Sunday, 4 May 2014

নির্মূল কমিটির হিসাবে ৫ মে নিহত ৩৯


রাজধনীর শাপলা চত্বরে গত ৫ মে হেফাজতের অবস্থান কর্মসূচিতে ৩৯ জন নিহত হয়েছে বলে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে।

সংগঠনটির উদ্যোগে ওইদিনের ঘটনায় ‘মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে গণকমিশন’ নামে একটি কমিশন গঠন করে এ তদন্ত করা হয়। যার নেতৃত্বে ছিলেন বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম। আর সদস্য সচিব ছিলেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির।

শুক্রবার বিকেলে ধানমণ্ডির ডব্লিউভিএ মিলনায়তনে ‘হেফাজত-জামায়াতের মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের ৪০০ দিন’  নামে একটি শ্বেতপত্রের মোড়ক উন্মোচন করে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। সেখানেই এ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।


মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘শাপলা চত্বরে ৫ মের সমাবেশকে ঘিরে ৩৯ জন নিহত হয়েছেন।’ তবে এ ঘটনায় হেফাজতের তালিকা অনুযায়ী ৭৯ জন এবং মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের হিসাবে ৬১ জনের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল সেগুলোকে তিনি অতিরঞ্জিত ও বানোয়াট বলে মন্তব্য করেন। ঘটনার কয়েকদিন পর সরকার এক প্রেসনোটে জানায়, ওই দিন ১১ জনের বেশি নিহত হয়নি।

তিনি বলেন, ‘৫ মে এর ঘটনা তদন্তে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উদ্যোগে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছিল। যার নেতৃত্বে ছিলেন বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম। সেই কমিশন এক হাজার মাদরাসা ঘুরে ঘুরে এ বিষয়ে তদন্ত করেছে।’
৫ মে এর ঘটনায় নিহত ৩৯ জন পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে শাহরিয়ার কবির সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছেন।
ওই সমাবেশের পর হাজার হাজার আলেম হত্যার যে প্রচার চালানো হয় এর পরিপ্রেক্ষিতেই শ্বেতপত্রটি তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয় বলে জানান শাহরিয়ার কবির।

কমিশনের সদস্যরা হলেন- অধ্যাপক বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সাংবাদিক কামাল লোহানী, কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক, অধ্যাপক অজয় রায়, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, শিক্ষাবিদ শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী প্রমুখ।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্মূল কমিটির একটি প্রতিনিধিদল জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে শ্বেতপত্রের কপি দেয়।
http://www.banglamail24.com/index.php?ref=ZGV0YWlscy0yMDEzXzExXzA4LTEwNS02MTQyMA==