Thursday, 4 April 2013

লংমার্চ নিয়ে ভন্ড আলেমদের পাশাপাশি নাস্তিক জননী হাসিনার ও ষয়যন্ত্র,আলেমরা তবু ও ঐক্যবদ্ব

নাস্তিকদের বিরুদ্বে হেফাজতের লংমার্চ শুরু হওয়ার পর হাসিনা সরকার ও তার পা চাটা ভন্ড আলেমরা হেফাজত আন্দোলনের বিরুদ্বে বিভিন্ন ফতোয়া দিয়ে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করছে ..এই সব ভন্ড আলেমদের পাশাপাশি সরকার ও হেফাজত নেতাদের হুমকি দিয়েছে ..মুফতি আমিনীর ছেলের মত তাদের ছেলে মেয়েদেরকে ও অপহরণ করার হুমকি দিচ্ছে সরকার ..কিন্তু কোনো কিছুই দমাতে পারছে না আল্লাহ প্রেমিক এই সব মানুষদের ..

গত কয়েকদিন ধরে এই সব ভন্ড হুজুরেরা বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও সংবাদ সম্মেলন করে লংমার্চ হারাম ইত্যাদি বলছে ..কিন্তু লংমার্চ যদি হারাম হয় সংবাদ সম্মেলন করে এই ফতোয়া মারা কিভাবে হালাল হয় সেটা বোধগম্য নয়।

এই সব আলেম আবার নিজেদেরকে হক্কানী আলেম দাবি করছে ...



কিন্তু এই সব হক্কানী আলেমরা এসেছে জনপ্রতি ২৫০ টাকা করে 

এখন প্রশ্ন হলো যেই সব আলেম ২৫০ টাকায় নাস্তিকদের কাছে বিক্রি হয় তারা কিভাবে হক্কানী আলেম হয় ?

তারপর হাসিনা সরকার ব্যবহার করে ফরিদ উদ্দিন মাসুদকে। ইসলামী ব্যাঙ্কে একাউন্ট খোলা হারাম এই ফতোয়া দিয়ে , যখন জনগন দেখল এই ভন্ডেরই ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট আছে , তখন তার ক্যারিয়ার পুরো ধংস হয়ে গেল এবং এই ভন্ডের আসল মুখোশ উন্মোচন হলো ..



ফরিদ উদ্দিন মাসুদের পর আরেক শিরক বিদায়াতী ভন্ড কুতুবাগের পীর ফতোয়া দেয় ..



কিন্তু এই ভন্ডের পুরো ভন্ডামি দেখতে পারবেন এই ভিডিওটিতে ..যারা দুর্নীতি টাকা আত্মসাত ,মাজার পূজা ও শিরকি কাজে লিপ্ত 




এই হলো ধর্ম ব্যবসায়ী আওয়ামীলীগের ধর্ম ব্যবসায়ীদের নিয়ে সিজনাল ধর্মীয় ব্যবসা ..

এবার দেখাবো হাসিনা সরকার কিভাবে নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষীদের প্রশ্রয় ও আশ্রয় দিচ্ছে ..

শহীদ একটি ধর্মীয় বিষয় এবং এটি শুধু মুসলিমদের জন্য ..কিন্তু শেখ হাসিনা নাস্তিক থাবা বাবাকে শহীদ 

বলে আখ্যা দিয়ে শহীদ শব্দটাকে অপব্যাখ্যা করেছেন 




আবার তিনিই গজে চড়ে মা দূর্গা আসার কারণেই ফসল ভালো হয়েছে বলে স্পস্ট শিরক করেছেন ..




এবার এই নাস্তিক জননী গত নির্বাচনের আগে ইসলাম বিরোধী কোনো আইন করবে না বলে খেলাফত মজলিসের সাথে চুক্তি করেছিল ..



কিন্তু এই ধর্ম বিরোধী ক্ষমতায় এসে সংবিধান থেকে আল্লাহর উপর আস্থা এবং বিশ্বাস তুলে দিয়েছেন ..

এবার শেখ হাসিনার আসে পাশে কারা আছে ..ইসলাম সম্পর্কে তাদের বিভিন্ন মন্তব্যগুলো দেখি ..

পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন, ধর্ম তামাক ও মদের মতো একটি নেশা।

১৪ ডিসেম্বর ২০০৯ 

রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ব্যাঙের ছাতার মতো কওমী মাদরাসাগুলো গজিয়ে উঠেছে। 

*১০ ডিসেম্বর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক অনুষ্ঠানে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া বলেছেন, রাসুল (সা.) মসজিদের অর্ধেক জায়গা হিন্দুদের জন্য ছেড়ে দিয়েছিলেন। 

*বিশ্বকাপের উদ্বোধন উপলক্ষে জাতীয় মসজিদের আসর, মাগরিব ও এশা এই ৩ ওয়াক্তের আযানের সময় মাইক বন্ধ রেখে চরম হীনমন্যতার পরিচয় দেয় আওয়ামী লীগ। তাছাড়া মঙ্গলযাত্রা দেখানো হলেও পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত হয়নি। এটাই কি ধর্মনিরপেক্ষতা!? ঢাকা মসজিদের শহর এটা বিশ্ববাসী জানলে কি ক্ষতি হতো? 

* মতিয়া চৌধুরীর দাবি, আওয়ামী কর্মীরাই নাবী (স) এর প্রকৃত উম্মত।

*এছাড়া মার্চের দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি অনুষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াতের পরিবর্তে রবীন্দ্রসঙ্গীত দিয়ে শুরু করা হয়। 

*ড. জাফর ইকবাল সরাসরি পর্দার বিরুদ্ধে কলাম লিখেছেন। তিনি লিখেছেন, ....মেয়েদের ঘরের ভেতর আটকে রাখতে পারলে সবচেয়ে ভালো। একান্তই যদি ঘরের ভেতর আটকে রাখা না যায় অন্তত বোরকার ভেতর আটকে রাখা যাক। তার মানে বোরকাকে তিনি নারীর জন্য জেলখানা বা বাঁধা হিসেবে বুঝাতে চেয়েছেন। প্রথম আলো- ০৪-১১-২০১১ 

*‘‘সংবিধান থেকে ধর্মের কালো ছায়াও একদিন মুছে ফেলবো' জাতীয় সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী 

*‘আমি হিন্দুও নই, মুসলমানও নই' আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ (১৪ জুলাই ২০১১)

*'পবিত্র কুরআন-হাদিসের আলোকে খলিফাতুল মোসলেমীন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব' শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছিলেন খলিফাতুল মুসলিমিনদের একজন। মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বশূন্য অসহায় দরিদ্র মুসলমান তথা সারা বিশ্বের ক্ষুধার্ত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য বঙ্গবন্ধুর আপসহীন লড়াইয়ের কারণে বঙ্গবন্ধুই সারা বিশ্বের মুসলমানদের একমাত্র অভিভাবক ছিলেন। তারা বলেন, আমাদের ঈমানই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। যারা ধর্মনিরপেক্ষতারবিরোধিতা করেন তারা কুরআনকে অস্বীকার করেন। তারা বলেন, 'বাংলাদেশ-জিন্দাবাদ' কোনো ফজিলত নেই কিন্তু 'জয় বাংলা' শ্লোগানে বরকত ও ফজিলত আছে।(নভেম্বর ২৬, ২০০৯, নয়া দিগন্ত) 

*প্রধানমন্ত্রীরউপদেষ্টা এইচটি ইমাম ২ এপ্রিল আওয়ামী ওলামা লীগ আয়োজিত এক সভায় বলেন, দেশে ইসলাম টিকিয়ে রেখেছে একমাত্র আওয়ামী লীগ। আর এ ইসলামের প্রবর্তক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি আরো বলেন, জামায়াত নেতারা রোজা রাখে ঠিকই, কিন্তু ইফতার করে হুইস্কি দিয়ে। (৩ মার্চ ২০১০)

*''সেনাবাহিনী ফেরেশতা নয় যে তারা এলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। সেনাবাহিনী কেন খোদ আল্লাহতায়ালা নেমে আসলেও কিছু করতে পারবে না।'' -সিইসি 

*"আল্লাহ যদি লাখ লাখ কোটি কোটি বছর পর বিচার করতে পারেন তাহলে আমরা কেন ৪০ বছর পর বিচার করতে পারব না ?" আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম - ২০ মার্চ ২০১০ 

*আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, কৃষি মন্ত্রী, ও সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেত্রী মতিয়া চৌধুরী হালে নতুন উম্মতের সন্ধান দিয়েছেন। বিএনপি জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, তারা রাসূলে পাক (সা.)-এর ইসলামে বিশ্বাস করে না। বিএনপি হচ্ছে জিয়াউর রহমানের উম্মত, তাদের দোসর জামায়াত হচ্ছে নিজামীর উম্মত, আর আমরা যারা আওয়ামী লীগ করি তারা মহানবীর (সা.) উম্মত (আমার দেশ, ২১ মার্চ, ২০১০) 

