Showing posts with label হলুদ মিডিয়া. Show all posts
Showing posts with label হলুদ মিডিয়া. Show all posts

Thursday, 24 April 2014

সাঈদীকে কাতারে নিষিদ্ধ করণ বিষয়ে চ্যালেঞ্জ..২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ফানারে ২০০৩ সালে নিষিদ্ব হন কিভাবে ??

বাংলানিউজ টুয়েন্টি ফোর ডটকম-এ সাঈদী সাহেবকে কাতারে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে একটি অপপ্রচার মূলক রিপোর্ট করা হয়েছে। আর অনেক ব্লগার এই রিপোর্টটাকে কপি করে পোষ্ট করেছেন। আর অন্য কিছু অতি উৎসাহী ব্লগার সেই সব পোষ্টে বিরামহীন মন্তব্য করে অপপ্রচারকারীদেরকে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন। সাঈদীকে নিষিদ্ধ করণ বিষয়ে বিস্তারিত লিখবো সময় নিয়ে। আজ সাঈদী সাহেবের কাতার সফর সম্পর্কে মাত্র কয়েকটি চ্যালেঞ্জ।

 ১.) যে "ফানার" সাঈদী সাহেবকে নিয়ে ২০০৩ সালে এতো মাতামাতি করেছে, সেই ফানারের জন্ম ২০০৬ সালে। আমার জিজ্ঞাসা যে প্রতিষ্ঠানের জন্ম ২০০৬ সালে সেই প্রতিষ্ঠান ২০০৩ সালে কিভাবে তদন্ত করে। বিস্তারিত জানার জন্য ফানারের ওয়েব সাইট
 http://www.fanar.gov.qa/Index.aspx
... বা ফানারের ফেইস বুকে
https://www.facebook.com/FanarQatar/info দেখুন।

 ২)  সাঈদী সাহেব ২০০২ সালের পর কখনও কাতার সফর করেননি। তাহলে যে ব্যক্তিটি ২০০২সালের পর কাতার যায়নি, সেই ব্যক্তিটি ২০০৩সালে কিভাবে কাতারে কোন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবে। সাঈদী সাহেব সম্পর্কে যারা অযথা অপপ্রচার করেন, তারা বিষয়গুলোর জবাব দেবেন আশা করি।

Monday, 6 January 2014

লাঙ্গলে জাল ভোট, আ.লীগ নেত্রীর ৫ বছরের সাজা

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে লাঙ্গল প্রতীকে জাল ভোট দেওয়ায় আওয়ামী লীগের নেত্রী উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম ওরফে শিউলি আজাদসহ পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। জেলা যুগ্ম জজ মো. কামাল হোসেন শিকদার এ সাজা দেন।
সাজাপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দিন, তিন নারী সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা কোহিনুর বেগম, জোবেদা বেগম ও নাছিমা বেগম।
নির্বাচন-সংক্রান্ত বিশেষ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামাল হোসেন শিকদার গতকাল রোববার জেলা সার্কিট হাউসে শিউলি আজাদ ও আশরাফ উদ্দিনকে পাঁচ বছর করে এবং তিন নারী সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে তিন বছর করে সাজা দেন।

Sunday, 1 December 2013

বিএনপির উপলব্ধি না হলে ও জামায়াতের যে উপলব্ধি আবশ্যক


মাহবুব জামান
বিএনপি একটি মিডিয়া প্রতিবন্ধী প্লাটফর্ম। গোটা বিএনপি’তে একজনও সক্রিয় মিডিয়া বিশেষজ্ঞ পাওয়া যাবে না।এ নিয়ে তাদের মধ্যে লক্ষণীয় কোনো ভাবনাও নেই।আজকের বিএনপি’র মূল দল, ছাত্রদল, যুবদল সহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের কেউই মিডিয়ার সাথে নিবিড় সম্পর্ক বা যোগাযোগ রাখে না।

তারা জানেই না মিডিয়াতে সক্রিয়ভাবে কারা আছে বিএনপিমনা, আর কারা আওয়ামীমনা। বিএনপিমনার সংখ্যা এতো কম কেন? বাড়াতে হলে কী করতে হবে। আওয়ামী লীগ এক্ষেত্রে কী করছে। এসব নিয়ে তারা মাথাই ঘামান না। শুধুমাত্র ক্ষমতায় গিয়ে কয়েকটা চ্যানেল আর একটা-দুইটা পত্রিকা বের করে ওই আওয়ামীমনা সাংবাদিকদের হাতেই তুলে দিয়ে খালাস। একবার জানার চেষ্টাও করে না যাদের হাতে চ্যানেলটা বা পত্রিকাটা দিলাম এরা কোন মাইন্ডের লোক। বিএনপি’র না হোক।অন্তত  আওয়ামী ঘেঁষা যেন না হয়। এটাও নিশ্চিত করে না। ভাবে এইতো হয়ে গেছে। আর প্রেস ক্লাবের নেতৃত্ব নিয়ে বিএনপি তৃপ্তির ঢেকুর তোলে।একবার তলিয়ে দেখে না সাংবাদিকতা পেশায় তাদের অধিকাংশের অবস্থান কোথায়। সে জন্যই রাতারাতি ৭১ টিভি দ্বিতীয় বিটিভি হয়ে যায়, কেউ তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে না। অথচ এনটিভি, বাংলাভিশনকে প্রতিদিন পেশাদারিত্ব বা নিরপক্ষেতার প্রমাণ দিতে হয়।

Tuesday, 29 October 2013

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার নেপথ্যের অন্যতম নায়ক প্রথমআলো সম্পাদক কী ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকবেন?


২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার নেপথ্য নায়কদের অন্যতম হিসেবে বার বার বিভিন্ন পর্যায়ে নাম উঠে আসলেও দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বর্বরোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার অন্যতম হোতা বলে চিহ্নিত জঙ্গি নেতা মাওলানা তাজউদ্দিনকে যে র‍্যাব খুঁজছে, তা তাকে আগেভাগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও একই পত্রিকার সাংবাদিক টিপু সুলতান। তাজউদ্দিনকে তাঁরা ওই তথ্য জানান দিয়ে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। শুধু তা-ই নয়, বিএনপিকে সহায়তা করার জন্য তাজউদ্দিনকে দিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক দল করার ব্যাপারেও মতিউর রহমান তার সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন।
নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) নেতা তাজউদ্দিনের সঙ্গে প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের এই ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার অন্যতম আসামি সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর(জঙ্গি নেতা তাজউদ্দিনের বড় ভাই) জবানবন্দি থেকে।

