে বসে ছয়জন ওই ৬ জন সাংবাদিক তার লেখা পূর্ণাঙ্গ রায় ইংরেজি থেকে বাংলা করেন-। টোটাল রায় তৈরিতেও এদের কয়েকজনের ভূমিকা আছে । পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই তা ফাঁস হয়ে যাওয়া ও বিচারপতির দ্বারা অনুবাদের ঘটনায় হাইকোর্ট চত্বরে ওই দিনই কানাঘোষা শুরু হয়। এ নিয়ে অন্য সাংবাদিকদের হাসাহাসি ও টিটকারি মারতে দেখা যায়।

এভাবেই রচিত হয় রায় নামক একটি মহাকাব্য। যার রচয়িতা মানিক ও ছয় সাংবাদিক। এবার আপনারাই বলুন এই প্রহসনের বিচারের শেষ কোথায়?