Friday, 28 June 2013

কেমন আছেন আল্লামা সাঈদী-১


মতিউর রহমান আকন্দ
বিশ্ববরেণ্য মুফাস্সিরে কুরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী বর্তমানে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী জীবনযাপন করছেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত-১ তাকে মিথ্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। তার রায় ঘোষণার পর বাংলাদেশসহ বিশ্ববাসী প্রতিবাদ ও বিক্ষোভে ফেঁটে পড়ে। মাত্র ৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পুলিশের গুলিতে ৭০ জন কুরআন প্রেমিক নির্মমভাবে শাহাদাত বরণ করে। আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে আদালতের প্রদত্ত রায় নিয়ে দেশে-বিদেশে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। যে দুটো অভিযোগে তাকে দণ্ডিত করা হয়েছে তা কতবড় মিথ্যাচার ঐ অভিযোগগুলো আলোচনা করলে তা দিবালোকের মত স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে দেশের প্রতিটি জনপদে প্রতিবাদের ভাষা উচ্চারিত হয়েছে। নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোর, বৃদ্ধ সকলেই এ প্রতিবাদে শামিল হয়েছে। যার কর্ণকুহরে আল্লামা সাঈদীর তাফসিরের বাণী পৌছেছে, মিথ্যা মামলার ষড়যন্ত্রমূলক রায় ঘোষণার পর তিনিই রাস্তায় নেমে এসেছেন।
মানুষের মনের মণিকোঠায় তার স্থান। দেশের ইসলাম প্রিয় জনতা তাকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসে। তাদের এই ভালোবাসা কুরআনের জন্য। কুরআনের একজন মুফাস্সিরের জন্য। এই ভালোবাসা কোন ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত, জুলুম, নিপীড়ন বা হত্যা করে স্তব্ধ করা যাবে না। যার প্রমাণ এদেশের জনগণ দিয়েছে। কাফনের কাপড় পরে, ছোট্ট ছোট্ট শিশু, তরুণ ও যুবকেরা যখন, ‘আমাকে ফাঁসি দাও, সাঈদীকে মুক্তি দাও’ স্লোগান তুলে রাজপথে নামে তখন বুঝতে হবে জনতার এ আন্দোলন ব্যর্থ হতে পারে না।
আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার প্রস্তুতি চলছে। আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাপিলেট ডিভিশনে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে। মামলার আপিল প্রস্তুতির জন্য আইনি বিষয়ে আল্লামা সাঈদীর নির্দেশনা নেয়ার উদ্দেশ্যে ২৩ মার্চ উনার সাথে সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছে। কারা কর্তৃপক্ষের নিকট আগেই লিখিতভাবে ৩ জন আইনজীবীর সাক্ষাতের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। তারা হলেন ব্যারিষ্টার আব্দুর রাজ্জাক, তাজুল ইসলাম ও মতিউর রহমান আকন্দ। তখন সকাল ১০.৫০মি.। আমরা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান ফটক দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলাম। বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে কারাগারের এই স্থানটি কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে বহু রাজনৈতিক নেতা এ কারাগারে মাসের পর মাস বন্দী জীবন কাটিয়েছেন। ৬৯ এর গণআন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭২-৭৫ এর দুঃশাসনামলে রাজনৈতিক নিপীড়নের এক নির্মম স্বাক্ষী এই কারাগার। ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বহু রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীকে এখানে বন্দী জীবন কাটাতে হয়েছে। আজও হাজার হাজার বন্দীর আর্তনাদে মুখরিত এই কারাগার।