Friday, 23 August 2013

দেইখা লন বাংলাদেশের টিভি চ্যানেল ও পত্রিকাগুলোর মালিক কারা

সত্যিকারের সাংবাদিকদের হাত থেকে বাংলাদেশে ব্যাবসায়ী / শিল্পপতিদের হাতে সর্বোপরি কর্পোরেট হাউজগুলির নিয়ন্ত্রণে মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার নিয়ন্ত্রন কিভাবে চলে গেছে বা যাচ্ছে নিচে তার কিছু উদাহরন দেয়া হলো। দু-একটি ব্যাতিক্রমও এখানে আছে। তবে কতদিন থাকবে তাই এখন দেখার বিষয়। তাই স্বাভাবিকভাবে শিল্পপতি/ব্যাবসায়ীদের ব্যাবসায়িক স্বার্থই যে অন্য যেকোন কিছুর চাইতে বেশী গুরুত্ব রাখবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। পাঠক / শ্রোতা / দর্শক অথবা দেশের স্বার্থ এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

পত্রিকার সম্পাদক বা টিভির বার্তা প্রধান এর সদিচ্ছাও মূখ্য নয় বরং ফাইন্যান্সার এর ইচ্ছাই মূখ্য। যারা এখনও কোন মিডিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন নি তাদের চেষ্টা হলো একটা নিজের মিডিয়া প্রতিষ্ঠা । আর তা না হলে পুরোনো মিডিয়াগুলির মাঝ থেকে যেকোন একটির নিয়ন্ত্রণ নেয়া। আর একারনেই প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন নাটক পর্দার আড়ালে বা সামনে ঘটে চলেছে ।


প্রথমে আমরা এখানে টিভি চ্যানেলগুলোর মালিকানা দেখবো।  তারপর পত্রিকাগুলোর মালিকানা দেখবো ।

দেশে প্রায় ২২ টি টিভি চ্যানেল আছে । আসুন এক নজরে দেখে নিই এই সব টিভি চ্যানেলের মালিক কারা কারা । 

১। ইনডিপেনডেন্ট টিভি : মালিক আওয়ামী ব্যবসায়ী দেউলিয়া সালমান এফ রহমান । 

২। ৭১ টিভি : মালিক কট্টর আওয়ামী বাম সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও মেঘনা গ্রুপ। 

৩। দেশ টিভি : মালিক আওয়ামী সাবেক এম. পি সাবের চৌধরী কিন্তু চালাচ্ছেন আওয়ামী এম . পি আসাদুজ্জামান নুর । 

৪। বৈশাখী টিভি : মালিক আওয়ামীপন্থী ব্যাবসায়ী গ্রুপ ডেসটিনি । কিন্তু চালাচ্ছেন আওয়ামী - বাম সাংবাদিক নেতা মন্জুরুল আহসান বুলবুল । 

৫। গাজী টিভি : মালিক আওয়ামী এম.পি গাজী গাজী গোলাম দস্তগীর। 

৬। বাংলাভিশন : চালাচ্ছেন এক কালের বাম যুব নেতা মোস্তফা ফিরোজ । সব চাইতে বেশি শেয়ার সাবেক নগর পিতা বি এন পি এর সাদেক হোসেন খোকার ।

৭। চ্যানেল আই : মালিক ফরিদুর রেজা সাগর , বাম-আওয়ামী সাংকৃতিক কর্মী। 

৮ । এটি এন বাংলা : মালিক মাহফুজুর রহমান । আওয়ামী লীগের মানুষ । চালাচ্ছেন আওয়ামী বাম সাংবাদিক জ .ই . মামুন ।

৯। এটি এন নিউজ : চালাচ্ছেন আওয়ামী পন্থী মুন্নী সাহা । 

১০। মোহনা টিভি : মালিক আওয়ামী এম.পি কামাল মজুমদার।

১১। সময় টিভি : মালিক আইন প্রতিমন্ত্রী  কামরুল ইসলামের ভাই 

১২। চ্যানেল ২৪ : আওয়ামী লীগ নেতা ও হামিম গ্রুপের চেয়ারম্যান একে আজাদ। সাবেক আওয়ামী নেতা মাহমুদুর রহমান মান্নার সব হুকুম চলে। 

১৩। এন টিভি : বি .এন পি এর ফালু সাহেবের । কিন্তু প্রফেশনাল হবার চেষ্টা করতাছে । কিন্তু সাংবাদিক গুলা আ. লীগ এর । 

১৪ । দিগন্ত টিভি : ভয়ে ভয়ে চলতাছে । কখন কি জানি হয় । মালিক জামাত নেতা মীর কাশেম

১৫ । ইসলামী টিভি : যেমন ছিল আছে । নো কমেন্ট । বি.এন.পি নেতা ও খালেদা জিয়ার ভাই সাঈদ ইস্কানদার।

১৬ । বিটিভি : মালিক যখন যে আসে সে । আমাগো টিভি, সরকারী টিভি ।

১৭। চ্যানেল ১ : এখন বন্ধ করা । কিন্তু মালিক ছিলেন বি.এন.পির নেতা মির্জা আব্বাস ও গিয়াসুদ্দিন মামুন । বন্ধ হবার কারন টা শুধু রাজনৈতিক । 

১৮। আর. টিভি : আওয়ামীপন্থী মালিক বেঙ্গল গ্রুপ । 

১৯। এস এ টি ভি ঃ এস আলম গ্রুপের । মালিক সাবেক আওয়ামী নেতা 

২০) চ্যানেল ৯ ঃ বিএনপি পন্থী এনায়েতুর রহমান বাপ্পি ও আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের ভাবি ।

২১) ই টি ভি ঃ  একুশে টেলিভিশনের মূল উদ্যেক্তা ছিলেন ইটিভির সাবেক চেয়ারম্যান আবু সাঈদ মাহমুদ। একুশে টেলিভিশনের ৭০ ভাগ মালিকানা টেলিভিশনটির বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুস সালামের। বাকী ৩০ ভাগের মালিকানা আগের ১৩ জন উদ্যোক্তাদের মধ্যে ৬ জনের ৫ ভাগ করে। তারা হচ্ছেন রউফ চৌধুরি (র‌্যাংগস গ্র“প), এমরান মাহমুদ (মেট্রোওয়েভ), অঞ্জন চৌধুরি (স্কায়ার), আব্দুস সালাম (সারাইটেক্স), লিয়কত হোসেন (এম এ এস স্কায়ার গ্র“প), তপন চৌধুরি, নাসির উদ্দিন আহমেদ চৌধুরি, আজম চৌধুরি, রুমি হোসেন, এ কে সালেক। 
মুলত অধিকাংশই আওয়ামীপন্থী ব্যাবসায়ী 

২২) মাছরাঙ্গা টিভি ঃ স্কয়ার গ্রুপের অঞ্জন চৌধুরী । যারা মুলত আওয়ামী ও বাম সমর্থক 

২৩) মাই টি ভি ঃ হাসিনার কাছের লোক নাসির উদ্দিন সাথী ।

২৪) যমুনা টি ভি ঃ যমুনা গ্রুপের নুরুল ইসলাম বাবুল । যিনি আওয়ামীলীগের নমিনেশন নেওয়ার চেষ্টায় আছেন ।

সাকার ছিল একটী চ্যানেল। নিউজের। সিএসবি নামের। কিন্তু ১/১১ এর সময় বিপ্লবী হতে গিয়ে সরকারের কোপানলে পড়ে বন্ধ হয়েছে।

