This is the exclusive photo post about awami & Police brutality at Motijhil ..Awami activists and police shoot openly with police , beat mercilessly and finally killed him like 28th october 2006 scene done by same awami terrorist
I am a blogger ..My blog nick name is chairman ..I try to find out the truth from injustice
Sunday, 5 May 2013
Friday, 3 May 2013
কামারুজ্জামানের মামলার হালচাল । ন্যায়বিচার বনাম প্রহসনের বিচার ! ন্যায়বিচার হলে কামারুজ্জামানের বেকুসর খালাস নিশ্চিত।
হিটলারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বিশ্বের সেরা মিথ্যাবাদী উপাধী প্রাপ্ত জোসেফ গোয়েবলস একটা কথা বলতেন ,'একটা মিথ্যা কথা বা মিথ্যা অপবাদ ১০০ জন লোকের কাছে পৌঁছে দাও, দেখবে ঐ মিথ্যা অপবাদই একসময় সত্যে পরিণত হয়েছে' আমাদের মিডিয়া গোয়েবোলসের এ নীতি মেনে বহুদিন থেকেই প্রচার করে আসছে জামায়াত নেতৃবৃন্দ স্বাধীনতা বীরুধী ।তারা এ অপপ্রচারে সফলও হয়েছে। জামায়াত নেতৃবৃন্দ রাজাকার নন এ কথা অনেক তরুণ বিশ্বাসই করতে চাইনা।কারণ তারা চলে আবেগ দিয়ে, যুক্তির ধার ধারেনা। কামারুজ্জামানের মামলার হালচাল নিয়ে আলোচনার পূর্বে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতের অবস্থান তুলে ধরা প্রয়োজন মনে করছি। স্বাধীনতা যুদ্ধে অন্য অনেক দলের মত জামাতে ইসলামীও চাইনি ভারতের সহায়তাই দেশ স্বাধীন হোক। এমনকি মজলুম জন নেতা মাওলানা ভাসানির দল ন্যাপও স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেয়নি। স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা বিরোধিতা করেছিল ------ ১. পি ডি পি ২. জাতীয় দল। ৩. কৃষক শ্রমিক পার্টী ৪. সকল উপজাতি। ৫. চীনপন্থি কম্যুনিস্ট পার্টী । ৬. বৌদ্ধ সম্প্রদায় । ৭. জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম । ৮. জামায়াতে ইসলামী। ৯. নেজামে ইসলাম । ১০. খেলাফত আন্দোলন । ১১. মুসলিম জাতীয়তাবাদী দল। ১২. মুসলিম লীগের তিন গ্রুপ। ১৩. ইদানীং কিছু বুদ্ধিজীবীদের নামও উঠে আসছে এ তালিকায়। তাহলে শুধু জামাতের নাম আসছে কেন? বাকিদের নামত কখনো শুনিনি। তাহলে আসল এজেণ্ডা কি?
৭১ এ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা কি ছিল এ ব্যাপারে জামায়াতে ইসলামীর নেতা, বক্তা-ওয়ায়েজ ও ‘সওয়াল-জওয়াব’ ধারণার জন্য বিখ্যাত খন্দকার আবুল খায়ের লিখেছেন : ‘আমি যে জেলার লোক, সেই জেলায় ৩৭টি ইউনিয়ন থেকে জামায়াত আর মুসলিম লীগ মিলে ৭০-এর নির্বাচনে ভোট পেয়েছিল দেড়শতের কাছাকাছি আর সেখানে রাজাকারের সংখ্যা ১১ হাজার, যার মাত্র ৩৫টি ছেলে জামায়াতে ইসলামী ও মুসলিম লীগারদের।… আমার কিছু গ্রামের খবর জানা আছে, যেখানে ৭১-এর ত্রিমুখী বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচার জন্য গ্রামে মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেন যে, দুই দিকেই ছেলেদের ভাগ করে দিয়ে বাঁচার ব্যবস্থা করতে হবে। এই সিদ্ধান্ত মোতাবেক যে গ্রামের শতকরা ১০০ জন লোকই ছিল নৌকার ভোটার, তাদেরই বেশ কিছুসংখ্যক ছেলে যোগ দেয় রাজাকারে। যেমন কলাইভাঙ্গা গ্রামের একই মায়ের দুই ছেলের সাদেক আহমদ যায় রাজাকারে, আর তার ছোটভাই ইজহার যায় মুক্তিফৌজে।… এটাই ছিল বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অবস্থা।… যারা ছিল সুযোগ সন্ধানী, তারা সুযোগ পেয়েছে, ব্যস রাজাকার হয়ে পড়েছে।… এরপর এগার হাজার রাজাকার যারা নৌকা থেকে নেমে এসেছিল, তাদের সব দোষ গিয়ে আমাদের ঘাড়ে চাপল।’ (খন্দকার আবুল খায়ের, ‘১৯৭১-এ কি ঘটেছিল রাজাকার কারা ছিল’, যশোর : তৌহিদ প্রকাশনী (তৃতীয় সংস্করণ), ১৯৯২, পৃ. ৪৪-৪৫,৬২)। যুদ্ধাপরাধী ইস্যুর উদ্ভাবন প্রসঙ্গে অধ্যাপক গোলাম আজম বলেন, " ১৯৮০’র দশকে এবং ১৯৯০ সালে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে এবং ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত কেয়ারটেকার সরকারের দাবিতে বিএনপি’র বিরুদ্ধে আন্দোলনে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ যুগপৎ আন্দোলন করেছিল। সকল আন্দোলনকারী দলের লিয়াজোঁ কমিটি একত্রে বৈঠক করে কর্মসূচি ঠিক করতো। তখন তো কোন দিন আওয়ামী লীগ জামায়াত নেতৃবৃন্দকে যুদ্ধাপরাধী মনে করেনি। ফেব্রুয়ারি ১৯৯১-এর নির্বাচনের পর সরকার গঠনের জন্য আওয়ামী লীগ জামায়াতের সহযোগিতা প্রার্থনা করে আমার নিকট ধরনা দিয়েছিল। আওয়ামী লীগের নেতা আমির হোসেন আমু সাহেব জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদ সাহেবের মাধ্যমে আমাকে মন্ত্রী বানাবার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। তখনও তো আওয়ামী লীগের মনে হয়নি যে, জামায়াতে ইসলামী যুদ্ধাপরাধী! পরবর্তীতে, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী জামায়াতের সমর্থন লাভের আবদার নিয়ে যখন আমার সাথে সাক্ষাৎ করেন, তখনও তো তাদের দৃষ্টিতে জামায়াত নেতৃবৃন্দ ‘যুদ্ধাপরাধী’ ছিল না। এরপর এমন কী ঘটলো যে আওয়ামী লীগ ও কতক বাম দল জামায়াতকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ আখ্যা দিয়ে জামায়াতকে নির্মূল করার জন্য জেহাদে নামলেন? এরূপ দু’মুখো নীতি কোনো সুস্থ রাজনীতির পরিচয় বহন করে না। ২০০১ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মাত্র ৫৮টি আসনে বিজয়ী হয় আর বিএনপি ১৯৭টি আসন পায়। জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন হওয়ায় নির্বাচনে ইসলামপন্থী দলসমূহের শতকরা ২০ ভাগ ভোট একতরফা বিএনপি পাওয়ায় এসব ভোট থেকে বঞ্চিত হয়ে আওয়ামী লীগ মাত্র পাঁচ হাজার থেকে বিশ হাজার ভোটের ব্যবধানে বহু আসন হারায়। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হওয়ার কারু হিসেবে বুঝতে পেরেছিল যে, জামায়াতে ইসলামীকে ঘায়েল করতে না পারলে ভবিষ্যতে নির্বাচনে বিজয়ের কোনো আশা নেই। এ উপলব্ধি থেকেই ২০০১ সালের নির্বাচনের পর থেকে জামায়াত নেতাদেরকে যুদ্ধাপরাধীর অপবাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ ব্যাপক প্রচারাভিযান চালায়। যাদেরকে এক সময় ‘কলাবরেটর’ আখ্যা দেয়া হয়েছিল তাদেরকেই এখন আওয়ামী লীগ ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে বিচার করতে চাচ্ছে। ২০০১ সালের পূর্বে কখনো জামায়াত নেতাদেরকে যুদ্ধাপরাধী বলা হয়নি। এখন পাকিস্তানী ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে বিচার করার জন্য ১৯৭৩ সালে যে আইন করা হয়েছিল সে আইনেই আওয়ামী লীগ নতুনভাবে আমাদেরকে যুদ্ধাপরাধী আখ্যা দিয়ে বিচার করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এর আগে আওয়ামী লীগ ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ এবং ১৯৯৬ থেকে ২০০১, মোট দু’বার ক্ষমতায় ছিল। তখনতো তারা আমাদের এ আখ্যাও দেয়নি এবং ঐ আইনে বিচারের উদ্যোগও নেয়নি। সেটা কেন নেয়নি এর কি কোনো সন্তোষজনক জবাব আওয়ামী লীগ জনগণের সামনে দিয়েছে বা দিতে পারবে?"
♣♣♣ এবার আসুন দেখে নেই কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে তথাকথিত যুদ্ধাপরাধ মামলার হালচাল ♣♣♣ ২০১০ সালের ১৩ই জুলাই মুহাম্মাদ কামারুজ্জামানকে আটক করা হয়।একই বছর ২২ শে জুলাই তাকে পুলিশি তৎপরতায় বাধা দানের নামে একটি মামলায় শাহবাগ থানায় গ্রেফতার দেখানো হয়। দুই বছর বিনা চার্জে কারাবরনের পরে কামারুজ্জামান সাতটি চার্জে অভিযুক্ত হন। এই চার্জ গুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। ২রা জুলাই ২০১২ সালে কেস গুলোর বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। চার্জ গুলোর সারসংক্ষেপ: কেস ১. (নির্যাতন) অভিযোগঃ পাকিস্তানের বিপক্ষে অবস্থানের জন্য শেরপুর কলেজের প্রফেসর সাঈদ আব্দুল হান্নানকে নির্যাতনের অভিযোগ। উলঙ্গ করে, মাথা কামিয়ে তাকে আল বদরের সদস্য হিসেবে শেরপুর শহরে হাঁটতে বাধ্য করা হয়। এবং অভিযুক্ত সহ অন্যান্যরা তাকে চাবুক পেটা করেন। মামলার অবস্থাঃ প্রসিকিউশন প্রফেসর আব্দুল হান্নান বেচে থাকা সত্ত্বেও তাকে মামলার সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থিত করাতে পারেননি। তিনি এখন মারাত্মক অসুস্থ। প্রসিকিউশন তাকে জোর করে মামলার সাক্ষ্য বানায়। কিন্তু তিনি মিথ্যা না বলতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে প্রসিকিউশন তাকে সাক্ষ্য হিসেবে হাজির করেননি। বাকি দুজন সাক্ষী যারা ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে চেয়েছেন তারা কেউই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না । শুধু তাই নয় তাদের বিবৃতিকে অসংগতি পাওয়া গেছে। কেস ২. (অপহরণ, নির্যাতন, খুন) অভিযোগঃ কামারুজ্জামানের নেতৃত্বে আল বদরের কিছু সদস্য শেরপুরের ঝিনাইগাতির রমনাপুর গ্রামের বাদিউজ্জামানকে অপহরণ করার অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয় , সাড়া রাত তাকে আহাম্মেদ নগর আর্মি ক্যাম্পে নির্যাতন করা হয়েছে এবং পরবর্তী দিন তাকে গুলি করে হত্যা করা হয় এবং তার মরদেহ নদীতে ফেলে দেয়া হয়। মামলার অবস্থানঃ প্রসিকিউশন বাদিউজ্জামানের ভাই হাসানুজ্জামান কে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহন করেন। অনেক অসঙ্গতিপুর্ন বর্ণনা ছাড়াও তিনি বলেন, তিনি এবং তার পরিবার কয়েকজন কৃষকের কাছে শুনেছেন, কামারুজ্জামান এবং তার দল তার ভাইকে হত্যা করে। এইরকম শোনা কথা কখনই সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়াও হাসানুজ্জামান দাবি করেন ১৯৭২ সালে তার পরিবার কামারুজ্জামান এবং আর দশজনের বিরুদ্ধে তার ভাইকে হত্যার অভিযোগে মামলা করেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য প্রসিকিউশন তার এই দাবির সপক্ষে কিছুই প্রমান উপস্থিত করতে পারেনি। তদন্তে পাওয়া যায়, এব্যাপারে প্রসিকিউশনের এফআইআর একটা সম্পূর্ণ ভিন্ন মামলা যাতে অভিযুক্তের নাম নেই। কিন্তু এই আজব কোর্ট বিবাদি পক্ষের আইনজীবীদের এফআইআর এর কপি গ্রহণ করছে না কারন এটা প্রত্যয়ন করা নয়। কোন আমলাই এখন এই স্পর্শকাতর ডকুমেন্ট প্রত্যয়ন করছে না। তাই এটি জমা দেয়া যায়নি। অপরদিকে প্রসিকিউশন তাদের অভিযোগের সমর্থনে কোন ডকুমেন্ট উপস্থাপন করেনি। কেস ৩. (গণহত্যা) অভিযোগঃ বিধবা পল্লি সোহাগপুরে আরমিদের হামলায় কামারুজ্জামানের ভুমিকার অভিযোগ করা হয়েছে। ২৫শে জুলাই ১৯৭১ সালে পাকিস্তান আর্মি এবং তাদের স্থানীয় দোসররা সোহাগপুর গ্রামে ঝটিকা আক্রমন চালায়, অনেক মহিলাকে ধর্ষণ করে এবং অন্তত ১২০ জনকে হত্যা করে। মামলার অবস্থাঃ প্রসিকিউশন তিন জন বিধবাকে মামলার সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করে যারা ক্যামেরা ট্রায়ালে তাদের প্রামানিক সাক্ষ্য প্রদান করে। হোসেনা বেয়া যার স্বামী পাকিস্তানি আর্মির আক্রমণে নিহত হন। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় বড়দের কাছে তিনি শুনেছেন কামারুজ্জামান পাক আর্মিদের গ্রামে নিয়ে আসে, এবং হামলার সময় উপস্থিত ছিলেন। হাফিজা বেয়া, একই রকম আরেকজন বিধবা ঘটনার সময় কামারুজ্জামানে ঘটনার সময় উপস্থিত থাকার দাবি করেন । কিন্তু তিনি তদন্ত কর্মকর্তার সাথে সামনা সামনি সাক্ষ্য দানের সময় এমনটি দাবি করেননি। করফুলি বেয়া, আরেকজন বিধবা গ্রামের বড়দের কাছে কামারুজ্জামানের জড়িত থাকার ব্যাপারে শুনেছেন। কিন্তু তাদের মধ্যে কেউই তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেয়া সাক্ষাতকারে কামারুজ্জামানের জড়িত থাকা কথা বলেননি। যা একটি বড় অসংগতি। মজার ব্যাপার হচ্ছে, সোহাগপুরের বিধবা কন্যারা নামে একটি বইয়ে সোহাগপুরের গণহত্যার বর্ননা দেয়া হয়েছে। সেখানে করফুলি বেয়া সহ অনেক বিধবারই সাক্ষাতকার প্রকাশ করা হয় যেখানে কামারুজ্জামানের কথা একবারও বলা হয়নি। কিন্তু এর বিপরীতে ডিফেন্স টিম অনেক শক্ত এবং গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হাজির করেছে। সাক্ষী একটা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য যিনি পাকিস্তানি আর্মির হামলায় তার পরিবার সহ সব হারিয়েছিলেন। সে দাবি করেন, কামারুজ্জামান এই রকম কোন ঘটনার সাথে বিগত ৪০ বছর জড়িত ছিল না, এমনকি সোহাগপুর ২০০৭ সালে বিধবাপল্লি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পরেও না।তিনি আরো উল্লেখ করেন, গ্রামবাসী ভাল করেই অবগত আছে যে সরকার মিথ্যা সাক্ষিদের টাকা দিয়ে অভিযুক্তের বিরদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করছে। কেস ৪. (অপহরণ, আটক, খুন) অভিযোগঃ ১৯৭১ সালে ২৩শে আগস্ট গোলাম মোস্তফা তালুকদার কে আটক করে হত্যা করার অভিযোগ করা হয়। কামারুজ্জামানের আদেশে তালুকদারকে আটক করে সুরেন্দ্র সাহার পরিত্যাক্ত বাড়িতে আল বদরের আস্তানায় আটক করা হয়। পরে অভিযুক্ত এবং আর কয়েকজন মিলে তালুকদারকে মেরে নদীতে ফেলে দেয়ারও অভিযোগ করা হয়। মামলার অবস্থাঃ প্রসিকিউশন ভিকটিমের ভাই মোশাররফ তালুকদারকে মামলার সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করে। তিনি বলেন , পরবর্তীতে তার পরিবার আবুল কাসেম (যাকেও তালুকদারের সাথে হত্যা করার জন্য ধরে নেয়া হয়েছিল এবং তিনি পালিয়ে আসেন ) এর কাছে শুনেন কামারুজ্জামান ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন। মোশাররফ তালুকদারের বয়স ছিল তখন মাত্র ১১, তার এই প্রামানিক সাক্ষ্য গুরুত্ব সহকারে নেয়ার কিছু নেই। এছাড়াও তিনি স্থানীয় ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিতে ছিলনে। আদালতের কাছে তার উদ্দ্যেশ্য স্পষ্ট। আর একজনকে এই মামলার সাক্ষী হিসেবে নেয়া হয় । কিন্তু তাদের দুজনের কেউই সরাসরি ঘটনাস্থলে কামারুজ্জামানকে দেখেননি। এবং তাদের দু জনের সাক্ষ্যের মধ্যে সময়, ঘটনার স্থান, এবং অনুক্রমে অমিল রয়েছে। উদাহরন হিসেবে বাংলা নিউজ ২৪ এ প্রকাশিত নিউজে উল্লেখিত হয়; অভিযোগে বর্ণিত মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফাকে ধরে নিয়ে যাওয়া ও মেরে ফেলার বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের দুই সাক্ষীর দেওয়া সাক্ষ্যের মধ্যে মিল না পাওয়ায় ট্রাইব্যুনাল প্রশ্ন করলে রাষ্টপক্ষের প্রসিকিউটর সাইফুল বলেন, ‘‘অনেকদিন আগের ঘটনা। কামারুজ্জামান সে সময় উপস্থিত ছিলেন কিনা এটাই মুখ্য, ধরার উপায় বা সময় নয়।’’ কেস ৫. (অপহরণ, আটক, নির্যাতন) অভিযোগঃ লিয়াকত আলি এবং মজিবুর রহমান পানুকে আটক করে রাঙ্ঘুনাথ বাজারে রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে আসার অভিযোগ করা হয়। তাদেরকে সেখানে নির্যাতন করে পরে একটি পুলিশ স্টেশন এ নিয়ে যাওয়া হয়। চার দিন পরে কামারুজ্জামানের নির্দেশে তাদের ঝিনাইগাতি রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদেরকে আর ১১ জনের সাথে লাইনে দাড় করান হয়, কিন্তু পরে লিয়াকত, পানু এবং অন্য একজনকে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকিদের হ্ত্যা কয়া হয়। ঘটনাস্থলে অভিযুক্তের উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়। মামলার অবস্থাঃ প্রসিকিউশন লিয়াকত এবং পানু উভয়কেই সাক্ষী হিসেবে হাজির করতে সক্ষম হয়। লিয়াকত আলি আটক, অপহরণ, নির্যাতনের কোন সময়ই কামারুজ্জামানের অনুপস্থিতির সত্যতা যাচাই করেন। পানু বলেন, সে নিজে কামারুজ্জামানকে দেখেননি কিন্তু অন্য একজনের কাছে শুনেছেন যে কামারুজ্জামান ক্যাম্পে সকাল এসে চলে যায়। অভিযোগ প্রমাণের সময় সাইফুল ইসলাম রাষ্ট্রপক্ষের সাত নম্বর সাক্ষী লিয়াকত আলীকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘‘সাক্ষী ভয় পেয়ে ট্রাইব্যুনালে কামারুজ্জামানকে চিহ্নিত করেননি।’’ এ সময় ট্রাইব্যুনাল আপত্তি জানিয়ে বলেন, ‘‘সেটা ট্রাইব্যুনাল শুনবেন না। আপনি এর আগে আপনার এ সাক্ষীকে বৈরি ঘোষণা করেননি কেন? এসব আর্গুমেন্ট গ্রহণ করলে একজন আসামিকে একবার না, এক হাজার বার ফাঁসি দিতে হবে।’’ একই অভিযোগের ক্ষেত্রে দুইজন সাক্ষীর দেওয়া সাক্ষ্যে ঘটনার দুই রকম তারিখ বলা হয়। সাক্ষী লিয়াকত আলী অভিযোগে বর্ণিত ঘটনার তারিখ উল্লেখ করলেও আসামি সনাক্তের সময় ‘সেই কামারুজ্জামান’কে চিহ্নিত না করায় তার বক্তব্যে রিলাই করতে পারেননি ট্রাইব্যুনাল। একই ভাবে আরেকজন সাক্ষী মুজিবুর রহমান পানুর বক্তব্যে এ অভিযোগের সঙ্গে আসামির সম্পৃক্ততা খানিকটা বোঝা গেলেও অভিযোগে বর্ণিত ঘটনার তারিখের সঙ্গে তার বর্ণিত তারিখ মেলেনি। ফলে এ সাক্ষীর ক্ষেত্রেও একই পথ বেছে নিতে হয় ট্রাইব্যুনালকে।(সোর্স:বাংলা নিউজ ২৪) কেস ৬. (আটক ও হত্যা) অভিযোগঃ ১৯৭১ সালের নভেম্বরে কামারুজ্জামানের নির্দেশে আল বদদের কতিপয় সদস্য টুনু এবং গল্কি বাড়ির জাহাঙ্গিরকে আটক করা হয়। এবং তাদের ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের ডাক বাংলোয় নেয়া হয়। টুনুকে নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়, জাহাঙ্গীরকে আটক রেখে পরে ছেড়ে দেয়া হয়। মামলার অবস্থাঃ প্রসিকিউশন কোন সাক্ষিকে উপস্থিত করাতে পারেননি। ছয় নম্বর অভিযোগ(টুনু সহ ৫ জন হত্যা) প্রমাণের সময় একজন সাক্ষীর(হামিদুল হক) সাক্ষ্য তুলে ধরেন প্রসিকিউটর সাইফুল। তবে একই ভাবে অভিযোগে বর্ণিত ঘটনার তারিখ এবং সাক্ষীর বক্তব্য অনুযায়ী ঘটনার তারিখের মধ্যে মিল পাননি ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান আবারও বলেন, ‘‘এটা রিলাই করার মতো না।’’ (সোর্স: বাংলা নিউজ ২৪) কেস ৭. (আটক ও হত্যা) অভিযোগঃ রমযানের ২৭ তারিখে কামারুজ্জামান টেপু মিয়া ও তার বড় ছেলে জহুরুল ইসলামকে আটক করেন। ময়মনসিংহের গোলাপজান রোড থেকে তাদের সাথে আল বদরের সশস্ত্র ১৫-২০ জন সদস্য ছিলেন। তাদেরকে জেলা প্রসাশকের ডাক বাংলোয় আল বদর ক্যাম্পে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। পরেরদিন সকালে পিতা-ছেলের সাথে আরও ৫ জনকে ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে লাইনে দাড় করান হয়। টেপা মিয়াকে বেয়নেট দিয়ে আঘাত করার সময় সে নদীতে ঝাপিয়ে পরেন। আল বদরের সদস্যরা তাকে গুলি করলে তার পায়ে জখম নিয়ে পালিয়ে আসেন, কিন্তু বাকিদের সেখানে হত্যা করা হয়। মামলার অবস্থাঃ প্রসিকিউশন বলতে গেলে কোন সাক্ষী হাজির করতে পারেননি। কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ প্রমাণের সময় সংশ্লিষ্ট তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ট্রাইব্যুনালকে পড়ে শোনান প্রসিকিউটর সাইফুল। অভিযোগে বর্ণিত ঘটনা ও সাক্ষীদের বর্ণনার তারিখের মিল না হওয়া এবং ঘটনার সময় সরাসরি কামারুজ্জামানকে না দেখার কারণে ট্রাইব্যুনাল দুজন সাক্ষীর বক্তব্যে বিশ্বাস (রিলাই) রাখতে পারেননি। অন্য একজন সাক্ষীর বক্তব্য গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনাল জানতে চান, মাত্র একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে এ অভিযোগ গ্রহণ করার পক্ষে কোনো যুক্তি প্রসিকিউটরের আছে কিনা। এ সময় প্রসিকিউটর সাইফুল কাগজপত্র উল্টাতে থাকেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্যানেলের সদস্য বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়া খানিকটা বিরক্ত হয়ে এ সময় বলেন, ‘‘জানা থাকলে আপনি আগেই বলতেন।’’ এ সময় অন্য বিচারপতি শাহিনুর ইসলাম আবারও একই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘‘আই অ্যাম কনফিউজড, মাই লর্ড।’ (সোর্স: বাংলা নিউজ ২৪) উপসংহারঃ কেস ১, এ প্রসিকিউশন আসল সাক্ষি জীবিত থাকা সত্ত্বেও হাজির করতে ব্যার্থ হয় । শোনা সাক্ষিদের অসংগতি পুর্ন সাক্ষ্য কামারুজ্জামানের অপরাধ প্রমান করে না। কেস ২ এ , ১৯৭২ সালে বাদির পরিবার কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করার দাবি করেন, কিন্তু তারা এর পক্ষে কোন ডকুমেন্ট প্রদান করতে পারেনি। কিন্তু এফআইআর দ্বারা প্রমানিত হয় যে কামারুজ্জামান সে মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন না। কেস ৩ এ, প্রসিকিউশন ক্যামেরা ট্রায়াল এ সাক্ষ্য নেয়। যেখানে যা ইচ্ছা তাই লেখে দেয়া হয়। তাছাড়াও অন্যের কাছে শোনা কথা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। কেস ৪ এ, ৭১ সালে ১১ বছরের ছেলে যে কিনা সরকারের অংগ সংগঠনের সাথে জড়িত , তার শোনা কথা কখনই সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারেনা। কেস ৫ এ, প্রসিকিউশনের সাক্ষী ই কামারুজ্জামানের পক্ষে সাক্ষ্য দেয় যা কামারুজ্জামানের নিরপরাধ হওয়ার প্রমান। কেস ৬ এবং কেস ৭, এ প্রসিকিউশন কোন সাক্ষ্য হাজির করতে পারেননি। 'আবেগ দিয়ে বিচার হয় না, বিচার হয় সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে।‘মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত কামারুজ্জামানের মামলায় যা আছে আবেগ আর গাল গল্প, তবে যা নেই তাহলো সাক্ষ্য প্রমাণ।’ এ থেকে প্রমান হয় যে কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে করা কোন অভিযোগ সত্য নয়। কোন অভিযোগ ই প্রমানিত হয়নি। তাই তাকে নিঃশর্ত ভাবে বেকুসর খালাস দেয়া উচিত। নোট: লিখাটির দ্বিতীয় অংশের মুল ইংরেজি ভার্সন, http://www.kaagoj.com/details?id=179 বাংলা নিউজ ২৪ এর শিরোনাম:কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে ‘কনফিউজড’ প্রসিকিউটর!, ২৭ মার্চ, ২০১৩ http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=ef149aba940706f26588cf33df2d0f9e&nttl=27032013184752 লিখাটির দ্বিতীয় অংশ লিখার ক্ষেত্রে ব্লগার এম এন হাসানের ব্লগের সহায়তা নিয়েছি। ছবি কৃতজ্ঞতা : www.facebook.com/REAL.WAR.CRIMINAL সোর্স : ফেসবুক থেকে সংগৃহিত আওয়ামীলীগের দুঃশাসনের ভয়াবহ চিত্র .সেরা ৩০..(২০০৮-২০১৩)
২০০৮ সালে ভারতের টাকায় ক্ষমতায় আসার মাধ্যমেই প্রথম দুর্নীতির সূচনা করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। তারপর থেকেই দুর্নীতির ঘোড়া লাগামহীন চালাতে থাকে আওয়ামীলীগ ..খুন ধর্ষণ চাদাবাজি হয়ে উঠে তাদের নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার ...আপনাদেরকে সেইগুলো নিয়েই ধারণা দিব এই পোস্টে ...
১) বিডিয়ার হত্যাকান্ড :