এই কারাগারেরই এক নিভৃত কক্ষে বন্দী জীবন যাপন করছেন বিশ্ব বরেণ্য মুফাস্সিরে কুরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। প্রায় ৩ বছর যাবৎ কুরআনের ময়দান থেকে তাকে বিচ্ছিন্ন করে কারাগারে আটকে রেখেছে এ জালেম সরকার। তার বিরুদ্ধে হাজার বছরের নিকৃষ্ট মিথ্যা কল্পকাহিনী রচনা করে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তথাকথিত মানবতার বিরুদ্ধে অভিযোগের এ মিথ্যা মামলার বিষয়বস্তুকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি বজ্রকঠোর কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, মিথ্যা এবং মিথ্যা। তিনি আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে যে ভাষণ দিয়েছেন তা যেকোনো বিবেকবান মানুষকেই উদ্বেলিত করে। কিন্তু  সত্য-মিথ্যার পার্থক্য করার ক্ষমতা যাদের লোপ পায়, বিবেক যাদের স্তব্ধ হয়ে যায়, সত্যের চেতনা যাদের অন্তর থেকে মুছে যায় তারা কখনো সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে না। মহাগ্রন্থ আল কুরআন স্পষ্ট ভাষায় এ ঘোষণা দিয়েছে।
তার সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে কারাভ্যন্তরে প্রবেশ করা মাত্রই চোখের পর্দায় অতীতের কয়েকটি স্মৃতি বিজড়িত ঘটনা একের পর এক ভেসে উঠছিল। বিশেষ করে ট্রাইব্যুনালে মামলা চলাকালে তিনি প্রায়ই দেশ, ইসলামী আন্দোলন ও সংগঠনের অগণিত কর্মীর উপর সরকারের জুলুম নির্যাতনের প্রেক্ষিতে তার অস্থির অন্তরের কথা যে আবেদনময়ী ভাষায় ব্যক্ত করতেন তা বারবার মনে উদয় হতে লাগল। তিনি কারাগারে বন্দী থাকাবস্থায় হারিয়েছেন তার মমতাময়ী মাকে। প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশগ্রহণ করেছেন ঠিকই কিন্তু মা হারানোর বেদনা প্রকাশের জন্য পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সাথে তাকে এতটুকু সময় ব্যয় করার সুযোগ দেয়া হয়নি। বন্দী অবস্থায় তিনি হারিয়েছেন তার জ্যেষ্ঠ পুত্র কুরআনের সৈনিক রাফিক বিন সাঈদীকে। যাকে নিজের উত্তরাধিকারী হিসেবে কুরআনের মুফাস্সির হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। আদালতে আল্লামা সাঈদীর উপর মিথ্যাচারের অপবাদ সহ্য করতে না পেরে প্রিয়তম পুত্র রাফিক বিন সাঈদী হার্ট এর্টাক করে ইন্তিকাল করেন। আল্লামা সাঈদীকে প্যারোলে মুক্তি দেয়া হয়। তিনি জানাজায় শরিক হন। এবারও তাকে পরিবারের সান্নিধ্যে সামান্য সময় কাটানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়। গর্ভধারিনী মা ও প্রিয়তম পুত্র হারানোর ব্যথা বুকে ধারণ করে কারাগারের নির্জন কুঠরিতে যিনি বন্দী জীবন যাপন করছেন, তিনি কত বড় মজলুম তা সহজেই উপলদ্ধি করা যায়।