১/১১ না হলে ফালু আরেকটী চ্যানেল আসত সেটার নাম হত "এন টিভি প্লাস" মেশিনারিজ ও নাকি এসে গিয়েছিল। ১/১১ এর ঝরে স্তগিত।

সালাহুদ্দিন ও নাসির উদ্দিন পিন্টূও অনুমতি পাইছিল এসএন টিভি নামে। ১/১১ এ শেষ। 





এবার দেখবো পত্রিকার মালিকানা ঃ 


১) বসুন্ধরা গ্রুপ  : আহমেদ আকবর সোবহান। যিনি একজন সুবিধাবাধী লোক । তবে বর্তমানে তার নিচের তালিকার মিডিয়া গুলো দিয়ে আওয়ামীলীগের এককভাবে দালালী করে যাচ্ছে
দৈনিক কালের কন্ঠ
দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন
The Daily Sun
banglanews24.com

 ২) ট্রান্সকম গ্রুপ: লতিফুর রহমান । যিনি ও একজন আওয়ামী ও বাম ঘরনার ব্যাক্তি। তার মালিকানায় আছে .........
দৈনিক প্রথম আলো
The Daily Star
ABC Radio

৩) হা-মীম গ্রুপ: এ.কে.আজাদ। ফরিদপুর থেকে আওয়ামী এম্পি প্রার্থী । তার মালিকানায় হোলো
দৈনিক সমকাল

৪) র‌্যাংগস গ্রুপ: রউফ চৌধুরী আওয়ামী পন্থী ব্যাবসায়ীর
দৈনিক সকালের খবর

৫) ইউনিক গ্রুপ: নুর আলী। আরও আছে পিএইচপি গ্রুপ
দৈনিক আমাদের সময়

৬) শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সাল মান এফ রহমানের
বেক্সিমকো গ্রুপ:
The Daily Independent

bdnews24.com
দৈনিক মুক্তকন্ঠ (অধুনালুপ্ত)


৭) গ্লোব-জনকন্ঠ গ্রুপ: আতিকুল্লাহ খান মাসুদ । যিনি আওয়ামীলীগের কাছের লোক এবং এম্পি পদপ্রার্থী । তার মালিকানায় দৈনিক দৈনিক জনকন্ঠ

৮) ডেসটিনি গ্রুপ: সেক্টর কমান্ডার দুর্নীতিবাজ আওয়ামী নেতা হারুনুর রশিদের মালিকানায় আছে
দৈনিক ডেসটিনি
দৈনিক অপরাধকন্ঠ


৯) এইসআরসি গ্রুপ: সাইদ হোসেন চৌধুরী। যিনি আওয়ামী নেতা সাবের হোসেন চৌধুরীর ভাই । তার মালিকানায় দৈনিক যায়যায়দিন

১০) কর্ণফুলী গ্রুপ: বিসিবির সাবেক সভাপতি আওয়ামীলীগ নেতা সাবের হোসনে চৌধুরর মালিকানায় আছে .........
দৈনিক ভোরের কাগজ
দৈনিক দিনের শেষে



১১) দিগন্ত মিডিয়াঃ জামায়াতপন্থী ব্যাবসায়ীদের মালিকানায় একটি গ্রুপের মালিকানায় আছে 
দৈনিক নয়াদিগন্ত

১২) দৈনিক সংগ্রাম ঃ জামায়াতে ইসলামের মুখপাত্

১৩) যমুনা গ্রুপ: / আওয়ামী সমর্থিত ব্যাবসায়ী নুরুল ইসলাম বাবুলের
দৈনিক যুগান্তর

১৪)ইত্তেফাক গ্রুপ: আনোয়ার হোসেন মন্জু। তিনি শেখ মুজিবের বন্ধু তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার ছেলে । তার প্রকাশনায় আছে
দৈনিক ইত্তেফাক
সাপ্তাহিক রোববার
The New Nation


১৫) আওয়ামী লীগ নেতা আহমেদুল কবীরের
দৈনিক সংবাদ


১৬) এ.এস.এম. বাহাউদ্দিন। যিনি মাওলানা মান্নানের ছেলে ছিলেন । এক সময় বিএনপিপন্থী ছিলেন । এখন আওয়ামীলীগের সমর্থক হিসাবে কাজ করতেছেন । তার প্রকাশনার ইনকিলাবের অধিকাংশ মালিকানা শেয়ারবাজার লুণ্ঠনকারী আওয়ামী এম্পি লোটাস কামাল কিনে নেন ।
দৈনিক ইনকিলাব
সাপ্তাহিক পূণিঁমা


১৭) ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী। একসময় বিএনপির নেতা ছিলেন । পরে বিএনপি ছেড়ে নিজেই দল করেন । তার মালিকানায় আছে
দৈনিক দেশবাংলা

১৮) মতিউর রহমান চৌধুরীঃ ডানপন্থী বলা হয় । তার মালিকানায় আছে
দৈনিক মানবজমিন

১৯) সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমানের মালিকানায় আছে
দৈনিক আমার দেশ


এই হল আমাদের দেশের অধিকাংশ মিডিয়ার মালিকানার হালছাল ।


পোস্ট রেফারেন্স ঃ

 http://www.somewhereinblog.net/blog/mztanim/29790893 

http://www.somewhereinblog.net/blog/pressclub/29139473 

Sunday, 21 July 2013

৯০ বছরের সাজা শেষ ... মুক্তি পেলেন প্রথম আলোর কুত্তা সম্পাদক মতি

৯০ বছরের সাজা শেষে গতকাল মুক্তি পেয়েছেন বিখ্যাত ভারতীয় দালাল , প্রথম হাগুর আন্তর্জার্তিক খ্যাতি সম্পন্ন তওবা সম্পাদক কুত্তা মতি ..
২০১৩ সালে  দেশদ্রোহিতা ও ভারতীয় গোয়েন্দাদের পক্ষে গোয়েন্দাগীরি করার কারণে আন্তর্জার্তিক দেশদ্রোহী  ট্রাইবুনালের রায়ে ৯০ বছরের জেল হয় ভারতীয় কুকুর মতির ...

