Sunday, 21 July 2013

৯০ বছরের সাজা শেষ ... মুক্তি পেলেন প্রথম আলোর কুত্তা সম্পাদক মতি

৯০ বছরের সাজা শেষে গতকাল মুক্তি পেয়েছেন বিখ্যাত ভারতীয় দালাল , প্রথম হাগুর আন্তর্জার্তিক খ্যাতি সম্পন্ন তওবা সম্পাদক কুত্তা মতি ..
২০১৩ সালে  দেশদ্রোহিতা ও ভারতীয় গোয়েন্দাদের পক্ষে গোয়েন্দাগীরি করার কারণে আন্তর্জার্তিক দেশদ্রোহী  ট্রাইবুনালের রায়ে ৯০ বছরের জেল হয় ভারতীয় কুকুর মতির ...

সকাল থেকেই মতির  ভক্ত, অনুসারী, পরিবার ও পত্রিকার অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত হন কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে। প্রায় প্রত্যেকের হাতে হাতে ছিলো কুকুরের প্রিয় খাবার মানুষের শক্ত বিষ্ঠা /গু দিয়ে  তৈরি বিশেষ মালা। 
২০০৭  সালের মতো কেউ যেন মতিকে তওবা এবং জুতাপেটা  করতে না পারে, সে জন্য কারাগার ও এর আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয়েছিল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা। মোতায়েন ছিল পুলিশ ও র‌্যাবের বিপুলসংখ্যক সদস্য। এ সময় বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষকে খালি পায়ে গু ভরা পলিথিন হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
দুপুর ১২টা এক মিনিটে কারাগারের প্রধান দরজা দিয়ে বেরিয়ে আসেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতি । এ সময় ভক্ত-অনুরাগীরা ছুটে গিয়ে তাঁর গলায় বিশেষ ভাবে তৈরীকৃত গুয়ের মালা পরিয়ে দেন। ৯০ বছর পর প্রিয় স্পেশাল গু  দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন মতি , এবং জিহ্বা বের করে চাটা শুরু করেন । তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মতি  বলেন, ‘মুক্তি পেয়ে খুব ভালো লাগছে। ভারতের  সময় এই কারাগারে অনেক উন্নয়ন সাধিত হয়েছিল। তাই এত দিন ওখানে থাকতে বেশ আপন আপন লেগেছে। মনে হয়েছে, নিজ ঘরেই আছি। বহু বছর পর আবার পুণ্যভূমি ইন্ডিয়ায় যেতে পারব—ভাবতেই দিলখুশ লাগতেসে!’ জানা গেছে, কারাগারে কোনো দেশপ্রেমিকদের  বংশধর না থাকায় বেশ নির্ভয়ে ছিলেন মতি । কিন্তু মুক্তি পাওয়ার পর তাঁকে অজানা আতঙ্ক গ্রাস করেছে। একটু পর পরই তিনি আশপাশে তাকিয়ে দেখছিলেন, কোনো দেশপ্রেমিক  বংশের কেউ আছে কি না। যদি না আবার তওবা ও লাটিপেটা করে.....
জেলখানা থেকে বেরিয়ে বাড়ির দিকে যাত্রা করে মতির  গাড়িবহর। এ সময় রাস্তার দুই পাশ থেকে ভেসে আসে স্লোগান: ‘ম তে মতি , তুই কুত্তা তুই কুত্তা , ম তে মতি তুই তওবা সম্পাদক ,তুই তওবা সম্পাদক । এ সময় মতিকে  বিমর্ষ ও হতাশ মনে হচ্ছিল।
জানা গেছে, আগামীকালই উলফা নেতার সাথে ভারতের  উদ্দেশে যাত্রা করবেন মতি । পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, বাসায় ফিরেই তওবা সম্পাদক মতি  বলেছেন, ‘এ দেশে আর একমুহূর্তও নয়। ভারতেই  চলে যাব।’