Tuesday, 2 April 2013

জামায়াত শিবির না থাকলে বাংলাদেশে চুলকানি ব্যারাম মহামারী আকারে ধারণ করতো



ফেসবুকে এই ব্লগের একজন ব্লগার আর আমার ফেবু বন্ধু , ফেসবুকে আমাকে এই ছবিটি ট্যাগ করেছিলো , ছবির ক্যাপশনে লেখা , যে এই ছবিতে শিবিরের ছেলেরা পাকিস্তানি জার্সি পড়েছে তাই তারা পাকিস্তানি হয়ে গেছে .......আমি একটি কমেন্ট কর্লাম , ভাই বাংলাদেশে এখন ভালো চর্ম রোগের ডাক্তার আছে , প্রতিউত্তরে উনি লিখলো , আপনি কি চর্মরোগ ডাক্তারের নিয়মিত কাস্টমার ? আমি বল্লাম না আমার চর্মরোগের ডাক্তারের কাছে যাওয়ার দরকার নাই .আমি এই রোগে ভুগি ও না , তবে আপনার যে শিবির নিয়ে চুলকানি আছে সেটা সত্যি আর তাড়াতাড়ি ডাক্তার দেখান , নাহলে চুলকানি বেড়ে গিয়ে চুলকাতে চুলকাতে ঘা করে ফেলবেন ..... 

কি রকম চুলকানি থাকলে এই রকম কথা লিখে , আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন যে দলকে সাপোর্ট করতাম , সেই দলের জার্সি কিনতাম ......আমাদের দেশে ফুটবল বিশ্বকাপের সময় ব্রাজিল , আর্জেন্টিনার পতাকা উড়ে ,বা মানুষ জার্সি পরে , তাহলে কি আমাদের দেশ আর্জেন্টিনা ব্রাজিল হয়ে গেছে ? 

গত হরতালের সময় বিএনপির কিছু সমর্থক ও মিডিয়া , জামায়াত কেন মাঠে ছিলো না , এইটা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ...... আচ্ছা জামায়াত তো বিএনপির চেয়ে একটি ক্ষুদ্র দল , বিএনপির নেতা বা কর্মীরা নয়া পল্টনের বিএনপির অফিসের সামনে ছাড়া আর কোথাও কি জোরালো ভাবে ছিলো ? 

আজকের হরতালের একটি ছবি বিএনপি অফিসের সামনে 



বিএনপির নেতারা বইসা আছে রিলাক্সে .......একটি মিছিল করার ও উদ্যেগ নাই ...নাকি চিপ হুইপ ফারুকের মত ডান্ডার বাড়ি খাওয়ার ভয়ে চেয়ার থেকে উঠতে মন চায় না ....... তাই জামায়াত শিবিরকে মাঠে চান আপনারা , বেটারা ইসলামিক আন্দোলন করে , তাই পুলিশের সব ডান্ডার বাড়ি তারাই খাক ..আর আপনারা অফিসের সামনে বসে তিন কেজি ওজনের একেকটা আন্ডা পাড়েন. .নেতাগিরি করবেন , আন্দোলনের ফসল নিজেদের ঘরে উঠাবেন , ডান্ডার বাড়ি খাবেন না , তাহলে রাজনীতি করেন ক্যান ? বাসায় থেকে বউ বাচ্চারে সময় দেন .......পোলাপাইন আব্বু আব্বু ডাকুক B- 

বিএনপির প্রধান অঙ্গসংগঠন , যেই সংগঠন , আমান , পিন্টু , এনির মত নেতার জন্ম দিয়েছে , আজকে ৪১ বছর বয়স্ক একজনকে দ্বায়িত দেওয়ার ফলে হরতালে একটা মিছিল তো দুরের কথা উল্টা পুলিশের ভয়ে পালাচ্ছে .. 




কিন্তু আজকে ও ঢাকাতে শিবিরকে এতো নির্যাতনের পরে ও মাঠে ছিলো  

তাহলে বিএনপি যেখানে স্ট্রংলি মাঠে নাই সেইখানে জামায়াতকে চাচ্ছে ক্যানো ? তবে বিএনপির জন্য সুখবর যে , জনগণ এই হর্তালগুলো সফল করে দিচ্ছে ........ 