সকাল থেকেই মতির  ভক্ত, অনুসারী, পরিবার ও পত্রিকার অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত হন কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে। প্রায় প্রত্যেকের হাতে হাতে ছিলো কুকুরের প্রিয় খাবার মানুষের শক্ত বিষ্ঠা /গু দিয়ে  তৈরি বিশেষ মালা। 
২০০৭  সালের মতো কেউ যেন মতিকে তওবা এবং জুতাপেটা  করতে না পারে, সে জন্য কারাগার ও এর আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয়েছিল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা। মোতায়েন ছিল পুলিশ ও র‌্যাবের বিপুলসংখ্যক সদস্য। এ সময় বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষকে খালি পায়ে গু ভরা পলিথিন হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
দুপুর ১২টা এক মিনিটে কারাগারের প্রধান দরজা দিয়ে বেরিয়ে আসেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতি । এ সময় ভক্ত-অনুরাগীরা ছুটে গিয়ে তাঁর গলায় বিশেষ ভাবে তৈরীকৃত গুয়ের মালা পরিয়ে দেন। ৯০ বছর পর প্রিয় স্পেশাল গু  দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন মতি , এবং জিহ্বা বের করে চাটা শুরু করেন । তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মতি  বলেন, ‘মুক্তি পেয়ে খুব ভালো লাগছে। ভারতের  সময় এই কারাগারে অনেক উন্নয়ন সাধিত হয়েছিল। তাই এত দিন ওখানে থাকতে বেশ আপন আপন লেগেছে। মনে হয়েছে, নিজ ঘরেই আছি। বহু বছর পর আবার পুণ্যভূমি ইন্ডিয়ায় যেতে পারব—ভাবতেই দিলখুশ লাগতেসে!’ জানা গেছে, কারাগারে কোনো দেশপ্রেমিকদের  বংশধর না থাকায় বেশ নির্ভয়ে ছিলেন মতি । কিন্তু মুক্তি পাওয়ার পর তাঁকে অজানা আতঙ্ক গ্রাস করেছে। একটু পর পরই তিনি আশপাশে তাকিয়ে দেখছিলেন, কোনো দেশপ্রেমিক  বংশের কেউ আছে কি না। যদি না আবার তওবা ও লাটিপেটা করে.....
জেলখানা থেকে বেরিয়ে বাড়ির দিকে যাত্রা করে মতির  গাড়িবহর। এ সময় রাস্তার দুই পাশ থেকে ভেসে আসে স্লোগান: ‘ম তে মতি , তুই কুত্তা তুই কুত্তা , ম তে মতি তুই তওবা সম্পাদক ,তুই তওবা সম্পাদক । এ সময় মতিকে  বিমর্ষ ও হতাশ মনে হচ্ছিল।
জানা গেছে, আগামীকালই উলফা নেতার সাথে ভারতের  উদ্দেশে যাত্রা করবেন মতি । পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, বাসায় ফিরেই তওবা সম্পাদক মতি  বলেছেন, ‘এ দেশে আর একমুহূর্তও নয়। ভারতেই  চলে যাব।’


Thursday, 4 July 2013

দলদাস ‘আলু’ওয়ালা : বানরে সঙ্গীত গায়...আ ব দু ল হা ই শি ক দা র

নীতি, নৈতিকতা, আইন, সভ্যতা, মানবতা ও সংস্কৃতিকে বুড়িগঙ্গার দূষিত পানিতে ছুড়ে দিয়ে, গত ১২ জুন যখন আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে আদালত আবার তিন দিনের রিমান্ডে পাঠায়, সেদিন মধ্য রাতে দৈনিক মানবজমিন-এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী একটি টিভি চ্যানেলের টকশো উপস্থাপন করতে গিয়ে বলেছিলেন, দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আজ কথা বলছি। আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে আবারও তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট। কোথায় আছি আমরা?
আসলে এই দীর্ঘশ্বাস শুধু মতিউর রহমান চৌধুরীর একার নয়। এই দেশের বিবেকবান প্রতিটি মানুষের অন্তরভেদী আর্তনাদের মূল কথাই হলো, কোথায় আছি আমরা?
সরকার পরিণত হয়েছে ‘ঠাকুরমার ঝুলির’ রাক্ষস-খোক্কসে। রাষ্ট্র পরিণত হয়েছে নিপীড়ন যন্ত্রে। সমগ্র দেশ পরিণত হয়েছে ভয়াবহ এক মৃত্যু উপত্যকায়। ভয়ে-আতঙ্কে বোবা হয়ে আছে বেশিরভাগ মানুষ। যে-ই কথা বলতে যাচ্ছেন তার ওপরই নেমে আসছে নির্মম কুঠারাঘাত। আর এই রকম দুর্বিষহ পরিস্থিতিতে শাসকদলের কৃপা পাওয়ার জন্য, শাসকদের কৃপা পাওয়ার কৃতজ্ঞতায়, যেখানে যত পদলেহী এবং প্রভুভক্ত গণমাধ্যম ও ব্যক্তিবর্গ ছিলেন তারা কোরাসে গাচ্ছেন সরকারের কীর্তন। সিন্ডিকেটেডভাবে চরম নির্যাতিত একজন বন্দি মানুষকে কেন আরও নির্যাতন করা হচ্ছে না’ কেন তাকে ফাঁসি দেয়া হচ্ছে না— এই ক্ষোভে ছড়াচ্ছেন কুত্সা ও বিষোদগার! বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন অপপ্রচারের। সেই রকম সময়ে মতিউর রহমান চৌধুরীর মতো একজন সাংবাদিক ও সম্পাদকের কণ্ঠে দায়িত্বশীল খেদোক্তি শুনে সান্ত্বনা লাভ করলাম। যাক, তাহলে আমাদের সবকিছু এখনও শেষ হয়ে যায়নি। অন্যদিকে হঠাত্ করে সেদিন এবিএম মূসার মতো প্রবীণ ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বের মুখে আমার দেশ ও মাহমুদুর রহমান সম্পর্কে অসত্য কথা শুনে যুগপত্ ব্যথিত হই। মূসা ভাইও সরকারি কোরাসের কর্ণপটাহ বিদারণ করা তাণ্ডবে হয়েছিলেন বিভ্রান্ত। সেদিন শুনলাম বলছেন, ‘চাঁদে সাঈদীর ছবি দেখা গেছে’ জাতীয় সংবাদ ছাপিয়ে আমার দেশ গর্হিত অন্যায় করেছে। প্রথম কথা হলো, এই কথাটি সর্বৈব মিথ্যা। এ ধরনের কোনো খবর কোনোদিনই আমার দেশ-এ ছাপা হয়নি। বরং সরকারের গৃহপালিত পত্রিকাগুলোই এ ধরনের সংবাদ পরিবেশন করেছে। এখন তাদের কৃতকর্মের দায়ভার সরকার অত্যন্ত স্থূলভাবে আমার দেশ-এর ঘাড়ে স্থাপন করে নিজেদের বীরত্ব জাহির করছে। সরকার কী করে করুকগে। কিন্তু মূসা ভাই তো অন্যদের মতো নন। তিনি তো একজন জাত সাংবাদিক। তিনি কেন কোনো রকম যাচাই-বাছাই ছাড়া এই কুিসত কোরাসে গলা মেলাবেন? না, মূসা ভাই দিশা হারাননি। তিনি যখনই বুঝেছেন, সঙ্গে সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করে আমাদের মতো সবাইকে মুগ্ধ করেছেন।