তিনি সর্বদা আদালতের কাঠগড়ায় কুরআন তেলাওয়াতে মত্ত থাকতেন। তার ব্যক্তিগত অবস্থা, পরিবার কিংবা আত্মীয় নিয়ে কখনো উদ্বিগ্ন হননি। তিনি সর্বদা উদ্বিগ্ন ছিলেন ইসলামী আন্দোলন নিয়ে। যেদিন তার মামলার প্রথম পর্যায়ে আরগুমেন্ট শেষ হয় সেদিন তিনি যে আবেগময় ভাষণ আদালতের উদ্দেশ্যে দিয়েছিলেন তা উপস্থিত সাংবাদিক, আইনজীবী ও পর্যবেক্ষকদের মধ্যে এক গভীর চেতনার সৃষ্টি করেছিল। আদালত থেকে বের হওয়ার সময় তিনি বারবার বলছিলেন, ‘আর কোনো দিন দুনিয়ায় আপনাদের সাথে সাক্ষাৎ না হলেও কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহর আরশের নিচে আপনাদের সাথে আমার সাক্ষাৎ হবে। আমরা জান্নাতে সবাই একত্রে অবস্থান করব।’
আদালতের কাঠগড়ায় উনার সাথে সাক্ষাতের সময় প্রসঙ্গত আমার ১৩ বছর পূর্বে ছাত্র জীবনের একটি ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বললেন, ‘তোমার কি মনে আছে? ১৯৯৮ সালে পবিত্র মদিনাতুল মুনাওয়ারায় আমার সাথে তোমার সাক্ষাৎ হয়েছিল। আর হয়তো কোনোদিন মদিনায় সাক্ষাৎ হবে না। সাক্ষাৎ হবে জান্নাতুল ফেরদাউসে।’  যিনি জান্নাতের মেহমান হওয়ার অদম্য স্পৃহায় শহীদি চেতনা বুকে ধারণ করে আদালত থেকে কারাগারে ফেরত গেলেন, তাকে কারাগার থেকে আবার আনা হলো আদালতে। তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ শুনানোর জন্য। তিনি নির্ভীক ও বলিষ্ঠ কণ্ঠে এ মিথ্যাচারের এবং প্রতিহিংসার বিচারের প্রতিবাদ করেছেন। এসব ভাবনার মধ্য দিয়েই আমরা ডেপুটি জেলারের টেবিলের সামনে এসে বসলাম।
আগেই শুনেছি আল্লামা সাঈদীকে কয়েদির পোশাক পরিয়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদিদের নির্দিষ্ট সেলে রাখা হয়েছে। যিনি সারা জীবন লম্বা পাঞ্জাবী, কোর্তা ও মাথায় টুপি পরে অভ্যস্ত। তাকে কয়েদির পোশাক পরিহিত অবস্থায় কেমন দেখাচ্ছে। কি তার মানসিক প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি ভাবনার মধ্যেই আল্লামা সাঈদী আমাদের সামনে এসে হাজির হলেন। কক্ষে ঢুকেই স্বভাবসুলভ কণ্ঠে আস্সালামু আলাইকুম বলে আমাদের সাথে কোলাকুলি করলেন। জেল খানার পোশাক পরিধানরত অবস্থায় তাকে দেখে অবাক হয়েছি কিন্তু হতবাক হইনি। কারণ বহু আল্লাহ প্রেমিক লোককে এমনিভাবে কারাভ্যন্তরে আটক রেখে কষ্ট দেয়া হয়েছিল। আল্লামা সাঈদী সেই কাতারেরই একজন। তার চেহারার উজ্জলতা তার দৃঢ় ঈমানী বলিষ্ঠতার কথা ব্যক্ত করছিল। আমরা ভেবেছিলাম তিনি হয়ত: দুর্বল হয়ে পড়েছেন! কিন্তু না, তিনি দুর্বল হননি। তার মাঝে কোনো অস্থিরতা নেই। দুশ্চিন্তা, দুর্ভাবনা নেই। আছে প্রত্যয়, আছে শহীদ হবার অদম্য স্পৃহা। কারাগারের পোশাকে আল্লামা সাঈদীকে দেখাচ্ছিল আল্লাহর পথের এক আপোষহীন সৈনিককে, যিনি জীবন দিতে পারেন, রক্ত দিতে পারেন, শহীদ হতে পারেন কিন্তু বাতিলের কাছে যিনি মাথানত করতে পারেন না। তাকে এই পোশাকে দেখে ডিফেন্স টিমের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক বললেন, ‘মাওলানা মওদূদিকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসির আদেশ দেয়ার পর এই পোশাক পরানো হয়েছিল।’ আল্লামা সাঈদী বললেন, ‘আমি তো তার তুলনায় কিছুই নই। এক নগন্য গোনাহগার বান্দা মাত্র।’