আর আমাদের সুযোগ সন্দ্বানি মিডিয়া , যাদের হাই প্রেসারের চুলকানি আছে , তারা তো আছেই জামায়াতের বিরুদ্বে কিছু একটা লেখার সুযোগ বের করতে ...নাহলে তো খাবার হজম হবে না , পরে চর্মরোগের ডাক্তারের সাথে সাথে পেটের ডাক্তার ও দেখাতে হবে   . হরতালে যদি আম্লিক কোনো অপকর্ম ঘটায় , সিন্ডিকেট সাংবাদিকতার মাধ্যমে জামায়াত শিবিরকে দায়ী করে পরের দিন লাল কালিতে হেডিং বানাবে ,লিখবে জামায়াত শিবিরের হামলায় ২ পুলিশ নিহত  ......... হয়তো আপনাদের খেয়াল আছে গত ফেব্রুয়ারী মাসে বিএনপির মুক্তিযোদ্বা সমাবেশ বানচাল করতে পুলিশ যুবলীগ ঢাকার রাজপথে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে , পরে সকল মিডিয়া জামায়াতের দোষ দিয়েছিলো ..... 

এই হলো মিডিয়া , আর এই হলো কিছু পাবলিকের চুলকানি ........ এখন জামায়াত মাঠে থাকলে ও দোষ না থাকলে ও দোষ ........তবে সুখের কথা হলো , আজকে পাবলিকের চুলকানি কমার কথা , কারণ মাঠে আজকে বিএনপির চেয়ে ভালো ভাবেই জামায়াত শিবির ছিলো  

বিশ্বের সেরা দশটি ব্র্যান্ড ও তার বাজার মূল্য



কোকাকোলা ব্রান্ডের বাজার মূল্যে প্রথম তালিকায় আছে ....যার মূল্য ৭১৮৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার




আইবিএম বিজনেস সার্ভিস কোম্পানি..তারা আছে ২য় অবস্থানে .....যার মূল্য ৬৯৯০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ...




ব্র্যান্ড ভ্যালুর দিক থেকে কম্পিউটার সফটওয়ার কোম্পানি মাইক্রোসফট তৃতীয় ..বাজার মূল্য ..৫৯০৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ...




ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন গুগল আছে ৪থ স্থানে ...... যাদের বাজারমূল্য ৫৫৩১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার



জেনারেল ইলেকট্রিক আছে ৫ম স্থানে .... যাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ৪২৮০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার 




রেস্টুরান্ট চেইন ম্যাকডোনাল্ড আছে ষষ্ঠ স্থানে ....যাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ৩৫৫৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ..




ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি ইন্টেল আছে ৭ম স্থানে ........যাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ৩৫২১৭ মার্কিন ডলার ..



স্টিভ জবসের আপল ব্র্যান্ড আছে ৮ম স্থানে ..যাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ৩৩৪৯২ মার্কিন ডলার ..




মিডিয়া কোম্পানি ডেজনি আছে ব্র্যান্ড ভ্যালুর দিক থেকে ৯ব্ম ...যাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ...২৯০১৮ মার্কিন ডলার ..




ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি এইচপি আছে ব্র্যান্ড ভ্যালুর দিকে ১০ নাম্বার ....যার ব্র্যান্ড ভ্যালু ২৮ ৮৭৯ মার্কিন ডলার ......................

সূত্র .........বেস্ট গ্লোবাল ব্র্যান্ড

দেখে নেই বিশ্বের সেরা দশটি শক্তিশালী বিমান বাহিনী




১) বিশ্বের সর্ববৃহত বিমান বাহিনী হলো এমেরিকার ....ইউনাইটেড স্টেট এয়ারফোর্স ...এই বিমান বাহিনী ১৯৪৭ সালের ১১ ই সেপ্টেম্বর গঠন করা হয় ....ইউনাইটেড স্টেট এয়ারফোর্স এর স্লোগান হলো ...নো ওয়ান কামস টু ক্লোজ ..তাদের এতো সব অস্ত্র আর যুদ্বপ্লেন আছে যেগুলো সারাবিশ্বের সব বিমান বাহিনীর সমান...



২ ) রাশিয়ান এয়ার ফোর্স .....১৯৯১ -৯২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙ্গার পর রাশিয়ান বিমান বাহিনী গঠন করা হয় ...এই বাহিনীর আসল শক্তি এখনো কি রকম তা চিন্তার বাহিরে ...তারা বিশ্বের যে কোনো স্থানে আক্রমন করার ক্ষমতা রাখে ....



৩) ইসরায়েলি এয়ারফোর্স : ১৯৪৮ সালের ২৮ শে মে তে স্বাধীনতা পাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এই বিমান বাহিনী গঠন করা হয় ...এই বিমানবাহিনী বিশ্বের অন্যতম বিপদজনক একটি বাহিনী .