দুই.
ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনামলে পাদ্রী ও যাজকরা বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে চড়াও হয়ে খ্রিস্টধর্ম প্রচার করে বেড়াতো। তারা হাটবাজারের লোকজনদের নানা উপঢৌকন দেয়ার লোভ দেখিয়ে একত্র করে খ্রিস্ট ধর্ম যে মহান ধর্ম, যিশু যে কত মহত্ তা প্রচার করতো। পাদ্রীদের বেশিরভাগই ছিল সাদা চামড়ার। তারা শাসকদের প্রটেকশনে হাজির হতো। আবার তাদের প্রটেকশন নিয়েই ফিরে যেত। তাদের মুখের ভাষাও ছিল অদ্ভুত। বহু কসরত করে এরা টুকটাক বাংলা শিখলেও সে বাংলার উচ্চারণ ছিল রীতিমত হাস্যকর। লোকেরা পাদ্রীদের মুখে এই কিম্ভূিকমাকার ‘বাংরেজি’ (বাংলা+ইংরেজি) ভাষা শুনে মজাও পেত। সেই সময়কার গল্প। এক পাদ্রী বক্তৃতা করছে, ‘লুক, এটা যিশু, সে হলো জগটের ‘আলু’। বাট নট পটেটো। ইট ইজ লাইট।’ লাইট মানে আলো। কিন্তু পাদ্রীর মুখের উচ্চারণের বিড়ম্বনায় ‘আলো’ হয়ে পড়লো ‘আলু’। আবার আলু মানে যে লাইট নয়, আলু যে পটেটো তা হয়তো পাদ্রীর এদেশীয় কোনো শিষ্য বলে দিয়েছিল। ফলে পাদ্রী যতবারই বলতো যিশু হলো জগটের ‘আলু’, ততবারই সংশোধনী দিত ‘নট পটেটো’, ‘ইট ইজ লাইট’। এ নিয়ে হাসির রোল পড়ে যেত সমাবেশস্থলে।
তো এখন থেকে শত বছর আগে পাদ্রীদের কল্যাণে যেভাবে আলো হয়ে পড়েছিল আলু, সেভাবে আজ বাংলাদেশেও সরকারের কদমবুচি গণমাধ্যম ও ‘বিশিষ্ট’ ব্যক্তিবর্গের মাত্রাজ্ঞানশূন্য চেঁচামেচির কারণে আমাদের আলোগুলোও এখন পরিণত হয়েছে এক একটি ‘আলু’তে। আর এসব আলুতে চেঁচামেচি আছে, কিন্তু সঙ্গীত নেই। কোলাহল আছে কিন্তু কল্যাণ নেই। কথা আছে কিন্তু তার মধ্যে কোনো কৌলিন্য নেই।
খুঁটার জোরে পাঁঠা কুঁদে। অতি পুরনো কথা। ওই পাঁঠার মতো সরকারের প্রযোজনায়, সরকারের পরিচালনায়, সরকারের অভিনয়ে, সরকারের পরিবেশনায়, চার স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে বসে জামাই আদরে পোলাও-কোর্মা খেয়ে, মিডিয়ার পাছার কাপড় খুলে যাওয়া নাচানাচির সামনে শাহবাগিরা যেভাবে আন্দোলন করেছে, আস্ফাালন করে দেশ ও জাতির বারোটা বাজিয়েছে, দেশে ডেকে এনেছে ভয়ানক বিপদ, ডেকে এনেছে বিদ্বেষ, ঘৃণা, হানাহানি, বিভক্তি; অপমান করেছে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষদের—তেমনিভাবে ‘বিশিষ্ট আলু’রাও মহানন্দে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের চৌদ্দগুষ্ঠী উদ্ধার করার কাজে অষ্ট্রপ্রহর নিয়োজিত রেখেছে নিজেদের কলম ও চোয়ালকে। এই কলম ও চোয়াল ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে এখন চলছে নির্লজ্জ প্রতিযোগিতা— কে মাহমুদুর রহমানকে বেশি গালি দিতে পেরেছে, সেটাও এখন একটা আলোচনার বিষয় বলে মনে হচ্ছে। অর্থাত্ মাহমুদুর রহমানকে যে যত বেশি গালি দিতে পারবে যেন সে তত বেশি কাছে চলে যাবে সরকারপ্রধানের। ফলে জাতির কান ঝালাপালা। কত যে যুক্তিতর্ক উত্থাপন করা হচ্ছে তার কোনো সীমা সংখ্যা নেই! নেই তাদের ন্যায়-অন্যায়ের ভেদরেখা জ্ঞান।
এমনও দেখা যাচ্ছে, একজন যখন কষে গালাগাল করছে, অন্যরা আবার তাকে ‘বিশিষ্ট’ আখ্যা দিয়ে বলছে, ‘দেখুন তার মতো লোকও কথা বলতে বাধ্য হচ্ছে।’ এই বিশিষ্টরা আবার বন্য সারমেয়-এর মতো অনেক সময় সংঘবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ছে মাহমুদুর রহমানের ওপর। সে সময় আরেক দল তাদের পিঠ চাপড়ানি দিয়ে বলছে, কী চমত্কার এই ঝাঁপিয়ে পড়া! দেখুন এদের দাঁতগুলো কত তীক্ষষ্ট, এদের নখগুলো কত ধারালো! এদের চোখগুলো কেমন রোষকষায়িত! এদের আক্রমণভাগ কত কৌশলী! কত সমৃদ্ধ! কী অপূর্ব প্রগতিশীলতা এই হিংস্রতায়!
এসব ‘বিশিষ্টজন’ কারা? কী তাদের পরিচয়? তাদের আমলনামাই বা কী? খতিয়ে দেখারও সময় দিতে চাচ্ছে না দলদাসরা।
১৫ বুদ্ধিজীবী, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম ও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কুশীলবরা তো আছেনই। ইদানীং এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও কিছু কলমবাজ দলদাস। এদের মধ্যে ‘মহামহিম’ আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, ‘বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর দরকার নেই’ খ্যাত মুনতাসির মামুন দ্য গ্রেট, কলকাতায় এটা-ওটা খেয়ে ঘুরে বেড়ালো ও পান করে ‘স্মরণকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা’ ও হালের বঙ্গবন্ধুর সৈনিক শাহরিয়ার কবির এবং চট্টগ্রামের মান্নান। আমাদের রংপুরের আনিসুল হকও নাম লিখিয়েছেন এই খাতায়। ইদানীং মশিউল আলম নামের একজন ‘বিশিষ্ট’ সাংবাদিকও আমার দেশকে সাংবাদিকতা শেখানোর জন্য বিস্তর নছিহত করছেন।
তাদের অভিযোগগুলোও কৌতূহলোদ্দীপক। মাহমুদুর রহমানের লেখা নাকি যতটা না সাংবাদিকসুলভ, তার চেয়ে অনেক বেশি রাজনৈতিক প্রচারণামূলক ছিল। আমার দেশ পত্রিকাটিও সাংবাদিকতার সংস্কৃতি ও নৈতিকতাবিরোধী এবং ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক।
মাহমুদুর রহমান ও আমার দেশ-এর কী অপরাধ? অপরাধ হলো, ‘ব্লগে নাস্তিকতার নামে কুিসত অসভ্যতা’, ‘ধর্মদ্রোহী নষ্ট তরুণের প্রতিকৃতি ব্লগার রাজিব’ জাতীয় শিরোনামের সংবাদ ছাপানো। আমার দেশ শাহবাগের মতো ‘মহান’! আন্দোলনকে বলেছে ‘নাস্তিক ব্লগারদের তথাকথিত গণজাগরণ মঞ্চ।’ এই জাতীয় সংবাদ পরিবেশন উস্কানিমূলক। বিপজ্জনক। এগুলো কবিরা গুনাহ! কারণ, এতে ব্লগারদের সঙ্গে জাফর ইকবাল সাহেবের নাম চলে এসেছে। এতে তার সম্মানহানি ঘটেছে। ‘প্রচণ্ড ইসলামবিদ্বেষী ব্লগার রাজীবের হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে তার গার্ল ফ্রেন্ড...।’ তাদের কথা হলো, এই লেখার মাধ্যমে ওই গার্ল ফ্রেন্ডের সামাজিক সম্মান ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছে! তাছাড়া ব্লগের এসব ‘মহান কর্ম’ জাতির সামনে তুলে ধরে মোটেই দায়িত্বশীল কাজ করেনি আমার দেশ। মানুষের সম্মানহানি ঘটে এমন কাজ করা খুবই অন্যায়।
তাহলে দাঁড়ালো কী? ইসলামের বিরুদ্ধে নোংরা কুিসত ভাষা ব্যবহার করে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে জঘন্য ভাষায় গালাগাল করে বিশ্বের ১০০ কোটি মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মধ্যে কোনোই পাপ নেই। দাড়ি-টুপি, পবিত্র কোরআন শরীফকে নিয়ে ইতর ইয়ার্কি করলেও কোনো দোষ নেই। বাংলাদেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রজনন কেন্দ্র বানাতে চাইলেও কোনো অন্যায় হয় না। ধর্মপ্রাণ আলেম-ওলামার মা-বাপ তুলে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করলেও কোনো ভুল হয় না। জাতীয় ইতিহাসের বীর নায়কদের যাচ্ছেতাই ভাষায় অপমান করলেও কোনো দোষ হয় না। দোষ হয় যারা এসব সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয়-বিদ্বেষী কুকর্ম চালাচ্ছে তাদের মুখোশ উন্মোচন করে দিলে। তারা যা বলছে তা সর্বসাধারণের কাছে তুলে ধরার মধ্যে কোনো দায়িত্বশীলতা নেই। দায়িত্বশীলতা হলো ওইসব জন্তু-জানোয়ারের পৃষ্ঠপোষকতা করা। তাদের ‘দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ’ বলার মধ্যেই হলো ‘দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন।’ এখানে উস্কানিদাতা কে? এখানে সামাজিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের কাজটি কার? কারা সমাজে ও দেশে ডেকে এনেছে অকল্যাণ? আমার দেশ, নাকি ওই দলদাসগুলো?