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯-এ ঢাকায় পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে ৭৩ জন নিহত হন, যার মধ্যে ছিলেন ৫৭ সেনা অফিসার। এই বিদ্রোহে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও মামলা চলা কালে মৃত্যু হয় ৫৭ বিডিআর কর্মচারির। এ ঘটনার বিষয়ে আগেই আওয়ামী সরকারের প্রতিমন্ত্রী নানক, নেতা মির্জা আজম ও ব্যারিস্টার তাপস এর বাসায় বৈঠক করেন বিডিয়ারের বিদ্রোহীরা
বিডিয়ার বিদ্রোহের সাক্ষী সিপাহী (ব্যান্ড ) আলমগীর ..নং ..৫৯১০০ ..৩৯ রাইফেল ব্যাটালিয়ান, সংযুক্ত আরটিসিএন্ডএস (ব্যান্ড) এর সাক্ষ্যতে এই অভিযোগটি আরো ক্লিয়ার হয় ..
ওই ঘটনায় নিহত বিডিআর চিফ, জেনারেল শাকিলের ছেলে লন্ডন থেকে দাবি করেন, ঘটনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আগেই জানতেন এবং সে জন্যে তিনি এই দিনে পূর্ব নির্ধারিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পিলখানায় যাননি। সার্বিক ভাবে তদানিন্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের অযোগ্যতা এবং প্রধানমন্ত্রীর ভুল সিদ্ধান্তের ফলে পিলখানায় নিহতের সংখ্যা অনেক বেশি হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
২) শেভরন থেকে জয় ও তৌফিক এলাহীর দুর্নীতি: শেভরনকে বিনা টেন্ডারে ৩৭০ কোটি টাকার কাজ পাইয়ে দিতে উতকোচ গ্রহণের বিষয় তদন্ত করছে মন্ত্রণালয় ...
সূত্র
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bappy_edu/29060331