৪) উপরের ছবিটি হলো ব্রিটেনের রয়াল এয়ারফোর্সের ...এই বাহিনী প্রথম বিশ্বযুদ্বের সময় ১৯১৮ সালের পহেলা এপ্রিল গঠন করা হয় , রয়াল নেভি এয়ার সার্ভিস আর রয়াল ফ্লাইং কর্পোরেশনকে একত্রীকরণের মাধ্যমে ...



৫ ) পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ারফোর্স চায়না : শক্তির দিক দিয়ে চেনার এই বাহিনী আছে পঞ্চম স্থানে ....যাদের ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার সৈন্য এবং ২৫০০ ও বেশী যুদ্ব বিমান আছে ...এটিই এশিয়ার সর্ববৃহ বিমান বাহিনী ..১৯৪৯ সালের ১১ ই নভেম্বর এই বাহিনী গঠন করা হয় ..



৬ ) আর্মি ডেল এয়ার : এটি হলো ফ্রান্সের বিমান বাহিনী ...শক্তির অবস্থানে বিশ্বে ৬ নাম্বার স্থানে ...১৯০৯ সালে এই বিমান বাহিনী গঠন করা হয় ..এই বাহিনী বিশ্বের প্রথম প্রফেশনাল বিমান বাহিনী ..বর্তমানে ফ্রান্স বিশ্বে বিমান তৈরিতে ভালো অবস্থানে আছে ..যা এই বিমান বাহিনীর কৃতিত্ব ...


৭) ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স : শক্তির দিক দিয়ে ইন্ডিয়ান বিমান বাহিনী ৭ম ...এই বিমান বাহিনীকে বিশ্বের আধুনিক প্রফেশনাল বিমান বাহিনী হিসাবে গণ্য করা হয় ...১৯৩২ সালের ৮ই অক্টোবর এই বিমান বাহিনী গঠন করা হয় ...যাদের ১৭০০০০ সৈন্য ইবন ১৫০০ ও বেশী যুদ্ব বিমান রয়েছে ..



৮ ) লুফথাওয়াফে : : এটি হলো জার্মানির বিমান বাহিনী ...১৯৩৫ সালে এই বিমান বাহিনী গঠিত হয় ..



৯ ) রয়াল অস্ট্রেলিয়ান এয়ারফোর্স : ছোট কিন্তু খুবই ভয়ানক এই বাহিনী ...১৯৩১ সালের ২১ শে মার্চ এই বাহিনী গঠন করা হয় ...



১০ ) জাপান এয়ার সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের পর ১৯৫৪ সালের পর অন্য ২ টি বাহিনীকে একত্রীকরণের মাধ্যমে এই বাহিনী গঠন করা হয় ...স্কুয়াড্রন আক্রমের জন্য এই বাহিনী বিশেষ পরিচিত ....

এগুলো শুধু একটু সংক্ষিপ্ত ধারণা দিলাম ........আপনাদের কাছে আরো কোনো তথ্য থাকলে যোগ করতে পারেন ..   

একজন সাদাসিধে সুশীলের আওয়ামী দালালে বিবর্তন এবং একজন পাঠকের প্রতিক্রিয়া

তিনি একজন সাদাসিধে সুশীল ..বাজারে গুজব আছে বিদেশী সায়েন্স ফিকশনের বাংলা অনুবাদ করে নিজের নামে চালিয়ে দেন ....এতো দিন বাম রাম আম্লীকের বন্ধু সেজেছিলেন ...এখন সেজেছেন বিএনপির ....বিএনপিকে পরামর্শ দিয়েছেন জামায়াতের সাথে জোট ছাড়তে ...গত কয়েকদিন আগে সুশীল বন্দ্বু প্রথম আলোতে বিএনপি যদি জামায়াতকে পরিত্যাগ না করে...এই শিরোনামে একটি বিতর্কিত লেখা লিখেন ....যে লেখাতে উনি শুধু অন্দ্ব সমালোচনা করেছেন বাস্তবতাকে উপলব্দি না করেই .... লেখাটির একপর্যায়ে উনি লিখেছেন .... 