*সুযোগ করে দেয়ার জন্য ফতোয়া দরকার, যদিও ফতোয়ার ব্যপারে হাইকোর্টের নির্দেশ রয়েছে তা সত্বেও বাংলাদেশ জাতীয় মুফতি ঐক্য পরিষদ (বামুপ) থেকে ফতোয়ায় বলা হয়েছে "বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বিরোধিতা করা তথা আওয়ামী লীগের সমর্থন না করা কুফরি" অতএব, আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করলে সে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে, সে যত বড় আলেমই হোক না কেন। (নয়া দিগন্ত, নভেম্বর ৩১, ২০০৯) 

*"শেখ হাসিনার নির্দেশ মানা আলীগ ও ছাত্রলীগের জন্য ইবাদত" বলেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এ বি তাজুল ইসলাম! (নয়াদিগন্ত,মে ৬, ২০১০) 

*"বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এক ওয়াক্ত নামাজ পড়েন না এবং এমন কোনো ইসলাম বিরোধী কাজ নেই যা তিনি করেন না। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা ইসলামের নিয়ম-নীতি মেনে চলেন। যত ব্যস্ততাই থাকুক না কেন প্রতিদিন তিনি নামাজ আদায় ও কোরআন তেলোয়াত করেন।" আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম হানিফ। ২৭ মে ২০১০- বিডিনিউজ 

*আওয়ামীলিগের অতি আস্থাভাজন মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, 'পঞ্চম সংশোধনী বাতিল হলে ইসলামি দল নিষিদ্ধ হবে না। দুই-তিনটি জঙ্গি দল নিষিদ্ধ হবে। শেখ হাসিনা আমাকে তা স্পষ্ট করে বলেছেন। (নয়াদিগন্ত, ১ এপ্রিল, ২০১০)। 

*‘বিসমিল্লাহ বললে কী হয়? প্রার্থনা দিয়ে কিছু হয় না। কেননা, ফিলিস্তিন মুক্ত করার জন্য মক্কায় যে প্রার্থনা করা হয় তা কবুল হলে এত দিনে ফিলিস্তিন মুক্ত হয়ে যেত।' ইউনিসেফের বিশ্ব শিশু পরিসি'তি রিপোর্ট প্রকাশনা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনায় পরিকল্পনাসচিব ভুঁইয়া শফিকুল ইসলাম ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 

* "সভা সমাবেশে বিসমিল্লাহ বলা ও কুরআন পড়ার দরকার নেই এসব করলে পবিত্রতা নষ্ট হয়" 

*ঢাকা বিশ্ববিরমনার কালিমন্দির উদ্বোধনকালে আওয়ামী লীগ এমপি সুধাংশু শেখর হালদার বলেছিল, মাওলানা, মৌলভী ও মোল্লাদের কেটে তাদের রক্ত 'মা কালির ' পায়ের নিচে না দিলে মা কালি জাগবে না। 

তারপর আরেক শয়তান ইফার ডিজি শামিম আফজাল ইমাম সম্মেলনে ব্যালেডান্স দেখানোর মত নিকৃস্ট কাজ করেন এই সরকারের আমলে ..কিন্তু নাস্তিক বান্ধব সরকার এই নিয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। 



উপরে মন্তব্যগুলো দেখলে বুঝবেন হাসিনা কিভাবে ধর্মবিদ্বেষী উন্মাদদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ..

এই দিকে নির্ভরযোগ্য কিছু সুত্রে জানা যায় , হেফাজত নেতাদের বিভিন্নভাবে সরকার হুমকি দিচ্ছে লংমার্চে যেন অংশগ্রহণ না করে ..তাদের ছেলেমেয়েদের অপহরণ করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে ..

আবার বিভিন্ন মিডিয়া দিয়ে আলেমদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে ..ফরিদ উদ্দিন মাসুদের মত লংমার্চে অংশগ্রহণকারী কিছু ওলেমাকে টাকা দিয়ে কেনার চেষ্টা করছে সরকার ..কিন্তু আজ দেশ ও জাতির অস্তিত্ব রক্ষার্থে , ও ইসলামী ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করতে আলেম ওলামারা ঐক্যবদ্ব .তারা কেউই আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই হতে চান না , সবাই হামজা (রাHappy ও আলীর উত্তরসুরী হতে চায় . 

তবু ও সকল আলেম ওলামার প্রতি আহ্বান আপনারা হাসিনার অভিনীত কোনো অভিনয়ে বিভ্রান্ত হবেন না ..সবাই হাসিনার ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের ইতিহাস জেনেই সিদ্বান্ত নিবেন এবং বয়কট করবেন।