৩) কুইক রেন্টালের মাধ্যমে দুর্নীতির পুকুরচুরি:
২০০৯ সালে আওয়ামী সরকার দেশের চলমান বিদ্যুত্ সঙ্কট মেটানোর লক্ষ্যে স্থায়ী সাশ্রয়ী পদক্ষেপ না নিয়ে এগিয়ে যায় ব্যায়বহুল কুইক রেন্টাল সিস্টেম স্থাপনে।
১) বিডিয়ার হত্যাকান্ড :

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯-এ ঢাকায় পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে ৭৩ জন নিহত হন, যার মধ্যে ছিলেন ৫৭ সেনা অফিসার। এই বিদ্রোহে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও মামলা চলা কালে মৃত্যু হয় ৫৭ বিডিআর কর্মচারির। এ ঘটনার বিষয়ে আগেই আওয়ামী সরকারের প্রতিমন্ত্রী নানক, নেতা মির্জা আজম ও ব্যারিস্টার তাপস এর বাসায় বৈঠক করেন বিডিয়ারের বিদ্রোহীরা
বিডিয়ার বিদ্রোহের সাক্ষী সিপাহী (ব্যান্ড ) আলমগীর ..নং ..৫৯১০০ ..৩৯ রাইফেল ব্যাটালিয়ান, সংযুক্ত আরটিসিএন্ডএস (ব্যান্ড) এর সাক্ষ্যতে এই অভিযোগটি আরো ক্লিয়ার হয় ..
ওই ঘটনায় নিহত বিডিআর চিফ, জেনারেল শাকিলের ছেলে লন্ডন থেকে দাবি করেন, ঘটনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আগেই জানতেন এবং সে জন্যে তিনি এই দিনে পূর্ব নির্ধারিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পিলখানায় যাননি। সার্বিক ভাবে তদানিন্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের অযোগ্যতা এবং প্রধানমন্ত্রীর ভুল সিদ্ধান্তের ফলে পিলখানায় নিহতের সংখ্যা অনেক বেশি হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
২) শেভরন থেকে জয় ও তৌফিক এলাহীর দুর্নীতি: শেভরনকে বিনা টেন্ডারে ৩৭০ কোটি টাকার কাজ পাইয়ে দিতে উতকোচ গ্রহণের বিষয় তদন্ত করছে মন্ত্রণালয় ...
সূত্র
http://www.somewhereinblog.net/blog/Bappy_edu/29060331