তবে আমার দীর্ঘশ্বাস বুকে চেপে রেখে আমি এই সরকারকে শুধু এ প্লাস নয় গোল্ডেন এ প্লাস দিয়ে দেব যদি তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারটা ঠিকঠিকভাবে করতে পারে। ঠিকঠিকভাবে বলতে আমি কী বোঝাচ্ছি? বিষয়টা খুবই সহজ, যাদের ধরা হয়েছে আমাদের প্রজন্ম তাদের সবাইকে চেনে, আমাদের চোখের সামনে একাত্তরে তারা সেই ভয়ংকর কাজগুলো করেছে, কাজেই ট্রাইব্যুনাল যদি তাদের দোষী প্রমাণ করে শাস্তি দিতে পারে তাহলে আমরা বলব ঠিকঠিকভাবে বিচার হয়েছে 

উপরের বোল্ড করা অংশটি দেখুন ....এখানে উনি লিখেছেন শুধু যুদ্বপরাধীদের বিচার করতে পারলেই গোল্ডেন এ প্লাস দিয়ে দিবেন ..আচ্ছা তাহলে কি আম্লীকের খুন , ধর্ষন , গুম , সন্ত্রাস , লুটপাট ও বিচারের নামে কতিপয় ইসলামপন্থীদের শাস্তি দিলেই জায়েজ হয়ে যাবে ?..তাহলে কি সামনে আমরা এই সুশীলের প্রণিত নতুন শিক্ষা ব্যবস্থা পাবো, যেখানে একজন ছাত্র শুধু ইংরেজিতে নকল করে পাশ করে অন্য বিষয়ে ফেল করলে ও গোল্ডেন এ প্লাস দেওয়া হবে ? .আমরা ও চাই যুদ্বপরাধীদের বিচার হোক .. কিন্তু এই সাদাসিদে বাটপার কি ভুলে গেছেন দেশে এখন যুদ্বাপরাধীদের বিচার হচ্ছে না হচ্ছে মানবতাবিরোধীদের বিচার ..সাদাসিধে বাটপার কেন ১৯৫ জন যুদ্বপরাধীদের বিচার চাচ্ছেন না ? 

আর এই যুদ্বপরাধীদের বিচারের জন্য সাদাসিধে সুশীলের সাহার্য্য দরকার ...কারণ উনিই নাকি একজন কথিত রাজাকারের অপকর্মের সাক্ষী ....কিন্তু ট্রাইবুনালে সাক্ষী দেওয়ার জন্য উনাকে খুঁজে পাওয়া যায় নি .... 


দেখেন না জনাব সুশীল এই ট্রাইবুনাল কতটুকু মিথ্যুক ..প্লিজ এবার উনাদেরকে একটু সাহার্য্য করেন.. 

কিন্তু সুশীল সাহেব আপনাকেতো এই ট্রাইবুনাল খুঁজে পাচ্ছে না ..আসলে পাওয়া যাবে কেমনে ? 


আপনি তো উস্কে তো গালি ম্যা নো এন্ট্রি নিয়ে ব্যস্ত .........তাই ট্রাইবুনালে এন্ট্রি করতে পারছে না   

বর্তমান যে নতুন প্রজন্ম নিয়ে সাদাসিধে সুশীলটি অহংকার করেন , সেই নতুন প্রজন্মের কিছু দুষ্ট পোলাপাইন নস্ট হয়ে খারাপ হয়ে গেছে    ..তাই এই মহামান্য সুশীলকে নিয়ে হারিয়ে যাওয়া বিজ্ঞপ্তি ছাপালো ...  




আজ পর্যন্ত যুদ্বপরাধীদের বিচার চাওয়া এই সুশীলকে ট্রাইবুনালে দেখা যায় নি .....তাহলে কি এটা ধরে নেওয়া উচিত যে উনি আসলে জনসম্মুখে বিচার চাইলে ও মনে মনে চাচ্ছেন না .. 
আসল কথা হলো উনি কেন ট্রাইবুনালে আসছেন না তার একটি ১ম কারণ হলো ....বার্তা ২৪ এর একটি রিপোর্ট যেখানে বলা হয়েছে ...নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, প্রসিকিউশন সাঈদীর মামলায় অধ্যাপক জাফর ইকবালকে সাক্ষী করার জন্য বেশ কয়েক ধর্না দিলেও তিনি সাফ ‘না’ করে দিয়েছেন ..এক্ষেত্রে জাফর ইকবাল বলেছেন, “আমি চাই আমার বাবাকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার হোক, কিন্তু এ ঘটনায় সাঈদী জড়িত কিনা, তা না জেনে আমি কিভাবে সাক্ষ্য দেবো। 