আমাদের সাথে কুশল বিনিময় করেই তিনি মামলার আপিল সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলেন। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে তিনি দিক নির্দেশনা দিলেন এবং আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে বললেন। মামলা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বললেন, ‘আমি আল্লাহর মেহেরবানীতে খুব ভালো আছি। আমার শারীরিক অবস্থা যাই হোক আমার মানসিক অবস্থা অনেক ভালো। মৃত্যু প্রতিটি প্রাণীর জন্য অবধারিত। আমি মৃত্যুর পরওয়া করি না। সারা জীবন আমি কুরআনের খেদমত করেছি। দেশ থেকে দেশান্তরে কুরআনের তাফসির করেছি। সেই কুরআন, ইসলাম এবং আমার প্রিয় মাতৃভূমির জন্য আমি হাসিমুখে জীবন দিতে প্রস্তুত আছি। আমি লাখো মানুষের সামনে তাফসির পেশ করাকালে শাহাদাত লাভের জন্য মহান রবের কাছে দোয়া করেছি। আমি চেয়েছিলাম- কুরআনের ভাষা উচ্চারণকালে আমাকে ইসলামের দুশমনরা ব্রাশফায়ার করে আমার মস্তক উড়িয়ে দেবে। আমার শরীর থেকে ফিনকি দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হবে। আমি প্রভুর দরবারে গিয়ে উপস্থিত হবো।’
তিনি আরো বলেন, ‘কুরআনের জন্য, ইসলামের পথে জীবন দিতে পারা এক মহা সৌভাগ্যের ব্যাপার। স্বাভাবিক মৃত্যুর মাঝে কোনো গৌরব নেই। আল্লাহর পথে শাহাদাত মানুষের জীবনকে মহিমান্বিত ও গৌরাবান্বিত করে। আমি শাহাদাতের গৌরবান্বিত মৃত্যু চাই। আল্লাহর কাছে আমার একটিই মিনতি খুন, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের জঘন্যতম মিথ্যা অপবাদ নিয়ে আমার যেন মরতে না হয়।’
দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে তার রায় ঘোষণার পর সরকারের পুলিশ বাহিনীর গুলিতে ১ সপ্তাহে ১৫০ জন নিরীহ, নিরপরাধ কুরআন প্রেমিকের মৃত্যুতে তিনি বিচলিত। তিনি বলেন, ‘কুরআন প্রেমিক সাধারণ মানুষ যেভাবে আমার জন্য জীবন দিয়েছে তাদের জন্য আমার হৃদয় খুবই ভারাক্রান্ত। আমি আল্লাহর কাছে দু’হাত তুলে দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাদেরকে শহীদ হিসেবে কবুল করেন।
যে বাবা তার সন্তানকে হারিয়েছে, যে সন্তান তার বাবাকে হারিয়েছে, যে স্ত্রী তার স্বামীকে হারিয়েছে তাদের পরিবারের করুন অবস্থা, এই কারাভ্যন্তরের বন্দী জীবনে বারবার আমার অন্তরকে আহত করছে। এসব পরিবারের জন্য আমি উদ্বিগ্ন, উৎকণ্ঠিত। ঐসব অসহায় পরিবারের আর্তনাদ ও কান্নার আওয়াজ আল্লাহর আরশকে কাঁপিয়ে তুলছে। তাদের পরিবারের ক্ষতি কোনোদিনও পুরণ হবে না। আমি বিশ্বাস করি তাদের প্রতি ফোঁটা রক্ত আল্লাহর দ্বীনকে মজবুত করবে। জান্নাতুল ফেরদাউস হবে তাদের আসল ঠিকানা। সেখানেই তাদের সাথে আমার সাক্ষাৎ হবে।’
তিনি দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘নারী, শিশু, পুরুষ ও নিরীহ মানুষগুলো আজ মোটেই নিরাপদ নয়। দেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামো আজ যে পর্যায়ে পৌছেছে আমি সেটা ভেবেই চিন্তিত। ভবিষ্যত প্রজন্ম কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে!’ তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘সত্যকে কোনোদিন মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রাখা যায় না। সত্যের বিজয় অবশ্যম্ভাবী। আল্লাহ যদি সত্যকে বিজয় না করেন তাহলে সত্যের পথে লড়াই করার কোনো লোক পাওয়া যাবে না। আমি বিশ্বাস করি সত্যের বিজয় হবে এবং আল্লাহ আমাকে আবার কুরআনের ময়দানে ফিরে আসার তাওফিক দিবেন ইনশাআল্লাহ।’ তিনি দেশবাসীর কাছে তার সালাম জানান ও দোয়া চান।
- See more at: http://www.weeklysonarbangla.net/news_details.php?newsid=8928#sthash.vCItjzLD.VwkbUVLQ.dpuf