তিন.
কথায় বলে, সিংহের গর্জনের মধ্যে বীরত্ব আছে, কিন্তু বানরের ভেংচি অতিশয় বিরক্তিকর। এই বানরগুলো দায়িত্ব নিয়েছে দায়িত্বশীলতা শেখানোর। বানর দায়িত্ব নিয়েছে পিঠা ভাগ করার। বানরে সঙ্গীত গায় শিলা ভাসে জলে! এদের ‘মানুষ’ করা বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে অসম্ভব। দেশ যেভাবে চলছে. এভাবে যদি চলে তাহলে এই অমানুষ, লাজ-লজ্জাহীন শাখামৃগদের বংশবৃদ্ধি হতেই থাকবে।
এরা আজ যে কারণে আমার দেশ-এর বিরুদ্ধে কথা বলছে, সে কারণে তো ষাটের দশকে ইত্তেফাক, সত্তরের দশকে হক- কথা, দৈনিক গণকণ্ঠ কিংবা হলি ডে তাহলে গুরুতর পাপ করেছিল।
সেদিন এই পত্রিকাগুলো যে দেশপ্রেম, মানবপ্রেম ও দায়িত্বশীলতা দেখিয়েছিল, আজকের দলদাস আক্রান্ত বাংলাদেশে তো আমার দেশ সেই কাজটিই করছে। বরং উল্টো শিবিরে অবস্থান নিয়েছে দলদাসরা। এই দলদাসদেরই বিচার হওয়া উচিত জনতার আদালতে। কারণ তারা দেশের সংস্কৃতি, সম্প্রীতি এবং বিরাজমান ধর্মীয় ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে, নিজেদের নিয়ে গেছে আধিপত্যবাদের পায়ের নিচে। তারা পরিণত হয়েছে নিছক পা-চাটা প্রাণীতে। আর আমার দেশ হয়ে উঠেছে সত্যের শিখা। এই শিখার রক্ষক বাংলাদেশের জনগণ। মাহমুদুর রহমান তো শত লাঞ্ছনা ও অত্যাচারের মুখেও দেশ ও জনগণের জন্য ঊর্ধ্বে তুলে রেখেছেন ন্যায়ের আলো। এক্ষেত্রে মাহমুদুর রহমান যদি নায়ক হন, তাহলে এই দলদাসরা তো নিছকই দোজখের বাসিন্দা।
এসব খ্যাতি ও প্রতিপত্তির ভিক্ষুকদের তো উচিত মাহমুদুর রহমানের কাছ থেকে প্রতিদিন দায়িত্বশীলতার শিক্ষা নেয়া। কীভাবে দেশ ও জনগণের জন্য নিজেকে উত্সর্গ করতে হয় তার শিক্ষা নেয়া। কীভাবে প্রবল প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সাহস ও সততা নিয়ে লড়াই করতে হয় তার শিক্ষা নেয়া। কিন্তু সেই শিক্ষা কি এই আধিপত্যবাদের কাছে আত্মা বিক্রিকারী গোষ্ঠী কখনও নেবে? নেবে না। এরা হলো অন্ধকারের পেঁচা। পেঁচা কোনোদিনই সূর্যকে সহ্য করতে পারে না। কারণ সূর্যের আলো ফুটলে তো তার কেরদানি শেষ হয়ে যায়। সেজন্য এরা অহর্নিশ সূর্যকে গালমন্দ করে। যেভাবে তেঁতুল গাছের ঝোপের জোনাকি চাঁদকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে নিজের বীরত্ব জাহির করে।
আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যখন ধূমকেতুর মাধ্যমে এদেশে গণমুখী সাংবাদিকতা প্রবর্তন করেন, সে সময় আজকের অন্ধকারের প্রাণীদের পূর্বপূরুষরা ‘গেল গেল’ বলে পাড়া মাথায় তুলেছিল। তারাও নজরুলকে সাংবাদিকতা শেখাতে গিয়েছিল। শেখাতে গিয়েছিল দায়িত্বশীলতা। নজরুল এদের ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন। পাত্তাই দেননি। ভাগ্যিস নজরুল এসব সাম্রাজ্যবাদের দালাল-বাটপাড়দের হাড়ে হাড়ে চিনতেন। নইলে এদের গোশালায় জায়গা হতো তার। তার পক্ষে আর যাই হোক ‘জাতীয় কবি’ হওয়া হতো না।
এসব দালাল ও চামচা হলো অনেকটা গ্রাম দেশের খাঁচার ঘুঘুর মতো। চতুর লোকেরা খাঁচার ঘুঘু দিয়ে বনের ঘুঘুকে লোভের ফাঁদে ফেলে। তারপর আটক করে ওটাকেও খাঁচার ঘুঘু বানিয়ে ফেলে। আমাদের সৌভাগ্য মাহমুদুর রহমান এই পদলেহন করা, লেজ নাড়ানো দলদাসদের চিরদিন পা দিয়েই মাড়িয়ে গেছেন, পাশে বসার সুযোগ দেননি। দিলে আমার দেশও ডুবতো, আর তিনিও হতে পারতেন না বাংলাদেশের জনপ্রিয়তম সংবাদ-ব্যক্তিত্ব।