২য় কারণ হচ্ছে এই সুশীলের সমগোত্রীয় প্রাণী সাংবাদিক আবেদখানট্রাইবুনালে গিয়ে আইনজীবিদের জেরায় ল্যাংটা হয়ে আসেন ...এবং আবেদ খান স্বীকার করেছিলেন তিনি জামায়াতের সাবেক নেতা মাওলানা আব্দুর রহিমের ভাতিজি-জামাই... এই মহামান্য সাদাসিধে সুশীলের নানা ও ছিলেন রাজাকার , এটা দেশের মানুষ খুব কমই জানেন ..এখন যদি ট্রাইবুনালে গিয়ে এটি প্রকাশ পায় , তাহলে দেশের মিডিয়ার মাধ্যমে সবাই জানবে ..এতে এই সুশীলের মুক্তিযুদ্ব ব্যবসায়ে ধস নামাতে পারে   

লেখার আরেক অংশে এই সুশীল লিখেছেন ...এই দেশে অনেক মানুষ আছে যাদের আওয়ামী লীগ নিয়ে অ্যালার্জি আছে, তার মানে কিন্তু এই নয় যে তাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও অ্যালার্জি আছে! পঁচাত্তর থেকে নব্বই ছিল এই দেশের জন্য অন্ধকার সময়, সেই সময় এই দেশের প্রজন্মকে অন্ধকারে রেখে বড় করা হয়েছিল, দেশের ইতিহাস না জানিয়ে তাদের গড়ে তোলা হয়েছিল। 

আচ্ছা জনাব সুশীল ৭২ থেকে ৭৫ এর সময়টা কতটুকু আলোকিত ছিলো ? বাসন্তিদের কেন জাল পড়তে হয়েছিল , তা কি আপনি জানেন ? 



সিরাজ সিকদারকে কে মেরেছিল , কে বলেছিলো কোথায় সেই সিরাজ সিকদার ? এই নতুন প্রজন্মে এই ইতিহাস বলতে কি লজ্বা লাগে ? 



ব্যাংক ডাকাতি কে করেছিলো ? কারা রক্ষী বাহিনী দিয়ে হাজার হাজার মানুষ মেরেছিল ? শুনি আপনার কাছ থেকে সঠিক ইতিহাসটুকু ... 

জনাব সুশীল আপনি বিএনপিকে জামায়াতের সাথে থাকার কারণে অপরাধী সাবস্ত্য করেছেন ? আপনি এতো অন্দ্ব বাটপারি করেন কেন ? আপনার পরের লেখায় শুধু গা বাচানোর জন্য আম্লীকের সমালোচনা করেছেন ..কিন্তু ৯৬ তে হেড অফ রাজাকারের ফর্মুলাতেই হাসিনা ক্ষমতায় আসে ....এই সব যুদ্বপরাধীদের সাথে থাকার কারণে আপনি কি কখনো লীগের বা হাসিনার সমালোচনা করেছেন ? 


এই ছবিটা দেখে নেন তো ভালো করে এরা কারা ? আমি বলছিনা হাসিনার সাথে বসার কারণে বিচার করা যাবে না ? আমি বলতে চাই হাসিনার বিরুদ্বে কোনো সমালোচনা নাই কেন ? 

জনাব বাটপার আপনি তো জানেন , ফরিদপুরের কুখ্যাত রাজাকার নুরু মিয়ার নাতির সাথে হাসিনার মেয়ে পুতুলের বিয়ে হয়েছিল .... 



দেখেন না একজন রাজাকারের বাচ্চাকে কিভাবে খাওয়াচ্ছে ...ও হ্যা আপনি তো ভুলে গিয়েছিলেন হাসিনা কিন্তু বলেছিলো আমার বেয়াই রাজাকার হলে ও যুদ্বপরাধি ছিলো না ....আসলেই তো , আম্লিক নামক দেশে এমন এক মেশিন আবিস্কার হয়েছে , যেখানে কামরুল রাজাকার ও ওই মিশিনের আরেক দরজা দিয়ে বের হয়ে প্রতিমন্ত্রী হয়ে যান .......... 