৩) কুইক রেন্টালের মাধ্যমে দুর্নীতির পুকুরচুরি:
২০০৯ সালে আওয়ামী সরকার দেশের চলমান বিদ্যুত্ সঙ্কট মেটানোর লক্ষ্যে স্থায়ী সাশ্রয়ী পদক্ষেপ না নিয়ে এগিয়ে যায় ব্যায়বহুল কুইক রেন্টাল সিস্টেম স্থাপনে।
ফলে একটি সূত্র মতে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (বিপিডিবি, বাংলাদেশ বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ড) ক্ষতি ২৫,০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। আওয়ামী সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রাইভেট কুইক রেন্টাল কম্পানি থেকে বেশি দামে বিদ্যুত্ কিনে তা কম দামে বিক্রি করায় প্রতি বছর বিপিডিবি-র ক্ষতির পরিমাণ বেড়েই চলেছে।
কুইক রেন্টাল সিসটেমে যারা জড়িত তাদের মধ্যে নাম এসেছে মন্ত্রী (এবং প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়) কর্ণেল ফারুক খান ও আজিজ গ্রুপ, গার্মেন্টস রফতানিকারক মোহাম্মদী গ্রুপ, ফার্নিচার বিক্রেতা অটবি গ্রুপ, সালমান রহমানের বেক্সিমকো গ্রুপ ইত্যাদি।
৪) ট্রানজিটের নামে দেশের সার্ভভৌমত্ব হুমকিতে ফেলা এবং নদী ও রাস্তাঘাট ধ্বংস করা ..

২০১০ সাল থেকেই আশুগঞ্জ-আখাউড়া স্থলপথে ইনডিয়া ট্রানজিট সুবিধা নেয়। ইনডিয়ানরা তাদের হেভি লরি চলাচলের জন্য ১৬টি কালভার্ট বন্ধ করে দেয় এবং তিতাস নদীর দুটি স্থানে পানি প্রবাহ বন্ধ করে দেয়। ফলে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে গুরুতর পরিবেশ বিপর্যয় ঘটে।
৫) শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারী :

২০১০-এর শেষাংশে শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারিতে একটি হিসেবে দেশের ৩৩ লক্ষ বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদি প্রতিটি বিনিয়োগকারীর পেছনে পাঁচজন আত্মীয়-বন্ধু সেকেন্ডারি বিনিয়োগকারী থাকে তাহলে দেশে মোট ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা হবে এক কোটি ৬৫ লক্ষ। অর্থাত্ দেশের এক দশমাংশ জনসংখ্যার কিছু বেশি।
ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা নিঃস্ব হয়ে যান। দিশাহারা বিনিয়োগকারীরা মতিঝিলে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করলে প্রধানমন্ত্রীর অথনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বলেন, ‘ওরা দেশের শত্রু। সমাজের শত্রু। ওদের জন্য মাথা ঘামানোর কোনো কারণ নেই। তাদের কষ্টে আমার মন কাঁদে না। শেয়ারবাজার ধসে সরকারের মাথাব্যথার কিছু নেই। কারণ শেয়ারবাজারে পুঁজি প্রকৃত বিনিয়োগে যায় না... শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা দেশের অর্থনীতিতে কোনো অবদান রাখে না।’ (আমার দেশ ২১.০১.২০১১)
অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত এক পর্যায়ে সংসদে বলেন, ‘আমি জানি আমি দেশের সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি।’
এই কেলেঙ্কারিতে যারা জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে তাদের মধ্যে আছেন, ম্যানপাওয়ার বিজনেস খ্যাত জনৈক আওয়ামী এমপি এবং শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের সেই সময়ের বন্ধু ও বর্তমানে “দরবেশ” রূপে খ্যাত ব্যক্তি, প্রমুখ।
৬) মিরসরাই ট্রাজেডি :

১১ ডিসেম্বর ২০১১-তে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশ নিতে আদিষ্ট হয় চট্টগ্রামের মিরসরাইতে কিছু স্কুল ছাত্র। ওই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যাবার পথে ট্রাক উল্টে ৫৩ স্কুল ছাত্রের মৃত্যু হয়।
৭) ডেসটিনি ও বিভিন্ন এমএল কোম্পানির দুর্নীতি:

দীর্ঘকাল জুড়ে বিভিন্ন দিক থেকে মালটি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কম্পানি ডেসটিনি গ্রুপের বিরুদ্ধে আওয়ামী সরকারকে বারবার সতর্ক করে দেওয়া সত্ত্বেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি তারা। সম্ভাব্য কারণ ছিল, এই গ্রুপের প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও কট্টর আওয়ামীপন্থী রূপে পরিচিত সাবেক সেনা প্রধান লে: জে: হারুন-অর-রশিদ।
অবশেষে ১১ জুলাই ২০১২-তে দুদক বাধ্য হয় পদক্ষেপ নিতে। ডেসটিনির ৩,২৮৫ কোটি টাকা মানি লন্ডারিং ও আত্মসাতের মামলায় জেনারেল হারুনকে টানা সাত ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক তদন্ত টিম। ওই তদন্তে দুদক জানতে চায় জেনারেল হারুনের ব্যাংক একাউন্টে ২০ কোটি টাকা ঢুকলো কিভাবে? উত্তরে হারুন বলেন, ‘মাসিক সম্মানী, ডিভিডেন্ড ফান্ড, এলাউন্স, কমিশন বাবদ এই টাকা আমার একাউন্টে ঢুকেছে। এছাড়া কিছু টাকা বাড়ি ভাড়া থেকেও এসেছে।’ (যুগান্তর ৫.১১.২০১২)
ডেসটিনি ছাড়া আরো ত্রিশটির বেশি এমএলএম কম্পানি অবাধে মানুষকে প্রতারণা করার সুযোগ পায় আওয়ামী সরকার শাসনে। এসব কম্পানির মধ্যে রয়েছে ইউনিপে টু ইউ, সাকসেস লিংক, গ্লোবাল নিউওয়ে, প্রভৃতি। দুদকের তদন্ত অনুযায়ী, কয়েকটি এমএলএম প্রতিষ্ঠান জনগণের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছে ৪,৯৬৩ কোটি টাকার কিছু বেশি এবং এর মধ্যে ব্যক্তিগত একাউন্টে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল প্রায় ৪,৬০১ কোটি টাকা। (প্রথম আলো ৯.৯.২০১২)।
৮) হলমার্ক দুর্নীতির কেলেঙ্কারী :

আগস্ট ২০১২-তে বিভিন্ন পত্রিকায় হলমার্ক গ্রুপের জালিয়াতির খবর প্রকাশিত হতে থাকে। জানা যায় সরকারি ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের শেরাটন হোটেল ব্রাঞ্চে (বর্তমানে শেখ হাসিনার দেয়া নাম রূপসী বাংলা হোটেল) বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কুশ্রী অর্থনৈতিক কেলেংকারির পরিমাণ ৩,৬০৬ কোটি ৪৮ লাখ বা প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে হলমার্ক একাই নিয়েছে প্রায় ২,৬৬৮ কোটি টাকা। একটি ব্যাংকের একটি ব্রাঞ্চে একটি কম্পানির এই পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের ঘটনা আর কোথাও ঘটেছে বলে ব্যাংকিং খাতের কেউ বলতে পারেন নি। বাংলাদেশে এর আগে বিভিন্ন সময়ে ঋণের নামে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটলেও অঙ্কের বিচারে এটি সর্ববৃহত্। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত এটিই ব্যাংকিং খাতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আর্থিক কেলেঙ্কারি। (প্রথম আলো ৫.৯.২০১২)।
এরপর এক গোলটেবিল অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক কেলেঙ্কারি নিয়ে গণমাধ্যমের ভূমিকার সমালোচনা করে অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন,‘ব্যাংকিং খাতে আমরা ৪০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিই। এর মধ্যে মাত্র তিন বা চার হাজার কোটি টাকা নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। এটা কোনো বড় অঙ্কের অর্থ নয়। এ নিয়ে হইচই করারও কিছু নেই।সংবাদমাধ্যমে এটা নিয়ে অতিরিক্ত প্রচারণা করে দেশের ক্ষতি করছে। এমন ভাব যেন দেশের ব্যাংকিং সেক্টর ধসে গেছে। এতে আমাদের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।’
তানভীরের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী রিটায়ার্ড ক্যাপ্টেন তাজুল ইসলাম ও আওয়ামী এমপি ওবায়দুল মুকতাদিরের সম্পর্ক বিষয়ে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। লায়েকুজ্জামান ও জাবেদ রহিম বিজনের দুটি রিপোর্টে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার নামটি অপ্রকাশিত থাকে। পরবর্তী সময়ে এই নামটিও প্রকাশিত হয়। তিনি ছিলেন চোখের ডাক্তার সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী এবং তিনি স্বীকার করেন শেরাটনের সোনালী ব্যাংক ব্রাঞ্চে তার যাতায়াত ছিল।
৯) তাজরীন ফ্যাশনে আগুন ও ১২০ জন অগ্নিদগ্ব হয়ে নিহত :

২৪ নভেম্বর ২০১২-তে আশুলিয়ায় তাজরীন ফ্যাশনস লিমিটেডের গার্মেন্টস কারখানায় আগুন লেগে ১১১ কর্মী পুড়ে মারা যায়। তাজরীনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর দেলোয়ার হোসেন একজন সরকার সমর্থক ব্যক্তি রূপে পরিচিত।
১০) বদ্দারহাট ফ্লাইওভার ধ্বস :

দুই দিন পরেই ২৬ নভেম্বর ২০১২-তে চট্টগ্রামে বহদ্দার পুকুর পাড়ে নির্মীয়মান ফ্লাইওভারের গার্ডার ধ্বসে ১৫ জন নিহত হয়। প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর সাত্তার টিংকু-র মালিকানাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাকটো পারিসা লিমিটেড এবং মীর আক্তার কনসট্রাকশন দুটি ফার্ম যুগ্মভাবে এই ফ্লাইওভার নির্মাণের কার্যাদেশ পেয়েছিল।
১১) পদ্মাসেতুর দুর্নীতি :


১১ জানুয়ারি ২০১৩-তে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক চূড়ান্তভাবে জানিয়ে দেয় আওয়ামী সরকারের দুর্নীতির কারণে তারা পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করবে না। ইতিপূর্বে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক যখন এই অভিযোগটি আনে, তখন বহু গড়িমসির পরে যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন পদত্যাগ করেন। কিন্তু ক্ষতিপূরণ স্বরূপ তাকে ‘দেশপ্রেমিক’ রূপে আখ্যায়িত করেন প্রধানমন্ত্রী। আবুল হোসেন ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার ছবিসহ তিনটি বড় বিলবোর্ড স্থাপন করেন ফার্মগেট থেকে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় পর্যন্ত, যেখানে শেখ হাসিনার স্তুতি বড় অক্ষরে দেখানো হয়েছে। পদ্মা সেতু দুর্নীতিতে আওয়ামী সরকারের অন্যান্য কারা জড়িত ছিলেন সে বিষয়ে গুঞ্জন শোনা গেলেও মেইনস্টৃম পত্রিকায় অসমর্থিত থেকে যায়।
১২) সাভারের রানা প্লাজার ট্রাজেডি :

আওয়ামীলীগ নেতা রানার ভবন ধসে পড়ে সরকারী হিসাবে নিহত হয় ৪০০ জন শ্রমিক ..কিন্তু আজকে বৃটেনের দৈনিক টেলিগ্রাফের মতে প্রায় ১২০০ জন শ্রমিক মারা যায় ...
ইনডিয়ার ভূপাল, মধ্যপ্রদেশে, ইউনিয়ন কারবাইড ফ্যাকটরিতে গ্যাস লিকেজের ফলে ২ ডিসেম্বর ১৯৮৪ দিবাগত রাতে যে দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল, এখন পর্যন্ত সেটাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইনডাস্টৃয়াল অ্যাকসিডেন্ট। এ মুহূর্তে ওয়ার্ল্ড মিডিয়া মনে করছে সাভার দুর্ঘটনা তার পরেই দ্বিতীয় স্থানটি অধিকার করবে। শেখ হাসিনার উৎসাহে সরকারের বহু ট্যাকটিকস সত্ত্বেও সুন্দরবনকে পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু এখন অতি সহজেই বাংলাদেশ যে একটি বিশ্ব রেকর্ডের কাছাকাছি পৌছালো তার জন্য হাসিনা সরকার কৃতিত্ব দাবি করতে পারে ..
১৩) এমপি শাওনের হাতে ইব্রাহীম হত্যাকান্ড:

গত ১৩ আগস্ট সন্ধ্যায় এমপি শাওনের লাইসেন্সকৃত পিস্তলের গুলিতে যুবলীগকর্মী ইব্রাহীমের মৃত্যু হয়। প্রথমে এটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে এমপি শাওনের গাড়িচালক কালা থানায় অপমৃত্যুর মামলা করে। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে এটি দুর্ঘটনা নয়, হত্যাকাণ্ড। একপর্যায়ে কালা ও এমপি শাওনের পিএস সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে কালা পিস্তল নিয়ে কাড়াকাড়ি করতে গিয়ে তার হাত থেকেই গুলি বেরিয়ে ইব্রাহীমের শরীরে বিদ্ধ হয় বলে স্বীকার করে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
১৪) নাটোরে ক্যামেরার সামনে চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ বাবুর হত্যা:

৮ অক্টোবর শুক্রবার দুপুরে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় বিএনপির সমাবেশে সরকার দলীয় ক্যাডাররা হামলা চালিয়ে বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ নুর বাবুকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে। এ হামলায় তিনজন সাংবাদিকসহ প্রায় ২০ জন আহত হয়।
কিন্তু তার পরে হাসিনা সাভারের রানার মত বলেছিলেন আওয়ামীলীগের কেউ নাকি এই হত্যাকান্ডে জড়িত ছিল না
কিন্তু ভিডিও কি বলে ? সবাই লীগের দলীয় কর্মী
১৫) সীমান্ত হত্যাকাণ্ডে নীরবতা:

আমরা কেউই ফেলানির কথা ভুলিনি ..যাকে হায়েনা বিএসএফ খুন করে কাটা তারের বেড়ায় ঝুলিয়ে রেখেছিল ...দেয়নি একটি পানি ..এইভাবেই প্রতিনিয়ত বাংলাদেশীদের খুন ও নির্যাতন করছে বিএসএফ .

মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের রিপোর্টে সীমান্ত হত্যাকান্ড নিয়ে বিস্তারিত দেখুন
১৬) ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের জোরপূর্বক দেহব্যবসা :

গত ১৩ ই মার্চ ২০১০ ছাত্রলীগের দুইগ্রুপে দেহব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ হয় ... খবরে প্রকাশ....
দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্রীদের জোরপূর্বক ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতাদের বাসায় নেয়া ছাড়াও রাজধানীর কাকরাইল, গুলিস্তান, এলিফেন্ট রোড, মালিবাগ, মতিঝিল, মোহাম্মদপুর, নাখালপাড়া, মীরপুরের আবাসিক হোটেলগুলোতে সংগঠনের জুনিয়র কর্মী ছাড়াও প্রথম বর্ষ ও দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীদের বাধ্য করে নিয়ে যাওয়া হতো।
একটি পক্ষ বলছে, কলেজের সভাপতি জেসমিন শামীমা নিঝুম ও সাধারণ সম্পাদক ফারজানা ইয়াসমিন তানিয়াসহ কয়েকজন প্রথম সারির নেত্রী ছাত্রীদের দিয়ে দেহব্যবসা ও ভর্তি বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত। আবার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পক্ষ বলছে, যারা ছাত্রীদের দিয়ে দেহব্যবসা করায় তার প্রতিবাদ করায়ই আমাদের ওপর হামলা হয়েছে।
১৭) সাংবাদিক দলন ও সাগর রুনি হত্যাকান্ড

২য় বারের মত গ্রেপ্তার করে মাহমুদুর রহমানকে

সাগর রুনি হত্যার কোনো বিচার হয়নি ...

বন্ধ করে দেয় সোনারবাংলাদেশ ব্লগ

গ্রেপ্তার করে মডারেটরকে
বন্ধ করে দেয় ফেসবুক , ইউটিউব , বাশেরকেল্লা সহ ফেসবুকের অনেক পেইজ
১৮) ছাত্রলীগের প্রশ্রয়ে দেশব্যাপী ইভটিজিং:

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পহেলা বৈশাখে ছাত্রী লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় ৭ ছাত্রলীগ কর্মীকে বহিস্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মহিলা পুলিশকে ছাত্রলীগের যৌন হয়রানি : আ.লীগ নেতাদের চাপে দোষীদের ছেড়ে দেয়ায় রাজশাহী পুলিশে ক্ষোভ .....
এই রকম হাজারো যৌন নিপীড়ন করে ছাত্রলীগ ..অবৈধ যৌনকর্ম করে ভিডিও ছেড়ে দেয় বাজারে। ধর্ষণ করতে গিয়ে লিঙ্গ হারান যুবলীগ নেতা .
১৯) চৌধুরী আলম ও ইলিয়াস আলী গুম:

এই সরকারের আমলে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী , চৌধুরী আলম , রফিকুল ইসলাম , শিবির নেতা ওয়ালিউল্লাহ ও নাম না জানা অনেকেই গুম করে এই সরকার
২০) বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ড:

শিবির সন্দেহে খুন করে বিশ্বজিতকে ছাত্রলীগ
২১) ছাত্রলীগ থেকে পুলিশে গোপন নিয়োগ:

কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শুধু দলীয় বিবেচনায় আওয়ামী লীগের অনুগতদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বিরোধী মতের লোকজনকে দমন-পীড়নে এসব পুলিশ সদস্যদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে সরকার।
২২) বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা:

দেশের সর্বত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক .শহর বেড়িয়ে গ্রামঞ্চলে আরো বেশি খারাপ ..যানজটের কারণে ঢাকা শহরে মানুষের নাভিশ্বাস ..
২৩) দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি:
১০ টাকায় চাল খাওয়াবার কথা বলে ক্ষমতায় আসে হাসিনা
কিন্তু এখন ২৫০ গ্রাম চাল ও পাওয়া যাচ্ছে না ..৩ টাকার ডিম হয়েছে ১০ টাকা ..
এই নিয়ে দেখুন এক মহিলার জ্বালাময়ী বক্তব্য
মহিলা বলেছেন হাসিনা নাকি মাথার উপ্রে উঠেছে ...আল্লাহ এখনো এই মহিলার বিরুদ্বে যুদ্বপরাধি বিচার বানচাল অথবা নিজেই যুদ্বপরাধি হিসাবে মামলা হয়নি , এটাই তো বিস্ময়
২৪) আইনশৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি :

গত ৩১ মাসে দেশে খুন হয়েছে ১০ হাজার ৪০৬ জন, ডাকাতি হয়েছে ১ হাজার ৮০৭টি, দস্যুতা ২ হাজার ৯৭২টি এবং চুরি হয়েছে ২২ হাজার ৮০৩টি। এর মধ্যে ২০০৯ সালে ডাকাতি ৭৬৪, দস্যুতা ১২৯৮, খুন ৪২১৯ এবং চুরির ঘটনা ঘটেছে ৯১৭১টি এবং ২০১০ সালে ডাকাতি ৬৫৬, দস্যুতা ১০৫৯, খুন ৩৯৮৮ এবং চুরির ঘটনা ঘটেছে ৮৫২৯টি। আর এ বছরের জানুয়ারিতে দেশে ডাকাতি হয়েছে ৬৯টি, দুস্যতা ৯৩টি, খুন ২৭৮টি এবং চুরি ৭৭৮ টি। ফেব্রুয়ারিতে ডাকাতি ৬৩ , দস্যুতা ৯৯ , খুন ২৮০ এবং চুরি ৬৯৩টি। মার্চে ডাকাতি ৬২, দস্যুতা ৮৪, খুন ৩১৬ এবং চুরি ৭২০টি। এপ্রিলে ডাকাতি ৩৬, দস্যুতা ৯০, খুন ৩২৭ এবং চুরি ৭১৫টি। মে মাসে ডাকাতি ৫১, দস্যুতা ৮৭, খুন ৩২৫ এবং চুরির ঘটনা ঘটেছে ৭৩১টি। জুন মাসে ডাকাতি ৪৪, দস্যুতা ৬৪, খুন ৩৩৬ এবং চুরির ঘটনা ঘটেছে ৬৫৮টি। জুলাই মাসে ডাকাতি ৬২, দস্যুতা ৯৮, খুন ৩৩৭ এবং চুরির ঘটনা ঘটেছে ৮০৮টি।
২৫) গ্যাস- বিদ্যুৎ- পানি সংকট:


বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র মতে, বর্তমানে দেশে গ্যাসের দৈনিক চাহিদা প্রায় ২৯০ কোটি ঘনফুট। উত্পাদিত হচ্ছে ২২০ কোটি ঘনফুট। বর্তমান সরকারের আমলে গ্যাসের উত্পাদন বেড়েছে প্রায় ৫০ কোটি ঘনফুট। রাজধানীতে গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তিতাসের আওতাধীন এলাকায় গ্যাসের দৈনিক চাহিদা প্রায় ১৭০ কোটি ঘনফুট। কিন্তু সরবরাহ হচ্ছে ১৫০ কোটি ঘনফুট। অবশিষ্ট ২০ কোটি ঘনফুটের ঘাটতি বহু দিনের। শীতের কারণে বর্তমানে চাহিদা বেড়েছে আরও ২০ কোটি ঘনফুট। ফলে মোট ১৯০ কোটি ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটি ঘনফুট।
সার কারখানা বন্ধ রেখে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের ফলে চট্টগ্রামের দুটো সার কারখানায় দৈনিক ক্ষতি প্রায় ছয়কোটি টাকা। এভাবে কয়দিন চালানো যাবে????
২৬) টিপাইমুখ বাঁধ :

গত ২২ অক্টোবর নয়াদিল্লীতে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি অনুযায়ী, নতুন কোম্পানিতে এনএইচপিসির ৬৯ শতাংশ মালিকানা থাকছে। এছাড়া এসজেভিএন ২৬ শতাংশ এবং মনিপুর সরকার ৫ শতাংশের মালিক হচ্ছে।
বরাক নদীর ওপরে টিপাইমুখে বাঁধ ও জলবিদু্যত কেন্দ্র নির্মাণের জন্য কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার সঙ্গে ভারতের বিনিয়োগ চুক্তি স্বাৰরে বাংলাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিপাইমুখে বাঁধ হলে বাংলাদেশের ওপর ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে। প্রধান বিরোধী দল বিএনপি বলেছে, এ বাঁধ নির্মাণ হলে মেঘনা অববাহিকার তিন কোটি মানুষসহ জীববৈচিত্র্য সঙ্কটে পড়বে। ভারতের এ সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক পানি আইনের লঙ্ঘন।
এই চুক্তি হওয়ার পর হাসিনা সরকার বাংলাদেশকে মরুভূমি হতে বাচাতে কোনো নেয়নি ..উল্টো পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলছেন এই নিয়ে সরকার বিব্রত নয় ....টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়৷ এ নিয়ে সরকারের কিছু করণীয় নেই
২৭) পুলিশি হামলায় একাধিক দফায় শিক্ষক হত্যা :

যে শিক্ষকরা ছাত্রদেরকে পড়ালেখা শিখিয়ে মানুষ করে পুলিশ বানিয়েছে সেই পুলিশ দিয়েই সরকার শিক্ষকদের হত্যা করেছে ...নিক্ষেপ করেছে বিষাক্ত পিপার স্প্রে ..
স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত (বেতনবাবদ মাসিক সরকারি টাকা) করাসহ চার দফা দাবিতে ৭ জানুয়ারি থেকে কর্মসূচি পালন করে আসছে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট। প্রথম দিন থেকেই শিক্ষক-কর্মচারীদের কর্মসূচিতে তান্ডব চালাতে থাকে পুলিশ .
গত ১০ জানুয়ারি রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের পিপার স্প্রেতে আক্রান্ত হন হারুন অর রশীদ। এরপর তাকে চিকিৎসা শেষে দেশের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়। অসুস্থ অবস্থায় তিনি শুক্রবার ভোরে মারা যান।এর আগেও সেকেন্দার আলী ও মেসবাউল হোসেন নামে আন্দোলনরত দুই শিক্ষকের মৃত্যু হয়।
২৮) ছাত্রলীগ :
ছাত্রলীগ নিয়ে লিখলে ব্লগের পাতা শেষ হয়ে যাবে কিন্তু ছাত্রলীগের কুকীর্তি লিখে শেষ করা যাবে না ..


ছাত্রলীগের কুকীর্তি জানতে গুগলে ছাত্রলীগ লিখে সার্চ দিন অথবা নিচের ভিডিও টি দেখুন
২৯) নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ:

মহাজোট সরকারের ৪ বছরে ১৩ হাজার ধর্ষণ : নারী নির্যাতন ৬৭ হাজার
বাংলাদেশ পুলিশ সদর দফতরের অপরাধ পরিসংখ্যান অনুযায়ী আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের ৪ বছরে সারাদেশে ধর্ষণের শিকার হয় মোট ১২৯৭১ জন। এ সময়ে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৬৭ হাজার ২২৯টি। এছাড়া যৌতুক ও নানা কারণে স্বামীগৃহে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২ হাজার ৫ জন নারী। তন্মধ্যে স্বামীগৃহে নির্যাতনের ফলে জীবন দিতে হয়েছে প্রায় দেড় সহস্রাধিক নারীকে। এসিড সহিংসতার শিকার হয়েছেন ৪৪২ জন। বাস্তবের তুলনায় পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংখ্যা একেবারেই নগণ্য।
৩০) স্কাইপ স্কান্ডেল :


স্কাইপে কেলেংকারী শুনুন ...যার মাধ্যমে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থাকে আন্তর্জার্তিক ভাবে কলংকিত করা হয়েছে ..বিচারের নামে বিরোধী দলকে দমনের দানবীয় পরিকল্পনা ফাস হয়েছে ..
৩১) দেশব্যাপী গণহত্যা :
বাংলাদেশের ইতিহাসে একদিনে ৮০ জন মানুষকে পুলিশ দিয়ে খুন করার নজির ঘটিয়েছে আওয়ামীলীগ। প্রতিবাদী জনতাকে দমনের নামে চালানো হয় পুলিশী তান্ডব ..বিরোধী দলের বিভিন মিছিলে গুলি করে হত্যাকরে নৃশংস ভাবে ..

বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিওটিতে .
এগুলো হলো আওয়ামীলীগের উল্লেখযোগ্য ৩০ টি অপকর্মের ফিরিস্তি ...ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিযে আজ বাংলাদেশকে জাহান্নাম বানিয়ে দিয়েছে আওয়ামীলীগ।
রেফারেন্স :..............
http://www.natunbarta.com/opinion/2013/04/27/23413/1cfb0e2ecac0bc448fdf1250878d2d6b
http://www.natunbarta.com/opinion/2013/04/29/23736/4b977d676ddabb1a92ad2a7420236e26
http://dailyjugandhar.com/index.php?cPath=91&showme=1907&dt=08&mt=Jan&yr=2013
http://banglamail24.com/index.php?ref=ZGV0YWlscy0yMDEzXzAxXzE4LTEwNS0xODYwMQ==
http://www.bdtoday.net/newsdetail/detail/40/10380
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=61505
বিষয়: বিবিধ
Subscribe to:
Comments (Atom)











