চার.
মাহমুদুর রহমান ও আমার দেশ-এর ওপর এই দলদাসদের বিরক্তি ও ক্রোধের কারণ অন্য জায়গায়। মাহমুদুর রহমান ও আমার দেশ-এর জন্যই এই দলদাসদের বহু কোশেশ ও যত্নে গড়ে তোলা শাহবাগ মঞ্চ ভেস্তে গেছে। মাহমুদুর রহমানের জন্যই শাহবাগের স্বরূপ চিনে ফেলেছিলেন এদেশের মানুষ। মাহমুদুর রহমানের জন্যই ধর্মদ্রোহী ব্লগারদের ‘দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের নায়ক’ হওয়া হয়নি। মাহমুদুর রহমানের জন্যই আধিপত্যবাদের একটি জটিল-কুটিল নীলনকশা বরবাদ হয়ে গেছে। আর দালালগুলো দালালই রয়ে গেছে। মাঝখান থেকে উন্মোচিত হয়ে গেছে তাদের আসল চেহারা। ব্যর্থতার এই জ্বালা কি সহজে ভুলতে পারবে এই দালালগুলো? ভুলতে পারে না বলেই এরা তাদের স্বভাব চরিত্র অনুযায়ী যা তা বলে বেড়ায়। আর জ্ঞান দিতে আসে আমার দেশকে। ভ্যাম্পায়ার বা পিশাচ যেমন আলোকে সহ্য করতে পারে না, আলোকে গালাগাল করে সাফাই গায় অন্ধকারের পক্ষে, এরাও তেমনি করছে।
তো সেজন্যই দলদাস বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকদের বলি, মাহমুদুর রহমান কিংবা আমার দেশকে জ্ঞান দিতে না এসে নিজেদের কৃত পাপের জন্য অনুশোচনা করুন। দেশ ও জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। আর ‘মানুষ’ হওয়ার জন্য নিজের চরকায় তেল দিন। চালুনির কখনোই উচিত নয় সুঁইকে নিন্দা করা। আপনারা আপনাদের রক্তে মিশে থাকা ভ্যাম্পায়ারের জীবাণু থেকে মুক্ত হোন। আগে জমজমের পানিতে গোসল করে তওবা করুন। আগে সুস্থ হোন। স্বাভাবিক হোন। তারপর দেশকে ভালোবাসার প্রশিক্ষণ নিন। তারপর আপনি আচরি বচন পরকে শেখাবেন।
আমার দেশ-এর বিরুদ্ধে এই বিকারগ্রস্ত লোকগুলোর রাগের অন্ত নেই। আমার দেশ-এর প্রচার কেন বেড়ে গিয়েছিল তা দেখেও তাদের ব্রহ্মতালু গরম হয়ে গিয়েছিল। এই প্রচার বাড়ার মধ্যেও তারা আবিষ্কার করেছে উস্কানি। নীতিমালার লঙ্ঘন। চমত্কার! আপনাদের প্রচার বাড়ার কারণও কি তাহলে একই? না কি আপনাদের বেলায় আইন অন্য রকম হবে?
বাবাজীগণ, আয়নায় নিজের চেহারা দেখুন আগে। আপনাদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হোন আগে। তারপর যদি দেখা যায় আপনাদের বিশ্বাস, উচ্চারণ, লেখালেখি, আচরণ ও কর্ম সত্যি সত্যি বাংলাদেশের পক্ষে; তখন না হয় আমরা কথা বলবো। আপনাদের সুস্থতার আগে তো আমাদের বলতেই হবে, মিরজাফরের কাছ থেকে দেশপ্রেম শেখার কিছু নেই। আমার দেশ কোনোদিনই আপনাদের মতো পোঁদ পাকামী শিখবে না। দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেবে না। আপনাদের মতো আধিপত্যবাদের দালালি নয়, বড় করে দেখবে দেশের স্বার্থকে। সেজন্যই বাংলাদেশের পথই আমার দেশ-এর পথ। এই পথের নিঃশঙ্কচিত্ত নায়ক মাহমুদুর রহমান। তারই মুখপত্র আমার দেশ।
a_hyesikder@yahoo.com
 
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2013/06/16/204471#.UdXfupyjJio

Sunday, 5 May 2013

বাংলাদেশের নাস্তিক বান্ধব ও ইসলাম বিদ্বেষী মিডিয়া ও তাদের ঠিকানা।

প্রথম আলো :

সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫|
ফোন : ৮১৮০০৭৮-৮১, ফ্যাক্স : ৯১৩০৪৯৬, ই-মেইল :info@prothom-alo.info

কালের কন্ঠ :
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯।  

সমকাল :


১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা ঢাকা - ১২০৮ 

জনকন্ঠ :

জনকন্ঠ ভবন ..২৪/এ নিউ ইস্কাটন রোড 




একাত্তর টিভি : 57 Sohrawardi avenue, Baridhara, 1212 Dhaka, Bangladesh 





বৈশাখী টিভি
Address
Boishakhi Media Limited, 32, Mohakhali, Dhaka - 1212, Bangladesh.
Phone
+88 02 8837081-5, 8837542 (Direct)
Fax
+88 02 8837541
Email
info@boishakhi.tv




সময় টিভি
Title SOMOY TV.
Address
Nasir Trade Center, 89, Bir Uttam C.R Dutta Road
CityDhaka - 1205
CountryBangladesh
Telephone+880-2-9670058-65
Fax+880-2-9670056
Websitehttp://www.somoynews.tv





চ্যানেল ২৪ ..........

A Concern of Times Media Limited
387 (South), Tejgaon I/A, Dhaka-1208
Tel: +8802 910 4898 | Fax: +8802 817 0322
E-Mail: info@channel24bd.tv 
Web: www.channel24bd.tv

মোহনা টিভি

Title Mohona TV
Address
House # 8, Road # 4, Section # 7, Pallabi, Mirpur
CityDhaka - 1216
CountryBangladesh
Telephone+880-2-9011799, 9016596
Fax+880-2-9005495
Websitehttp://www.mohonatv.com 









অনলাইন মিডিয়া .......