.জামায়াত শিবিরের বিরুদ্বে লিখে তো এখনো হিট হয়ে আছেন... আম্লীকের এই সব রাজাকার তোষণ নিয়ে কখনো কি প্রতিবাদ করেছিলেন ? . কখনো কি ছাত্রলীগের ধর্ষণের সেঞ্চুরির বিরুদ্বে কথা বলেছেন ? বলেছেন কি এই সাড়ে ৩ বছরে ছাত্রলীগের হাতে মারা যাওয়া ২২ ছাত্রের খুনের বিরুদ্বে..জানি করবেন না ..কারণ করলে কথিত সোনার ছেলেদের কাছে 


এইভাবে নিজের আব্রু ইজ্জ্বত হারাবেন   আসিফ নজরুলের কক্ষ ভাংচুরের মত আপনার কক্ষ ও ভাংচুর হবে ..পাবেন রাজাকার উপাধি ..যেভাবে পেয়েছিলো কাদের সিদ্দিকী , ইব্রাহিম বীরপ্রতিক আর কর্নেল অলি আহমেদ .. 

আসল কথা হচ্ছে এই সাদাসিদে সুশীল চান হিট হতে ...তাই শুধু জামায়াত শিবির বা ইসলামকেই বেছে নেন লেখার ক্ষেত্রে ... 

সাদাসিধে সুশীল জামায়াত সম্পর্কে বলেছেন 
আমরা সবাই জানি এই দেশের সাথে সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল জামায়াতে ইসলামী। জার্মানিতে নাৎসি বাহিনী নেই, ইতালিতে ফ্যাসিস্ট বাহিনী নেই কিন্তু আমাদের দেশে কেমন করে জামায়াতে ইসলামী থেকে গেল? আসলেই তো .....ক্যামনে কিভাবে হলো ......আচ্ছা ধরে নিলাম জামায়াত বিশ্বাস ঘাতকতা করেছিলো ..কিন্তু আপনি যে দেশ থেকে পড়ালেখা করেছেন , সেই আমেরিকা কি স্বাধীনতা যুদ্বের সময় আমাদের বন্দ্বু ছিলো ? তো জামায়াতকে এতো ঘৃনা করেন , কথিত জামায়াতী টিভিতে সাক্ষাতকার দিবেন না 


তো জনাব সুশীল সাহেব যেই আমেরিকা ৭১ সালে আমাদের মারার জন্য পাকিদেরকে অস্ত্র দিয়েছে তাদের দেশে আপনি শিক্ষা গ্রহণ করা কি আপনার মতো দেশপ্রেমিকের (?) ঠিক হয়েছে? ...যাই হোক তখন না হয় ভুল করেছেন ..এবার আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেটটা পুড়ে ফেলে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করেন ..দেখি আপনি কত বড় দেশপ্রেমিক .....জানি সেইটা করবেন না ..করলে যে আপনার পেমেন্ট বন্দ্ব হয়ে যাবে .. 

এই সাদাসিধে সুশীল শিবির সম্পর্কে বলেছেন ... 
একদিন এক অনুষ্ঠানে একজন রাজাকারদের বিদ্রূপ করে বক্তৃতা করেছে পরের দিন খবর পেলাম শিবিরের ছেলেরা তার পায়ের রগ কেটে দিয়েছে। দেশের বাইরে থাকতেই এই পদ্ধতির খবর পেয়েছিলাম, দেশে ফিরে এসে এই প্রথম আমার নিজের চোখে রগ কাটার ঘটনা দেখার অভিজ্ঞতা হলো। 

আমি আর কি বলবো এই সম্পর্কে শাবিরই এক শিক্ষক কি বলেন শুনি ... 
.ডঃ জাফর ইকবাল জামায়াত প্রসঙ্গ এলে কতটা যে মিথ্যা কথা বলেন, তার একটা প্রমান আপনাদের দেই। উনি ৯৫ এ শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন। আমিও উনার সমসাময়িক কালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসাবে যোগদান করি। ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন শিক্ষক হিসাবেই আমি বলছি, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে কোন রগ কাটার ঘটনা ঘটে নাই। অথচ উনি ছাত্রের পায়ের রগ কাটার ঘটনা বের করে ফেললেন। .... 

এবার প্রথম আলোতে প্রকাশিত এই লেখায় নতুন প্রজন্মের ৯৫ % মন্তব্যকারী এই সাদাসিদে সুশীলের লেখার সমালোচনা করেছেন অথবা কয়েকটি বিষয়ে দ্বিমত প্রকাশ করেছে ...তাহলে সাদাসিধে সুশীল যে বলেছিলো নতুন প্রজন্ম এখন ইতিহাস জানে ...যদি উনাদের শিখানো ইতিহাস ঠিক থাকে তাহলে এই নতুন প্রজন্মের এতো দ্বিমত কেন ?