বাংলা নিউজ ২৪ :

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
মিডিয়া কমপ্লেক্স
প্লট # ৩৭১/এ (৩য় তলা),   ব্লক # ডি,   বসুন্ধরা রোড,
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা,   বারিধারা,   ঢাকা-১২২৯,   বাংলাদেশ
যোগাযোগ: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, মিডিয়া হাউজ, প্লট # ৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক # ডি, বসুন্ধরা রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
আই.পি. ফোন: +৮৮০-৯৬১২১২০০০০ এক্সটেনশন: ৩০১৯ (আউটপুট এডিটর), ৩০৩৫ (আউটপুট এডিটর ইংরেজি), ৩০২১ (হেড অব নিউজ), ৩০১২ (কনসালটেন্ট এডিটর), ৩০৪৯ (কান্ট্রি এডিটর), ৩০৩৬ (আইসিটি), ৩০২৩ (ফটো), ৩০১৭ (মাকেটিং), ৩০৪৪ ও ৩০৪৮ (এডমিন), ৩০২৪ (ওয়েব)
নিউজ রুম সেল: +৮৮-০১৭৫৫৫২৪৮৭২, ০১৭২৯০৭৬৯৯৬ 


বিডি নিউজ ২৪ .....

17 Mohakhali C/A, (Red Crescent Concord Tower, 17th floor)
Dhaka 1212, Bangladesh

Tel : Front desk: 8817131, 8817161
Marketing : 8817154, 8817195 Accounts : 8817135 News Room : 8817146, 8817149, 8817150
Fax : 8817141
E-Mail : For news-related enquiries and press releases news.editor@bdnews24.com, newsroom@bdnews24.com









Saturday, 16 March 2013

স্যালুট আওয়ামীলীগের কামাল মজুমদারকে...একটি ভালো কাজের জন্য

ধন্যবাদ আওয়ামীলীগের কামাল মজুমদারকে গতকালকে আরটিভির একজন মহিলা সাংবাদিককে একটু বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ............ তবে আমি যে কোনো সাংবাদিক নির্যাতন বিরোধী ......কিন্তু যারা সর্বদা হলুদ সাংবাদিকতায় ব্যস্ত , যাদের পক্ষে দালালি করে , তাদের থেকে এই রকম মাঝে মাঝে পেলে খুব ভালো লাগো ..................কামাল মজুমদারের জন্য আবারো     

আমাকে কেউ ভুল বুজবেন না ... যারা সাংবাদিকতায় কাজ করেন , হয়তো এই রকম মাইরের ভয়ে লীগের বিরুদ্বে লিখে না .....গত কয়েকদিন ধরে ছাত্রলীগ দেশে যা করতেছে , এইটা যদি শিবির বা ছাত্রদল করতো ...তাহলে এই সব সাংবাদিক নামক কলংকরা দেশে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ডাক দিয়ে দিতো ... 

২৮ ষে অক্টোবর ২০০৬ এ যখন জামায়াত শিবিরের ৬ জনকে শহীদ করা হলো , এরাই উল্টা খবর পরিবেশন করলো ........... যখন হাসিনার ছেলে জয়ের বিরুদ্বে দুর্নীতির খবর পরিবেশন করে , মাহমুদুর রহমান জেলে , তখন এদের মুখে কুলুপ এটে যায় ...জয়ের দুর্নীতির খবর আড়াল করার জন্য এরা ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার খবর প্রধান শিরোনাম করে ............ পিলখানা হত্যাকান্ডের জন্য এরা এক্সক্লুসিভ বা অনুসন্দ্বানী কোনো খবর করে না ........কিন্তু ব্যারিস্টার রাজ্জাককে কিভাবে আটকানো যায় , সেই খবর প্রচার করে .... 

এরাই বিএনপি জামায়াত শিবির আন্দোলন করলে তান্ডব , হিংস্রতা ইত্যদি শিরোনামে রিপোর্ট করে ...কিন্তু আম্লিক করলে জনতার ক্রোধ এই ভাবে সংবাদ পরিবেশন করে ........ 

এরা শেখ মুজিবের বাকশালের কোনো খবর দেয় না ........ কিন্তু কোথাও দাড়ি টুপি দেখলে জঙ্গি আবিস্কারে ব্যস্ত ..........এরা বাকশালের মাধ্যমে ৪ টি সংবাদপত্র ছাড়া সব পত্রিকায় বন্দ্বের খবর জাতিকে স্বরণ করিয়ে দেয় না , এরা সিরাজ সিকদারকে ক্রসফায়ারে কে মেরেছে তার খবর দেয় না .....কার ছেলে ব্যাংক ডাকাতি করেছে এই খবর জাতিকে জানায় না ..........এরাই দেশে যুদ্বপরাধীদের বিচারের নামে দেশকে বিভক্ত করে রেখেছে ....... 

এরাই বিচারের আগে ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের মিডিয়া ট্রায়াল করতেছে ......এরাই সাইদী সাহেবের বিরুদ্বে যে চোর চামারদের সাক্ষ্য চলছে তা প্রকাশ করে না .....এরা শিবিরকে , কে কে ফিনান্স করে তার তালিকা করে , কিন্তু কে ইডেন থেকে ছাত্রী সাপ্লাই করে তার কোনো খবর দেয় না ...........এরা পরিমলকে বাচাতে , ছাত্রীদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় .......এরাই পারসোনার সিসিটিভি কেলেঙ্কারিতে উটপাখির মত মাথা গুজে থাকে ........এরাই সবার আগে খবর পরিবর্তন করে দেয় .......... 

এরাই বিএনপির মুক্তিযোদ্বা সমাবেশ বানচালের জন্য উল্টা বিএনপি জামায়াতের দোষ দেখে ....কিন্তু এই কাজ যদি বিএনপি সরকার করতো , তাহলে বলতো বিএনপি জামায়াত রাজাকার ...মুক্তিযোদ্বাদের সমাবেশ বানচাল করে দিলো .....কিন্তু এটা যেহেতু লীগ দ্বারা হয়েছে ..তাই এরা সিন্ডিকেট সাংবাদিকতার মাধ্যমে সংবাদ পরিবর্তন করে দিলো ......... 

দেশে যখন দ্রব্যমূল্যের কষাঘাতে মানুষ জর্জরিত , এরা এখন আর সিন্ডিকেট দেখে না ...........এরা সুদাসদনের দুর্নীতি দেখে না , এরা এখন ও হাওয়া ভবনের খবর প্রকাশ করে ............ 

হাজারীর নির্যাতনে টিপুকে পঙ্গু হতে হয় , মুন্নি সাহাকে দেখে নেওয়ার হুমকে দেয় শামিম ওসমান ....সেই নির্লজ্ব মুন্নি সাহা, টিপুরাই আবার শামিম , হাজারীর গডফাদারদের পক্ষে সংবাদ পরিবেশন করে ... 

এরাই ভুমিখোর বসুন্দ্বরার বিপক্ষে কিছু লিখে না ...এরাই পিংকসিটিতে গিয়ে জঙ্গি আবিস্কার করে ... 

তবে যারাই একটু প্রকাশ করে , তারাই লীগের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে ...আর বিএনপি জামায়াত যেহেতু এই কাজ পারে না , তাই তাদের উপর চলছে হলুদ সাংবাদিকদের নির্যাতন